প্রিন্ট ভিউ

অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫

( ২০২৫ সনের ২৮ নং অধ্যাদেশ )

তৃতীয় অধ্যায়

আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর সংশোধন

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

২৯। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর-

(ক) দফা (১৯) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (১৯) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“কমিশনার” অর্থ দফা (২৬ক) এ উল্লিখিত কর কমিশনার;

(খ) দফা (২২) এর উপ-দফা (ছ) এ উল্লিখিত “বিরুদ্ধে” শব্দের পরিবর্তে “ক্ষেত্রে” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) দফা (২৩) বিলুপ্ত হইবে;

(ঘ) দফা (২৬ক) এ উল্লিখিত “ও মহাপরিচালক (পরিদর্শন);” শব্দগুলি, বন্ধনী ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “, মহাপরিচালক (পরিদর্শন), কর কমিশনার (বৃহৎ করদাতা ইউনিট), কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট), কর কমিশনার (উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিট) ও কর কমিশনার (ই-ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা ইউনিট);” শব্দগুলি, বন্ধনীগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঙ) দফা (৪৫) এর উপ-দফা (ক) এ উল্লিখিত “কোনো ব্যক্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(চ) দফা (৪৮) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৪৮) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৪৮) “ন্যায্য বাজার মূল্য” অর্থ, কোনো মূলধনী সম্পদ বা ব্যবসা বা উদ্যোগ এর ক্ষেত্রে-

(ক) সংশ্লিষ্ট দিনে খোলা বাজারে উক্ত সম্পদ বা ব্যবসা বা উদ্যোগ বিক্রয় করা হইলে যেই মূল্য পাওয়া যাইতো সেই মূল্য, এবং, যেই ক্ষেত্রে উক্তরূপে মূল্য নিরূপণ করা সম্ভব নহে, সেই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনার কর্তৃক, কর কমিশনারের লিখিত অনুমোদনক্রমে, ধার্যকৃত মূল্য;

(খ) বাংলাদেশ ব্যাংক হইতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক কোনো সম্পদ ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে ইজারা চুক্তির মেয়াদপূর্তিতে বা অন্য কোনোভাবে উক্ত চুক্তির সমাপনান্তে ইজারাগ্রহীতার নিকট হইতে প্রাপ্ত অবশিষ্ট মূল্য:

তবে এইক্ষেত্রে শর্ত থাকে যে, এইরূপ অবশিষ্ট মূল্য এবং ইজারা চুক্তি বহাল থাকাকালীন উক্ত সম্পদের মূল্য বাবদ যেই পরিমাণ অর্থ আদায়কৃত হইয়াছে তাহার একত্রিত মূল্য ইজারাদাতা ফাইন্যান্স কোম্পানির অর্জনমূল্য বাবদ ব্যয়িত অর্থের চাইতে কম হইবে না;”;

(ছ) দফা (৫৪)-

(অ) এ উল্লিখিত “, সংস্থা” চিহ্ন ও শব্দ বিলুপ্ত হইবে;

(আ) উপ-দফা (ক) এ উল্লিখিত “কর্তৃপক্ষ, কোম্পানি, সংস্থা” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “কোম্পানি” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ই) উপ-দফা (খ) এ উল্লিখিত “, সংস্থা” চিহ্ন ও শব্দ বিলুপ্ত হইবে;

(জ) দফা (৬২) এর উপ-দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ক) কোনো সম্পত্তির যুক্তিসঙ্গত বার্ষিক ভাড়া;”;

(ঝ) দফা (৬৩) এর উপ-দফা (জ) এ উল্লিখিত “যাত্রীবাহী যানের” শব্দগুলির পরিবর্তে “মোটরযানের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঞ) দফা (৭৭) এর উপ-দফা (গ) এ উল্লিখিত “শেয়ার বা স্টক” শব্দগুলির পরিবর্তে “সিকিউরিটিজ” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ট) দফা (৮০) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৮০ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(৮০ক) “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ” অর্থ-

(ক) স্বাভাবিক ব্যক্তি (individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতার ক্ষেত্রে, আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী নভেম্বর মাসের ৩০ (ত্রিশ) তম দিন;

(খ) স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ব্যতীত অন্যান্য করদাতার ক্ষেত্রে, আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী নবম মাসের ১৫ (পনেরো) তম দিন;

(গ) পূর্বে কখনোই রিটার্ন দাখিল করেন নাই এইরূপ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে আয়বর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ৩০ জুন তারিখ;

(ঘ) বিদেশে অবস্থানরত কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে, তাহার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দিন হইতে ৯০ (নব্বই) তম দিন, যদি উক্তরূপ ব্যক্তি-

(অ) উচ্চ শিক্ষার জন্য ছুটিতে অথবা চাকরির জন্য প্রেষণে বা লিয়েনে নিযুক্ত হইয়া বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন; বা

(আ) অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ ভিসা এবং পারমিটধারী হয়ে বাংলাদেশে বাহিরে অবস্থান করেন;

(ঙ) কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখের পূর্বে দাখিলকৃত লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে অনিবার্য কারণ বিবেচনায় কর কমিশনার কর্তৃক অনুমোদিত তারিখ যাহা উপ-দফা (ক), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত দিন হইতে ৯০ (নব্বই) দিনের বেশি হইবে না;

যদি উপ-দফা (ক), (খ), (গ), (ঘ) ও (ঙ) এ উল্লিখিত দিন সরকারি ছুটির দিন হয়, তাহা হইলে উক্ত দিনের অব্যবহিত পরবর্তী কর্মদিবস।”;

(ঠ) দফা (৮১) এর পর শর্তাংশে উল্লিখিত উপ-দফা (ঈ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (উ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(উ) কোনো নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে গঠিত জয়েন্ট ভেঞ্চার কর্তৃক কর পরবর্তী মুনাফা স্বাভাবিক ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য অংশীদারগণের মধ্যে বণ্টন করা হইলে উক্ত বন্টনকৃত অংশ;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪ এর সংশোধন

৩০। উক্ত আইনের ধারা ৪ এর-

(ক) দফা (ঝ) এ উল্লিখিত “অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ)” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “পরিচালক (প্রশিক্ষণ)” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) দফা (ঞ) এ উল্লিখিত “পরিচালক (প্রশিক্ষণ)” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “যুগ্ম পরিচালক (প্রশিক্ষণ)” শব্দগুলি ও বন্ধনী এবং “পরিচালক (পরিদর্শন)” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “যুগ্ম মহাপরিচালক (পরিদর্শন)” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) দফা (ট) এ উল্লিখিত “উপকর কমিশনার” শব্দগুলির পর “, উপ মহাপরিচালক (পরিদর্শন), উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ)” শব্দগুলি ও বন্ধনীগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(ঘ) দফা (ড) এ উল্লিখিত “সহকারী কর কমিশনার” শব্দগুলির পর “, সহকারী মহাপরিচালক (পরিদর্শন), সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ)” চিহ্ন, শব্দগুলি ও বন্ধনীগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩ এর সংশোধন

৩১। উক্ত আইনের ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(খ) তিনি জেলা ও দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত আছেন;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫ এর সংশোধন

৩২। উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৩) আপিল ট্রাইব্যুনালের কোনো বেঞ্চে কেবল ২ (দুই) জন সদস্য থাকিলে এবং মতামত ভিন্ন হইলে, উক্ত মামলাটি শুনানির উদ্দেশ্যে সরকার আপিল ট্রাইব্যুনালের উক্ত বেঞ্চে অতিরিক্ত সদস্য নিয়োগ করিতে পারিবে এবং মামলার সিদ্ধান্ত অতিরিক্ত সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত আপিল ট্রাইব্যুনালের উক্ত বেঞ্চের সদস্যগণের অধিকাংশের মতামত অনুযায়ী গৃহীত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯ এর সংশোধন

৩৩। উক্ত আইনের ধারা ১৯ এ উল্লিখিত “কোনো ব্যক্তিকে কোনো আয়বর্ষে তাহার ব্যবসায় বা পেশায় নিয়োগ” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তিকে কোনো আয়বর্ষে তাহার ব্যবসায় নিয়োগ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০ এর বিলোপ

৩৪। উক্ত আইনের ধারা ২০ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১ এর সংশোধন

৩৫। উক্ত আইনের ধারা ২১ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “নিবাসী বাংলাদেশি” শব্দগুলির পর “করদাতা বা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী ছিলেন বা আছেন এইরূপ” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২২ এর প্রতিস্থাপন

৩৬। উক্ত আইনের ধারা ২২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:

“২২। সংরক্ষিত আয় (retained earnings), সঞ্চিতি (reserve), উদ্বৃত্ত (surplus), ইত্যাদির উপর কর আরোপ।- এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো আয়বর্ষে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন নিগমিত এবং বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি কর্তৃক সংরক্ষিত আয়ে অথবা কোনো তহবিল, সঞ্চিতি বা উদ্বৃত্তে, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, কর পরবর্তী নীট আয় হইতে অর্থ স্থানান্তর করিয়া থাকে এবং উক্ত স্থানান্তরিত অর্থের পরিমাণ কর পরবর্তী নীট আয়ের ৭০% (সত্তর শতাংশ) অতিক্রম করে, তাহা হইলে সেই আয়বর্ষে কোম্পানি কর্তৃক যেই পরিমাণ অর্থ স্থানান্তরিত হইয়াছে উহার উপর ১০% (দশ শতাংশ) হারে কর প্রদেয় হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫ এর সংশোধন

৩৭। উক্ত আইনের ধারা ২৫ এ উল্লিখিত “যেইক্ষেত্রে” শব্দের পর “চতুর্থ, পঞ্চম এবং” শব্দগুলি ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩১ এর সংশোধন

৩৮। উক্ত আইনের ধারা ৩১ এর উপ-ধারা (১) এর-

(ক) দফা (খ) এ উল্লিখিত “উক্ত ব্যক্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে “উক্ত ব্যক্তি কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি হইলে, উক্ত স্বাভাবিক ব্যক্তির” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) দফা (খ) এর উপ-দফা (আ) এ উল্লিখিত “উক্ত” শব্দের পর “স্বাভাবিক” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩২ এর সংশোধন

৩৯। উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (২) এর-

(ক) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ক) শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নহে এইরূপ অন্য কোনো কর্মচারীর হৃদযন্ত্র, বৃক্ক, চক্ষু, যকৃত ও মস্তিষ্ক সংক্রান্ত অপারেশন, কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপন এবং ক্যানসার সংক্রান্ত চিকিৎসা ব্যয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ;”;

(খ) দফা (খ) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “;” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (গ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(গ) কোম্পানি কর্তৃক গোষ্ঠী বীমা বাবদ কোনো কর্মচারীর পক্ষে বীমা কোম্পানিকে পরিশোধিত প্রিমিয়াম।”;

(গ) ব্যাখ্যা অংশের দফা (গ) এর উপ-দফা (আ) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-দফা (ই) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(ই) কোম্পানি কর্তৃক গোষ্ঠী বীমা বাবদ কোনো কর্মচারীর পক্ষে বীমা কোম্পানিকে পরিশোধিত প্রিমিয়াম;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৩ এর সংশোধন

৪০। উক্ত আইনের ধারা ৩৩ এ উল্লিখিত সারণীর ক্রমিক নং ২ এর বিপরীতে কলাম নং (৩) এর এন্ট্রির পরিবর্তে নিম্নরূপ এন্ট্রি প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ক) ১৫০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির ক্ষেত্রে মাসিক ১৫ (পনেরো) হাজার টাকা;

(খ) ১৫০০ সিসির অধিক কিন্তু ২০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির ক্ষেত্রে মাসিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা;

(গ) ২০০০ সিসির অধিক কিন্তু ২৫০০ সিসি পর্যন্ত এইরূপ গাড়ির ক্ষেত্রে মাসিক ৩০ (ত্রিশ) হাজার টাকা;

(ঘ) ২৫০০ সিসির অধিক এইরূপ গাড়ির ক্ষেত্রে মাসিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৪ এর সংশোধন

৪১। উক্ত আইনের ধারা ৩৪ এর উপ-ধারা (১) এর-

(ক) দফা (ক) এ উল্লিখিত “কোম্পানি কর্মচারী বরাবর শেয়ার” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানির কর্মচারী বরাবর শেয়ার বা শেয়ার অর্জনের অধিকার” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(খ) একটি ট্রাস্টের ট্রাস্টি বরাবর শেয়ার বা শেয়ার অর্জনের অধিকার ইস্যু করিতে পারিবে এবং পরবর্তীতে ট্রাস্টি ট্রাস্টের দলিল মোতাবেক উক্ত শেয়ার বা শেয়ার অর্জনের অধিকার দফা (ক) এ উল্লিখিত কর্মচারী বরাবর ইস্যু করিতে পারিবে অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হস্তান্তরকরত উদ্ভূত লভ্যাংশ দফা (ক) এ উল্লিখিত কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করিতে পারিবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৭ এর প্রতিস্থাপন

৪২। উক্ত আইনের ধারা ৩৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“৩৭। মোট ভাড়ামূল্য পরিগণনা।- (১) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তির স্বীয় মালিকানাধীন কোনো গৃহসম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:-

ক= (খ+গ+ঘ)-ঙ, যেখানে-

ক= মোট ভাড়ামুল্য,

খ= গৃহসম্পত্তির বার্ষিক মূল্য,

গ= উক্ত আয়বর্ষে উক্ত গৃহসম্পত্তি ব্যবহার সূত্রে প্রাপ্ত সেলামী বা প্রিমিয়াম, ফেরতযোগ্য নিরাপত্তা জামানত, অগ্রিম ব্যতীত অন্য যেকোনো অংক বা কোনো সুবিধার অর্থমূল্য, যাহা খ এ উল্লিখিত অংকের অতিরিক্ত,

ঘ= গৃহসম্পত্তির ভাড়াটিয়া কর্তৃক পরিশোধিত যেকোনো প্রকারের সার্ভিস চার্জ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ বা অন্য কোনো অর্থ, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন,

ঙ= শূন্যতা ভাতা যাহা কেবল বিদ্যুৎ বিল উপস্থাপন সাপেক্ষে প্রমাণিত হইলে অনুমোদনযোগ্য হইবে।

(২) গৃহসম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য সম্পত্তির মোট ভাড়ামূল্য নিম্নবর্ণিত সূত্রানুযায়ী পরিগণিত হইবে, যথা:-

ক= (খ+গ), যেখানে-

ক= মোট ভাড়ামূল্য,

খ= গৃহসম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য সম্পত্তির বার্ষিক মূল্য,

গ= অন্য কোনোভাবে উক্ত সম্পত্তি ব্যবহার হইতে অর্জিত আয় এবং উক্ত আয়বর্ষে উক্ত সম্পত্তি ব্যবহার সূত্রে প্রাপ্ত সেলামী বা প্রিমিয়াম, ফেরতযোগ্য নিরাপত্তা জামানত, অগ্রিম ব্যতীত অন্য যেকোনো অংক বা কোনো সুবিধার অর্থমূল্য, যাহা খ এ উল্লিখিত অংকের অতিরিক্ত।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৯ এর সংশোধন

৪৩। উক্ত আইনের ধারা ৩৯ এর-

(ক) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৩) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বীয় মালিকানাধীন কোনো গৃহসম্পত্তি বা অন্য কোনো সম্পত্তি ভাড়া প্রদানের বিপরীতে ব্যাংক ট্রান্সফার ব্যতীত অন্য কোনোভাবে সমন্বয়যোগ্য অগ্রিম বাবদ গৃহীত অর্থের সর্বমোট পরিমাণ ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অতিক্রম করিলে, উক্তরূপে গৃহীত অর্থ উক্ত আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে,

(অ) যেইক্ষেত্রে সমন্বয়যোগ্য অগ্রিমের অর্থ ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়, সেইক্ষেত্রে অগ্রিম গ্রহণের বৎসরের পরবর্তী পাঁচ বৎসর অথবা চুক্তির মেয়াদ, যাহা কম হইবে, উহার মধ্যে উক্ত অর্থ সমন্বয় করিতে হইবে;

(আ) গৃহীত সমন্বয়যোগ্য অগ্রিম বা তাহার কোনো অংশ উল্লিখিত সময়সীমা অতিক্রম হইবার পর অসমন্বয়কৃত থাকিলে, উক্ত অসমন্বয়কৃত অঙ্ক সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে।

(খ) উপ-ধারা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৪), (৫) ও (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(৪) কোনো আয়বর্ষে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বীয় মালিকানাধীন কোনো গৃহসম্পত্তি বা অন্য কোনো সম্পত্তি ভাড়া প্রদানের বিপরীতে গৃহীত অসমন্বয়যোগ্য অঙ্ক, উহা যেই নামেই অভিহিত হোক না কেন, উক্ত আয়বর্ষে উক্ত ব্যক্তির বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, করদাতার ইচ্ছানুযায়ী উক্ত অর্থকে এমনভাবে বণ্টন করা যাইবে, যাতে কর নির্ধারণের উদ্দেশ্যে উক্ত অর্থ প্রাপ্তির বৎসর এবং পরবর্তী চার বৎসরে সমান অংশে তাহা গণ্য করা যায়:

তবে আরও শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে করদাতা কর্তৃক উক্ত অর্থ বা তাহার কোনো অংশ পরবর্তী কোন আয়বর্ষে ফেরত প্রদানকৃত হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ফেরত প্রদানকৃত অর্থের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে করদাতার “ভাড়া হইতে আয়” পরিগণনার ক্ষেত্রে বিয়োজনযোগ্য হইবে।

(৫) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, গৃহসম্পত্তি ভিন্ন অন্য কোনো সম্পত্তির ভাড়া হইতে আয় এর ক্ষেত্রে ধারা ৫৫ এর দফা (ক) এর অধীন অননুমোদিত সকল ব্যয় বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে গণ্য হইবে।

(৬) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিশেষ ভাড়া হইতে আয় হিসাবে পরিগণিত আয়ের বিপরীতে কোনো প্রকারের বিয়োজন, ক্ষতির সমন্বয় বা জের টানা ও তৃতীয় তফসিলের অধীন কোনো ভাতা অনুমোদিত হইবে না এবং এইরূপ আয়ের উপর নিয়মিত করহারে করদায় নির্ধারিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪০ এর সংশোধন

৪৪। উক্ত আইনের ধারা ৪০ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “ব্যবসা আয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “ব্যবসা হইতে আয় খাতে প্রাপ্তি” শব্দগুলি এবং “কৃষি হইতে আয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “কৃষি হইতে আয় খাতে প্রাপ্তি” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪১ এর সংশোধন

৪৫। উক্ত আইনের ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (৫) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(৬) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৫৫ এর দফা (ক) এর অধীন অননুমোদিত সকল ব্যয় বিশেষ কৃষি আয় হিসাবে গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪৬ এর সংশোধন

৪৬। উক্ত আইনের ধারা ৪৬ এর-

(ক) উপ-ধারা (১০) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১০) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১০) ধারা ১৮০ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে যে আয়বর্ষের রিটার্ন দাখিল হইয়াছে তাহার পরবর্তী ৫ (পাঁচ) আয়বর্ষের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রদর্শিত প্রারম্ভিক মূলধনের যেকোনো পরিমাণের ঘাটতি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে “ব্যবসা হইতে আয়” হিসাবে গণ্য হইবে।”;

(খ) উপ-ধারা (১২) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “ক্রয়মূল্যকে” শব্দের পরিবর্তে “রপ্তানি মূল্যকে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৪৯ এর সংশোধন

৪৭। উক্ত আইনের ধারা ৪৯ এর দফা (চ) এ উল্লিখিত “উদ্দেশ্যে” শব্দের পর “ও কর্মীদের জন্য” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫১ এর সংশোধন

৪৮। উক্ত আইনের ধারা ৫১ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ক) কুঋণ বা কুঋণের অংশ International Accounting Standards (IAS), International Financial Reporting Standards (IFRS) ও বাংলাদেশে প্রযোজ্য আইন, বিধি ও প্রবিধি অনুযায়ী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনাদায়ী হিসাবে চূড়ান্ত হয় এবং ব্যবসায়িক হিসাবের খাতায় অবলোপিত হিসাবে প্রদর্শিত হয়;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৫ এর সংশোধন

৪৯। উক্ত আইনের ধারা ৫৫ এর-

(ক) দফা (গ) এ উল্লিখিত “শেয়ারহোল্ডার পরিচালককে” শব্দগুলির পরিবর্তে “স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার, ডিরেক্টর শেয়ারহোল্ডার বা প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারকে” শব্দগুলি ও চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) দফা (ঘ) এ উল্লিখিত “১০ (দশ)” সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনীর পরিবর্তে “২০ (বিশ)” সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) দফা (ঙ) এ উল্লিখিত “নীট ব্যবসায় মুনাফার ১০% (দশ শতাংশ)” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে “ব্যবসায়িক টার্নওভার এর ৬% (ছয় শতাংশ) অথবা নীট ব্যবসায় মুনাফার ১৫% (পনের শতাংশ), যেটি কম,” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঘ) দফা (ড) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ড) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ড) দফা (ট), (ঠ) এবং কাঁচামাল ব্যতীত অন্যান্য সকল প্রকার ব্যয় বাবদ মোট পরিশোধের ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) এর অধিক ব্যাংকিং মাধ্যম ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যমে পরিশোধিত হইয়া থাকিলে অন্য মাধ্যমে পরিশোধিত মোট অঙ্কের ২৫% (পঁচিশ শতাংশ);”;

(ঙ) দফা (ঢ) বিলুপ্ত হইবে;

(চ) দফা (ণ) এ উল্লিখিত “২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩৬, ৩৭, ৪২ ও ৪৩” সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি ও শব্দের পরিবর্তে “২৪, ২৬, ২৭, ৩৩, ৩৬ ও ৩৭” সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে এবং প্রান্তস্থিত “;” চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ শর্তাংশ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১৪২ এর বিধানাবলি পরিপালন সাপেক্ষে এই দফার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৬ এর সংশোধন

৫০। উক্ত আইনের ধারা ৫৬ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত কোনো আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে, ধারা ৫৫ এর অধীন অননুমোদিত সকল ব্যয় বিশেষ ব্যবসা আয় হিসাবে গণ্য হইবে এবং উক্ত আয়ের উপর নিয়মিত হারে কর প্রদেয় হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, হ্রাসকৃত হার প্রযোজ্য হয় এইরূপ আয়ের ক্ষেত্রে, ধারা ৫৫ এর দফা (ক) ব্যতীত অন্যান্য দফার অধীন অননুমোদিত কোনো ব্যয়ের উপর সংশ্লিষ্ট আয়ের জন্য প্রযোজ্য হ্রাসকৃত হারে কর প্রদেয় হইবে।”;

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “এবং এইরূপ আয়ের উপর সাধারণ করহারে করদায় নির্ধারিত হইবে” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৬৫ এর সংশোধন

৫১। উক্ত আইনের ধারা ৬৫ এর-

(ক) দফা (খ) এ উল্লিখিত “প্রযোজ্য” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;

(খ) দফা (গ) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “;” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঘ) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(ঘ) উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোনো ব্যয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন বা সংগ্রহ করা না হইলে এবং এই আইনের বিধান অনুযায়ী উহা যথাযথভাবে পরিশোধ করা না হইলে উক্ত ব্যয়।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৬৬ এর সংশোধন

৫২। উক্ত আইনের ধারা ৬৬ এর-

(ক) দফা (ঙ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঙ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ঙ) গোষ্ঠী বীমা পলিসি হইতে কর্মচারী কর্তৃক প্রাপ্ত অর্থ বা সুবিধা, উহা যে নামেই অভিহিত হোক না কেন;”;

(খ) দফা (ঙ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (চ) সংযোজিত হইবে, যথা-

“(চ) ধারা ৩০ এর দফা (ক) হইতে দফা (চ) এ বর্ণিত কোনো খাতের অধীন শ্রেণিভুক্ত হয় নাই এইরূপ কোনো উৎস হইতে আয়।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৬৭ এর সংশোধন

৫৩। উক্ত আইনের ধারা ৬৭ এর-

(ক) উপ-ধারা (১১) এ উল্লিখিত “যেইক্ষেত্রে কোনো কোম্পানি করদাতা অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যম ব্যতীত অন্য কোনোভাবে যেকোনো পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করে” শব্দগুলির পরিবর্তে “যেইক্ষেত্রে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ব্যতীত কোনো করদাতা অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে ক্রসড চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফার ব্যতীত অন্য কোনোভাবে কোনো অগ্রিম, ঋণ, বা অন্য কোনো প্রকার ডিপোজিট গ্রহণ করে” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (১২) এ উল্লিখিত “যেইক্ষেত্রে” শব্দের পর “কোনো আয়বর্ষে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (১৩) এর-

(অ) “যেইক্ষেত্রে কোনো” শব্দগুলির পর “স্বাভাবিক” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে;

(আ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “স্বামী-স্ত্রী,” শব্দগুলি ও চিহ্নের পর “আপন ভাই বা বোন,” শব্দগুলি ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে;

(ঘ) উপ-ধারা (১৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-দফা (১৫) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(১৫) যেইক্ষেত্রে কোনো করদাতা কোনো সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করেন এবং উক্ত সংশোধিত রিটার্নে এইরূপ কোনো আয় প্রদর্শন করেন যাহা কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন, সেইক্ষেত্রে ক-খ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার “অন্যান্য উৎস হইতে আয়” খাতের আয় হিসাবে অর্ন্তভুক্ত হইবে, যেখানে-

ক= কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন আয় হিসাবে সংশোধিত রিটার্নে প্রদর্শিত অর্থ,

খ= মূল রিটার্নে প্রদর্শিত আয়:

তবে শর্ত থাকে যে, ষষ্ঠ তফসিল অংশ ১ এর দফা (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (১৭) ও (৩৫) এবং চাকরি হইতে আয় পরিগণনায় কর অব্যাহতি সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭২ এর সংশোধন

৫৪। উক্ত আইনের ধারা ৭২ এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “(IFRS)” শব্দ ও বন্ধনীর পর “, IFRS for SMEs” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৩ এর প্রতিস্থাপন

৫৫। উক্ত আইনের ধারা ৭৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“৭৩। কোম্পানি, ইত্যাদি কর্তৃক নিরীক্ষাকৃত আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল।-(১) স্বাভাবিক ব্যক্তি, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও তহবিল ব্যতীত যেকোনো ব্যক্তি এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি হইতে আয় প্রাপ্ত যেকোনো ব্যক্তি আয়বর্ষের রিটার্নের সহিত নিরীক্ষাকৃত আয় বিবরণী এবং নিরীক্ষাকৃত আর্থিক বিবরণীসমূহের একটি অনুলিপি এই মর্মে প্রদান করিবে যে-

(ক) উক্ত করবর্ষের জন্য International Accounting Standards (IAS), International Financial Reporting Standards (IFRS), IFRS for SMEs ও বাংলাদেশে বলবৎ সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী হিসাব সংরক্ষণ করা হইয়াছে এবং নিরীক্ষাকৃত বিবরণীসমূহ প্রস্তুত ও দাখিল করা হইয়াছে;

(খ) বোর্ড কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হইয়াছে;

(গ) International Standards on Auditing (ISA) অনুসারে উহা নিরীক্ষা করা হইয়াছে:

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না, যথা:-

(অ) অনধিক ৫ (পাঁচ) কোটি টাকার গ্রস প্রাপ্তি রহিয়াছে এইরূপ কোনো ফার্ম, ট্রাস্ট, ব্যক্তিসংঘ, ফাউন্ডেশন, সমিতি এবং সমবায় সমিতি;

(আ) যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাহা কেবল প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাদানে নিয়োজিত।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত আয় বিবরণী এবং আর্থিক বিবরণীসমূহ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট কর্তৃক নিরীক্ষিত ও প্রত্যয়িত হইতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৫ এর সংশোধন

৫৬। উক্ত আইনের ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) কোনো করদাতা কর্তৃক দাখিলকৃত রিটার্ন, বিবরণী বা জমাকৃত নথি, অডিট বা কর নির্ধারণ কার্যক্রম চলাকালে যাচাইযোগ্য না হইলে যেকোনো পর্যায়ে তাহা অগ্রাহ্য করিবার ক্ষেত্রে এই অধ্যায়ের কোনো কিছুই আয়কর কর্তৃপক্ষের ক্ষমতাকে বারিত করিবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৬ এর প্রতিস্থাপন

৫৭। উক্ত আইনের ধারা ৭৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“৭৬। কর অব্যাহতি।- (১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো শ্রেণির ব্যক্তিকে বা কোনো শ্রেণির যেকোনো আয়কে কর অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।

(২) যেইক্ষেত্রে এই আইন ব্যতীত অন্য কোনো আইন বা আইন হিসাবে পরিগণিত অন্য কোনো আইনগত দলিলের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে কর অব্যাহতি প্রদান করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে, উক্তরূপ অন্য আইনে বা আইনগত দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে কর অব্যাহতি প্রদান করা না হইলে উক্তরূপ বিধান কার্যকর হইবে না।

(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোনো কর অব্যাহতি বাতিল করিতে পারিবে।

(৪) এই আইনের অধীন কোনো কর অব্যাহতি ভূতাপেক্ষভাবে প্রদান করা যাইবে না।

(৫) ধারা ১৬৬ এবং ধারা ১৭১ এর বিধানাবলি পরিপালনপূর্বক রিটার্ন দাখিলের ব্যর্থতায় কোনো ব্যক্তির আয় কোনো করবর্ষে কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ১ এর দফা (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (১৭) ও (৩৫) এবং চাকরি হইতে আয় পরিগণনায় কর অব্যাহতি সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।

(৬) কোনো ব্যক্তি কোনো একটি উৎসের আয়ের বিপরীতে আইন দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদে কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হইলে উক্তরূপ উৎসের আয়ের বিপরীতে পুনরায়, অন্য কোনোভাবে বা অন্য কোনো মেয়াদে, কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হইবে না এবং উক্তরূপ কোনো ব্যক্তি কোনো প্রকারের একীভূতকরণ, ডিমার্জার ও অধিগ্রহণের মাধ্যমে পুনর্গঠিত হইলেও উক্তরূপ কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে এই আইনের মাধ্যমে কোনো কর অব্যাহতির বিদ্যমান মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়, সেইক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।

(৭) কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত কোনো উৎসের আয় বা ব্যক্তির আয় পরিগণনার ক্ষেত্রে, ধারা ৫৫ এর অধীন অননুমোদিত কোনো ব্যয়ের উপর ধারা ৫৬ এর বিধান অনুযায়ী কর প্রদেয় হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৭৮ এর সংশোধন

৫৮। উক্ত আইনের ধারা ৭৮ এ উল্লিখিত “এবং ন্যূনতম কর” শব্দগুলির পরিবর্তে “, অংশীদারি ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘ হইতে প্রাপ্ত শেয়ার আয় এবং চূড়ান্ত করদায়” চিহ্ন ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৮০ এর সংশোধন

৫৯। উক্ত আইনের ধারা ৮০ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “মোট আয়ের উপর হিসাবকৃত কর (ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের শেয়ার আয়সহ)” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের শেয়ার আয়সহ মোট আয়ের উপর কর রেয়াত পূর্ব হিসাবকৃত কর” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৮৬ এর সংশোধন

৬০। উক্ত আইনের ধারা ৮৬ এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “পূর্ববর্তী” শব্দের পরিবর্তে “চলতি আয়বর্ষের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৮৮ এর প্রতিস্থাপন

৬১। উক্ত আইনের ধারা ৮৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“৮৮। অংশগ্রহণ তহবিল, কল্যাণ তহবিল ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউণ্ডেশন তহবিল কর্তৃক উৎসে কর কর্তন।- বাংলাদেশে বিদ্যমান কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২৩৪ অনুযায়ী অংশগ্রহণ তহবিল, কল্যাণ তহবিল এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউণ্ডেশন তহবিল হইতে ইহার কোনো সুবিধাভোগীকে অর্থ প্রদানকালে, অর্থ পরিশোধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি উক্তরূপ অর্থ পরিশোধ বা ক্রেডিটকালে ১০% (দশ শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৯১ এর সংশোধন

৬২। উক্ত আইনের ধারা ৯১ এ উল্লিখিত সারণী বিলুপ্ত হইবে এবং অতঃপর “নিম্নবর্ণিত সারণীতে উল্লিখিত হারে কর কর্তন করিবেন, যথা:-” চিহ্ন ও শব্দগুলির পরিবর্তে “ভিত্তিমূল্যের উপর ১০% (দশ শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবেন।” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৯৫ এর সংশোধন

৬৩। উক্ত আইনের ধারা ৯৫ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “বিক্রয় বা কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহণ সুবিধা প্রদানের” শব্দগুলির পরিবর্তে “বিক্রয়ের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “বা বিমানে কার্গো পরিবহণ হইতে” শব্দগুলির পরিবর্তে “প্রাপ্ত” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৯৭ এর সংশোধন

৬৪। উক্ত আইনের ধারা ৯৭ এর-

(ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “১% (এক শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “১.৫% (এক দশমিক পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৪) তুলা এবং সুতা ক্রয়ের জন্য খোলা বা কৃত স্থানীয় ঋণপত্র খোলা বা অন্য কোনো অর্থায়ন চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক পরিশোধিত বা ঋণকৃত পরিমাণের উপর ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি ১% (এক শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবে।”;

(গ) উপ-ধারা (৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৫) ও (৬) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(৫) ধান, ধানের কুড়া, চাল, গম, আলু, গবাদি পশু, মাছ, মাংস, পিঁয়াজ, রসুন, মটর, ছোলা, মসুর, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ডাল, ভূট্টা, আটা, ময়দা, লবণ, ভোজ্যতেল, চিনি, বীজ, পাটকাঠি, সরিষা, তিল, কাচা চা-পাতা, গোলমরিচ, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা এবং পাট ক্রয়ের জন্য খোলা বা কৃত স্থানীয় ঋণপত্র খোলা বা অন্য কোনো অর্থায়ন চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক পরিশোধিত বা ঋণকৃত পরিমাণের উপর ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি ০.৫% (শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবে।

(৬) যেইক্ষেত্রে কোনো আয়বর্ষে এই ধারার অধীন উৎসে কর কর্তনযোগ্য প্রাপক বা প্রাপকের আয় করমুক্ত বা হ্রাসকৃত হারে করারোপযোগ্য, সেইক্ষেত্রে বোর্ড, সেইরূপ কোনো প্রাপকের আবেদনের ভিত্তিতে, এই মর্মে সনদ প্রদান করিবে যে উক্ত ব্যক্তিকে প্রদেয় কোনো অর্থ, যাহা এই ধারার অধীন কর কর্তনযোগ্য, কর কর্তন ব্যতিরেকে বা হ্রাসকৃত হারে কর্তন করিয়া পরিশোধ করা যাইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৯৮ এর সংশোধন

৬৫। উক্ত আইনের ধারা ৯৮-

(ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “অপারেটর” শব্দের পর “, টাওয়ার শেয়ারিং কোম্পানি ইত্যাদি” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) এ উল্লিখিত “অপারেটর” শব্দের পর “, টাওয়ার শেয়ারিং কোম্পানি ইত্যাদি” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১০২ এর সংশোধন

৬৬। উক্ত আইনের ধারা ১০২ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সারণী নিম্নরূপে প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

ক্রমিক নং

প্রাপকের ধরন

 

কর কর্তনের হার

 

 

(১)

(২)

(৩)

 

১।

ট্রাস্ট, ব্যক্তিসংঘ ও কোম্পানির ক্ষেত্রে

২০% (বিশ শতাংশ)

 

২।

অন্যান্য ক্ষেত্রে

১০% (দশ শতাংশ)

”;

 

(খ) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(২) যেইক্ষেত্রে কোনো আয়বর্ষে এই ধারার অধীন উৎসে কর কর্তনযোগ্য প্রাপক বা প্রাপকের আয় করমুক্ত বা হ্রাসকৃত হারে করারোপযোগ্য, সেইক্ষেত্রে উক্ত প্রাপকের আবেদনের ভিত্তিতে বোর্ড যাচাই সাপেক্ষে, ক্ষেত্রমত, এই মর্মে সনদ প্রদান করিবে যে উক্ত ব্যক্তিকে প্রদেয় কোনো অর্থ যাহা হইতে এই ধারার অধীন কর কর্তন করিতে হইবে উহা কোনো কর কর্তন ব্যতিরেকে বা হ্রাসকৃত হারে কর্তনযোগ্য।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১০৪ এর সংশোধ

৬৭। উক্ত আইনের ধারা ১০৪ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) নিম্নরূপে প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) যেইক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তিকে কোনো ঋণ বা ঋণ গ্রহণের বিপরীতে সুদ বা মুনাফা পরিশোধ করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত সুদ বা মুনাফা পরিশোধকালে উক্ত নির্দিষ্ট ব্যক্তি পরিশোধিত সুদ বা মুনাফার উপর ১০% (দশ শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবেন।”;

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “ধারা” শব্দের পরিবর্তে “ধারার” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১০৬ এর সংশোধন

৬৮। উক্ত আইনের ধারা ১০৬ এ উল্লিখিত “৫% (পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “১০% (দশ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১০৯ এর সংশোধন

৬৯। উক্ত আইনের ধারা ১০৯ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “৫% (পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যাগুলি, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “১০% (দশ শতাংশ)” সংখ্যাগুলি, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) উল্লিখিত “গৃহ” শব্দ বিলুপ্ত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৩) যেইক্ষেত্রে, উপকর কমিশনার এতদুদ্দেশ্যে কৃত আবেদনের ভিত্তিতে, নির্ধারিত ফরমে সরল বিশ্বাসে এই মর্মে সনদ প্রদান করেন যে, উক্ত বৎসরে সম্পত্তির মালিকের কোনো করযোগ্য আয় নাই বা এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে উহা আয়কর মুক্ত, সেইক্ষেত্রে প্রদত্ত সনদ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত সম্পত্তির ভাড়া হইতে প্রাপ্ত আয়ের উপর কর কর্তনযোগ্য হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১০ এর সংশোধন

৭০। উক্ত আইনের ধারা ১১০ এ উল্লিখিত “৫% (পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “১০% (দশ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৪ এর সংশোধন

৭১। উক্ত আইনের ধারা ১১৪ এ উল্লিখিত “৬% (ছয় শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “৪% (চার শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৬ এর সংশোধন

৭২। উক্ত আইনের ধারা ১১৬ এ উল্লিখিত “১০% (দশ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “৭.৫% (সাত দশমিক পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যাগুলি, চিহ্নগুলি, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের খাত্রা ১১৭ এর সংশোধন

৭৩। উক্ত আইনের ধারা ১১৭-

(ক) এ উল্লিখিত “শেয়ারহোল্ডারকে” শব্দের পর “বা ইউনিট হোল্ডারকে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “শেয়ারহোল্ডার” শব্দের পর “বা ইউনিট হোল্ডার” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(গ) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “শেয়ারহোল্ডার” শব্দের পর “বা ইউনিট হোল্ডার” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১১৯ এর সংশোধন

৭৪। উক্ত আইনের ধারা ১১৯ এর উপ-ধারা (৬) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১২৪ এর সংশোধন

৭৫। উক্ত আইনের ধারা ১২৪-

(ক) এ উল্লিখিত “বা পারিশ্রমিক” শব্দগুলির পর “বা প্রাপ্তি” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “প্রদান” শব্দের পর “, কোনো সম্পত্তি ভাড়া প্রদান” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(গ) এর শর্তাংশ (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ শর্তাংশ (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) ফ্রেইট ফরওয়ার্ড এজেন্ট কর্তৃক গৃহীত গ্রস বিল বা কমিশনসহ গ্রস বিল বিলের উপর ১.৫% (এক দশমিক পাঁচ শতাংশ) হারে কর সংগ্রহ করিতে হইবে;”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১২৫ এর সংশোধন

৭৬। উক্ত আইনের ধারা ১২৫ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “কাঠা প্রতি ১.৬৫ (এক দশমিক পয়ষট্টি শতাংশ) ২০ (বিশ)” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি, চিহ্ন ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে “শতাংশ প্রতি ১২ (বারো)” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১২৮ এর সংশোধন

৭৭। উক্ত আইনের ধারা ১২৮-

(ক) এ উল্লিখিত “ইজারাদার” শব্দের পরিবর্তে “ইজারাদাতা” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ শর্তাংশ সংযোজিত হইবে-

“তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে কোনো আয়বর্ষে এই ধারার অধীন উৎসে কর কর্তনযোগ্য প্রাপক বা প্রাপকের আয় করমুক্ত বা হ্রাসকৃত হারে করারোপযোগ্য, সেইক্ষেত্রে বোর্ড, সেইরূপ কোনো প্রাপকের আবেদনের ভিত্তিতে, এই মর্মে সনদ প্রদান করিবে যে উক্ত ব্যক্তিকে প্রদেয় কোনো অর্থ, যাহা এই ধারার অধীন কর কর্তনযোগ্য, কর কর্তন ব্যতিরেকে বা হ্রাসকৃত হারে কর্তন করিয়া পরিশোধ করা যাইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১২৯ এর সংশোধন

৭৮। উক্ত আইনের ধারা ১২৯-

(ক) এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “উৎপাদনকারীর” শব্দের পরিবর্তে “উৎপাদনকারী” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) এ দুইবার উল্লিখিত “প্রস্তুতকারকের” শব্দের পরিবর্তে “উৎপাদনকারীর” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩১ এর সংশোধন

৭৯। উক্ত আইনের ধারা ১৩১ এ দুইবার উল্লিখিত “বাণিজ্যিক” শব্দের পরিবর্তে “ট্রেড” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩২ এর সংশোধন

৮০। উক্ত আইনের ধারা ১৩২ এ উল্লিখিত-

(ক) “মালামালের” শব্দের পর “ভাড়ামূল্যের” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) “দেশ কর্তৃক” শব্দগুলির পরিবর্তে “দেশে” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) “মালের” শব্দগুলির পর “ভাড়ামূল্যের” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩৪ এর সংশোধন

৮১। উক্ত আইনের ধারা ১৩৪ এ উল্লিখিত “ন্যায্য মূল্যের” শব্দগুলির পর “পার্থক্যের” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩৫ এর সংশোধন

৮২। উক্ত আইনের ধারা ১৩৫ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “১০% (দশ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “১৫% (পনের শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “সন্তান” শব্দের পর “, আপন ভাই অথবা আপন বোন” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩৬ এর সংশোধন

৮৩। উক্ত আইনের ধারা ১৩৬ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এক্সচেঞ্জস ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ১৫ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডারের শেয়ার হস্তান্তর হইতে উদ্ভূত কোনো লাভ বা মুনাফার উপর উক্ত শেয়ার হস্তান্তরকালে বা হস্তান্তরের ঘোষণা প্রদানকালে বা উক্তরূপ হস্তান্তরের সম্মতি প্রদানকালে, যাহা আগে ঘটে, ১৫% (পনেরো শতাংশ) হারে কর কর্তন করিবেন।”;

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “শেয়ারের লভ্যাংশ এবং প্রাপ্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “লাভ বা মুনাফা” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩৭ এর সংশোধন

৮৪। উক্ত আইনের ধারা ১৩৭ এ উল্লিখিত “০.০৫% (শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যাগুলি, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “০.০৩% (শূন্য দশমিক শূন্য তিন শতাংশ)” সংখ্যাগুলি, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৩৮ এর সংশোধন

৮৫। উক্ত আইনের ধারা ১৩৮ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সারণীর পরিবর্তে নিম্নরূপ সারণী প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

ক্রমিক

নং

গাড়ির ধরন

অগ্রিম কর (টাকা)

 

(১)

(২)

(৩)

 

১।

৫২ আসনের অধিক আসন বিশিষ্ট বাস

২৫ (পঁচিশ) হাজার

 

২।

 

৫২ আসনের অধিক আসন নহে এইরূপ বাস

২০ (বিশ) হাজার

 

 

৩।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস

৫০ (প

ঞ্চাশ) হাজার

 

৪।

ডাবল ডেকার বাস

২৫ (পঁচিশ) হাজার

 

৫।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিনিবাস/কোস্টার

২৫ (পঁচিশ) হাজার

 

৬।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নহে এইরূপ মিনিবাস/কোস্টার

১২ (বার) হাজার

৫০০ (পাঁচশত)

 

৭।

প্রাইম মুভার

৩৫ (পঁয়ত্রিশ) হাজার

 

৮।

 

৫ (পাঁচ) টনের অধিক পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, লরি বা ট্যাংক লরি

৩০ (ত্রিশ) হাজার

 

 

৯।

১.৫ (দেড়) টনের অধিক, তবে ৫ (পাঁচ) টনের অধিক নহে এইরূপ পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, লরি বা ট্যাংক লরি

১৫ (পনেরো)

হাজার

 

 

১০।

 

১.৫ (দেড়) টনের অধিক নহে এইরূপ পেলোড ক্যাপাসিটি বিশিষ্ট ট্রাক, লরি বা ট্যাংক লরি

৭ (সাত) হাজার

৫০০ (পাঁচশত)

 

 

১১।

 

পিকআপ ভ্যান, হিউম্যান হলার, ম্যাক্সি বা অটো রিক্সা

৭ (সাত) হাজার

৫০০ (পাঁচশত)

 

১২।

 

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্যাক্সিক্যাব

 

১৫ (পনেরো)

হাজার

 

১৩।

 

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নহে এইরূপ ট্যাক্সিক্যাব

৭ (সাত) হাজার

৫০০ (পাঁচশত)

;

(খ) উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন অগ্রিম কর সংগ্রহ করা যাইবে না, যদি মোটরযানটি নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়, যথা:-

(ক) সরকার;

(খ) সরকার বা স্থানীয় সরকারের অধীন কোনো প্রকল্প, কর্মসূচি বা কার্যক্রম;

(গ) কোনো বৈদেশিক কূটনীতিক, বাংলাদেশে কোনো কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘ ও ইহার অঙ্গ সংগঠনের দপ্তরসমূহ;

(ঘ) বাংলাদেশের কোনো বিদেশি উন্নয়ন অংশীজন এবং ইহার সংযুক্ত দপ্তর বা দপ্তরসমূহ;

(ঙ) ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুসারে রিটার্ন দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত করদাতাগণ; বা

(চ) অগ্রিম কর পরিশোধ করিতে হইবে না মর্মে বোর্ড হইতে সার্টিফিকেট গ্রহণকারী কোনো প্রতিষ্ঠান।”।

 

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৪১ এর সংশোধন

৮৬। উক্ত আইনের ধারা ১৪১ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “কোনো” শব্দের পরিবর্তে “বা নির্দিষ্ট ব্যক্তি” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৪২ এর সংশোধন

৮৭। উক্ত আইনের ধারা ১৪২ এর উপ-ধারা (১) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ সংযোজিত হইবে, যথা:-

“তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয় এইরূপ ব্যক্তি বা ধারা ২৬৪ এর উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী বোর্ড কর্তৃক রিটার্ন দাখিলের প্রমাণক দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৪৭ এর সংশোধন

৮৮। উক্ত আইনের ধারা ১৪৭ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “মহাপরিচালক, কর পরিদর্শক বা মহাপরিচালক, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “মহাপরিচালক (পরিদর্শন) বা মহাপরিচালক (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল)” শব্দগুলি ও বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫২ এর সংশোধন

৮৯। উক্ত আইনের ধারা ১৫২ এ উল্লিখিত “৩% (তিন শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “৫% (পাঁচ শতাংশ)” সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৩ এর সংশোধন

৯০। উক্ত আইনের ধারা ১৫৩ এর-

(ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সারণীর শর্তাংশ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ শর্তাংশ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“তবে শর্ত থাকে যে, কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি নিজ নামে বা অন্য কোনো ব্যক্তির সহিত যৌথভাবে একাধিক মোটরযানের মালিক হইলে, উক্ত ব্যক্তিকে একের অধিক প্রতিটি মোটরযানের জন্য ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) অধিক হারে কর পরিশোধ করিতে হইবে।”;

(খ) উপ-ধারা (৪) বিলুপ্ত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৫) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৫) উপ-ধারা (২) এর অধীন অগ্রিম কর সংগ্রহ করা যাইবে না, যদি মোটরযানটি নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়, যথা:-

(ক) সরকার;

(খ) সরকার বা স্থানীয় সরকারের অধীন কোনো প্রকল্প, কর্মসূচি বা কার্যক্রম;

(গ) কোনো বৈদেশিক কূটনীতিক, বাংলাদেশে কোনো কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘ ও ইহার অঙ্গ সংগঠনের দপ্তরসমূহ;

(ঘ) বাংলাদেশের কোনো বিদেশি উন্নয়ন অংশীজন এবং ইহার সংযুক্ত দপ্তর বা দপ্তরসমূহ;

(ঙ) ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুসারে রিটার্ন দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত করদাতাগণ;

(চ) গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা;

(ছ) অগ্রিম কর পরিশোধ করিতে হইবে না মর্মে বোর্ড হইতে সার্টিফিকেট গ্রহণকারী কোনো প্রতিষ্ঠান।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৬ এর সংশোধন

৯১। উক্ত আইনের ধারা ১৫৬ এ উল্লিখিত “করবর্ষের অব্যবহিত পরবর্তী” শব্দগুলির পরিবর্তে “চলমান” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬২ এর সংশোধন

৯২। উক্ত আইনের ধারা ১৬২ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “করদিবসের” শব্দের পরিবর্তে “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৩ এর প্রতিস্থাপন

৯৩। উক্ত আইনের ধারা ১৬৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৬৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১৬৩। ন্যূনতম কর।- (১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, করদাতা কর্তৃক, এই ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে, ন্যূনতম কর পরিশোধযোগ্য হইবে।

(২) ধারা ৮৮, ৮৯, ৯০, ৯১, ৯২, ৯৪, ৯৫, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৫, ১০৬, ১০৮, ১১০, ১১১, ১১৪, ১১৫, ১১৬, ১১৭, ১১৮, ১২০, ১২১, ১২২, ১২৩, ১২৪, ১২৫, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১২৯, ১৩২, ১৩৩, ১৩৪, ১৩৫, ১৩৬, ১৩৭, ১৩৮ এবং ১৩৯ এর অধীন কর্তন বা সংগৃহীত কর যেই সকল এক বা একাধিক উৎসসমূহের জন্য কর্তন বা সংগ্রহ করা হইয়াছে, সেই সকল উৎসসমূহের আয়ের উপর ন্যূনতম কর হিসাবে গণ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সিমেন্ট, লৌহ বা লৌহজাত পণ্য, ফেরো অ্যালয় পণ্য, কার্বোনেটেড বেভারেজ, গুঁড়ো দুধ, অ্যালুমিনিয়াম পণ্য, সিরামিক পণ্য এবং কীটনাশক উৎপাদনে নিয়োজিত কোনো শিল্প উদ্যোক্তা ব্যতীত অন্য কোনো শিল্প উদ্যোক্তা কর্তৃক তাহার নিজস্ব কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহারের জন্য আমদানিকৃত পণ্য হইতে ধারা ১২০ এর অধীন সংগৃহীত কর ন্যূনতম কর হিসাবে গণ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে নিম্নরূপ বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে, যথা:-

(ক) ন্যূনতম কর প্রযোজ্য এইরূপ আয়ের উৎস বা উৎসসমূহের জন্য ধারা ৭২ এর বিধানাবলি অনুসারে নিয়মিতভাবে হিসাব বহি সংরক্ষণ করিতে হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) এর অধীন ন্যূনতম কর প্রযোজ্য এইরূপ কোনো উৎসের আয় নিয়মিত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করিতে হইবে এবং উক্ত আয়ের উপর প্রযোজ্য হারে কর পরিগণনা করিতে হইবে; যদি উক্তরূপে পরিগণনাকৃত কর উপ-ধারা (২) এর অধীন ন্যূনতম কর অপেক্ষা অধিক হয়, তাহা হইলে উক্ত আয়ের উপর উক্ত অধিকতর কর প্রদেয় হইবে;

(গ) দফা (খ) অনুসারে পরিগণিত আয় বা ক্ষতি যথাক্রমে কোনো নিয়মিত উৎসের জন্য পরিগণনাকৃত আয় বা ক্ষতির সহিত সমন্বয় করা যাইবে না।

(৪) যেইক্ষেত্রে কোনো করদাতা উপ-ধারা (২) এর অধীন ন্যূনতম কর প্রযোজ্য এইরূপ এক বা একাধিক উৎসের আয় ছাড়াও নিয়মিত উৎস হইতে আয় করিয়া থাকেন, সেইক্ষেত্রে-

(ক) নিয়মিত উৎস হইতে আয়ের উপর নিয়মিত কর পরিগণনা করা হইবে;

(খ) উক্ত করদাতার করদায় হইবে উপ-ধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন নির্ধারণকৃত কর এবং এই উপ-ধারার দফা (ক) এর অধীন নিয়মিত করের সমষ্টি।

(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, মুনাফা বা ক্ষতি নির্বিশেষে কোনো ব্যক্তি তাহার গ্রস প্রাপ্তির উপর দফা (ক) ও (খ) এর বিধান অনুযায়ী ন্যূনতম কর পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবেন, যথা:-

(ক) যেকোনো কোম্পানি, যেকোনো ট্রাস্ট, অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকার গ্রস প্রাপ্তি রহিয়াছে এইরূপ কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘ, অন্যূন ৪ (চার) কোটি টাকার গ্রস প্রাপ্তি রহিয়াছে এইরূপ কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি কোনো করবর্ষে তাহার গ্রস প্রাপ্তির উপর নিম্নবর্ণিত সারণীতে উল্লিখিত হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবেন, যথা:-

সারণী

 

ক্রমিক নং

 

করদাতার শ্রেণি

 

নূনতম করহার

 

(১)

 

(২)

 

(৩)

 

১।

 

সিগারেট, বিড়ি, চিবাইয়া খাওয়ার তামাক, ধোঁয়াবিহীন তামাক, গুল বা অন্য কোনো তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুতকারক

 

গ্রস প্রাপ্তির ৩% (তিন শতাংশ)

 

২।

কার্বোনেটেড বেভারেজ (carbonated beverage), মিষ্টি পানীয় (sweetened beverage) প্রস্তুতকারক

 

গ্রস প্রাপ্তির ৩% (তিন শতাংশ)

 

৩।

মোবাইল ফোন অপারেটর

 

গ্রস প্রাপ্তির ১.৫%

(এক দশমিক পাঁচ শতাংশ)

 

৪।

সিগারেট, বিড়ি, চিবাইয়া খাওয়ার তামাক, ধোঁয়াবিহীন তামাক, গুল বা অন্য কোনো তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুতকারক ব্যতীত অন্য কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা

 

গ্রস প্রাপ্তির ১% (এক শতাংশ)

 

৫।

অন্যান্য ক্ষেত্রে

 

গ্রস প্রাপ্তির ১% (এক শতাংশ):

 

 

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সারণীর ক্রমিক নং ৫ প্রযোজ্য হয় এইরূপ ক্ষেত্রে পণ্য উৎপাদনে নিয়োজিত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ইহার বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর প্রথম ৩ (তিন) বৎসরের জন্য উক্ত হার হইবে এইরূপ প্রাপ্তির ০.১% (শূন্য দশমিক এক শতাংশ);

(খ) যেইক্ষেত্রে করদাতার এইরূপ কোনো আয়ের উৎস থাকে যাহা কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত, সেইক্ষেত্রে উক্ত এক বা একাধিক উৎস হইতে অর্জিত মোট প্রাপ্তি পৃথকভাবে প্রদর্শন করিতে হইবে, এবং এই উপ-ধারার অধীন ন্যূনতম কর নিম্নবর্ণিতভাবে পরিগণনা করিতে হইবে, যথা:-

(অ) নিয়মিত হারে কর প্রদান করিতে হইবে এইরূপ উৎস হইতে অর্জিত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দফা (ক) এ উল্লিখিত হার প্রয়োগ করিয়া ন্যূনতম কর হিসাব করিতে হইবে;

(আ) কর অব্যাহতি বা হ্রাসকৃত করহার প্রাপ্ত উৎস হইতে অর্জিত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, অব্যাহতি প্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত কর হারের আনুপাতিক হারে দফা (ক) এ উল্লিখিত হার হ্রাস করত ন্যূনতম কর হিসাব করিতে হইবে;

(ই) এই উপ-ধারার অধীন ন্যূনতম কর হইবে উপ-দফা (অ) ও (আ) এর অধীন হিসাবকৃত ন্যূনতম করের সমষ্টি।

(৬) কোনো করদাতার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (৪) ও উপ-ধারা (৫) উভয়ের বিধান প্রযোজ্য হইলে, উক্ত করদাতা কর্তৃক পরিশোধযোগ্য ন্যূনতম কর হইবে-

(ক) উপ-ধারা (৪) এর অধীন ন্যূনতম কর; বা

(খ) উপ-ধারা (৫) এর অধীন ন্যূনতম কর, এই দুইয়ের মধ্যে যাহা অধিক।

(৭) এই ধারার অধীন পরিগণিত ন্যূনতম করের সমন্বয়যোগ্যতা নিম্নরূপে নির্ধারিত হইবে, যথা:-

(ক) উপ-ধারা (২) এর অধীন কর্তিত বা সংগৃহীত ন্যূনতম কর প্রত্যর্পণযোগ্য হইবে না;

(খ) উপ-ধারা (৬) এর অধীন কর পরিগণনাকালে উপ-ধারা (২) এর অধীন কর্তিত বা সংগৃহীত ন্যূনতম করের অতিরিক্ত করদায় সৃষ্টি হইলে উক্তরূপ অতিরিক্ত অংকের সহিত পূর্ববর্তী করবর্ষসমূহের সৃষ্ট প্রত্যর্পণ সমন্বয়যোগ্য হইবে।

(৮) যেইক্ষেত্রে কোনো করবর্ষে পরিগণনাকৃত নিয়মিত কর এই ধারার অধীন ন্যূনতম করের পরিমাণ হইতে অধিক হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত করবর্ষে নিয়মিত কর পরিশোধযোগ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কোনো করবর্ষে নিয়মিত করের তুলনায় ন্যূনতম কর অধিক হইবার কারণে যেই পরিমাণ অধিক কর প্রদান করা হইয়াছে, সেই পরিমাণ অধিক কর, পরবর্তী যেই করবর্ষে করদাতার নিয়মিত করের পরিমাণ ন্যূনতম করের পরিমাণ হইতে অধিক হয়, সেই করবর্ষের জন্য প্রদেয় ন্যূনতম করের অধিক নিয়মিত করের সাথে সমন্বয় করা যাইবে।

(৯) কোনো করবর্ষে নিয়মিত করের তুলনায় ন্যূনতম কর যেই পরিমাণ অধিক প্রদান করা হইয়াছে তাহা যদি পরবর্তী কোনো করবর্ষের উপ-ধারা (৯) এর অধীন সম্পূর্ণ সমন্বয় করা না যায় তাহা হইলে যেই পরিমাণ ন্যূনতম কর অসমন্বিত থাকিবে তাহা পরবর্তী করবর্ষসমূহের প্রদেয় ন্যূনতম করের অধিক নিয়মিত করের সহিত সমন্বয়ের জন্য জের টানা যাইবে।

(১০) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-

(ক) “নিয়মিত উৎস” অর্থ এইরূপ কোনো উৎস যাহার ক্ষেত্রে, উপ-ধারা (২) এর অধীন ন্যূনতম কর প্রযোজ্য নহে;

(খ) “নিয়মিত কর” অর্থ নিয়মিত পদ্ধতি ব্যবহার করিয়া নিয়মিত আয়ের উপর পরিগণনাকৃত কর;

(গ) “নিয়মিত করহার” অর্থ এইরূপ করের হার যাহা কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহার অনুমোদিত না হইলে প্রযোজ্য হইবে;

(ঘ) “গ্রস প্রাপ্তি” অর্থ-

(অ) পণ্য বিক্রয়ের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বাদে অর্জিত সকল প্রাপ্তি;

(আ) কমিশন ও ডিসকাউন্টসহ সেবা বা সুবিধা প্রদানের জন্য প্রাপ্ত সকল ফি বা চার্জ;

(ই) আয়ের যেকোনো খাত হইতে অর্জিত সকল প্রাপ্তি।

(১১) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নবর্ণিত সারণীর কলাম (২)-এ উল্লিখিত উৎস হইতে অর্জিত আয়ের বিপরীতে কলাম (৩)-এ উল্লিখিত ধারার অধীন উৎসে কর্তিত বা সংগৃহীত করের পরিমাণকে কলাম (৪)-এ উল্লিখিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করবর্ষে উক্ত আয়ের জন্য চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য করা হইবে, যথা:-

সারণী

 

ক্রমিক নং

 

আয়ের উৎস

 

যে ধারার অধীন উৎসে কর কর্তন/সংগ্রহযোগ্য

 

যে সকল ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য

 

 

(১)

 

(২)

 

(৩)

 

(৪)

 

 

১।

 

এই আইনের ধারা ৩০ এ উল্লিখিত আয়ের খাতসমূহ

 

এই আইনের অংশ-৭ এর অন্তর্ভুক্ত সকল ধারা

 

এই আইনের ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ

 

 

২।

 

সঞ্চয়পত্র হইতে অর্জিত মুনাফা

 

১০৫

 

যেকোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি

 

 

৩।

 

সম্পত্তির অধিগ্রহণ এর ক্ষতিপূরণ হইতে অর্জিত মূলধনি আয়

 

১১১

 

যেকোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি

 

 

৪।

রপ্তানির বিপরীতে প্রাপ্ত নগদ ভর্তুকি

 

১১২

 

যেকোনো ব্যক্তি

 

 

৫।

 

সম্পত্তি হস্তান্তর হইতে অর্জিত মূলধনি আয়

 

১২৫

 

যেকোনো স্বাভাবিক

ব্যক্তি

 

 

 (১২) যেইক্ষেত্রে কোনো সারচার্জ, অতিরিক্ত অন্য কোনো সুদ, অতিরিক্ত কোনো অর্থ, ইত্যাদি এই আইনের বিধানাবলির অধীন পরিশোধযোগ্য হয়, সেইক্ষেত্রে তাহা ন্যূনতম কর ও চূড়ান্ত করের অতিরিক্ত হিসাবে পরিশোধযোগ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৬ এর সংশোধন

৯৪। উক্ত আইনের ধারা ১৬৬ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঘ) এ উল্লিখিত “, কেবল দাতব্য উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যতীত,” চিহ্নগুলি ও শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(২) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হইবে না, যথা:-

(ক) কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-

(অ) যাহা বাংলা ভাষায় পাঠদানকারী প্রাথমিক বা প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় বা সরকারি মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বা যাহা মাসিক পেমেন্ট আদেশভুক্ত (এমপিও) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; এবং

(আ) যাহার ইংরেজি ভার্সন কারিকুলাম নাই;

(খ) সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়;

(গ) বাংলাদেশ ব্যাংক;

(ঘ) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ;

(ঙ) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন;

(চ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড;

(ছ) কোনো আইন বা সরকারি আদেশ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যেকোনো সংস্থা, কর্তৃপক্ষ, কমিশন, ইনস্টিটিউট, বোর্ড, একাডেমি বা অনুরূপ সংস্থা, যাহারা কোনোরূপ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে না এবং যাহাদের পরিচালন ব্যয় এর আংশিক বা সম্পূর্ণ নির্বাহের জন্য সরকার হইতে নিয়মিত তহবিল প্রাপ্ত হয়;

(জ) এতিমখানা, অনাথ আশ্রম এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কোনো প্রতিষ্ঠান;

(ঝ) কোনো অনিবাসী স্বাভাবিক ব্যক্তি যাহার বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট ভিত্তি (fixed base) নাই;

(ঞ) তহবিল;

(ট) বোর্ড কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, রিটার্ন দাখিল করা হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৯ এর সংশোধন

৯৫। উক্ত আইনের ধারা ১৬৯ এর উপ-ধারা (২)-

(ক) এ উল্লিখিত “কোম্পানি বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সম্পাদন হইতে আয়প্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে “ধারা ৭৩ এর অধীন নিরীক্ষিত আয় বিবরণী এবং নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীসমূহ দাখিলের বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ করদাতার” শব্দগুলি ও সংখ্যাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(গ) ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ অনুসারে ব্যবসা হতে বিয়োজনযোগ্য এবং ৫৫ ধারায় ব্যবসা হতে অননুমোদনযোগ্য বিয়োজনসমূহ সমন্বয় করিয়া একটি পৃথক করযোগ্য আয় পরিগণনা বিবরণী।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭০ এর প্রতিস্থাপন

৯৬। উক্ত আইনের ধারা ১৭০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১৭০। স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল।- ধারা ১৬৬ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের আইনানুগ বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ সকল ব্যক্তি রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ সংশ্লিষ্ট করবর্ষের মধ্যে ধারা ১৮০ এর অধীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করিবেন।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭১ এর প্রতিস্থাপন

৯৭। উক্ত আইনের ধারা ১৭১ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১৭১। রিটার্ন দাখিলের সময় ও আয়কর পরিশোধ।- (১) প্রত্যেক করদাতাকে রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে রিটার্ন দাখিল করিতে হইবে।

(২) রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ধারা ১৭৩ অনুযায়ী আয়কর পরিশোধপূর্বক রিটার্ন দাখিল করিতে হইবে।

(৩) রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখের পরে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ধারা ১৭৪ অনুযায়ী আয়কর পরিশোধপূর্বক রিটার্ন দাখিল করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৩ এর সংশোধন

৯৮। উক্ত আইনের ধারা ১৭৩ এর উপান্তটীকায় উল্লিখিত “আয়কর” শব্দের পরিবর্তে “কর” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে এবং উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “কর” শব্দের পর “ও সারচার্জ” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৪ এর প্রতিস্থাপন

৯৯। উক্ত আইনের ধারা ১৭৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১৭৪। রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখের পরে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কর পরিগণনা।- ধারা ১৬৬ অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ কোনো করদাতা রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হইলে, এই আইনের অন্যান্য বিধানের অধীন উদ্ভূত দায় অক্ষুণ্ন রাখিয়া নিম্নবর্ণিত নিয়মে করদাতার কর নির্ধারিত ও প্রদেয় হইবে, যথা:-

ক = খ + (খ - গ) × ঘ × ০.০২, যেখানে,

ক = মোট প্রদেয় করের পরিমাণ;

খ= করদাতা রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে রিটার্ন দাখিল করিলে মোট যেই পরিমাণ কর পরিশোধ করিতেন সেই অংক, তবে এইক্ষেত্রে-

(অ) ষষ্ঠ তফসিল অংশ ১ এর দফা (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (১৭) ও (৩৫) এবং চাকরি হইতে আয় পরিগণনায় কর অব্যাহতি সংক্রান্ত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো প্রকার কর অব্যাহতি প্রযোজ্য না হইলে যেইরূপে কর পরিগণনা করা হইত সেইরূপে কর পরিগণনা করিতে হইবে; এবং

(আ) ন্যূনতম কর, সারচার্জ ও সরল সুদ ব্যতীত এই আইনের অধীন প্রযোজ্য বা ধার্যকৃত অন্য কোনো জরিমানা বা অংক ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;

গ= উক্ত আয়বর্ষে করদাতা কর্তৃক পরিশোধিত অগ্রিম কর ও উৎসে করের সমষ্টি;

ঘ= নিম্নবর্ণিতরূপে নির্ধারিত মাসের সংখ্যা, যথা:-

(অ) রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ অতিক্রান্ত হইবার পর মাসের সংখ্যা যাহা অনধিক ২৪ (চব্বিশ) হইবে;

(আ) কোনো মাসের ভগ্নাংশও পূর্ণ মাস হিসাবে গণ্য হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৫ এর সংশোধন

১০০। উক্ত আইনের ধারা ১৭৫ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর-

(অ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “(১০)” সংখ্যা ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “(৫)” সংখ্যা ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(আ) দফা (খ) এ উল্লিখিত “(৩)” সংখ্যা ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “(১)” সংখ্যা ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ই) দফা (খ) এর প্রান্তঃস্থিত “।” দাঁড়ির পরিবর্তে “:” কোলন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (গ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(গ) ধারা ১৬৬ এর অধীন রিটার্ন দাখিলের আইনানুগ বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এইরূপ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ সংশ্লিষ্ট করবর্ষ অতিক্রান্ত হইবার পর দাখিলকৃত রিটার্ন।”

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “কর দিবসের মধ্যে” শব্দগুলির পরিবর্তে “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৩) ও (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) ও (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৩) ধারা ১৭২ ও ধারা ২১২ এর অধীন নোটিশের প্রেক্ষিতে রিটার্ন দাখিল না করিলে সংশ্লিষ্ট করবর্ষের কর নির্ধারণের পর রিটার্ন দাখিল করা যাইবে না।

(৪) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন রিটার্ন দাখিলের পর রিটার্নে কোনো উপেক্ষিত বা অশুদ্ধ বিবৃতি পরিলক্ষিত হইলে, কোনো প্রকার করদায় হ্রাস না করিয়া, সংশ্লিষ্ট করবর্ষের কর নির্ধারণের পূর্বে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৭৭ এর সংশোধন

১০১। উক্ত আইনের ধারা ১৭৭ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ক) সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তর এবং মাসিক পেমেন্ট আদেশভুক্ত (এমপিও) কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেকোনো কোম্পানি:”;

(খ) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:

“(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন পূর্ববর্তী ০৩ (তিন) মাসের জন্য প্রযোজ্য রিটার্ন নিম্নবর্ণিত সময়ে দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

 

অর্থবৎসরের তারিখ

যে মাসের জন্য প্রযোজ্য

(১)

(২)

২৫ অক্টোবর

জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর

২৫ জানুয়ারি

অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর

২৫ এপ্রিল

জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ

২৫ জুলাই

এপ্রিল, মে ও জুন:

 তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে উপর্যুক্ত সারণীতে উল্লিখিত তারিখ সাপ্তাহিক বা সরকারি কোনো ছুটির দিন সেইক্ষেত্রে পরবর্তী কর্মদিবসে উক্ত রিটার্ন দাখিল করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮০ এর সংশোধন

১০২। উক্ত আইনের ধারা ১৮০ এর-

(ক) উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “আয়” শব্দের পরিবর্তে “আয়ের কারণে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে:

(খ) উপ-ধারা (২) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “ক্রেডিট” শব্দের পরিবর্তে “ক্রেডিটের কারণে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “পরিশোধিত হয় নাই” শব্দগুলির পর “বা রিটার্নে কোনো তথ্য সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয় নাই” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(ঘ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (ঙ) এ উল্লিখিত “সংশ্লিষ্ট করদিবসের মধ্যে” শব্দগুলির পরিবর্তে “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে রিটার্ন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮২ এর প্রতিস্থাপন

১০৩। উক্ত আইনের ধারা ১৮২ পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৮২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১৮২। অডিট।- (১) বোর্ড, ধারা ১৮০ এর অধীন দাখিলকৃত রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন অডিট করিবার উদ্দেশ্যে, অডিট ঝুঁকির কারণ, অডিট পরিচালনা এবং অডিট নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া উল্লেখপূর্বক অডিট নির্দেশনা প্রণয়ন করিবে।

(২) বোর্ড বা বোর্ডের অধীনস্থ কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অডিট নির্দেশনা অনুযায়ী অডিটের জন্য রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন নির্বাচন করিতে পারিবে।

(৩) বোর্ডের অধীনস্থ কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্বাচিত রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন অডিটের জন্য বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।

(৪) উপকর কমিশনার উপ-ধারা (২) এর অধীন অডিট এর জন্য নির্বাচিত বা উপ-ধারা (৩) এর অধীন অডিট এর জন্য অনুমোদিত রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন এর তালিকা প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট করদাতাকে অডিট এর কারণসমূহ সম্পর্কে অবহিত করিবেন।

(৫) অডিট সমাপনান্তে, যেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার এর নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এই আইনের পরিপালন এবং করদাতার আয়, ব্যয় ও পরিসম্পদ সংক্রান্ত সকল তথ্যাদি করদাতার রিটার্নে বা সংশোধিত রিটার্নে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি করদাতার নিকট অডিট প্রতিবেদন প্রেরণ করিবেন এবং একটি নোটিশ প্রেরণ করিবেন যাহাতে করদাতাকে অডিট প্রতিবেদনের ফলাফল প্রতিফলিত করিয়া প্রাসংগিক লিখিত ব্যাখ্যা ও প্রমাণাদিসহ একটি সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করিবার নির্দেশ প্রদান করিবেন।

(৬) করদাতা কর্তৃক সংশোধিত রিটার্ন দাখিল হইলে উপকর কমিশনার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, অডিট প্রতিবেদনে উল্লিখিত ফলাফলগুলি সংশোধিত রিটার্নে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হইয়াছে এবং অডিট প্রতিবেদন অনুযায়ী করদায় এবং অন্যান্য প্রযোজ্য অঙ্ক সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করা হইয়াছে, তাহা হইলে তিনি সংশোধিত রিটার্ন গ্রহণ করিবেন এবং অডিট নিষ্পন্ন হইয়াছে মর্মে করদাতার নিকট একটি পত্র প্রেরণ করিবেন।

(৭) উপ-ধারা (৫) এর অধীন নোটিশ পরিপালনার্থে করদাতা কর্তৃক দাখিলকৃত সংশোধিত রিটার্ন, ব্যাখ্যা, প্রমাণাদি সন্তোষজনক না হইলে অথবা উক্ত নোটিশ পরিপালনের ব্যর্থতায়, উপকর কমিশনার ধারা ১৮৩ বা ক্ষেত্রমত, ধারা ১৮৪ এর অধীন কর নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

(৮) যেই করবর্ষে কোনো রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করা হইয়াছে সেই করবর্ষ সমাপ্ত হইবার অনধিক ২ (দুই) করবর্ষের মধ্যে উক্ত রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন উপ-ধারা (২) এর অধীন অডিটের নিমিত্ত নির্বাচন বা উপ-ধারা (৩) এর অধীন অডিটের নিমিত্ত অনুমোদন করিতে হইবে।"।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৩ এর সংশোধন

১০৪। উক্ত আইনের ধারা ১৮৩ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) ও (গ) বিলুপ্ত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৫ এর সংশোধন

১০৫। উক্ত আইনের ধারা ১৮৫ এর উপ-ধারা (২) এর-

(ক) দফা (ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ক) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ক) যেইক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ সংশ্লিষ্ট করবর্ষ অতিক্রান্ত হইবার পর রিটার্ন দাখিল করা হইয়াছে; এবং”;

(খ) দফা (খ) এ উল্লিখিত “করদিবসে বা করদিবসের পূর্ববর্তী কোনো দিনে” শব্দগুলির পরিবর্তে “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ বা ইহার পূর্বে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৮৭ এর সংশোধন

১০৬। উক্ত আইনের ধারা ১৮৭ এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “করপরবর্তী” শব্দ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯৩ এর সংশোধন

১০৭। উক্ত আইনের ধারা ১৯৩ এর-

(ক) উপান্তটীকায় উল্লিখিত “ত্যাগকারী” শব্দের পর “স্বাভাবিক” শব্দটি সন্নিবেশিত হইবে:

(খ) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো” শব্দগুলির পর “স্বাভাবিক” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “উপকর কমিশনার সংশ্লিষ্ট” শব্দগুলির পর “স্বাভাবিক” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯৫ এর সংশোধন

১০৮। উক্ত আইনের ধারা ১৯৫ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “স্পটে কোনো ব্যক্তির কর নির্ধারণ” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোম্পানি ব্যতীত যেকোনো ব্যক্তি, যাহার ইতঃপূর্বে কখনো কর নির্ধারণ হয় নাই, তাহার ক্ষেত্রে স্পটে কর নির্ধারণ” শব্দগুলি ও কমাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “করযোগ্য” শব্দের পূর্বে “ব্যবসা খাতে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৯৭ এর সংশোধন

১০৯। উক্ত আইনের ধারা ১৯৭ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এর-

(অ) দফা (খ) এ উল্লিখিত “উপ-ধারা (১) অনুসারে কোনো রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন” শব্দগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “উপ-ধারা (২) এর অধীন কোনো রিটার্ন বা সংশোধিত রিটার্ন অডিটের নিমিত্ত নির্বাচন বা উপ-ধারা (৩) এর অধীন অডিটের নিমিত্ত অনুমোদন” শব্দগুলি ও বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(আ) দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(গ) যেই করবর্ষে কোনো রিটার্ন ধারা ১৭৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন সাধারণ রিটার্ন হিসাবে গণ্য হইয়াছে উক্ত করবর্ষ শেষ হইবার পরবর্তী ২ (দুই) করবর্ষ;”

(ই) দফা (ঘ) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “;” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঙ) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(ঙ) ধারা ১৭২ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশ জারি করা হইলে যে করবর্ষে নোটিশ জারি করা হইয়াছে উহা শেষ হইবার পরবর্তী ১ (এক) করবর্ষ।”;

(খ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “বৎসরে” শব্দগুলির পরিবর্তে “করবর্ষে” শব্দগুলি এবং “বৎসরের” শব্দগুলির পরিবর্তে “করবর্ষের” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০০ এর প্রতিস্থাপন

১১০। উক্ত আইনের ধারা ২০০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২০০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“২০০। তথ্য সংগ্রহ।- উপকর কমিশনারের নিম্নে নহে এইরূপ কোনো তদন্তকারী আয়কর কর্তৃপক্ষ এই আইনের অধীন কোনো তদন্ত সম্পর্কিত বা চলমান কোনো কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় বা প্রাসঙ্গিক হইতে পারে এইরূপ তথ্য কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে লিখিত নোটিশ দ্বারা অথবা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে এবং নোটিশে বর্ণিত পদ্ধতি ও মাধ্যমে, এবং নোটিশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে, তলব করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কর কমিশনারের অনুমোদন ব্যতিরেকে কর কমিশনারের অধস্তন কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যাংক বা ফাইন্যান্স কোম্পানির নিকট হইতে কোনো তথ্য তলব করিতে পারিবে না।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০২ এর সংশোধন

১১১। উক্ত আইনের ধারা ২০২ এর উপান্তটীকায় “পরিদর্শন” শব্দের পরিবর্তে “উপস্থাপন” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২০৪ এর সংশোধন

১১২। উক্ত আইনের ধারা ২০৪ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “কর নির্ধারণযোগ্য বা তাহার বিবেচনায় কর নির্ধারণের আওতাভুক্ত” শব্দগুলির পরিবর্তে “তাহার অধিক্ষেত্রাধীন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১২ এর সংশোধন

১১৩। উক্ত আইনের ধারা ২১২ এর উপ-ধারা (৭) এর প্রান্তস্থিত “।” চিহ্নের পরিবর্তে “:” চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন শর্তাংশ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন জারীকৃত নোটিশে উল্লিখিত বিষয়সমূহের বাইরে এই আইনের আওতায় প্রদেয় কোনো অঙ্কের পরিশোধ এড়াইয়া যাওয়া হইয়াছে এইরূপ সুনির্দিষ্ট তথ্য উদঘাটিত হইলে তাহা পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে করদাতাকে অবহিতকরণপূর্বক উপ-ধারা (২) এর আওতায় কর নির্ধারণ করা যাইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২১৪ এর সংশোধন

১১৪। উক্ত আইনের ধারা ২১৪ এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “বিলম্ব সুদ পরিশোধের” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২২১ এর সংশোধন

১১৫। উক্ত আইনের ধারা ২২১ এর উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত “(৬)” সংখ্যা ও বন্ধনীর পরিবর্তে “(৭)” সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২২৩ এর সংশোধন

১১৬। উক্ত আইনের ধারা ২২৩ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “তথ্যাদি গোপন করিয়াছেন” শব্দগুলির পরে “বা এই আইনের ধারা ২১২ এ উল্লিখিত কোনো অঙ্কের পরিশোধ এড়াইয়া গিয়াছেন” সংখ্যাগুলি ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৩২ এর সংশোধন

১১৭। উক্ত আইনের ধারা ২৩২ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “অব্যবহারের” শব্দের পরিবর্তে “অপব্যবহারের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৪৪ এর সংশোধন

১১৮। উক্ত আইনের ধারা ২৪৪ এর উপ-ধারা (৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৫) সংযোজিত হইবে, যথা:-

“(৫) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি প্রাধান্য পাইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৫৫ এর সংশোধন

১১৯। উক্ত আইনের ধারা ২৫৫ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “উক্ত করের পরিমাণ কর” শব্দগুলির পরিবর্তে “উক্ত করের পরিমাণ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬০ এর সংশোধন

১২০। উক্ত আইনের ধারা ২৬০ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “কোনো বিমানবন্দরে” শব্দগুলির পর “বা বাংলাদেশের বাহিরের কোনো বিমানবন্দরে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “উক্ত” শব্দের পরিবর্তে “বাংলাদেশের কোনো” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬৪ এর প্রতিস্থাপন

১২১। উক্ত আইনের ধারা ২৬৪ এর-

(ক) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৩) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে “রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ” দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

১। ২০ (বিশ) লক্ষাধিক টাকার ঋণ গ্রহণে;

২। কোনো কোম্পানির পরিচালক বা স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হইতে হইলে;

৩। আমদানি নিবন্ধন সনদ বা রপ্তানি নিবন্ধন সনদ গ্রহণ অথবা নবায়ন করিতে;

৪। সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করিতে;

৫। সাধারণ বিমার তালিকাভুক্ত সার্ভেয়ার লাইসেন্স নবায়ন করিতে;

৬। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রয় বা লিজ বা হস্তান্তর বা বায়নানামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধন করিতে;

৭। চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি, আইনজীবী ও কর আইনজীবী, একচুয়ারি, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার হিসাবে কোনো স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ নবায়ন করিতে;

৮। Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর অধীন নিকাহ্‌ রেজিস্ট্রার, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৪০ নং আইন) এর অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক ও Special Marriage Act, 1872 (Act No. III of 1872) এর অধীন রেজিস্ট্রার হিসাবে লাইসেন্স প্রাপ্তি অথবা নবায়ন করিতে;

৯। ট্রেডবডি বা কোনো বাণিজ্যিক সংগঠনের সদস্যপদ প্রাপ্তি অথবা নবায়ন করিতে;

১০। স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও কার্টিজ পেপারের ভেন্ডর বা দলিল লেখক হিসাবে লাইসেন্স নবায়নে;

১১। ড্রাগ লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স, বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স, কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্স, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স ও বায়িং হাউজ নিবন্ধন গ্রহণ ও নবায়নে;

১২। যেকোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ প্রাপ্তি ও বহাল রাখিতে;

১৩। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তিতে;

১৪। সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তিতে;

১৫। লঞ্চ, স্টিমার, মাছ ধরার ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, ডাম্ব-বার্জসহ যেকোনো প্রকারের ভাড়ায় চালিত নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেট গ্রহণ ও নবায়নে;

১৬। পরিবেশ অধিদপ্তর বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হইতে ইট উৎপাদনের অনুমতি গ্রহণ ও নবায়নে;

১৭। সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদর বা পৌরসভায় অবস্থিত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিশু বা পোষ্য ভর্তিতে;

১৮। কোম্পানির এজেন্সী বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ গ্রহণে ও নবায়নে;

১৯। আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণে ও নবায়নে;

২০। আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলায়;

২১। ১০ (দশ) লক্ষাধিক টাকার মেয়াদী আমানত খোলায় ও বহাল রাখিতে;

২২। ১০ (দশ) লক্ষাধিক টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে;

২৩। পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে;

২৪। ব্যবস্থাপনা বা প্রশাসনিক বা উৎপাদন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানকারী পদমর্যাদায় কর্মরত ব্যক্তির বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে;

২৫। দশম গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার গণকর্মচারীর বেতন-ভাতাদি প্রাপ্তিতে;

২৬। স্বাভাবিক ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের ক্ষেত্রে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে এবং মোবাইল ফোনের হিসাব রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন, ফি বা অন্য কোনো অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে;

২৭। কোনো নিবাসী করদাতা কর্তৃক অ্যাডভাইজরি বা কনসালটেন্সি সার্ভিস, ক্যাটারিং সার্ভিস, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস, জনবল সরবরাহ, নিরাপত্তা সেবা সরবরাহ বাবদ কোনো কোম্পানি হইতে অর্থ প্রাপ্তিতে;

২৮। বিমা কোম্পানির এজেন্সি সার্টিফিকেট গ্রহণ ও নবায়নে;

২৯। দ্বি-চক্র বা ত্রি-চক্র মোটরযান ব্যতীত অনান্য মোটরযানের নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে;

৩০। এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিও বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি হইতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার অনুকূলে বিদেশি অনুদানের অর্থ ছাড় করিতে;

৩১। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করিয়া ই-কমার্স ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্সিং অথরিটির কাছ থেকে লাইসেন্স নবায়নে;

৩২। কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এবং Societies Registration Act. 1860 (Act No. XXI of 1860) এর অধীন নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ ও নবায়নে;

৩৩। কোনো নিবাসী করদাতা কর্তৃক পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা সেবা সরবরাহের উদ্দ্যেশ্যে টেন্ডার ডকুমেন্টস্ দাখিলকালে;

৩৪। পণ্য আমদানি বা রপ্তানির উদ্দ্যেশ্যে বিল অব এন্ট্রি দাখিলকালে;

৩৫। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ), গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা, সময় সময়, সরকার কর্তৃক গঠিত অনুরূপ কর্তৃপক্ষ অথবা সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুমোদনের নিমিত্ত ভবন নির্মাণের নকশা দাখিলকালে;

৩৬। এই আইনের ধারা ১৪০ এ সংজ্ঞায়িত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া বা লিজ প্রদানকালে;

৩৭। এই আইনের ধারা ১৪০ এ সংজ্ঞায়িত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট পণ্য বা সেবা সরবরাহকালে;

৩৮। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, মোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, কনভেনশন হল, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহের লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নে;

৩৯। সামাজিক অনুষ্ঠান, কর্পোরেট প্রোগ্রাম, ওয়ার্কশপ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণসহ সমজাতীয় যেকোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত কমিউনিটি সেন্টার, কনভেনশন হল বা সমজাতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান হইতে ভাড়া বা অন্য যেকোনো সেবা গ্রহণকালে;

তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহে “রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ” দাখিলের পরিবর্তে নাম ও টিআইএন সংবলিত সিস্টেম জেনারেটেড প্রত্যয়নপত্র দাখিল করিতে হইবে, যথা:-

১। সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় নতুন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণে;

২। সমবায় সমিতির নিবন্ধন পাইতে;

৩। সাধারণ বিমার তালিকাভুক্ত সার্ভেয়ার এর নতুন লাইসেন্স গ্রহণে;

৪। ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ ও নবায়নে;

৫। চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি, আইনজীবী ও কর আইনজীবী, একচুয়ারি, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার হিসাবে কোনো স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থার সদস্যপদ গ্রহণে;

৬। ৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক টাকার পোস্ট অফিস সঞ্চয়ী হিসাব খোলায়;

৭। Monthly Payment Order বা এমপিও ভুক্তির মাধ্যমে সরকারের নিকট হইতে দশম গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মচারীর কোনো অর্থপ্রাপ্তিতে;

৮। স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের ক্ষেত্রে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে এবং মোবাইল ফোনের হিসাব রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন, ফি বা অন্য কোনো অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে;

৯। স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও কার্টিজ পেপারের ভেন্ডর বা দলিল লেখক হিসাবে লাইসেন্স নিবন্ধন ও তালিকাভুক্তিতে;

১০। ত্রি-চক্র মোটরযানের নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নকালে;

১১। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করিয়া ই-কমার্স ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্সিং অথরিটির কাছ থেকে লাইসেন্স গ্রহণে;

১২। স্বাভাবিক ব্যক্তি ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো আইন বা আইনি ক্ষমতা রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের অধীন নিগমিত, নিবন্ধিত বা গঠিত হইবার বৎসর বা পরের বৎসরে:

তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১৬৬ এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নহে এইরূপ ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।”;

(খ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “প্রমাণ” শব্দের পর “বা নাম ও টিআইএন সংবলিত সিস্টেম জেনারেটেড প্রত্যয়নপত্র” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৫) এ দুইবার উল্লিখিত “প্রমাণ” শব্দের পর “বা নাম ও টিআইএন সংবলিত সিস্টেম জেনারেটেড প্রত্যয়নপত্র” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(ঘ) উপ-ধারা (৬) বিলুপ্ত হইবে;

(ঙ) উপ-ধারা (৭) এ-

(অ) দুইবার উল্লিখিত “প্রমাণ” শব্দের পর “বা নাম ও টিআইএন সংবলিত সিস্টেম জেনারেটেড প্রত্যয়নপত্র” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(আ) উল্লিখিত “এবং দাখিলকৃত রিটার্ন দাখিলের প্রমাণাদির সত্যতা যাচাইয়ে ব্যর্থ হইলে” শব্দগুলির পরিবর্তে “, যাহার ব্যর্থতায়” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।

(চ) উপ-ধারা (৯) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৭২ এর সংশোধন

১২২। উক্ত আইনের ধারা ২৭২ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ক+খ এর সমপরিমাণ জরিমানা আরোপ করিবে, যেইক্ষেত্রে-

ক = ফাঁকি দেওয়া অঙ্ক × ১৫%,

খ = ফাঁকি দেওয়া অঙ্ক × ১০% × গ,

গ = অসত্য পরিমাণে তথ্য প্রদর্শনের বিষয়টি যেই করবর্ষে সংঘটিত হইয়াছে সেই করবর্ষ হইতে উক্ত অসত্য পরিমাণে তথ্য প্রদর্শনের বিষয়টি যেই করবর্ষে উদঘাটিত হইয়াছে সেই করবর্ষ পর্যন্ত মোট বৎসর” শব্দগুলি, চিহ্নগুলি ও সংখ্যাগুলির পরিবর্তে “ক এর সমপরিমাণ জরিমানা আরোপ করিবে, যেইক্ষেত্রে-

ক = ফাঁকি দেওয়া অঙ্ক × ১০% × খ,

খ = যেই করবর্ষে কর ফাঁকি সংঘটিত হইয়াছে সেই করবর্ষ হইতে উক্ত কর ফাঁকির বিষয়টি যেই করবর্ষে উদঘাটিত হইয়াছে সেই করবর্ষসহ মোট বৎসর” শব্দগুলি, চিহ্নগুলি ও সংখ্যাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯২ এর সংশোধন

১২৩। উক্ত আইনের ধারা ২৯২ এর উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “ক্ষেত্র ব্যতীত” শব্দগুলির পরিবর্তে “অন্যান্য বিধান ক্ষুণ্ণ না করিয়া” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৯৬ এর সংশোধন

১২৪। উক্ত আইনের ধারা ২৯৬ এর দফা (১) এ উল্লিখিত “ক্ষমতাপ্রাপ্ত” শব্দের পরিবর্তে “অনুমোদিত” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩০৬ এর সংশোধন

১২৫। উক্ত আইনের ধারা ৩০৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এ উল্লিখিত “আপিল কর কমিশনার বা” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩১১ এর সংশোধন

১২৬। উক্ত আইনের ধারা ৩১১ এর দফা (গ) বিলুপ্ত হইবে ।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩২৭ এর সংশোধন

১২৭। উক্ত আইনের ধারা ৩২৭ এর-

(ক) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ঙ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঙ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ঙ) উপকর কমিশনারের নিম্নে নহে এইরূপ কোনো পদে কমপক্ষে ৫ (পাঁচ) বৎসরের জন্য আয়কর কর্তৃপক্ষ হিসাবে কাজ করিয়াছেন এবং বোর্ড কর্তৃক কর আইনজীবী হিসাবে সনদ প্রাপ্ত হইয়াছেন; অথবা”;

(খ) উপ-ধারা (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৪) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ঙ) ও (চ) এ উল্লিখিত কর আইনজীবীকে কোনো নিবন্ধিত কর আইনজীবী সমিতির সদস্য হইতে হইবে।”;

(গ) উপ-ধারা (৫) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৩৪ এর সংশোধন

১২৮। উক্ত আইনের ধারা ৩৩৪ এ উল্লিখিত “করদিবস” শব্দের পরিবর্তে “রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট তারিখ” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৩৪১ এর বিলোপ

১২৯। উক্ত আইনের ধারা ৩৪১ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের প্রথম তফসিলের সংশোধন

১৩০। উক্ত আইনের প্রথম তফসিলের-

(ক) অংশ ১ এর-

(অ) অনুচ্ছেদ ১ এর উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত সারণীর পরিবর্তে নিম্নরূপ সারণী প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

 

“সারণী

 

ক্রমিক

নং

সম্পত্তির বর্ণনা

 

বিল্ডিং নির্মাণের ক্ষেত্রে

 

বিল্ডিং, অ্যাপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে

 

(১)

 

(২)

 

(৩)

 

(৪)

 

১.

 

ঢাকার গুলশান মডেল টাউন, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা ও দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ২০০০ বর্গফুট এর অধিক প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গফুটে ৯০০ (নয়শত) টাকা

 

প্রতি বর্গফুটে ২০০০ (দুই হাজার) টাকা

 

২.

 

ঢাকার গুলশান মডেল টাউন, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা ও দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত অনধিক ২০০০ বর্গফুট প্রিন্থ আয়তন (plinth area) বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গফুটে ৮০০ (আটশত) টাকা

 

প্রতি বর্গফুটে ১৮০০ (এক হাজার আট শত) টাকা

 

৩.

 

ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি (ডিওএইচএস), মহাখালি, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি, উত্তরা মডেল টাউন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, সিদ্ধেশ্বরী, কারওয়ান বাজার, বনশ্রী, বিজয় নগর, ওয়ারী, সেগুনবাগিচা ও নিকুঞ্জ এবং চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশী, আগ্রাবাদ ও নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত ২০০০ বর্গফুট এর অধিক প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গফুটে ৮০০ (আটশত) টাকা

 

প্রতি বর্গফুটে ১৮০০ (এক হাজার আট শত) টাকা

 

৪.

ঢাকার ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ডিফেন্স অফিসার্স হাউজিং সোসাইটি (ডিওএইচএস), মহাখালি, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি, উত্তরা মডেল টাউন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, সিদ্ধেশ্বরী, কারওয়ান বাজার, বনশ্রী, বিজয় নগর, ওয়ারী, সেগুনবাগিচা ও নিকুঞ্জ এবং চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশী, আগ্রাবাদ ও নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত অনধিক ২০০০ বর্গফুট প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গফুটে ৬৫০ (ছয়শত পঞ্চাশ) টাকা

 

প্রতি বর্গফুটে ১৫০০ (এক হাজার পাঁচ শত) টাকা

 

 

৫.

 

ক্রমিক নং ১, ২, ৩ ও ৪ এ উল্লিখিত এলাকা ব্যতীত সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত ১৫০০ বর্গফুট এর অধিক প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গ ফুটে

৪০০ (চার শত) টাকা

 

প্রতি বর্গ ফুটে ৭০০ (সাত শত) টাকা

 

৬.

 

ক্রমিক নং ১, ২, ৩ ও ৪ এ উল্লিখিত এলাকা ব্যতীত সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত অনধিক ১৫০০ বর্গফুট প্লিন্থ  আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গ ফুটে

৩৫০ (তিন শত পঞ্চাশ) টাকা

 

প্রতি বর্গ ফুটে ৬০০ (ছয় শত) টাকা

 

৭.

কোনো জেলা সদরের পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত ১৫০০ বর্গফুট এর অধিক প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গ ফুটে

১৮০ (এক শত আশি) টাকা

 

প্রতি বর্গ ফুটে ৩০০ (তিন শত) টাকা

 

৮.

 

কোনো জেলা সদরের পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত অনধিক ১৫০০ বর্গফুট প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গ ফুটে ১৫০ (এক শত পঞ্চাশ) টাকা

 

 

প্রতি বর্গ ফুটে ২৫০ (দুই শত পঞ্চাশ) টাকা

 

৯.

 

ক্রমিক নং ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৮ এ উল্লিখিত এলাকা ব্যতীত অন্য কোনো এলাকায় অবস্থিত ১৫০০ বর্গফুট এর অধিক প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গ ফুটে

৮০ (আশি) টাকা

 

প্রতি বর্গ ফুটে ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) টাকা

 

১০.

 

ক্রমিক নং ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৮ এ উল্লিখিত এলাকা ব্যতীত অন্য কোনো এলাকায় অবস্থিত অনধিক ১৫০০ বর্গফুট প্লিন্থ আয়তন বিশিষ্ট বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট

 

প্রতি বর্গ ফুটে

৫০ (পঞ্চাশ) টাকা

 

প্রতি বর্গ ফুটে ১০০ (একশত) টাকা

 

(আ) উপ-অনুচ্ছেদ (২) বিলুপ্ত হইবে;

(ই) উপ-অনুচ্ছেদ (২ক) এ উল্লিখিত “১০০% (একশত শতাংশ)” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ)” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঈ) উপ-অনুচ্ছেদ (৩) বিলুপ্ত হইবে;

(উ) উপ-অনুচ্ছেদ (৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ অনুচ্ছেদ (৪) নিম্নরূপে প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৪) এই অংশের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে না, যেইক্ষেত্রে-

(ক) এইরূপ বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় বা নির্মাণের জন্য বিনিয়োগকৃত অর্থ-

(অ) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনের অধীন কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রম হইতে উদ্ভূত হয়;

(আ) কোনো বৈধ উৎস হইতে উদ্ভূত না হয়;

(খ) এইরূপ আয়ের রিটার্ন দাখিলের পূর্বে ধারা ২১২ এর অধীন কোনো আয়, পরিসম্পদ বা ব্যয় গোপন করিবার বা কোনো আয় বা তাহার অংশবিশেষের উপর কর ফাঁকি দেওয়ার কারণে কোনো নোটিশ জারি করা হয়;

(গ) এইরূপ আয়ের রিটার্ন দাখিলের পূর্বে ধারা ১৭২ এর অধীন কোনো নোটিশ জারি করা হয়;

(ঘ) এইরূপ আয়ের রিটার্ন দাখিলের পূর্বে ধারা ৩১১-৩১৩ এর অধীন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়;

(ঙ) এই আইনের ধারা ২০০ এর অধীন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা হইয়াছে এবং উহা চলমান রহিয়াছে; বা

(চ) এই আইনের অধীন কর ফাঁকি সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম চলমান রহিয়াছে।”;

(খ) অংশ ২ এর অনুচ্ছেদ ৪ এর উপ-অনুচ্ছেদ (ঘ) এ উল্লিখিত “বাংলাদেশ” শব্দ বিলুপ্ত হইবে;

(গ) অংশ ৩ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের দ্বিতীয় তফসিলের সংশোধন

১৩১। উক্ত আইনের দ্বিতীয় তফসিলের-

(ক) অংশ ১ এর অনুচ্ছেদ (২) এর উপ-অনুচ্ছেদ (৬) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত “মেয়াদ” শব্দের পর “, যাহা ১০ (দশ) বছরের নিম্নে হইবে না” চিহ্ন ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) অংশ ২ এর-

(অ) অনুচ্ছেদ (১) এর উপ-অনুচ্ছেদ (২) এ উল্লিখিত “বোর্ড” শব্দের পরিবর্তে “কর কমিশনার” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

(আ) অনুচ্ছেদ (২) এর উপ-অনুচ্ছেদ (৬) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত “মেয়াদ” শব্দের পর “যাহা ১০ (দশ) বছরের নিম্নে হইবে না” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(গ) অংশ ৩ এর-

(অ) অনুচ্ছেদ (১) এ উল্লিখিত “19” সংখ্যার পরিবর্তে “XIX” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে;

(আ) অনুচ্ছেদ (৩) এর উপ-অনুচ্ছেদ (৫) এর দফা (গ) এ উল্লিখিত “মেয়াদ” শব্দের পর “যাহা ১০ (দশ) বৎসরের নিম্নে হইবে না” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী সন্নিবেশিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের তৃতীয় তফসিলের সংশোধন

১৩২। উক্ত আইনের তৃতীয় তফসিলের-

(ক) অংশ ১ এর-

(অ) অনুচ্ছেদ (৪) এর সারণীর ক্রমিক ৬ এর (খ) (আ) এ উল্লিখিত “১০ বৎসর বা ততোধিক” শব্দগুলির ও সংখ্যাগুলির পরিবর্তে “১০ বৎসর এর অধিক” শব্দগুলি ও সংখ্যাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(আ) অনুচ্ছেদ (৫) এর উপ-অনুচ্ছেদ (৪) এর সারণীর কলাম (২) এর ক্রমিক ২ এর বিপরীতে “ভাড়ায় চালিত” শব্দগুলির পর “নয় এইরূপ” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) অংশ ২ এর-

(অ) অনুচ্ছেদ ২ এ উল্লিখিত “(১)” সংখ্যা ও বন্ধনী বিলুপ্ত হইবে;

(আ) দ্বিতীয়বার উল্লিখিত ‘অনুচ্ছেদ ২’ ‘অনুচ্ছেদ ৩’ হিসাবে এবং তদপরবর্তী অনুচ্ছেদসমূহ ক্রমানুসারে পুনঃসংখ্যায়িত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন

১৩৩। উক্ত আইনের চতুর্থ তফসিলের অনুচ্ছেদ (৬) এর উপ-অনুচ্ছেদ (২) এ উল্লিখিত “কোনো কোম্পানির” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোনো কোম্পানি ‘র’” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের যষ্ঠ তফসিলের সংশোধন

১৩৪। উক্ত আইনের যষ্ঠ তফসিলের-

(ক) অংশ ১ এর-

(১) দফা (১৩) এর উপ-দফা (খ) ও (গ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (খ) ও (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(খ) মাইক্রোক্রেডিটে রিভলভিং ব্যতীত অন্য কোনো পরিসম্পদ অর্জনে ব্যবহৃত না হয়;

(গ) মাইক্রোক্রেডিটে রিভলভিং ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবসায়ে পুঁজি হিসাবে ব্যবহৃত না হয়;”;

(২) দফা (২০) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (২০) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(২০) কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তির “কৃষি হইতে আয়” খাতের আওতাভুক্ত অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোনো আয় যদি উক্ত ব্যক্তির কৃষি হইতে আয় এবং আর্থিক পরিসম্পদ হইতে আয় ব্যতীত অন্য কোনো আয় না থাকে;”;

(৩) দফা (২০) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (২০ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(২০ক) কোনো ব্যক্তির হাঁস-মুরগী, চিংড়ি ও মাছের হ্যাচারী, পেলেটেড পোল্ট্রি ফিড উৎপাদন, চিংড়ি ও মাছের পেলেটেড ফিড উৎপাদন, দুগ্ধজাত দ্রব্য উৎপাদন, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, বীজ বিপণন, রেশম গুটিপোকা পালনের খামার ইত্যাদি খাতের আওতাভুক্ত অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা;”;

(৪) দফা (২১) এর শর্তাংশের পরিবর্তে নিম্নরূপ শর্তাংশ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যবসায়ের সকল আয় শতভাগ ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে সম্পন্ন করিতে হইবে;”;

(৫) দফা (২২) বিলুপ্ত হইবে;

(৬) দফা (২৫) এ নিম্নরূপ ব্যাখ্যা সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“ব্যাখ্যা।- এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, জিরো কুপন বন্ড বলিতে জিরো কুপন ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটকেও বুঝাইবে;”;

(৭) দফা (২৭) এ উল্লিখিত “৪ (চার) লক্ষ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার” সংখ্যাগুলি, বন্ধনীগুলি ও শব্দগুলির পরিবর্তে “৫ (পাঁচ) লক্ষ” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(৮) দফা (২৮) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (২৮) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(২৮) কোনো তহবিল, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা পৃথক আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত কোনো আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাহা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নয় বা কোনো আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট বা কস্ট এ্যাণ্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট বা চার্টার্ড সেক্রেটারিগণের কোনো পেশাজীবী সংগঠন কর্তৃক পরিচালিত কোনো পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান (প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট) কর্তৃক আর্থিক পরিসম্পদ হইতে আয় ব্যতীত অন্য কোনো আয়;”;

(৯) দফা (৩০) এ উল্লিখিত “সরকার” শব্দের পূর্বে “বাংলাদেশ সরকার অথবা বিদেশী কোনো” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে এবং উক্ত দফা এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৩০) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(৩০ক) কোনো ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত নোবেল, রামোন ম্যাগসেসে, বুকার, পুলিৎজার, সাইমন বলিভার, একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, গ্রামি, এমি, গোল্ডেন গ্লোব, কান চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার;”;

(১০) দফা (৩৪) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (৩৪) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৩৪) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সর্বজনীন পেনশন স্কিম হইতে প্রাপ্ত সুবিধাভোগীর কোনো আয়;”;

(১১) দফা (৩৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৩৪ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(৩৪ক) জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়;”

(১২) দফা (৩৫) এ উল্লিখিত “স্বামী-স্ত্রী,” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলির পর “আপন ভাই বা বোন,” শব্দগুলি ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে;

(১৩) দফা (৩৬) এর উপ-দফা (ক) এ উল্লিখিত “বা ইউনিট” শব্দগুলির পর “অথবা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত কোনো তহবিলের শেয়ার বা ইউনিট” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;

(খ) অংশ ৩ এর-

(অ) দফা (৮) এ উল্লিখিত “সিকিউরিটিজে” শব্দের পর “নতুন” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে;

(আ) দফা (১৩) এ উল্লিখিত “সরকার” শব্দের পরিবর্তে “বোর্ড” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) অংশ ৪ বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের সপ্তম তফসিলের সংশোধন

১৩৫। উক্ত আইনের সপ্তম তফসিলের-

(ক) অনুচ্ছেদ (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“১। এই আইনের অধীন “মূলধনি আয়” হিসাবে পরিগণিত হয় এইরূপ আয় নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে, যথা:-

(ক) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট কর্তৃক অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);

(খ) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হইতে অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);

(গ) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হইতে অর্জিত মূলধনি আয় ব্যতীত, অন্যান্য মূলধনি আয়ের ক্ষেত্রে-

(অ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয় মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হইবে এবং মোট আয়ের উপর নিয়মিত হার;

(আ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির পাঁচ বৎসর অতিক্রান্ত হইবার পর পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয়ের ১৫% (পনেরো শতাংশ)।

(ঘ) দফা (ক) ও (গ) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো জমি বা জমিসহ স্থাপনা হস্তান্তরকালে দলিল মূল্যের অতিরিক্ত কোনো অর্থ গৃহীত হইলে উক্ত গৃহীত অতিরিক্ত অর্থ মূলধনী আয় হিসাবে গণ্য হইবে এবং এইরূপ মূলধনী আয়ের উপর এই তফসিলের অনুচ্ছেদ ১ এর করহার অনুসারে কর প্রদান করিতে হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, দলিল মূল্যের অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ ব্যাংক বিবরণীসহ দালিলিক প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থিত হইতে হইবে।”;

(খ) অনুচ্ছেদ (৪) বিলুপ্ত হইবে।

২০২৬ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ করবর্ষের আয়কর, সারচার্জ ও কর রেয়াত

১৩৬। (১) উপ-ধারা (৩) এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই আইনের তফসিল-২ এর প্রথম অংশে নির্দিষ্ট করহার অনুযায়ী আয়কর ধার্য হইবে।

(২) যে সকল ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর তফসিল প্রযোজ্য হইবে, সেই সকল ক্ষেত্রে আরোপণযোগ্য কর উক্ত তফসিল অনুসারেই ধার্য করা হইবে, কিন্তু করহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রয়োগ করিতে হইবে।

(৩) আয়কর আইন, ২০২৩ এর অংশ ৭ অনুসারে কর কর্তনের নিমিত্ত বর্ণিত হার বা অগ্রিম কর পরিশোধের হার ও কর পরিশোধের বিধানাবলি ২০২৫ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ আয়বর্ষ হইতে প্রযোজ্য হইবে।

(৪) এই ধারায় এবং এই ধারার অধীন আরোপিত আয়কর হারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত “মোট আয়” অর্থ আয়কর আইন, ২০২৩ এর বিধান অনুসারে নিরূপিত মোট আয়।

(৫) আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় ২০২৬ সালের ১ জুলাই হইতে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে তফসিল-২ এর দ্বিতীয় অংশে ও তৃতীয় অংশে নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী সারচার্জ ধার্য হইবে।

(৬) আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় ২০২৬ সালের ১ জুলাই হইতে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে তফসিল-২ এর চতুর্থ অংশে নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী কর রেয়াত প্রদান করা হইবে।

(৭) এই অধ্যাদেশের ধারা ৯৩ এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩ এর প্রতিস্থাপিত ধারা ১৬৩ এর উপ-ধারা (২) এর শর্তাংশে উল্লিখিত কীটনাশক উৎপাদনে নিয়োজিত শিল্প উদ্যোক্তা কর্তৃক আমদানিকৃত কাঁচামালের ক্ষেত্রে উদ্ভূত ন্যূনতম করদায় সংক্রান্ত বিধানটি ১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে আরদ্ধ করবর্ষ হইতে প্রযোজ্য হইবে।

২০২৭ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ করবর্ষের আয়কর, সারচার্জ ও কর রেয়াত

১৩৭। (১) আয়কর আইন, ২০২৩ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, ২০২৭ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই আইনের তফসিল-৩ এর প্রথম অংশে নির্দিষ্ট করহার অনুযায়ী আয়কর ধার্য হইবে।

(২) যে সকল ক্ষেত্রে আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর তফসিল প্রযোজ্য হইবে, সেই সকল ক্ষেত্রে আরোপণযোগ্য কর উক্ত তফসিল অনুসারেই ধার্য করা হইবে, কিন্তু করহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রয়োগ করিতে হইবে।

(৩) আয়কর আইন, ২০২৩ এর অংশ ৭ অনুসারে কর কর্তনের নিমিত্ত বর্ণিত হার বা অগ্রিম কর পরিশোধের হার ও কর পরিশোধের বিধানাবলি ২০২৬ সালের ১ জুলাই তারিখে আরদ্ধ আয়বর্ষ হইতে প্রযোজ্য হইবে।

(৪) এই ধারায় এবং এই ধারার অধীন আরোপিত আয়কর হারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত “মোট আয়” অর্থ আয়কর আইন, ২০২৩ এর বিধান অনুসারে নিরূপিত মোট আয়।

(৫) আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় ২০২৭ সালের ১ জুলাই হইতে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে তফসিল-৩ এর দ্বিতীয় অংশে ও তৃতীয় অংশে নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী সারচার্জ ধার্য হইবে।

(৬) আয়কর আইন, ২০২৩ এর আওতায় ২০২৭ সালের ১ জুলাই হইতে আরদ্ধ করবর্ষের জন্য কোনো কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে তফসিল-৩ এর চতুর্থ অংশে নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী কর রেয়াত প্রদান করা হইবে।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs