শিক্ষা কার্যক্রম, ইত্যাদি
৩৫। (১) প্রত্যেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় উহার শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত পরিকল্পনা বা শিক্ষাক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের লিখিত অনুমোদন গ্রহণ করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রোগ্রাম বা কোর্স চালু করিবার ক্ষেত্রে, যদি অন্য কোন আইনের অধীন প্রণীত কোন বিধি-বিধানে অন্য কোন সংস্থার অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক হয়, তাহা হইলে উক্ত সংস্থার অনুমোদনও গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুমোদনের জন্য কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন করিতে হইবে।
(৩) কোন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বা প্রোগ্রামের খন্ডকালীন শিক্ষক-সংখ্যা সংশ্লিষ্ট কোর্সের পূর্ণকালীন শিক্ষক-সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বেশী হইবে না, তবে শিক্ষক ব্যতীত পেশাভিত্তিক অন্যান্য অঙ্গন হইতে আগত রিসোর্স পার্সনগণ ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন না।
(৪) কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোন শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে কোন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করা হইলে উক্ত ব্যক্তির মূল নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ছাড়পত্র গ্রহণ করিতে হইবে।
(৫) কমিশন এই ধারার অধীন আবেদন ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিস্পত্তি করিবে।
(৬) কমিশন এই ধারার অধীন কোন আবেদন অনুমোদন করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিলে অনুরূপ অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চ্যান্সেলরের নিকট আপীল করা যাইবে এবং উক্ত বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(৭) কোন কারণে কোন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা দেখা দিলে কিংবা উহার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত ও শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে, উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখিবার স্বার্থে, চ্যান্সেলর কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুপারিশক্রমে, প্রয়োজনীয় আদেশ ও নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং এতদ্বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।