প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
দ্বিতীয় অধ্যায়
রেজল্যুশনের কর্তৃত্ব, ইত্যাদি
১০। রেজল্যুশন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক নিম্নবর্ণিত নীতি বিবেচনা করিবে, যথা:-
(ক) রেজ্যুলুশন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে ধারা ৬৭-তে উল্লিখিত দাবিসমূহের অগ্রাধিকারের ক্রমকে (Hierarchy of claims) বিবেচনা করিতে হইবে, তবে একই শ্রেণির পাওনাদারগণের প্রতি সমানুপাতিক (pari passu) নীতির ব্যতিক্রম করিবার জন্য প্রয়োজনীয় নমনীয়তা প্রদর্শন করিতে হইবে এবং যদি কোনো তফসিলি ব্যাংকের ব্যর্থতার সম্ভাব্য পদ্ধতিগত (systemic) প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করিতে অথবা সামগ্রিকভাবে সকল পাওনাদারের স্বার্থ সর্বাধিক করিবার প্রয়োজন হয়, তাহা হইলে উক্ত নমনীয়তা প্রদর্শনের কারণ সম্পর্কে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, একই শ্রেণির পাওনাদারগণের প্রতি সমানুপাতিক (pari passu) নীতির ব্যতিক্রম করিবার জন্য প্রয়োজনীয় নমনীয়তার বিধান ইসলামি ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না;
(খ) উক্ত তফসিলি ব্যাংককে অবসায়ন প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হইলে শেয়ার ধারক এবং ব্যাংকের পাওনাদারগণ যে ক্ষতির সম্মুখীন হইতেন তাহা অপেক্ষা অধিক ক্ষতির সম্মুখীন হইবেন না;
(গ) সুরক্ষিত আমানতকারীগণ সুরক্ষিত পরিমাণের স্তর পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত থাকিবেন;
(ঘ) রেজল্যুশনের অধীন তফসিলি ব্যাংকের ব্যর্থতায় ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি তাহার ভূমিকার জন্য দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনের অধীন দায়বদ্ধ হইবেন; এবং
(ঙ) অকার্যকর তফসিলি ব্যাংকসমূহ যেন সুশৃঙ্খলভাবে মার্কেট হইতে প্রস্থান করিতে পারে, রেজল্যুশন প্রক্রিয়া তাহা নিশ্চিত করিবে।