প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
পঞ্চম অধ্যায়
ব্যবসা 1[বা পেশা] হইতে আয়
৪৬। (১) ধারা ৪৫ এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, বিশেষ ক্ষেত্রে, ব্যবসা 3[বা পেশা] হইতে আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(২) করদাতার যে ব্যবসায়ের জন্য আয় পরিগণিত হইতেছে সেই ব্যবসায়ে ব্যবহৃত কোনো পরিসম্পদ যদি কোনো আয়বর্ষে বিক্রয় করা হয়, তাহা হইলে উক্ত বিক্রয়লব্ধ আয়ের পরিমাণ হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
|
ক্রমিক নং |
বিক্রয়লব্ধ অর্থ |
আয়ের পরিমাণ |
|
(১) |
(২) |
(৩) |
|
১। |
বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক হয় |
ক-খ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার ‘মূলধনি আয়’ শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;
খ-গ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার ‘ব্যবসা 4[বা পেশা] হইতে আয়’ শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
|
|
২। |
বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক না হয়, তবে অবলোপিত মূল্য হইতে অধিক হয় |
ক-গ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার ‘ব্যবসা 5[বা পেশা] হইতে আয়’ শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
|
(৩) করদাতার ব্যবসায়ে ব্যবহৃত হইবার পর কোনো পরিসম্পদ পরিত্যক্ত, নিশ্চিহ্ন বা ধ্বংস হইবার কারণে কোনো বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ হিসাবে কোনো অর্থ প্রাপ্ত হইলে তাহার পরিমাণ যদি উক্ত সম্পদের অবলোপিত মূল্যের চাইতে অধিক হয় তাহা হইলে এই ক্ষেত্রে আয়ের অঙ্ক হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
|
ক্রমিক নং |
6[বিক্রয়লব্ধ অর্থ] |
আয়ের পরিমাণ |
|
(১) |
(২) |
(৩) |
|
১। |
বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক হয় |
ক-খ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতার ‘মূলধনি আয়’ শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;
খ-গ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতার ‘ব্যবসা 7[বা পেশা] হইতে আয়’ শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
|
|
২। |
বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ যদি পরিসম্পদের অর্জন মূল্য হইতে অধিক না হয়, তবে অবলোপিত মূল্য হইতে অধিক হয় |
যেইক্ষেত্রে ক>গ, সেইক্ষেত্রে ক-গ এর সমপরমিাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতার ‘ব্যবসা 8[বা পেশা] হইতে আয়’ শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;
যেইক্ষেত্রে ক<গ, সেইক্ষেত্রে গ-ক এর সমপরমিাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে সংশ্লিষ্ট করদাতার ‘ব্যবসা 9[বা পেশা] হইতে আয়’ পরিগণনার ক্ষেত্রে ধারা ৪৯ এর অধীন ব্যয় হিসাবে অনুমোদিত হইবে।
|
(৪) উপ-ধারা (২) এবং (৩) এর সারণির কলাম (২) অনুসারে বিক্রয়লব্ধ অর্থ বা, ক্ষেত্রমত, পরিসম্পদের বিপরীতে বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ এবং অবলোপিত মূল্যের পার্থক্য ঋণাত্মক হইলে ফলাফল ব্যবসা 10[বা পেশা] হইতে আয় খাতে ব্যয়িত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উহা অনুমোদিত সাধারণ বিয়োজনের অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(৫) উপ-ধারা (২) এবং (৩) এর সারণীতে বর্ণিত-
ক = পরিসম্পদের বিপরীতে বিমা, স্যালভেজ বা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থ 11[বা বিক্রয়লব্ধ অর্থ],
খ = পরিসম্পদের অর্জন মূল্য, এবং
গ = তৃতীয় তফসিলের অধীন অবচয় অনুমোদনের পর পরিসম্পদের গণনাকৃত অবলোপিত মূল্য,
-কে বুঝাইবে।
(৬) যদি কোনো রপ্তানিকারক করদাতা সরকার কর্তৃক তাহার অনুকূলে বণ্টনকৃত রপ্তানি কোটার সম্পূর্ণ বা আংশিক কোনো আয়বর্ষে অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করিয়া থাকেন, তাহা হইলে এইরূপ হস্তান্তরিত কোটার আনুপাতিক রপ্তানি মূল্য উক্ত আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 12[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
13[(৬ক) যদি কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় কোনো ব্যক্তির নিকট প্রদেয় সুদ বা মুনাফা বাবদ কোনো খরচ বিয়োজিত হয় এবং যে আয়বর্ষে বিয়োজিত হইয়াছে তাহা শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যদি উক্ত সুদ বা মুনাফা পরিশোধ করা না হয় তাহা হইলে বর্ণিত ৩ (তিন) বৎসর সমাপ্তির পরবর্তী আয়বর্ষে উক্ত সুদ বা মুনাফার অপরিশোধিত অঙ্ক করদাতার ব্যবসা বা পেশা হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আয় হিসাবে গণ্য হইয়াছে এইরূপ কোনো সুদ বা মুনাফা যদি পরবর্তী কোনো বৎসরে পরিশোধ করা হয়, তাহা হইলে উক্ত পরিশোধ সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত অঙ্ক করদাতার আয় পরিগণনা হইতে বাদ যাইবে।]
14[***]
(৮) কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় যদি করদাতার কোনো ট্রেডিং দায় হিসাবে নেওয়া হয় এবং–
(ক) পরবর্তী কোনো আয় উক্ত আয়বর্ষে করদাতা যদি ট্রেডিং দায় বাবদ কোনো সুবিধা প্রাপ্ত হয় তাহা হইলে সেই সুবিধার অর্থমূল্য সুবিধা প্রাপ্তির আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 15[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে;
(খ) উক্ত ট্রেডিং দায় যেই আয়বর্ষে হিসাবে নেওয়া হইয়াছে তাহা শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে যদি ট্রেডিং দায় বা তাহার কোনো অংশ অপরিশোধিত থাকে তাহা হইলে উক্ত অপরিশোধিত ট্রেডিং দায় উক্ত ৩ (তিন) বৎসর সমাপ্তির পরবর্তী আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 16[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আয় হিসাবে গণ্য হইয়াছে এইরূপ কোনো ট্রেডিং দায় যদি পরবর্তী কোনো বৎসরে পরিশোধ করা হয় তাহা হইলে পরিশোধ সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে সেই অঙ্ক করদাতার আয় পরিগণনায় বাদ যাইবে।
(৯) যদি কোনো আয়বর্ষে এই অধ্যায়ের অধীন আয় পরিগণনায় লোকসান, কুঋণ বা কোনো খরচ বিয়োজিত হয় এবং পরবর্তী কোনো আয়বর্ষে করদাতা যদি সেই বিয়োজিত লোকসান, কুঋণ বা খরচ বাবদ কোনো সুবিধা প্রাপ্ত হন তাহা হইলে সেই সুবিধার অর্থমূল্য সুবিধা প্রাপ্তির আয়বর্ষে করদাতার ব্যবসা 17[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে গণ্য হইবে।
18[(১০) ধারা ১৮০ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে যে আয়বর্ষের রিটার্ন দাখিল হইয়াছে তাহার পরবর্তী ৫ (পাঁচ) আয়বর্ষের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রদর্শিত প্রারম্ভিক মূলধনের যেকোনো পরিমাণের ঘাটতি ব্যবসা 19[বা পেশা] সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “ব্যবসা 20[বা পেশা] হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।]
(১১) কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক কুঋণ বা সন্দেহজনক ঋণ হিসাবে শ্রেণিবিন্যাসকৃত ঋণের উপর সুদ বা মুনাফা আয় যেই আয়বর্ষে 21[লাভ-ক্ষতি হিসাব (আয় বিবরণী) এ] ক্রেডিট প্রদান করা হইবে, অথবা যেই আয়বর্ষে প্রকৃতভাবে গৃহীত হইবে, দুইয়ের মধ্যে যাহা আগে হয় সেই আয়বর্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা 22[বা পেশা] হইতে আয় শ্রেণির আয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হইবে।
23[(১১ক) ধারা ৫২ এর উপ-ধারা (২) এর শর্তাংশ অনুযায়ী, ব্যাংক, ফাইন্যান্স ও লিজিং কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তাহার কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে, প্রদানকৃত ঋণের বিপরীতে প্রাপ্ত সুদের পরিমাণ, বার্ষিক ১২% (বারো শতাংশ) অপেক্ষা কম হইলে, যে পরিমাণে কম সুদ প্রাপ্ত হইবে, সেই পরিমাণ অঙ্ক সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।
(১১খ) ধারা ৬৬ এর দফা (ক) এর শর্তাংশে উল্লিখিত আয় সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “ব্যবসা বা পেশা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।]
(১২) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,-
(ক) বিক্রয়ের পূর্বে পরিসম্পদটি যে ব্যবসায়ে ব্যবহৃত হইয়াছে, সেই ব্যবসা পরিসম্পদ বিক্রয়-সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে করদাতা কর্তৃক পরিচালিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(খ) করদাতার ব্যবসায় ব্যবহৃত হইবার পর কোনো পরিসম্পদ বাংলাদেশের বাহিরে রপ্তানি বা স্থানান্তরিত হইলে, উক্ত রপ্তানির বা স্থানান্তরের তারিখই পরিসম্পদ বিক্রয়ের তারিখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সম্পদের 24[রপ্তানি মূল্যকে] উহা বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ বলিয়া বিবেচনা করা হইবে।