প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন, ২০১০

( ২০১০ সনের ৬৩ নং আইন )

দ্বাদশ অধ্যায়

বর্ডার গার্ড আদালত কর্তৃক অনুসরণীয় পদ্ধতি

অপরাধের সহিত সংশিস্নষ্ট মালামালের বিলি-বন্টন
৯৮।(১) বর্ডার গার্ড আদালতে বিচার সমাপ্ত হইবার পর, আদালত বা বর্ডার গার্ড আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশ অনুমোদনকারী কর্মকর্তা অথবা তাহার ঊর্ধ্বতন কোন কর্তৃপক্ষ অথবা সামারী বর্ডার গার্ড আদালতের বিচারের ক্ষেত্রে, যখন রায় ও দণ্ড অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না, তখন স্পেশাল সামারী বর্ডার গার্ড আদালত গঠন করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্মকর্তা যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেইরূপে আদালতের নিকট উপস্থাপিত মালামাল বা নথিপত্র যাহা অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইয়াছে, উহা ধ্বংস, সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত বা বৈধ দাবিদারের নিকট অথবা অন্যভাবে হস্তান্তর করিতে আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
 
(২) যেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) অনুসারে কোন আদেশ প্রদান করা হয়, সেইক্ষেত্রে বিচারের স্থান নির্বিশেষে, উক্ত আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষর স্বাক্ষরিত ও প্রত্যায়িত একটি অনুলিপি উক্ত মালামাল সংক্রান্ত অপরাধ যে জেলায় সংঘটিত হইয়াছে, উক্ত জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা, ক্ষেত্রমত, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং আদেশ প্রাপ্তির পর উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর বিধান অনুসারে আদেশ কার্যকর করিবার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
 
 
(৩) এই ধারায় ‘মালামাল’ অর্থে যে মালামালের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া প্রতীয়মান হয়, শুধুমাত্র উক্ত মালামাল অন্তর্ভুক্ত করিবে না, বরং এইরূপ মালামালকে বুঝাইবে যাহা রূপান্তরিত বা বিনিময় হইয়াছে এবং রূপান্তর বা বিনিময়ের মাধ্যমে অর্জিত মালামালও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
 
 

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs