মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২

( ২০২২ সনের ০৭ নং আইন )

Mongla Port Authority Ordinance, 1976 রহিত করিয়া উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) দ্বারা
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হইতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহের অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তপশিলের ৩ক ও ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হইয়াছে এবং সিভিল আপিল নং ১০৪৪-১০৪৫/২০০৯-এ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সামরিক আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণাপূর্বক উহার বৈধতা প্রদানকারী সংবিধান (পঞ্চম সংশোধন) আইন, ১৯৭৯ (১৯৭৯ সনের ১নং আইন) বাতিল ঘোষিত হওয়ায় উক্ত অধ্যাদেশসমূহের কার্যকারিতা লোপ পাইয়াছে; এবং

যেহেতু ২০১৩ সনের ৬ নং আইন দ্বারা উক্ত অধ্যাদেশসমূহের মধ্যে কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর রাখা হইয়াছে; এবং

যেহেতু উক্ত অধ্যাদেশসমূহের আবশ্যকতা ও প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনাপূর্বক আবশ্যক বিবেচিত অধ্যাদেশসমূহ সকল স্টেক-হোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করিয়া প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে বাংলায় নূতন আইন প্রণয়ন করিবার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছে; এবং

যেহেতু সরকারের উপরিউক্ত সিদ্ধান্তের আলোকে, Mongla Port Authority Ordinance, 1976 (Ordinance No. LIII of 1976) রহিত করিয়া উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

সূচি

ধারাসমূহ

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

২। সংজ্ঞা

৩। বন্দরের সীমানা

৪। কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা

৫। কর্তৃপক্ষের কার্যালয়

৬। পরিচালনা ও প্রশাসন

৭। বোর্ড গঠন, ইত্যাদি

৮। বোর্ডের সভা

৯। কমিটি গঠন

১০। কর্তৃপক্ষের কার্যাবলি

১১। কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

১২। সংরক্ষিত বন্দর এলাকা

১৩। কর্তৃপক্ষের পণ্যের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের ক্ষমতা

১৪। শুল্ক কর্মকর্তাদের কার্যের জন্য প্রয়োজনীয় স্থান সংরক্ষণ

১৫। কর্তৃপক্ষের পাইলট সার্ভিস প্রদানের ক্ষমতা, ইত্যাদি

১৬। বন্দর সীমানায় বেসরকারি স্থাপনা নির্মাণ, ইত্যাদি অনুমোদনের ক্ষমতা

১৭। নদী ব্যবহার মাশুল (River-dues) আরোপের ক্ষমতা

১৮। অপারেটর নিয়োগ

১৯। খনন ও ভরাট নিষিদ্ধকরণ

২০। ডক, মুরিং, অ্যাংকরেজ, ইত্যাদি হইতে জাহাজ ও যন্ত্রপাতি স্থানান্তর

২১। ফি, মাশুল, ইজারা ইত্যাদির তপশিল

২২। মাশুল, ইত্যাদি মওকুফ

২৩। ফি, টোল, রেইট, মাশুল, বকেয়া, ইত্যাদি আদায়

২৪। অভ্যন্তরীণ নৌ-যানসমূহের তালিকাভুক্তি

২৫। টোল, ইত্যাদির ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পূর্বস্বত্ব

২৬। ফ্রেইট বিষয়ে জাহাজের স্বত্বাধিকারীর পূর্বস্বত্ব

২৭। পণ্য বিক্রয়ের মাধ্যমে অনাদায়ি টোল আদায়

২৮। জাহাজ ত্যাগে বিধি-নিষেধ

২৯। বন্দর ছাড়পত্র, ইত্যাদি

৩০। অদাবিকৃত পণ্য, ইত্যাদি অপসারণ

৩১। নিলামের মাধ্যমে মাশুল, ইত্যাদি আদায়

৩২। বন্দরের স্থাপনা ও সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি প্রদান

৩৩। জাহাজ ঘাট ও জেটি নির্মাণ

৩৪। কর্তৃপক্ষের তহবিল, ইত্যাদি

৩৫। তহবিলের ব্যবহার

৩৬। ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা

৩৭। বাজেট বিবরণী

৩৮। হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা

৩৯। বার্ষিক প্রতিবেদন, ইত্যাদি

৪০। দণ্ড

৪১। দূষণের জন্য দণ্ড

৪২। টোল, রেইট, ইত্যাদি ফাঁকির জন্য দণ্ড

৪৩। সম্পদের ক্ষতিপূরণ আদায়

৪৪। কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন

৪৫। ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ

৪৬। অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ ক্ষমতা

৪৭। অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ

৪৮। মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার

৪৯। সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য রক্ষণ

৫০। কর্মচারী নিয়োগ, ইত্যাদি

৫১। প্রেষণে নিয়োগ, ইত্যাদি

৫২। জনসেবক

৫৩। ক্ষমতা অর্পণ

৫৪। প্রবেশ, ইত্যাদির ক্ষমতা

৫৫। কর্তৃপক্ষের জন্য জমি হুকুমদখল বা অধিগ্রহণ

৫৬। মামলা দায়েরের সীমাবদ্ধতা

৫৭। বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৫৮। প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৫৯। রহিতকরণ ও হেফাজত

৬০। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ