২১। কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনা অথবা উহার কোন নির্দিষ্ট অংশ ব্যবহারকারী অথবা জনসাধারণের জন্য বিপজ্জনক এবং ব্যবহার করা সম্ভব না হইলে অথবা উহা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণির যানবাহন চলাচলের জন্য উপযুক্ত নহে মর্মে কর্তৃপক্ষ মনে করিলে, এইরূপ স্থাপনার উপর অথবা নিকটে স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত লিখিত নোটিশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, উক্ত স্থাপনা অথবা উহার কোন নির্দিষ্ট অংশ, ব্যবহারকারী বা জনসাধারণ অথবা নির্দিষ্ট কোন শ্রেণির যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ থাকিবে।
দখল প্রতিরোধ, ইত্যাদি
২২। কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যে কোন স্থাপনা বা উহার কোন অংশ বিশেষের উপর, নিম্নে, ঊর্ধ্বে বা নিকটে স্থাবর বা অস্থাবর প্রকৃতির অনধিকার প্রবেশ বা বাধা অথবা যে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধের জন্য, বা উহা অপসারণের জন্য, প্রয়োজনীয় বিবেচিত হইলে, কর্তৃপক্ষ বল প্রয়োগ করিবার উদ্যোগসহ অনুরূপ অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
যানবাহন থামানো, তল্লাশি, ইত্যাদি
২৩। যদি কোন যানবাহন অথবা ব্যক্তির ক্ষেত্রে এইরূপ ধারণা করা হইয়া থাকে যে উক্ত যানবাহন অথবা ব্যক্তি দ্বারা এই আইন, বিধি বা প্রবিধান অথবা তদধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অথবা জারীকৃত কোন নির্দেশ বা আদেশ লঙ্ঘন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ দ্বারা, উহার পক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা অথবা কর্তৃপক্ষের কোন কর্মকর্তা, কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনায় অথবা উহার নিকটে যে কোন যানবাহন থামাইতে, পরিদর্শন এবং তল্লাশি করিতে অথবা এইরূপ যানবাহনের চালক, যাত্রী অথবা ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা এবং তল্লাশি করিতে পারিবে।
নিরাপত্তা, বাজেয়াপ্তকরণ ও অপসারণ
২৪। কোন প্রকার আইনসঙ্গত কারণ এই আইন অথবা কোন বিধি, প্রবিধান বা তদধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ ভঙ্গ করিয়া, কোন যানবাহন কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনা অতিক্রমের চেষ্টা করিলে অথবা উক্ত বিধানাবলী লঙ্ঘন করিয়া কোন প্রকার যাত্রী বা মালামাল পরিবহন করিলে, উক্ত যানবাহন এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উহার মালামাল, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, বাজেয়াপ্ত করা যাইবে।