প্রিন্ট ভিউ

প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ২৩ নং আইন )

কমিশনের আদেশ লংঘন, ইত্যাদি
২৪। যদি কোন ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশনা, আরোপিত কোন শর্ত বা বিধিনিষেধ বা প্রদত্ত কোন অনুমোদন লংঘন করে তাহা হইলে উহা এই আইনের অধীন একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে বা প্রতিদিনের ব্যর্থতার জন্য অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
 
 
অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ ও বিচার
২৫। (১) কমিশন বা কমিশনের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন মামলা বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।
 
 
(২) এই আইনের অধীন অপরাধ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
 
 
 
 
ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ
২৬।(১) এই আইন, তদধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধান সাপেক্ষে, এই আইনে বর্ণিত যে কোন অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপীল এবং আনুষঙ্গিক সকল বিষয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি প্রযোজ্য হইবে।
 
 
(২) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার রিপোর্টের ভিত্তিতে সূচিত মামলা ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে সূচিত মামলা বলিয়া গণ্য হইবে।
 
 
দ্বিতীয়বার বিচার নিষিদ্ধ
২৭। এই আইনের অধীন প্রশাসনিক বা অন্যবিধ দণ্ডনীয় কোন অপরাধে কোন ব্যক্তিকে আইনের বিধান অনুসারে বিচার করিয়া দোষী বা নির্দোষ সাব্যস্ত করা হইলে, তাহাকে উক্ত একই অপরাধের জন্য পুনরায় অন্য কোন আইনের অধীন বিচার করা যাইবে না।
 
কমিশনের পাওনা আদায়
২৮। কোন ব্যক্তির নিকট হইতে কমিশনের পাওনা সরকারি দাবী হিসেবে Public Demands Recovery Act, 1913 (Ben. Act III of 1913) এর বিধানানুসারে আদায়যোগ্য হইবে।
 
কমিশনের আদেশ পুনর্বিবেচনা, আপীল ইত্যাদি
২৯। (১) এই আইনের অধীন কমিশনের কোন আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে উক্ত ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফরমে ও ফি প্রদান সাপেক্ষে উহা-
 
 
(ক) পুনর্বিবেচনার জন্য কমিশনের নিকট; অথবা
 
 
(খ) আপীলের জন্য সরকারের নিকট
 
 
আবেদন করিতে পারিবেনঃ
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ২০ এর অধীন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত কোন প্রশাসনিক আর্থিক জরিমানা সংক্রান্ত আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে তাহার উপর আরোপিত জরিমানার-
 
 
(ক) ১০% অর্থ কমিশনে জমা করিয়া পুনর্বিবেচনার; বা
 
 
(খ) ২৫% অর্থ সরকারের নিকট জমা করিয়া আপীলের
 
 
আবেদন জরিমানার জমার রশিদসহ, করিতে পারিবেন।
 
 
(২) কমিশন বা, ক্ষেত্রমত, সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উপ-ধারা (১) এ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যুক্তিসঙ্গত কারণে আবেদন করিতে ব্যর্থ হইয়াছে তাহা হইলে কমিশন বা, ক্ষেত্রমত, সরকার আবেদনকারীর আবেদনের ভিত্তিতে আরো অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় মঞ্জুর করিতে পারিবে।
 
 
(৩) পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে কমিশন এবং আপীলের ক্ষেত্রে সরকার যে ব্যক্তির অনুকূলে কোন আদেশ প্রদান করা হইয়াছে উক্ত ব্যক্তি শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান না করিয়া উক্তরূপ আদেশ, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিল করিতে পারিবে নাঃ
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কমিশন বা সরকার পুনর্বিবেচনা বা, ক্ষেত্রমত, আপীল আবেদন প্রাপ্তির ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিবে।
 
 
(৪) কমিশন কর্তৃক পুনর্বিবেচনাকালে প্রদত্ত আদেশ বা, ক্ষেত্রমত, সরকার কর্তৃক আপীলে প্রদত্ত আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
 
 
আপীল
৩০। (১) ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত রায় বা আদেশ দ্বারা কোন পক্ষ সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি উক্ত রায় বা আদেশ প্রাপ্তির ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে স্থানীয় অধিক্ষেত্রে সেশন জজের আদালতে আপীল দায়ের করিতে পারিবেনঃ
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন রায় বা আদেশে অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে উক্ত রায় বা আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে, উক্ত রায় বা আদেশে উল্লিখিত আর্থিক দণ্ডের ২৫% সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমা করিয়া জমার রশিদসহ উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সেশন জজ আদালতে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
 
 
(২) সেশন জজের আদালত কর্তৃক আপীলে প্রদত্ত রায় চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
 
 

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs