প্রিন্ট ভিউ

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ১৯ নং আইন )

অপরাধ ও দণ্ড
৫৩। (১) এই আইন বা তদ্‌ধীন প্রণীত প্রবিধানের অধীন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ না করিয়া কোন ব্যক্তি ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এবং উপ-ধারা (২) এর দফা (গ), (ঘ), (ঙ), (চ) ও (ঞ) এ উল্লিখিত কার্যাবলী পরিচালনা করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ১ (এক) বৎসর হইতে অনধিক ৭ (সাত) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১০ (দশ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর হইতে অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইন বা তদ্‌ধীন প্রণীত প্রবিধানের অধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এবং উপ-ধারা (২) এর দফা (গ), (ঘ), (ঙ), (চ) ও (ঞ) এ উল্লিখিত কোন কার্য কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ ব্যতীত কোনরূপ পরিবর্তন বা পরিবর্ধন সাধন অথবা অনুমোদনের শর্তাবলী লংঘন বা প্রতিপালন করিতে ব্যর্থ হইলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস হইতে অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ০১ (এক) বৎসর হইতে অনধিক ০৫ (পাঁচ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১০ (দশ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৩) এই আইন বা তদ্‌ধীন প্রণীত প্রবিধানের অধীন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ না করিয়া কোন ব্যক্তি ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক), (খ), (ছ), (জ) ও (ঝ) এ উল্লিখিত কার্যাবলী পরিচালনা করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস হইতে অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ০১ (এক) বৎসর হইতে অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১০ (দশ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৪) কোন ব্যক্তি এই আইন বা তদ্‌ধীন প্রণীত প্রবিধানের অধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক), (খ), (ছ), (জ) ও (ঝ) এ উল্লিখিত কোন কার্য কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ ব্যতীত কোনরূপ পরিবর্তন বা পরিবর্ধন সাধন অথবা অনুমোদনের শর্তাবলী লংঘন বা প্রতিপালন করিতে ব্যর্থ হইলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৩ (তিন) মাস হইতে অনধিক ২ (দুই) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৩ (তিন) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ১৫ (পনের) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস হইতে অনধিক ৪ (চার) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৬ (ছয়) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৫) কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নিউক্লীয় স্থাপনা বা তৎসম্পর্কিত কর্মকাণ্ডে হামলা বা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর হইতে অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্যূন ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ১০ (দশ) বৎসর হইতে অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৬) কোন ব্যক্তি নিউক্লীয় পদার্থ, নির্দিষ্টকৃত যন্ত্রপাতি, নির্দিষ্টকৃত অনিউক্লীয় পদার্থ, তেজস্ক্রিয় পদার্থ বা এতদ্‌সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি অবৈধ পাচার করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর হইতে অনধিক ৭ (সাত) সৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ (সাত) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ১২ (বার) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর হইতে অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১৫ (পনের) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৭) কোন ব্যক্তি নিউক্লীয় পদার্থ, নির্দিষ্টকৃত যন্ত্রপাতি, নির্দিষ্টকৃত অনিউক্লীয় পদার্থ, তেজস্ক্রিয় পদার্থ বা এতদ্‌সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি চুরি করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর হইতে অনধিক ৬ (ছয়) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ (সাত) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর হইতে অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১৫ (পনের) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ২২ (বাইশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৮) কোন ব্যক্তি নিউক্লীয় স্থাপনা বা তৎসম্পর্কিত কর্মকাণ্ডে গুপ্তচরবৃত্তি করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর হইতে অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ (সাত) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৯ (নয়) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর হইতে অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১৫ (পনের) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৯) কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন ক্ষমতা প্রয়োগকালে কর্তৃপক্ষ বা তৎকর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তির কার্যে বিলম্ব ঘটাইলে বা অসহযোগিতা, তথ্য গোপন, ভুল তথ্য প্রদান বা বাধা প্রদান করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ১ (এক) বৎসর হইতে অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৩ (তিন) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর হইতে অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ৬ (ছয়) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(১০) কোন ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ ব্যতীত, এই আইনের অধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করিয়া প্রাপ্ত তথ্যাদি প্রদান বা প্রকাশ করিলে, উহা একটি অপরাধ হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস হইতে অনধিক ১ (এক) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ১ (এক) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা পযন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে তিনি অন্যূন ১ (এক) বৎসর হইতে অনধিক ২ (দুই) বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড বা অন্যূন ২ (দুই) লক্ষ টাকা হইতে অনধিক ৬ (ছয়) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(১১) আদালত এই ধারার অধীন জরিমানা বাবদ আদায়কৃত অর্থ বা উহার অংশবিশেষ ধারা ৪৫ ও ৬০ এর অধীন ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের নির্দেশ দিতে পারিবে।
 
 
 
 
বিচার
৫৪। (১) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের ধারা ৫৩ এর উপ-ধারা (৫) ব্যতীত অন্যান্য উপ-ধারার অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ, ক্ষেত্রমত, প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
 
 
(২) এই আইনের ধারা ৫৩ এর উপ-ধারা (৫) এর অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।
 
 
অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য
৫৫। (১) যে কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সম্পর্কে থানা বা কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্যালয়কে অবহিত করিতে পারিবে।
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ সম্পর্কে যদি থানাকে কোন তথ্য প্রদান করা হয়, তাহা হইলে উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উহা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।
 
 
অপরাধের জামিনযোগ্যতা এবং আমলযোগ্যতা
৫৬। (১) ধারা ৫৩ এর উপ-ধারা (৫), (৬), (৭) ও (৮) এ উল্লিখিত অপরাধ ব্যতীত এই আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধ জামিনযোগ্য এবং অ-আমলযোগ্য হইবে।
 
 
(২) ধারা ৫৩ এর উপ-ধারা (৫), (৬), (৭) ও (৮) এ উল্লিখিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য এবং আমলযোগ্য হইবে।
 
 
 
 
অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
৫৭। (১) কোন আদালত, কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদনপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগ ব্যতীত, এই আইন বা ইহার অধীন প্রণীত প্রবিধানের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন লিখিত অভিযোগ সরাসরি, বা সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে, আদালতে দায়ের করা যাইবে।
 
 
কোম্পানী কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
৫৮। কোন কোম্পানী কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে উক্ত অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে কোম্পানীর এইরূপ প্রত্যেক প্রধান নির্বাহী, পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব, অংশীদার, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী উক্ত অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত লংঘন তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে অথবা উক্ত অপরাধ রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।
 
 
 
 
 
 
আপীল
৫৯। (১) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের ধারা ৫৩ এর উপ-ধারা (৫) ব্যতীত অন্যান্য উপ-ধারার অধীন কোন প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত রায় ও আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত রায় ও আদেশ প্রদানের ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে এখতিয়ার সম্পন্ন দায়রা আদালতে আপীল করিতে পারিবেন।
 
 
(২) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের ধারা ৫৩ এর উপ-ধারা (৫) এর অধীন দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় ও আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত রায় ও আদেশ প্রদানের ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
 
 
দেওয়ানী প্রতিকার
৬০। (১) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৫৩ এর অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধমূলক কার্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হন, এবং উক্ত ক্ষতি অর্থের দ্বারা নিরূপণ করা সম্ভব হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি উপযুক্ত দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা করিতে পারিবেন।
 
 
(২) যদি উক্ত মামলায় ক্ষতিপূরণের দাবী প্রমাণিত হয়, তাহা হইলে আদালত, দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫ নং আইন) এর বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, অনুসরণপূর্বক, ঘটনা এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করিয়া, যেইরূপ ন্যায়সংগত ও উপযুক্ত বিবেচনা করিবেন সেইরূপ দাবীকৃত মোট অর্থ বা উহার অংশবিশেষ প্রদানের ডিক্রী প্রদান করিবেন।
 
 

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs