প্রিন্ট

20/06/2024
চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন, ২০১০

চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন, ২০১০

( ২০১০ সনের ২৫ নং আইন )

দ্বিতীয় অধ্যায়

ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, কাউন্সিল গঠন, ইত্যাদি

ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা
৩। (১) এই আইন বলবৎ হইবার পর, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করিবে।
 
 
(২) ইনস্টিটিউট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং, এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইনস্টিটিউট ইহার স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
ইনস্টিটিউটের কার্যালয়
৪। ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ইহা, প্রয়োজনবোধে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
ইনস্টিটিউটের পরিচালনা ও প্রশাসন
৫। (১) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য উহার একটি কাউন্সিল থাকিবে, যাহা চার্টার্ড সেক্রেটারীজ কাউন্সিল নামে অভিহিত হইবে।
 
 
(২) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনা পদ্ধতি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে, তবে এতদুদ্দেশ্যে প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত, কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের কর্মকান্ড পরিচালনা করা যাইবে।
কাউন্সিল গঠন
৬। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথাঃ-
 
 
(ক) ফেলো ও এসোসিয়েটগণের মধ্য হইতে নির্বাচিত তেরজন সদস্য, যাহাদের মধ্য হইতে, উক্ত সদস্যগণ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে, যথাক্রমে একজন উহার প্রেসিডেন্ট, একজন সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং একজন ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হইবেন;
 
 
(খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার, একজন কর্মকর্তা;
 
 
(গ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার, একজন কর্মকর্তা;
 
 
(ঘ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক মনোনীত, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অন্যূন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার, একজন কর্মকর্তা;
 
 
(ঙ) সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এস.ই.সি) কর্তৃক মনোনীত, উক্ত কমিশনের, একজন সদস্য; এবং
 
 
(চ) রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস এর রেজিস্ট্রার।
 
 
(২) প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের প্রধান হইবেন।
 
 
(৩) প্রেসিডেন্ট এর পদ শূন্য হইলে বা তাঁহার অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে তিনি তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, উক্ত শূন্য পদে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা প্রেসিডেন্ট পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এর অবর্তমানে ভাইস-প্রেসিডেন্ট, প্রেসিডেন্টের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করিবেন।
কাউন্সিলের মেয়াদ
৭।(১) কাউন্সিলের মেয়াদ হইবে উহার প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে তিন বৎসর।
 
 
(২) কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ, পদত্যাগ না করিলে, কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব পদে বহাল থাকিবেন এবং তাহারা পুনঃনির্বাচনের জন্য অযোগ্য হইবেন না।
 
 
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ক্ষেত্রমত, কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট, তাঁহাদের উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
নির্বাচন, মনোনয়ন, বিরোধ নিষ্পত্তি, ইত্যাদি
৮।(১) কোন কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ষাট দিনের মধ্যে, পরবর্তী কাউন্সিল গঠনের উদ্দেশ্যে, উহার সদস্যগণের নির্বাচন ও, ক্ষেত্রমত, মনোনয়ন সম্পন্ন করিতে হইবে।
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন ও, ক্ষেত্রমত, মনোনয়ন সম্পন্ন করিয়া কাউন্সিল গঠন করিতে হইবে।
 
 
(৩) কাউন্সিলের প্রথম সভায় উহার প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
 
 
(৪) কাউন্সিলের সদস্য পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রে, মনোনয়ন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা, যে কোন সময়, সংশ্লিষ্ট মনোনয়ন বাতিলপূর্বক নূতন মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবে।
 
 
(৫) উপ-ধারা (১) ও (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে কাউন্সিল গঠন করা না হইলে, সরকার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে একজন প্রশাসক নিয়োগ করিবে এবং প্রশাসক, যথাশীঘ্র সম্ভব, কাউন্সিল গঠন করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
 
 
(৬) কাউন্সিলের নির্বাচন প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে।
 
 
(৭) কাউন্সিলের কোন নির্বাচনকে কেন্দ্র করিয়া কোন বিরোধ দেখা দিলে উক্ত বিরোধ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল কতৃর্ক নিষ্পত্তি হইবে।
 
 
(৮) কাউন্সিল কতৃর্ক কাউন্সিলের ফেলো সদস্যগণের মধ্য হইতে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলের অপর দুইজন সদস্যকে সদস্য করিয়া নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং কাউন্সিলের নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে উক্ত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
কাউন্সিলের সদস্য পদে শূন্যতা
৯। (১) ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত কাউন্সিলের কোন নির্বাচিত সদস্য যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ ব্যতীত পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিলে, পদত্যাগ করিলে বা কোন কারণে রেজিস্টার হইতে তাহার নাম অপসারিত হইলে কাউন্সিলে তাহার পদ শূন্য হইয়া যাইবে।
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন কারণে কাউন্সিলের নির্বাচিত কোন সদস্যের পদ শূন্য হইলে, উক্তরূপ শূন্য হইবার তারিখ হইতে অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নূতন নির্বাচনের মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা হইবে এবং উক্তরূপে নির্বাচিত সদস্য তাহার পূর্বসূরীর মেয়াদের অবশিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত কাউন্সিলের সদস্য পদে বহাল থাকিবেন।
 
 
(৩) উপ-ধারা (২) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ছয় মাসের মধ্যে কোন পদ শূন্য হইলে, উক্ত পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান না করিয়া কাউন্সিল উহার সদস্য হইবার যোগ্য কোন ফেলো বা এসোসিয়েটকে সাময়িকভাবে, অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য, উক্ত শূন্য পদে নিয়োগ করিতে পারিবে।
 
 
[ ব্যাখ্যা : এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে গণ্য হইবেন।]
 
কাউন্সিল সদস্যের পদত্যাগ
১০। (১) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য থাকিলে, ভাইস প্রেসিডেন্টের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্টের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ পদত্যাগ করিতে পারিবেন।
 
 
(২) পদত্যাগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে উহা কার্যকর হইবে এবং কাউন্সিলে সংশ্লিষ্ট পদটি শূন্য হইবে।
কাউন্সিল এর সভা
১১। (১) প্রেসিডেন্ট কতৃর্ক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হইবে এবং প্রেসিডেন্ট এর নির্দেশে সচিব কর্তৃক উক্ত সভা আহবান করা হইবে।
 
 
(২) প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং উভয়ের অনুপস্থিতিতে ভাইস-প্রেসিডেন্ট সভাপতিত্ব করিবেন।
 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মেয়াদোত্তীর্ণ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নবগঠিত কাউন্সিলের প্রথম সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
 
 
(৪) কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পর, অনধিক ত্রিশ দিনের মধ্যে, নবগঠিত কাউন্সিলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
 
 
(৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৮ এর উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে কোন কাউন্সিল গঠিত হইলে উক্তরূপ গঠনের পর অনধিক ত্রিশ দিনের মধ্যে কাউন্সিলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
 
 
(৬) শুধুমাত্র কাউন্সিলের কোন সদস্যপদে শূন্যতা বা কাউন্সিল গঠনে কোন ত্রুটি থাকিবার কারণে কাউন্সিলের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
 
 
(৭) ন্যূনতম পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে কাউন্সিলের সভার কোরাম হইবে।
 
 
(৮) কাউন্সিলের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে.
কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী
১২। কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা ঃ-
 
 
(১) চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা;
 
 
(২) সদস্য পদের জন্য আবেদন বিবেচনা করা এবং উহা অনুমোদন বা অননুমোদন করা;
 
 
(৩) ছাত্র ভর্তি এবং ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা ;
 
 
(৪) প্রশি্ক্ষণের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন এবং উহার উন্নয়ন করা ;
 
 
(৫) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য পরীক্ষা পরিচালনা করা এবং উক্ত পরী্ক্ষার ফিস নির্ধারণ করা;
 
 
(৬) ছাত্রদের রেজিস্ট্রেশন, প্রশিক্ষণ ও এতদ্সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ করা;
 
 
(৭) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য যোগ্যতা নির্ধারণ করা ;
 
 
(৮) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য বিদেশীদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা;
 
 
(৯) এই আইনের অধীন প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করা;
 
 
(১০) যোগ্য ব্যক্তিদের সনদ ও ডিপ্লোমা প্রদান করা ;
 
 
(১১) সদস্য, ছাত্র, পরীক্ষার্থী এবং প্রশিক্ষণ প্রার্থীদের ফিস নির্ধারণ, পরিবর্তন এবং আদায় করা;
 
 
(১২) রেজিস্টার হইতে নাম অপসারণজনিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান এবং অপসারিত নাম পুনর্বহাল করা;
 
 
(১৩) পাঠাগার সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা;
 
 
(১৪) কোম্পানী ব্যবস্থাপনা এবং প্রাসংগিক প্রফেশনাল বিষয়ে সাময়িকী প্রকাশ করা;
 
 
(১৫) ছাত্রদের আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করা;
 
 
(১৬) শৃংখলা সম্পর্কিত নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ করা;
 
 
(১৭) ইনস্টিটিউটের জন্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন এবং নূতন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা;
 
 
(১৮) ইনস্টিটিউটের অফিস স্থাপন এবং ইহার ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা করা;
 
 
(১৯) ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করা;
 
 
(২০) কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা; এবং
 
 
(২১) দফা (১)-(২০) এ উল্লিখিত কার্যাদির সম্পূরক কার্য-সম্পাদন করা এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
 
স্থায়ী কমিটি ও সাব-কমিটি গঠন এবং পরিচালনা
১৩।(১) কাউন্সিল, উহার উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করিবার লক্ষ্যে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এক বা একাধিক স্থায়ী কমিটি গঠন ও পরিচালনা করিতে পারিবে।
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত যে কোন স্থায়ী কমিটির উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদানের জন্য কাউন্সিল, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এক বা একাধিক সাব-কমিটি গঠন ও পরিচালনা করিতে পারিবে।
 
 
(৩) স্থায়ী কমিটি এবং সাব-কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs