প্রিন্ট ভিউ

অর্থ আইন, ২০১৬

( ২০১৬ সনের ২৮ নং আইন )

চতুর্থ অধ্যায়

মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ২২ নং আইন) এর সংশোধন

১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধন
৬৮। মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১(১৯৯১ সনের ২২ নং আইন), অত:পর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৯ এর-
 
 
(ক) উপ-ধারা ১ এর দফা (ঙ) এ উল্লিখিত “জেনারেটর ইত্যাদি ক্রয় বা মেরামতকরণ, স্থাপত্য পরিকল্পনা ও নকশা, যানবাহন, ইত্যাদি ভাড়া বা লীজ গ্রহণ, ইত্যাদির” শব্দগুলি ও কমাগুলির পরিবর্তে “জেনারেটর ক্রয় বা মেরামতকরণ, স্থাপত্য পরিকল্পনা ও নকশা, যানবাহন ভাড়া বা লীজ গ্রহণ এবং উহাদের” শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
 
 
(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “গৃহীত রেয়াত নাকচ করিয়া চলতি হিসাব বা দাখিলপত্রে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধনের নির্দেশ দিতে পারিবেন” শব্দগুলির পরিবর্তে “গৃহীত রেয়াত নাকচ করিবার লক্ষ্যে কারণ দর্শানের নোটিশ জারি করিয়া এবং শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া চলতি হিসাব বা দাখিলপত্রে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করিতে পারিবেন অথবা সমন্বয় সাধন করিবার নির্দেশ দিতে পারিবেন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
 
 
(গ) উপ-ধারা (২ক) এ দুইবার উল্লিখিত “নির্দেশের শব্দের পরিবর্তে উভয় স্থানে “সিদ্ধান্তের” এবং “নির্দেশ” শব্দের পরিবর্তে “সিদ্ধান্ত” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং
 
 
(ঘ) উপ-ধারা (২খ) এ উল্লিখিত “পনের” শব্দের পরিবর্তে “ত্রিশ” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে এবং “এবং উক্ত কর্মকর্তার অনুরূপ কোন আদেশ চূড়ান্ত হইবে” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।
১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের ধারা ১৫ এর সংশোধন
৬৯। উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (২) এর শর্তাংশের পরিবর্তে নিম্নরূপ শর্তাংশ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
 
 
“তবে শর্ত থাকে যে, একই মালিকানাধীন নিকটবর্তী একাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান থাকিলে এবং উহাদের সকল হিসাবপত্র একত্রে সংরক্ষণ করা হইলে উহাদের জন্য একটি নিবন্ধন করা যাইবে:
 
 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি কোন ব্যক্তি দুই বা ততোধিক স্থান হইতে তাহার করযোগ্য পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ বা সেবা প্রদান বা আমদানি বা রপ্তানি ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং সকল হিসাব-নিকাশ একত্রে সংরক্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি, স্বেচ্ছায়, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে নিবন্ধিত হইতে পারিবেন।”।
১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৪১গ এর সংশোধন
৭০। উক্ত আইনের ধারা ৪১গ এর উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
 
 
“(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, জালিয়াতি বা ফৌজদারি অপরধ সংক্রান্ত মামলা এবং জনস্বার্থে সাধারণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন, এইরূপ গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিষয় বা উহার ব্যাখ্যা সম্পর্কিত বিরোধসমূহ এই আইনের অধীন বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার আওতা বহির্ভূত হইবে।”।
১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৪১ঙ এর সংশোধন
৭১। উক্ত আইনের ধারা ৪১ঙ এর উপ-ধারা (৩) এর উল্লিখিত “১০ (দশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “২০ (বিশ)”সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।
১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৪১ছ এর সংশোধন
৭২। উক্ত আইনের ধারা ৪১ছ এর উপ-ধারা (২) এর উল্লিখিত “৬০ (ষাট)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “৫০ (পঞ্চাশ)”সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।
১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের দ্বিতীয় তফসিলের সংশোধন
৭৩। উক্ত আইনের দ্বিতীয় তফসিলের অনুচ্ছেদ ৫ এর দফা (গ) এর প্রান্তস্থিত দাঁড়ির পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অত:পর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঘ) সংযোজিত হইবে, যথা:-
 
 
“(ঘ) অ্যাম্বুলেন্স সেবা (রোগী ও লাশ পরিবহনের কাজে নিয়োজিত)।”।
১৯৯১ সনের ২২ নং আইনের তৃতীয় তফসিলের প্রতিস্থাপন
৭৪। উক্ত আইনের তৃতীয় তফসিলের পরিবর্তে নিম্নরূপ তৃতীয় তফসিল প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs