প্রিন্ট ভিউ

এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইন, ২০১৩

( ২০১৩ সনের ১৫ নং আইন )

শেয়ারহোল্ডিং এর সীমা, ইত্যাদি
১২। (১) ডিমিউচ্যুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জ এর ক্ষেত্রে-
 
 
(ক) ব্লকড হিসাবে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারগণ কর্তৃক সাময়িকভাবে ধারণকৃত শেয়ার ব্যতীত, ট্রেক হোল্ডারগণ এবং তাহাদের সহিত সম্পর্কিত ব্যক্তি কর্তৃক সামষ্টিকভাবে ধারণকৃত শেয়ার উহার মোট ইস্যুকৃত শেয়ারের শতকরা ৪০ (চল্লিশ) ভাগের অধিক হইবে না;
 
 
(খ) কোন কৌশলগত বিনিয়োগকারী, কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে, উহার মোট ইস্যুকৃত শেয়ারের শতকরা ২৫ (পঁচিশ) ভাগ পর্যন্ত ধারণ করিতে পারিবেঃ
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কমিশন, জনস্বার্থে, এই সীমার অধিক শেয়ার ধারণ করিবার জন্য কোন কৌশলগত বিনিয়োগকারীকে অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে:
 
 
(গ) কোন ব্যক্তি, কৌশলগত বিনিয়োগকারী ব্যতীত, এককভাবে এবং তাহার সহিত সম্পর্কিত ব্যক্তির সহিত যৌথভাবে উহার মোট ইস্যুকৃত শেয়ারের শতকরা ৫ (পাঁচ) ভাগের অধিক শেয়ার ধারণ করিতে পারিবে না।
 
 
 
 
(২) যদি কোন এক্সচেঞ্জ এর এমন ধারণা পোষণ করিবার কারণ ঘটে যে, কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) বা (খ) বা (গ) লংঘন করিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত এক্সচেঞ্জ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শেয়ারের প্রকৃত মালিকের পরিচয় প্রকাশের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং এইরূপ নির্দেশ অমান্য করিলে, এক্সচেঞ্জ উক্ত নির্দেশ অমান্যকারী শেয়ারহোল্ডার কর্তৃক ধারণকৃত শেয়ার জব্দ করিতে পারিবে এবং বিষয়টি ৭ (সাত) দিনের মধ্যে কমিশনকে অবহিত করিবে।
 
 
(৩) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) বা (খ) বা (গ) এ বর্ণিত শেয়ার হোল্ডিং সীমা লংঘন করিলে, কমিশন উক্ত ব্যক্তিকে তাহার ধারণ সীমার অতিরিক্ত শেয়ারসমূহ তদকর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং সময়ে হস্তান্তর করিবার নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
 
 
ব্লকড হিসাবে ধারণকৃত শেয়ারের প্রাপ্যতা ও রক্ষণাবেক্ষণ
১৩। (১) ব্লকড হিসাবে সংরক্ষিত শেয়ারের প্রাপ্যতা হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ-
 
 
(ক) উহাদের বিপরীতে অর্জিত লভ্যাংশ, বোনাস শেয়ার, রাইটস শেয়ার এবং বিক্রয়ের ফলে অর্জিত বিনিময়মূল্য প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারগণ প্রাপ্য হইবেন;
 
 
(খ) উহাদের বিপরীতে অর্জিত বোনাস শেয়ার বা রাইটস শেয়ার ব্লকড হিসাবে ধারণকৃত শেয়ারের সহিত যোগ হইবে এবং ধারা ১৪ এ উল্লিখিত উপায়ে ব্লকড হিসাবে সংরক্ষিত শেয়ারের সহিত হস্তান্তরিত হইবে।
 
 
(২) ব্লকড হিসাবে সংরক্ষিত শেয়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং হস্তান্তরের অধিকার পরিচালনা পরিষদের উপর বর্তাইবে।
 
 
ব্লকড হিসাবে (blocked account) সংরক্ষিত শেয়ার হস্তান্তর
১৪। (১) ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়, কমিশন, কোন এক্সচেঞ্জকে নিম্নলিখিত কার্যাদি নির্দেশনা প্রদানের ১ (এক) বৎসরের মধ্যে সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে, যথাঃ-
 
 
(ক) ব্লকড হিসাবে সংরক্ষিত শেয়ার হইতে মোট ইস্যুকৃত শেয়ারের অনধিক শতকরা ২৫ (পঁচিশ) ভাগ শেয়ার বিক্রয়ের জন্য কোন কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সহিত ১ (এক) বৎসর মেয়াদী বা কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের জন্য চুক্তি সম্পাদন;
 
 
(খ) কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে বরাদ্দকৃত শেয়ার ব্যতিরেকে ব্লকড হিসাবে সংরক্ষিত অবশিষ্ট শেয়ার জনগণ বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিকট বিক্রয়ের প্রস্তাব প্রদান করা যাইবে;
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট এক্সচেঞ্জ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে উক্ত নির্দেশনা প্রতিপালন করিতে না পারিবার যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করিয়া আবেদন করিলে, কমিশন, উক্তরূপ প্রতিপালনের সময়সীমা বর্ধিত করিতে পারিবে।
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ১ (এক) বৎসর অথবা কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোন এক্সচেঞ্জ যদি বর্ণিত শেয়ার বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কোন কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সহিত চুক্তি সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত এক্সচেঞ্জ, কমিশনের অনুমোদনক্রমে, কৌশলগত বিনিয়োগকারী ব্যতীত অন্য কাহারও নিকট উহার পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত শেয়ারসমূহ হস্তান্তর করিতে পারিবে।
 
 
(৩) ব্লকড হিসাবে সংরক্ষিত শেয়ারের হস্তান্তর সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত উহার বিপরীতে ভোটদানের ক্ষমতা রহিত থাকিবে।
 
 
কৌশলগত বিনিয়োগকারী কর্তৃক শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়
১৫। (১) ধারা ১৪ অনুসারে কোন কৌশলগত বিনিয়োগকারী শেয়ার অর্জন করিলে, কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে, উহা কেবলমাত্র অন্য কোন কৌশলগত বিনিয়োগকারীর নিকট বিক্রয় করিতে পারিবে।
 
 
(২) কমিশন, লিখিত আদেশ দ্বারা, কৌশলগত বিনিয়োগকারীর শেয়ার ক্রয়, বিক্রয়, অর্জন, অধিগ্রহণ বা কর্তৃত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে এতদ্‌সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধানাবলীর প্রযোজ্যতা হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
 
 
ট্রেডিং রাইট এন্টাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বা ট্রেক গ্রহণ, হস্তান্তর, ইত্যাদি
১৬। (১) অনিবন্ধিত কোন প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডার, যাহার অনুকূলে ট্রেক ইস্যু করা হইয়াছে, তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ১৫ নং আইন) বা তদধীন প্রণীত কোন বিধিমালার বিধান অনুসারে নিবন্ধিত না হইয়া থাকিলে, তাহাকে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে উক্ত আইন বা বিধিমালার বিধান অনুসারে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করিতে হইবে এবং উক্ত সনদ প্রাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করিতে হইবে।
 
 
(২) ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের তারিখ হইতে ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে ইস্যুকৃত ট্রেক একবার হস্তান্তর করা যাইবে।
 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন কোম্পানী হস্তান্তরিত ট্রেক গ্রহণ করিলে, উক্তরূপ গ্রহণের ১২ (বার) মাসের মধ্যে উহাতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ১৫ নং আইন) বা তদধীন প্রণীত কোন বিধিমালার বিধান অনুসারে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করিতে হইবে এবং উক্ত সনদ গ্রহণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করিতে হইবে।
 
 
(৪) ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে, কোন এক্সচেঞ্জ শেয়ারহোল্ডারদের সভায় বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ পূর্বক ট্রেকের সংখ্যা বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
 
 
(৫) ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের তারিখ হইতে ৫ (পাঁচ) বৎসর অতিক্রান্ত হইবার পর কোন এক্সচেঞ্জ কর্তৃক, ধারা ১১ এর দফা (গ) পরিপালন সাপেক্ষে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোন আবেদনকারীর অনুকূলে ট্রেক ইস্যু করা যাইবে।
 
 
(৬) ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অধীনে কোন কোম্পানী ট্রেক গ্রহণ করিলে, উহার ১২ (বার) মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ১৫ নং আইন) বা তদধীন প্রণীত কোন বিধিমালার বিধান অনুসারে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করিতে হইবে এবং নিবন্ধন সনদ গ্রহণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করিতে হইবে।
 
 
(৭) ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের তারিখ হইতে ৫ (পাঁচ) বৎসর অতিক্রান্ত হইলে সকল ট্রেক অ-হস্তান্তরযোগ্য হইবে।
 
 
(৮) কোন কোম্পানী বা প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডার উপ-ধারা (১) ও (৩) এর বিধান অনুযায়ী নিবন্ধন সনদ গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবসা শুরু করিতে ব্যর্থ হইলে সংশ্লিষ্ট ট্রেক বাতিল হইয়া যাইবে।
 
 
(৯) ট্রেডিং রাইট এন্টাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট ধারকগণের জন্য উহার শেয়ার ধারক হইবার বাধ্যবাধকতা থাকিবে না।
 
 
(১০) ডিমিউচ্যুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ট্রেক ইস্যু, স্থগিত ও বাতিল করিতে পারিবে।
 
 
তালিকাভুক্তি
১৭। কোন এক্সচেঞ্জের শেয়ার উহার সিদ্ধান্ত ও সময় অনুযায়ী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অন্য যে কোন এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হইতে পারিবে।

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs