প্রিন্ট ভিউ
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। (১) এই আইন ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে সকল পরিশোধ, নিকাশ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে, সেই তারিখে এই আইন কার্যকর হইবে।
*এস, আর, ও নং ৪২৭-আইন/২০২৪, তারিখ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ইং দ্বারা ১৬ পৌষ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ মোতাবেক উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (৪) এবং ধারা ৩১ বিগত ১২ আগষ্ট ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হইতে কার্যকর এবং অন্যান্য ধারাসমূহ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।
২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে—
(১) ‘অগ্রিম পরিশোধিত পরিশোধ দলিল (Prepaid Payment Instrument)’ অর্থ অগ্রিম পরিশোধিত অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট অংকের আর্থিক মূল্য সম্বলিত কোনো কাগুজে বা ইলেকট্রনিক দলিল, যাহা পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধ বা লেনদেনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার হইতে পারে।
(২) ‘আইনস্বীকৃত মুদ্রা (Legal Tender)’ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রা যাহা পণ্য ও সেবার মূল্য এবং ঋণ পরিশোধের মাধ্যম হিসাবে আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য;
(৩) ‘আউটসোর্সিং (Outsourcing)’ অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী বা পরিশোধ সেবাদানকারীর কোনো কার্যক্রম বা কার্যক্রমের অংশবিশেষ অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সম্পাদন করা;
(৪) ‘ই-ওয়ালেট (e-Wallet)’ অর্থ ইলেকট্রনিক মুদ্রা সংরক্ষণের আধার;
(৫) ‘ইলেকট্রনিক মুদ্রা (Electronic Money)’ অর্থ আইনস্বীকৃত মুদ্রার বিপরীতে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সংরক্ষিত আর্থিক মূল্য, যাহা লেনদেনের বা আমানতের বা আর্থিক দায় পরিশোধের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয় এবং যাহা সকলে পরিশোধ-মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করে;
(৬) ‘ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর (Electronic Fund Transfer-EFT)’ অর্থ তহবিল স্থানান্তর যাহা পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী ও পরিশোধ সেবাদানকারীকে উহাদের সহিত রক্ষিত হিসাব হইতে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অর্থ আকলন (Credit) বা বিকলন (Debit) করিবার আদেশ বা ক্ষমতা প্রদান দ্বারা উদ্ভূত হয়;
(৭) ‘এজেন্ট’ অর্থ এই আইনের আওতায় গ্রাহককে পরিশোধ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরিশোধ সেবা প্রদানকারী কর্তৃক নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানি;
(৮) ‘কেন্দ্রীয় সরকারি সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি (Central Government Securities Depository)’ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সরকারি সিকিউরিটিজের কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার, যাহাতে অন্যান্যের মধ্যে, সরকারি সিকিউরিটিজ ইস্যু, প্রত্যাহার এবং ইহার মালিকানা সংক্রান্ত তথ্যাদি ইলেকট্রনিক উপায়ে সংরক্ষিত থাকে;
(৯) ‘ক্রেডিট কার্ড’ অর্থ এমন কোনো কার্ড যাহা যাচাইকরণ ও প্রমাণীকরণের পর উহার ধারককে একটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে পরিশোধের শর্তে পণ্য বা সেবা ক্রয় ও নগদ উত্তোলন করিবার অধিকার প্রদান করে;
(১০) ‘ক্রেডিট ব্যুরো (Credit Bureau)’ অর্থ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ঋণমান নির্ধারণের নিমিত্তে এই আইনের অধীন বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধান দ্বারা অনুমোদিত বা উন্মুক্ত উৎস হইতে আর্থিক লেনদেন ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাহা বিশ্লেষণপূর্বক ঋণমান নির্ধারণ করে;
(১১) ‘কোম্পানি’ অর্থ এই আইনের অধীন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন গঠিত এবং নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি;
(১২) ‘গ্রাহক’ অর্থ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান—
(ক) যাহার সহিত কোনো পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী বা পরিশোধ সেবাদানকারীর ব্যবসায়িক সম্পর্ক রহিয়াছে;
(খ) যাহার জন্য কোনো পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী বা পরিশোধ সেবাদানকারী লেনদেন করিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত বা লেনদেন করিতে আগ্রহী; এবং
(গ) যিনি ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ই-ওয়ালেট বা অন্য কোনো অনুমোদিত মাধ্যম ব্যবহার করিয়া লেনদেন পরিচালনা করিতে আগ্রহী;
(১৩) ‘চেক (Cheque)’ অর্থ Negotiable Instruments Act, 1881 (Act No. XXVI of 1881) এর section 6 এ সংজ্ঞায়িত ‘Cheque’;
(১৪) ‘ট্রাস্ট ও সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট (Trust and Settlement Account)’ অর্থ এমন এক ধরনের সংরক্ষিত ব্যাংক হিসাব, যেখানে পরিশোধ সেবাদানকারী কর্তৃক ইস্যুকৃত ইলেকট্রনিক মুদ্রার বিপরীতে গ্রাহকের অর্থ জমা রাখা হয় অথবা পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী বা উক্ত হিসাব পরিচালনার জন্য অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহীতার অর্থ জমা রাখা হয় এবং এই হিসাবে জমাকৃত অর্থ অনুমোদিত খাত ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায় না;
(১৫) ‘ডেবিট কার্ড’ অর্থ এমন কোনো কার্ড যাহা যাচাইকরণ ও প্রমাণীকরণের পর সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব হইতে নগদ অর্থ উত্তোলন, দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিশোধে ব্যবহৃত হয়;
(১৬) ‘তারল্য সুবিধা’ (Liquidity Facility)’ অর্থ এমন এক সাময়িক ঋণ-সুবিধা, যাহা পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীগণ সহায়ক জামানতের বিপরীতে গ্রহণপূর্বক তাৎক্ষণিক দায়-দেনা নিষ্পত্তি করে;
(১৭) ‘নগদ অর্থ বা অর্থ (Cash)’ অর্থ আইনস্বীকৃত মুদ্রা;
(১৮) ‘নিকাশ (Clearing)’ অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীগণের মধ্যে বা পরিশোধ ব্যবস্থাসমূহের মধ্যে বা পরিশোধ সেবাদানকারীগণের মধ্যে পরিশোধ-নির্দেশ বিনিময়, বাছাই ও নেটিং করা;
(১৯) ‘নির্ভরশীলতাজনিত ঝুঁকি (Systemic Risk)’ অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থায় কোনো অংশগ্রহণকারীর দায় পরিশোধের অক্ষমতার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি, যাহা পরিশোধ ব্যবস্থার অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের দায় পরিশোধের অক্ষমতা বা আর্থিক ক্ষতির কারণ হইতে পারে;
(২০) ‘নিশ্চিতকরণ (Authentication)’ অর্থ এমন এক প্রক্রিয়া, যাহার মাধ্যমে পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী বা পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী বা পরিশোধ সেবাদানকারী উহার গ্রাহকের পরিচয় সম্পর্র্কে নিশ্চিত হয়;
(২১) ‘নিষ্পত্তি (Settlement)’ অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীগণের বা গ্রাহকগণের মধ্যে বুক এন্ট্রি পদ্ধতিতে অর্থ বা সরকারি সিকিউরিটিজের দেনা-পাওনার সমাপ্তি;
(২২) ‘নিষ্পত্তি প্রতিনিধি (Settlement Agent)’ অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থার এমন এক অংশগ্রহণকারী, যে অপর অংশগ্রহণকারীর পক্ষে নিজ হিসাবে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে;
(২৩) ‘নিষ্পত্তি ব্যবস্থা (Settlement System)’ অর্থ গ্রাহকগণের বা পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীগণের মধ্যে অর্থ বা সরকারি সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত দেনা-পাওনা সমাপ্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা তৎকর্তৃক মনোনীত ব্যাংক-কোম্পানি কর্তৃক পরিচালিত ব্যবস্থা;
(২৪) ‘নেটিং (Netting)’ অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীগণের পরস্পরের মধ্যে নিট দেনা-পাওনা নিরূপণ;
(২৫) ‘পরিশোধ (Payment)’ অর্থ প্রদানকারী ও গ্রহণকারীর মধ্যে আর্থিক মূল্য হস্তান্তরের নিমিত্ত গ্রহণযোগ্য তৃতীয় কোনো পক্ষের উপর দাবি স্থানান্তর, যাহা আইনস্বীকৃত মুদ্রা বা ইলেকট্রনিক মুদ্রা বা বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রার মাধ্যমে কার্যকর হয়;
(২৬) ‘পরিশোধ দলিল (Payment Instrument)’ অর্থ স্বীকৃত কোনো কাগুজে বা ইলেকট্রনিক দলিল, যাহার মাধ্যমে গ্রাহক, পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী বা পরিশোধ সেবাদানকারীকে তহবিল হস্তান্তরের নির্দেশ প্রদান করে;
(২৭) ‘পরিশোধ নির্দেশ (Payment Instruction)’ অর্থ গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী ও পরিশোধ সেবাদানকারীকে ইলেকট্রনিক উপায়ে প্রদত্ত অর্থ স্থানান্তর নির্দেশ, যাহার মধ্যে, গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিতকরণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত;
(২৮) ‘পরিশোধ ব্যবস্থা (Payment System)’ অর্থ দেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত পরিশোধ, নিকাশ ও নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া বা এমন কোনো ব্যবস্থা যাহা হইতে পরিশোধ কার্যক্রমের উদ্ভব হয়;
(২৯) ‘পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী (Payment System Participant)’ অর্থ যাহারা পরিশোধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করিয়া নিজেদের বা গ্রাহকের পক্ষ হইয়া অর্থ ও সরকারি সিকিউরিটিজ বিনিময়, নিকাশ ও নিষ্পত্তি করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিষ্পত্তিব্যবস্থা পরিচালনা করে;
(৩০) ‘পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী (Payment Systems Operator)’ অর্থ এই আইনের অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোম্পানি, যাহা অনুমোদিত পদ্ধতিতে গ্রাহকগণের পরিশোধ কার্যক্রমে সহায়তা করে;
(৩১) ‘পরিশোধ সেবা (Payment Service)’ অর্থ নগদ জমা ও উত্তোলন, অর্থ স্থানান্তর, পরিশোধ দলিল ইস্যু, ইলেকট্রনিক মুদ্রা স্থানান্তর বা পরিশোধ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সহায়ক সেবা;
(৩২) ‘পরিশোধ সেবাদানকারী (Payment Service Provider)’ অর্থ এই আইনের অধীন বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা অনুমোদনপ্রাপ্ত কোম্পানি, যাহা গ্রাহকগণকে পরিশোধ সেবা প্রদান করিয়া থাকে এবং এতদুদ্দেশ্যে গ্রাহকের হিসাবের সমন্বিত স্থিতি ট্রাস্ট ও সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টে সংরক্ষণ করে;
(৩৩) ‘প্রবিধান’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৩৪) ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972 (President’s Order No. 127 of 1972) এর অধীনে স্থাপিত Bangladesh Bank;
(৩৫) ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল মুদ্রা (Bangladesh Bank Digital Currency)’ অর্থ ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বা সার্বজনীন ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত আইনস্বীকৃত ইলেকট্রনিক মুদ্রা;
(৩৬) ‘বিধি’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(৩৭) ‘বুক এন্ট্রি পদ্ধতি (Book Entry System)’ অর্থ এমন এক হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যাহার মাধ্যমে কেবল বহিতে হিসাবায়নের দ্বারা সম্পদের হস্তান্তর সম্পন্ন করা হয়;
(৩৮) ‘ব্যক্তি’ অর্থ কোনো স্বাভাবিক সত্তাবিশিষ্ট ব্যক্তি বা আইনগত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এবং কোনো ব্যাংক-কোম্পানি এবং কোম্পানিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(৩৯) ‘ব্যাংক’ বা ‘ব্যাংক কোম্পানি’ অর্থ ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন) এর ধারা ৩১ এর অধীন লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাংলাদেশে ব্যাংক-ব্যবসা পরিচালনাকারী কোনো কোম্পানি;
(৪০) ‘সরকারি সিকিউরিটিজ’ অর্থ সরকার কর্তৃক বা সরকারের পক্ষে ইস্যুকৃত বন্ড, বিল বা সিকিউরিটিজ;
(৪১) ‘সরকারি সিকিউরিটিজ সেটেলমেন্ট সিস্টেম’ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সত্তা, যাহা সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি অনুসরণপূর্বক বুক এন্ট্রি পদ্ধতিতে সরকারি সিকিউরিটিজ হস্তান্তরের তথ্যাদি নিরাপদে সংরক্ষণ করে; এবং
(৪২) ‘সহ-জামানত (Collateral)’ অর্থ এমন এক সম্পদ, যাহা ঋণ প্রদানের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়।
৩। এই আইনের বিধানাবলি এতদ্সংক্রান্ত প্রচলিত অন্যান্য আইনের পরিপূরক হইবে এবং উহাদের ব্যত্যয়ে ব্যবহৃত হইবে না।