প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
অষ্টম অধ্যায়
ব্যাংকের সম্পদ বা তহবিলের অপব্যবহার
৮১। (১) বাংলাদেশ ব্যাংক, উহার, ব্যাংক পুনর্গঠন ও রেজল্যুশন তহবিল বা রেজল্যুশনের অধীন বা অবসায়নাধীন তফসিলি ব্যাংকের পাওনা আদায়ের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত বিধান অনুসরণ করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো তফসিলি ব্যাংকের ব্যাংকিং ব্যবসা পরিচালনা করিবার লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হইলে, অথবা কোনো তফসিলি ব্যাংককে রেজল্যুশন অথবা অবসায়নাধীন করা হইলে দায়ী ব্যক্তি কর্তৃক ব্যাংকের সম্পদ অথবা তহবিল হইতে অর্জিত সকল আয়, সম্পত্তি, অধিকার এবং সম্পদের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ;
(খ) তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অর্জিত কোনো সম্পদ অথবা অর্থ, উহা দায়ী ব্যক্তির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ যেভাবেই হউক না কেন, উহার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ।
ব্যাখ্যা।- এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, তফসিলি ব্যাংকের সম্পদ অথবা তহবিল ব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত হিসাবে বিবেচিত হইবে।
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত দায়ী ব্যক্তি অথবা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অর্জিত সকল প্রকার অর্থ, সম্পত্তি, অধিকার এবং প্রাপ্যের ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানাবলি প্রয়োগ করিতে পারিবে।
(৩) বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধারায় উল্লিখিত অর্থ, পণ্য, অধিকার অথবা প্রাপ্য সম্পদ ক্রোক অথবা অনুরূপ কোনো সম্পদের কর্তৃত্ব গ্রহণ করিতে পারিবে, যাহার মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক এতৎসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন বিবেচনা করিয়া নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(৪) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৭৭ এ উল্লিখিত দায়ী ব্যক্তিগণের কর্ম, নিষ্ক্রিয়তা ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে দায়ের করা মামলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য কোনো জামানতের প্রয়োজন হইবে না।