প্রিন্ট
খণ্ড ‘ক’- আমদানির ক্ষেত্রে
1[২৭। কাস্টমস আইনের অধীন যে পদ্ধতি ও সময়ে আমদানি শুল্ক আদায় করা হয় সেই একই পদ্ধতি ও সময়ে, আমদানির উপর আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য না হইলেও করযোগ্য আমদানির উপর মূসক আদায় করিতে হইবে।]
2[২৮। কোন করযোগ্য আমদানির ক্ষেত্রে মূসক আরোপের ভিত্তিমূল্য হইবে নিম্নবর্ণিত পরিমাণের সমষ্টি, যথা:-
(ক) কাস্টমস আইনের অধীন আমদানি শুল্ক আরোপের উদ্দেশ্যে ধার্যকৃত পণ্য মূল্যের পরিমাণ; এবং
২৯। পণ্য রপ্তানির পর উহা পুনঃআমদানি করিবার ক্ষেত্রে যদি পণ্যটির আকৃতি, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও গুণগতমান অপরিবর্তিত থাকে, তাহা হইলে উক্ত পণ্যের মেরামতের পর যে পরিমাণ মূল্য বর্ধিত হয় উহার সহিত বীমা, ভাড়া এবং ল্যান্ডিং চার্জ যোগ করিয়া 3[শু্ল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ করিতে হইবে, যাহা মূসক আরোপের ভিত্তিমূল্য হইবে]।
4[৩১। (১) প্রত্যেক নিবন্ধিত বা নিবন্ধনযোগ্য ব্যক্তি আমদানিকৃত পণ্যের সরবরাহের উপর প্রদেয় মূসক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত হারে আগাম পরিশোধ করিবেন।
5[(২) করযোগ্য আমদানির উপর মূসক যে সময় ও পদ্ধতিতে আদায় করা হয় সেই একই সময় ও পদ্ধতিতে করযোগ্য আমদানির মূসক আরোপযোগ্য ভিত্তিমূল্যের উপর বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত শর্ত ও পদ্ধতিতে পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে আমদানিকৃত উপকরণের ক্ষেত্রে 6[২ (দুই)] শতাংশ হারে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে 7[৭.৫ (সাত দশমিক পাঁচ)] শতাংশ হারে আগাম কর প্রদেয় হইবে।]
(৩) 8[উপ-ধারা (৩ক) এর ক্ষেত্র ব্যতীত,] প্রত্যেক নিবন্ধিত আমদানিকারক যিনি আগাম কর পরিশোধ করিয়াছেন তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদ বা তৎপরবর্তী 9[ছয়টি কর মেয়াদের] মধ্যে মূসক দাখিলপত্রে পরিশোধিত আগাম করের সমপরিমাণ অর্থ হ্রাসকারী সমন্বয় গ্রহণ করিতে পারিবেন।
10[(৩ক) যেইক্ষেত্রে বাণিজ্যিক আমদানিকারক কর্তৃক আমদানি পর্যায়ে ৭.৫ (সাত দশমিক পাঁচ) শতাংশ আগাম কর পরিশোধ করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৫০ (পঞ্চাশ) শতাংশের অধিক না হইলে আমদানি পরবর্তী প্রথম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পদ্ধতিতে চালানপত্র জারি সাপেক্ষে, মূসক পরিশোধ করিতে হইবে না।]
(৪) যে ব্যক্তি আগাম কর পরিশোধ করিয়াছেন কিন্তু নিবন্ধিত নহেন তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে আগাম কর ফেরত 11[গ্রহণের] নিমিত্ত কমিশনারের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
(৫) কমিশনার আবেদন প্রাপ্তির পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে উহা নিষ্পত্তি করিবেন।]