প্রিন্ট ভিউ

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন আইন, ২০১৮

( ২০১৮ সনের ৩৫ নং আইন )

তৃতীয় অধ্যায়

কর্পোরেশনের কার্যাবলি ও ক্ষমতা

কার্যাবলি
১১। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্পোরেশন নিম্নবর্ণিত কার্যাবলি সম্পাদন করিবে, যথা :-
 
(১) বীজ ও উদ্যান উন্নয়ন সংক্রান্ত কৃষি উপকরণ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ , গুদামজাতকরণ ও বিপণন এবং কৃষকদের নিকট সরাসরি বা ডিলারের মাধ্যমে সরবরাহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(২) কৃষি ক্ষেত্রে সেচ সুবিধা সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(৩) সার সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সার সংগ্রহ, পরিবহন, গুদামজাতকরণ এবং কৃষকদের নিকট সরাসরি বা ডিলারের মাধ্যমে সরবরাহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(৪) দফা (১) হইতে (৩) এ উল্লিখিত দ্রব্য ও সেবা, সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষ্যে, কৃষকদেরকে বিনামূল্যে সাহায্য বা প্রণোদনা হিসাবে প্রদান;
 
(৫) পাট, ডাল, দানা জাতীয় শস্য, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ, সবজিবীজ এবং অন্যান্য শস্যবীজ সংগ্রহের লক্ষ্যে চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের মাধ্যমে উন্নতমানের ভিত্তি এবং প্রত্যায়িত ও মানঘোষিত বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(৬) কর্পোরেশনের খামারে শংকর বীজ, ব্রিডার, ভিত্তি এবং প্রত্যায়িত ও উন্নতমানের বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(৭) কর্পোরেশনের উৎপাদিত ও সংগৃহীত বীজ যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং মাননিয়ন্ত্রণ করিয়া কৃষকদের নিকট সরবরাহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(৮) সেচকার্য পরিচালনা ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে লিফট, পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন এবং অন্যান্য সেচ উপকরণ সংরক্ষণ ও সরবরাহ;
 
(৯) সেচনালা এবং সেচ ও ফসল রক্ষ্যা অবকাঠামো নির্মাণ, মেরামত ও উন্নয়ন;
 
(১০) সেচযন্ত্র, সেচ এলাকা, পানিসম্পদ, পানির গুণাগুণ, স্তর ও প্রাপ্যতার জরিপ পরিচালনা এবং সমীক্ষা, গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ডাটা ব্যাংক তৈরি;
 
(১১) কৃষিকাজে পানির সুষ্ঠু ব্যবহারের লক্ষ্যে -
 
(ক) ভূ-উপরিস্থ ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহার;
 
(খ) ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ;
 
(গ) খালনালা, জলাধার এবং একুইফার সংরক্ষণ, সংস্কার ও উন্নয়ন;
 
(ঘ) উপজাত পানির সমন্বিত ব্যবহার; এবং
 
(ঙ) পানি উদ্ভাবনমুখী ব্যবহারের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ;
 
(১২) যান্ত্রিক পদ্ধতির চাষাবাদের সুযোগ প্রদানের জন্য উন্নত ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, চালনা, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরির কারখানা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ;
 
(১৩) সুষ্ঠুভাবে বীজ ও সার সংগ্রহ, উৎপাদন ও সরবরাহের লক্ষ্যে হিমাগার, বীজ হিমাগার, আর্দ্রতা নিরোধক (dehumidified) বীজ গুদাম, বীজ গুদাম, সার গুদাম, প্লান্ট বায়োটেক ল্যাবরেটরিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য গবেষণাগার স্থাপন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ;
 
(১৪) জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষিক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(১৫) সেচ দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এলাকাভিত্তিক পানিসম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং লাগসই ও টেকসই প্রযুক্তি গ্রহণ ও সম্প্রসারণ;
 
(১৬) সেচযন্ত্রে বিদ্যুতায়ন এবং তৎলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন;
 
(১৭) সেচকার্যে ভূ-উপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
 
(১৮) কৃষি গবেষণার মাধ্যমে লাগসই ও টেকসই কারিগরি কলাকৌশল উদ্ভাবন এবং ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন, নির্বাচন, প্রবর্তন ও কর্পোরেশনের নামে ছাড়করণ;
 
(১৯) সরকারের অনুমোদনক্রমে কৃষি উপকরণ ও যন্ত্রপাতি আমদানি ও রপ্তানি এবং উক্ত উদ্দেশ্যে বিদেশি রাষ্ট্র বা সংস্থার সহিত যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক সম্পাদন;
 
(২০) পতিত জমির ব্যবহার, নূতন এলাকায় কৃষিকাজ সম্প্রসারণ, পাহাড়ি নদীনালা ও ছড়া ব্যবহার উপযোগীকরণ, খালনালা সংরক্ষণ , সম্ভাবনাময় এলাকার‌ ব্যবহার, উপযুক্ত শস্য পর্যায় ও মিশ্র খামারের মাধ্যমে পরিকল্পিত কৃষি ও কৃষিদ্রব্য বিপনন ও প্রক্রিয়াকরণ এবং সমবায় ও ব্লক খামার সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(২১) বীজ, সার ও সেচযন্ত্রের ব্যবহার এবং কৃষি কার্যক্রমে কৃষক ও ডিলার প্রশিক্ষণে ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(২২) কৃষি ও কৃষকের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে, প্রয়োজনে, ঋণের ব্যবস্থা এবং সমবায় সমিতি গঠনে সংশ্লিষ্টদের উৎসাহ প্রদান;
 
(২৩) কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ;
 
(২৪) সেচযন্ত্র ও সারের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(২৫) সরকার কর্তৃক নির্দেশিত হইলে, সরকার কর্তৃক প্রণীত শর্তাবলির ভিত্তিতে, সরকারের মালিকানাধীন বা সরকার কর্তৃক পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামার, উদ্যান ও নার্সারি এবং প্রাণী ও মৎস্য খামার বা এতদ্বিষয়ক জাতীয় গবেষণা ও দ্রব্য উৎপাদনে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব গ্রহণ ও পরিচালনা; এবং
 
(২৬) সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কৃষি বিষয়ক অন্যান্য কার্যক্রমের দায়িত্ব গ্রহণ।
সাধারণ ক্ষমতা
১২। (১) কর্পোরেশন, এই আইনের অন্য কোনো বিধানের দ্বারা অর্পিত ক্ষমতার সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-
 
(ক) যে কোনো কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে;
 
(খ) যে কোনো দ্রব্য সরবরাহ করিতে পারিবে;
 
(গ) সেবামূলক কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে;
 
(ঘ) যে কোনো ব্যয় বহন করিতে পারিবে;
 
(ঙ) নিজস্ব ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো প্লান্ট, যন্ত্রপাতি বা উপকরণ সংগ্রহ করিতে পারিবে; এবং
 
(চ) যে কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক সম্পাদন করিতে এবং উক্ত চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন ও ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
 
(২) কর্পোরেশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, যান্ত্রিক কৃষি সুবিধা এবং সেচের পানি সরবরাহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যয়ের হার নির্ধারণ করিতে পারিবে, যাহা সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের নিকট হইতে কর্পোরেশন কর্তৃক আদায়যোগ্য হইবে।
 
(৩) কর্পোরেশন, প্রয়োজনে, উহার কোনো স্থাপনা, যানবাহন, যন্ত্রপাতি বা বীজ, ক্ষেত্রমত, পরিত্যক্ত, ব্যবহার অযোগ্য বা অবীজ ঘোষণা করিতে পারিবে অথবা উক্ত স্থাপনা, যানবাহন, যন্ত্রপাতি বা বীজ, ক্ষেত্রমত, বিক্রয়, ধ্বংস কিংবা অপসারণ করিতে পারিবে।
 
(৪) কর্পোরেশন উহার কার্যাবলী সম্পাদনের প্রয়োজনে যে কোনো সম্পদ ক্রয়, ইজারা বা ভাড়ায় গ্রহণ করিতে পারিবে।
ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত ক্ষমতা
১৩। ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে কর্পোরেশনের নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা :-
 
(ক) ক্রয়, বিনিময়, অধিগ্রহণ বা অন্য কোনোভাবে ভূমি অর্জন;
 
(খ) ভূমি উন্নয়নসহ ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত সকল কার্য;
 
(গ) কার্যক্রম, কর্মসূচি ও প্রকল্প দলিলে বর্ণিত ভূমি ব্যবহার বিষয়ক কার্য;
 
(ঘ) সংরক্ষণ, বিক্রয়, বিনিময় বা অন্য কোনোভাবে ভূমি ব্যবহার;
 
(ঙ) উপযুক্ত ভাড়ায় ও নির্দিষ্ট শর্তে চুক্তি সম্পাদনপূর্বক ইজারা প্রদান:
 
তবে শর্ত থাকে যে, সাধারণভাবে ১ (এক) বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করা যাইবে না এবং, প্রয়োজন হইলে, কেবল এক বা একাধিক মেয়াদে উক্ত চুক্তি নবায়ন করা যাইবে।
যোগাযোগ উন্নয়ন বিষয়ক ক্ষমতা
১৪। কার্যক্রম, কর্মসূচি বা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে, সংশ্লিষ্ট এলাকার অভ্যন্তরে ও বাহিরে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নকল্পে কর্পোরেশন নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে, যথা :-
 
(ক) আপাতত বলবৎ অন্যান্য আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, এককভাবে অথবা অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার সহিত যৌথভাবে,-
 
(অ) যে কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সংরক্ষণ এবং বাস্তবায়ন; এবং
 
(আ) সড়ক ও সেতু নির্মাণ, প্রশস্তকরণ, দৃঢ়করণ বা অন্য কোনোভাবে উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ;
 
(খ) প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত বিবেচিত হইলে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, তৎকর্তৃক নির্ধারিত শর্তাধীনে,-
 
(অ) কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সংরক্ষণ বা বাস্তবায়নে ব্যয়িত মূলধনের সুদ, যদি থাকে, পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করিতে পারিবে; এবং
 
(আ) কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, সংরক্ষণ বা বাস্তবায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করিলে, উক্ত ব্যক্তি বা সংস্থাকে, ভর্তুকি প্রদান করিতে পারিবে।
ভূমি জরিপ এবং উহার ব্যয় নির্বাহের ক্ষমতা
১৫। এই আইনের উদ্দেশ্য পুরণকল্পে কোনো ভূমি জরিপ প্রয়োজনীয় ও উপযোগী বলিয়া বিবেচিত হইলে, কর্পোরেশন,-
 
(ক) স্বয়ং ভূমি জরিপ করিতে পারিবে; অথবা
 
(খ) নিজস্ব অর্থায়নে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার মাধ্যমে ভূমি জরিপ সম্পন্ন করিতে পারিবে।
প্রবেশাধিকারের ক্ষমতা
১৬। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে চেয়ারম্যান বা তৎকর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যে কোনো ভূমিতে-
 
(ক) প্রবেশ করিতে পারিবেন;
 
(খ) জরিপ করিতে পারিবেন;
 
(গ) প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের দায়িত্ব গ্রহণ করিতে পারিবেন;
 
(ঘ) ভূমির সীমানা নির্ধারণের জন্য খুঁটি বা সীমানা চিহ্ন স্থাপন করিতে পারিবেন;
 
(ঙ) অনভিপ্রেত কাজে বাধা প্রদান করিতে পারিবেন;
 
(চ) পানির উৎস সন্ধানের উদ্দেশ্যে গর্ত করিতে বা খনন করিতে পারিবেন;
 
(ছ) পানির ধারা সৃষ্টির লক্ষ্যে খাল বা নালা খনন ও পুনঃখনন করিতে এবং ভূগর্ভস্থ পাইপ নির্মাণ ও বাঁধ নির্মাণ করিতে পারিবেন; এবং
 
(জ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ সম্পাদন করিতে পারিবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, উপরি-উক্ত ক্ষমতা এমনভাবে প্রয়োগ করিতে হইবে যেন ভূমির মালিকের উপর ন্যূনতম হস্তক্ষেপ ও ক্ষতি সংঘটিত হয়।
সরকার কর্তৃক কর্পোরেশনের উপর ক্ষমতা ও কার্যাবলি অর্পণ বা ন্যস্তকরণ
১৭। আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনের অধীন সরকার বা উহার অধস্তন কোনো কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কর্তৃক প্রয়োগযোগ্য বা সম্পাদনযোগ্য ক্ষমতা ও কার্য সরকার, সরকারি আদেশ দ্বারা, কর্পোরেশন বা যে কোনো কর্মচারীর উপর অর্পণ বা ন্যস্ত করিতে পারিবে।
ফি বা চার্জ ধার্য ও আদায়
১৮। (১) কর্পোরেশন, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সেচ চার্জ ধার্য ও আদায় করিতে পারিবে।
 
(২) কোনো পানি ব্যবহারকারী যথাসময়ে উপ-ধারা (১) এর অধীন ধার্যকৃত সেচ চার্জ প্রদানে ব্যর্থ হইলে, উক্ত সেচ চার্জের সহিত অনধিক ২০(বিশ) হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা যাইবে।
 
(৩) কর্পোরেশন, এই আইনের অধীন উহার কার্যাবলি সম্পাদনের ব্যয় নির্বাহের জন্য, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোনো কার্যক্রম, কর্মসূচি বা প্রকল্প বা উহার কোনো অংশে, উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সেচ চার্জ ছাড়াও, অন্য কোনো ফি বা চার্জ ধার্য ও আদায় করিতে পারিবে।

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs