প্রিন্ট ভিউ
এই আইন বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৬ নং আইন) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।
১০। কোন বন্য প্রাণীর দেহের অংশ, মাংস, ট্রফি বা অসম্পূর্ণ ট্রফি সংগ্রহ এবং তফসিল ৪ এ উল্লিখিত উদ্ভিদ সংগ্রহ করা, দখলে রাখা, অথবা উহা হইতে উৎপাদিত দ্রব্য কোন বন অথবা দেশের যে কোন স্থান হইতে পরিবহনের জন্য নিম্নবর্ণিত কারণে প্রধান ওয়ার্ডেন বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং ফি প্রদান সাপেক্ষে পারমিট প্রদান করিতে পারিবেন, যথাঃ-
(ক) শিক্ষা;
(খ) বৈজ্ঞানিক পবেষণা;
(গ) বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা;
(ঘ) কোন উদ্ভিদ উদ্যান, সাফারী পার্ক, স্বীকৃত চিড়িয়াখানা, জাদুঘর, হার্বেরিয়াম অথবা একইরূপ অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য নমুনা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শন;
(ঙ) জীবন রক্ষাকারী ঔষধ তৈরির জন্য উদ্ভিদ বা সাপের বিষ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ; এবং
(চ) সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বংশ বিস্তারের জন্য।
ব্যাখ্যা।-এই ধারায় ‘‘বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা’’ অর্থ-
(১) কোন বন্যপ্রাণীকে অন্য কোন সুবিধাজনক আবাসস্থলে স্থানান্তর করা;
(২) কোন বন্যপ্রাণী অথবা নির্দিষ্ট প্রজাতির উদ্ভিদের ব্যবস্থাপনার জন্য হত্যা না করিয়া বা বিষ প্রয়োগ না করিয়া অথবা ধ্বংস না করিয়া প্রজনন নিয়ন্ত্রন করা; এবং
(৩) বিজ্ঞানসম্মতভাবে কালিং (culling) করাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কালিংকৃত প্রাণী মাটি চাপা দিয়া ধ্বংস করিতে হইবে।