প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন, ২০১০

( ২০১০ সনের ৬৩ নং আইন )

দ্বাদশ অধ্যায়

বর্ডার গার্ড আদালত কর্তৃক অনুসরণীয় পদ্ধতি

অপরাধী অপ্রকৃতিস্থ হইবার ক্ষেত্রে বিধান
৯৪। (১) যেক্ষেত্রে কোন বর্ডার গার্ড আদালতের বিচারের পর্যায়ে আদালতের নিকট প্রতিয়মান হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ হইবার কারণে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে অযোগ্য অথবা উক্ত ব্যক্তি আনীত অভিযোগে উল্লিখিত কার্যটি সংঘটিত করিলেও অপ্রকৃতিস্থতার কারণে কৃতকর্মের প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা করিতে অপারগ ছিলেন অথবা ইহা অনুধাবন করিতে অক্ষম ছিলেন যে উহা অন্যায় বা আইনের পরিপন্থী, সেইক্ষেত্রে আদালত তদানুসারে তাহার রায় লিপিবদ্ধ করিবে।
 
 
(২) আদালতের সভাপতি, অথবা সামারী বর্ডার গার্ড আদালতের ক্ষেত্রে বিচার পরিচালনাকারী কর্মকর্তা অবিলম্বে কার্যধারা অনুমোদনকারী কর্মকর্তাকে বা, যেক্ষেত্রে সামারী বর্ডার গার্ড আদালতের রায় অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না, সেইক্ষেত্রে নির্ধারিত কর্মকর্তার নিকট বিষয়টি অবহিত করিবেন।
 
 
(৩) কার্যধারা অনুমোদনকারী কর্মকর্তা যাহাকে উপ-ধারা (২) এর বিধানমতে বিষয়টি অবহিত করা হইয়াছে, তিনি যদি রায়টি অনুমোদন না করেন, তাহা হইলে অভিযুক্তকে মূল অভিযোগের বিচার সম্পন্ন করিবার জন্য উক্ত আদালত বা অন্য কোন বর্ডার গার্ড আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন।
 
 
(৪) উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে নির্ধারিত কর্মকর্তা যাহার নিকট সামারী বর্ডার গার্ড আদালতের রায় সম্পর্কে অবহিত করা হইয়াছে এবং কার্যধারা অনুমোদনকারী কর্মকর্তা অনুরূপ রিপোর্টকৃত বিষয়ে রায় অনুমোদন করিবার পর অভিযুক্তকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অন্তরীণ রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে সরকারের সিদ্ধান্তে জন্য উপস্থাপন করিবেন।
 
 
(৫) উপ-ধারা (৪) এর বিধান অনুসারে রিপোর্ট প্রাপ্তির পর, সরকার অভিযুক্তকে পাগলাগারদে আটক বা অন্য কোন উপযুক্ত স্থানে নিরাপদ জিম্মায় রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs