প্রিন্ট ভিউ

বেসামরিক বিমান চলাচল আইন, ২০১৭

( ২০১৭ সনের ১৮ নং আইন )

অষ্টম অধ্যায়

বিবিধ

জাতীয় রেকর্ডিং সিস্টেম
৩৯। (১) বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন বেসামরিক বিমান এবং উহাতে ব্যবহৃতব্য কোন বিমান ইঞ্জিন, প্রপেলার, এ্যাপলায়েন্স বা খুচরা যন্ত্রাংশের স্বত্ব বা স্বার্থ নির্ধারণকারী দলিলপত্রের তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি জাতীয় রেকর্ডিং সিস্টেম থাকিবে এবং কোন দলিল উক্ত সিস্টেমে রেকর্ডভুক্ত না হইলে উহা বৈধ হইবে না।
 
(২) কোন্ কোন্ দলিল জাতীয় রেকর্ডিং সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত হইবে উহা এবং অন্তর্ভুক্তকরণের পদ্ধতি এএনও দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
ক্ষমতা অর্পণ
৪০। (১) চেয়ারম্যান, প্রয়োজনে, তাহার কোন ক্ষমতা লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষের কোন সদস্য, কর্মকর্তা, পরিদর্শক বা ইউনিটকে অর্পণ করিবেন।
 
(২) চেয়ারম্যান, প্রয়োজনে, তাহার কোন ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ কোন ব্যক্তিকে অর্পণ করিতে পারিবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ক্ষমতা এমন কোন কাজের জন্য কোন ব্যক্তিকে অর্পণ করা যাইবে না যাহাতে উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ রহিয়াছে।
অপারেটর, সেবা প্রদানকারী সংস্থার দায়িত্ব
৪১। এই আইন, বিধি, এএনও, নির্দেশনা এবং আদেশ অনুসরণক্রমে প্রত্যেক অপারেটর, সেবা প্রদানকারী সংস্থা উহাদের কার্যক্রম পরিচালনা করিবে এবং বেসামরিক বিমান চলাচলে ব্যবহৃত সকল অবকাঠামো ও ইকুইপমেন্ট নিয়মিত পরিদর্শন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত করিবে বা করাইবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
শিকাগো কনভেনশনের মানদণ্ডের সহিত বৈসাদৃশ্যপূর্ণ এএনও সম্পর্কে আইসিএও-কে অবহিতকরণ
৪২। এই আইনের অধীন কোন এএনও জারির ক্ষেত্রে শিকাগো কনভেনশনের সংশ্লিষ্ট পরিশিষ্টের মানদণ্ড সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করা সম্ভব না হইলে চেয়ারম্যান, উক্তরূপ বৈসাদৃশ্য সম্পর্কে, আইসিএও কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আইসিএও-কে অবহিত করিবেন।
পেটেন্টের ব্যবহার
৪৩। বাংলাদেশে নেভিগেশনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে নিবন্ধিত নয় এইরূপ কোন বিদেশি বিমানে কোন উদ্ভাবন (invention) ব্যবহারের ক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে, Patents And Designs Act, 1911 (Act No. ΙΙ of 1911) এর section 42 এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
ট্যারিফ দাখিল, অনুমোদন ও বিভিন্ন প্রকার ফি, চার্জ, রয়্যালটি, প্রিমিয়াম ও ভাড়া নির্ধারণের জন্য উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন

1[৪৩ক। (১) এয়ার অপারেটরসমূহ, সময় সময়, তাহাদের সকল রুটের সকল শ্রেণির ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ ট্যারিফ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করিবে।

(২) কোনো রুটে একচেটিয়া কারবার, অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বা কৃত্রিম সংকট পরিলক্ষিত হইলে, চেয়ারম্যান, জনস্বার্থে, যুক্তিসংগত মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, ট্যারিফ অনুমোদনসহ অন্যান্য বিষয়াবলি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদেশ জারি করিতে পারিবে।

(৪) কর্তৃপক্ষ ও গ্রাউন্ড অপরেটর কর্তৃক ধার্যকৃত বিভিন্ন প্রকার ফি, চার্জ, রয়‍্যালটি, প্রিমিয়াম ও ভাড়া নির্ধারণের জন্য সরকার, উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করিবে।

(৫) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত উপদেষ্টা পর্ষদ নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এতদসংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি যিনি ইহার সভাপতিও হইবেন;

(খ) কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, যিনি ইহার সহ-সভাপতিও হইবেন;

(গ) অর্থ বিভাগ কর্তৃক মনোনীত অন্যূন অতিরিক্ত-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(ঘ) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত অন্যূন অতিরিক্ত-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা;

(ঙ) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক মনোনীত অন্যূন অতিরিক্ত-সচিব পদমর্যাদার ১ (এক) জন কর্মকর্তা; এবং

(চ) সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অর্থনীতি ও বিমান পরিবহন বিষয়ে অভিজ্ঞ ২ (দুই) জন ব্যক্তি;

(৬) উপ-ধারা ৫ এর দফা (ক) ও (চ) এর অধীন নিযুক্ত সদস্যগণ তাহাদের নিযুক্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত উক্ত পদে বহাল থাকিবেন।

(৭) সভাপতি উপদেষ্টা পর্ষদের সভার তারিখ ও সময় নির্ধারণ করিবেন এবং সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।

(৮) কর্তৃপক্ষ, উপদেষ্টা পর্ষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে।

(৯) উপদেষ্টা পর্ষদ বিমানবন্দরের অবস্থান, বিমানের প্রকৃতি, এয়ার অপারেটরের প্রকৃতিসহ এতদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনা করিয়া সকল ক্ষেত্রে একই প্রকার অথবা, প্রয়োজনে, ভিন্ন প্রকার ফি, চার্জ, রয়‍্যালটি, প্রিমিয়াম ও ভাড়া আরোপের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করিবে।

(১০) সরকার, উপ-ধারা (৯) অনুযায়ী প্রাপ্ত সুপারিশের আলোকে কর্তৃপক্ষের ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিস প্রোভাইডারদের জন্য প্রযোজ্যতা অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকার ফি, চার্জ, রয়্যালটি, প্রিমিয়াম ও ভাড়া নির্ধারণ করিবে এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৭ (২০১৭ সনের ৩ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী চেয়ারম্যান উহার তফসিল প্রকাশ করিবেন।

(১১) উপদেষ্টা পর্যদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত সরকার, সময় সময়, কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে প্রাপ্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সার্ভিস প্রোভাইডারদের জন্য প্রযোজ্যতা অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রকার ফি, চার্জ, রয়্যালটি, প্রিমিয়াম ও ভাড়া আরোপ করিবে এবং উক্ত আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী চেয়ারম্যান উহার তফসিল প্রকাশ করিবে।

বিমান চলাচল ও পরিবেশ সুরক্ষা

৪৩খ। সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রার সহিত সঙ্গতি রাখিয়া, বিমান চলাচলের ফলে নিঃসরিত কার্বন ফুটপ্রিন্ট (carbon footprint) হ্রাস করিবার লক্ষ্যে টেকসই বিমান জ্বালানির ব্যবহার ও উন্নয়নের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।

এয়ার অপারেটরদের ক্ষেত্রে কতিপয় বিধিনিষেধ

৪৩গ। অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো দেশি বা বিদেশি এয়ার অপারেটর ট্রাভেল এজেন্সি স্থাপন করিয়া টিকেটিং ব্যবসার সহিত সম্পৃক্ত হইতে পারিবে না অথবা সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধি হিসাবে নিবন্ধিত হইতে পারিবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ইহা এয়ার অপারেটরদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে টিকেট বিক্রয় অথবা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে অন্য এয়ার অপারেটরের টিকেট বিক্রয়কে বারিত করিবে না।

ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিতকরণ

৪৩ঘ। (১) কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচলকে সেবাবান্ধব করিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন, ইত্যাদি ফ্রন্টিয়ার (frontier) প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করিবে, তবে এইক্ষেত্রে সাইবার সুরক্ষা এবং ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রচলিত বিধি-বিধান মানিয়া চলিতে হইবে।

(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নূতন প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনি পরিকাঠামো, নীতিমালা, মান ও নিরাপত্তা মানদণ্ড প্রণয়ন করিবে।]

অব্যাহতি, ইত্যাদি
৪৪। (১) সরকার, জনস্বার্থে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে, যে কোন বিমান বা বিমান শ্রেণি এবং যে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তি শ্রেণিকে এই আইন বা বিধি সকল বা যে কোন বিধান হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
 
(২) চেয়ারম্যান, জনস্বার্থে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন বিমান বা বিমান শ্রেণি এবং যে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তি শ্রেণিকে এএনও-তে বর্ণিত শর্তাবলি প্রতিপালন হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন।
 
অসুবিধা দূরীকরণ

2[৪৪ক। এই অধ্যাদেশের কোনো বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্তরূপ অসুবিধা দূরীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করিতে পারিবে।]

বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৪৫। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার নিম্নবর্ণিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথা :-

(ক) Convention on International Civil Aviation, 1944, Convention on International Recognition of Rights in Aircraft, 1948, Convention on Damage Caused by Foreign Aircraft to Third Parties on the Surface, 1952 এবং বেসামরিক বিমান চলাচল সম্পর্কিত বিষয়ে বাংলাদেশ ও অন্য কোন রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কনভেনশন বা এতদ্‌সংক্রান্ত কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক গৃহীত কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সংক্রান্ত;

 

(খ) বিমান পরিবহন সেবা ও বাণিজ্যিক ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণ;

 

(গ) বিমানঘাঁটি, বিমানবন্দর বা হেলিপোর্টের নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহারের শর্তাবলি নির্ধারণ;

 

(ঘ) বিমানঘাঁটি, বিমানবন্দর বা হেলিপোর্ট অথবা উহার সন্নিকটে অবস্থানকারী ব্যক্তির আচরণ নিয়ন্ত্রণ;

 

(ঙ) বিমান চিহ্নিতকরণ, বিমানের নকশা প্রণয়নকারী ও প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ;

 

(চ) বিমান ভাড়া, চার্টার, ইজারা বা বন্ধক, কোন বিমান বা বিমান শ্রেণি তৈরী, বিক্রয় এবং আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ;

 

(ছ) বিমানে যাত্রী, পণ্য, ডাক ও অন্যান্য সামগ্রী পরিবহন ও বিমানের টিকেট বিক্রয় এবং জেনারেল এভিয়েশন, এরিয়াল কার্য ও শিল্পের কাজে বিমানের ব্যবহার নির্ধারণ;

 

(জ) বাংলাদেশে প্রবেশে বা বাংলাদেশ হইতে প্রস্থানে বিমানঘাঁটি বা বিমানবন্দর নির্ধারণ;

 

(ঝ) আকাশসীমা লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং কোন নির্দিষ্ট এলাকার উপর দিয়া বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ;

 

(ঞ) বিমানপথের সংকেত, বিমানঘাঁটি, বিমানবন্দর বা হেলিপোর্টের লাইট এবং বিমানঘাঁটি, বিমানবন্দর বা বিমানপথের নিকটবর্তী এলাকায় লাইট সরবরাহ, তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ;

 

(ট) বিমানঘাঁটি, বিমানবন্দর বা হেলিপোর্টের অবতরণ এলাকার সন্নিকটে বাঁধা দূরীকরণার্থে মানদণ্ড নির্ধারণ এবং উহাদের সন্নিকটে অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ লাইট, রেডিও, বৈদ্যুতিক উপকরণ এবং ধোঁয়া উৎপাদনকারী বস্তু অপসারণ;

 

(ঠ) বাঁধা সীমাবদ্ধকারী তলের (Obstructions Limitation Surfaces) উপর, নিচ বা বাহিরে নূতন কোন অবকাঠামো নির্মাণে ভূমি ব্যবহারকারী কর্তৃক যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণের পদ্ধতি এবং উক্তরূপ ভূমি ব্যবহারকারী ও কর্তপক্ষের মধ্যে সৃষ্ট দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত বিধি-বিধান;

 

(ড) বিমানঘাঁটি, বিমানবন্দর বা হেলিপোর্ট বা বিমানপথের নিকটবর্তী এলাকার উপর অবস্থিত ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিক বা দখলকারী কর্তৃক উক্ত সম্পত্তির উপর লাইট স্থাপন ও সংরক্ষণ এবং উক্তরূপে স্থাপন ও সংরক্ষণের জন্য সরকার কর্তৃক প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ এবং এতদুদ্দেশ্যে স্থাপিত ও সংরক্ষিত সম্পত্তিতে প্রবেশাধিকারসহ উহার তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ;

 

(ঢ) বিমান বা উহাতে আরোহণকৃত ব্যক্তি কর্তৃক সংকেত প্রদান অথবা উক্ত বিমান বা ব্যক্তির নিকট সংকেত প্রেরণ বা যোগাযোগ স্থাপন এবং উহা নিয়ন্ত্রণ;

 

(ণ) বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী যুদ্ধাস্ত্র অথবা যুদ্ধোপকরণ অথবা অন্য কোন নির্দিষ্ট আগ্নেয়াস্ত্র, বস্তু বা উপকরণ বিমানে পরিবহন নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ;

 

(ত) আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ;

 

(থ) আকাশপথে বেসামরিক বিমান চালনা সংক্রান্ত পতাকা বা ব্যানার ব্যবহারের নিয়মাবলী;

 

(দ) বিমান হইতে নিসৃত কার্বণ হ্রাসকরণ বিষয়ে কর্মপরিকল্পা প্রণয়ন;

 

(ধ) বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, বিমান দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি এবং তাহার পরিবারকে সহায়তা প্রদান;

 

(ন) বেসামরিক বিমান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী বেআইনি আচরণের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা প্রদান; 3[***]

 

(প) বিমানের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্যা বিধান4[;]

 

5[(ফ) সাধারণ বিক্রয় প্রতিনিধি সংক্রান্ত;

 

(ব) ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল সংক্রান্ত;

 

(ভ) বিমান চলাচল ও পরিবেশ সুরক্ষা সংক্রান্ত;

 

(ন) বেসামরিক বিমান চলাচল উপদেষ্টা পর্ষদ সংক্রান্ত;

 

(ঘ) সাইবার নিরাপত্তা ও উপাত্ত সুরক্ষা সংক্রান্ত;

 

(র) সম্পত্তি ইজারা সংক্রান্ত; এবং

 

(ল) যাত্রীসেবা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিধান।]

বিধির কার্যকারিতা
 
৪৬। এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ হইতে ২১ (একুশ) দিন পর কার্যকর হইবে:
 
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ২১, ২২ ও ২৩ এর অধীন প্রণীত বিধির ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
[***]
6[***]
রহিতকরণ ও হেফাজত
 
৪৮। (১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে Civil Aviation Ordinance, 1960 (Ordinance No. XXXII of 1960) রহিত হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত Ordinance এর অধীন
 
(ক) কৃত কোন কাজ বা গৃহীত কোন ব্যবস্থা, প্রণীত কোন বিধি, জারীকৃত কোন এএনও, আদেশ, নির্দেশনা বা সার্কুলার, ইস্যুকৃত কোন নোটিশ, প্রদত্ত কোন সার্টিফিকেট, লাইসেন্স বা পারমিট অথবা সম্পাদিত চুক্তি বা দলিল এই আইনের অধীনকৃত, গৃহীত, প্রণীত, জারীকৃত, ইস্যুকৃত, প্রদত্ত অথবা সম্পাদিত বলিয়া গণ্য হইবে;
 
(খ) চলমান বা নিষ্পন্নাধীন কোন কার্যক্রম এই আইনের অধীন, যতদূর সম্ভব, নিষ্পত্তি করিতে হইবে; এবং
 
(গ) দায়েরকৃত কোন মামলা বা কার্যধারা কোন আদালতে চলমান থাকিলে উহা এমনভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে যেন উক্ত Ordinance রহিত হয় নাই।
ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
 
৪৯। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
 
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs