প্রিন্ট ভিউ

অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫

( ২০২৫ সনের ২৮ নং অধ্যাদেশ )

চতুর্থ অধ্যায়

কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন) এর সংশোধন

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৪ এর সংশোধন

১৩৮। কাস্টমস আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৭ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৪ এর দফা (ড) ও (ঢ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ড) ও (ঢ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(ড) ডেপুটি কমিশনার অব কাস্টমস বা ডেপুটি ডিরেক্টর বা ডেপুটি ডিরেক্টর (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল);

(ঢ) অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস বা অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর বা অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল);”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৬ এর সংশোধন

১৩৯। উক্ত আইনের ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১ক) এর পর নিম্নরূপ নতুন উপ-ধারা (১কখ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(১কখ) বোর্ড, আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সীমা ও শর্ত সাপেক্ষে, কমিশনার অব কাস্টমস এর উপর অর্পিত দায়িত্ব তাহার স্বীয় অধিক্ষেত্রে অন্য যে কোনো কাস্টমস কর্মকর্তার উপর অর্পণ করিতে পারিবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৭ এর সংশোধন

১৪০। উক্ত আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (জ) ও (ঝ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (জ) ও (ঝ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(জ) বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৫৩ নং আইন) এর অধীন কোনো পেটেন্ট এর স্বত্বাধিকারীর স্বত্ব লঙ্ঘন করিয়া প্রস্তুতকৃত পণ্য;

(ঝ) কপিরাইট আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৪ নং আইন) এর অধীন কোনো কপিরাইট এর স্বত্বাধিকারীর স্বত্ব লঙ্ঘন করিয়া প্রস্তুতকৃত পণ্য।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৮ এর সংশোধন

১৪১। উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “২ (দুই)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “৪ (চার)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৯ এর সংশোধন

১৪২। উক্ত আইনের ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (৬) এর প্রথম শর্তাংশে উল্লিখিত “মেয়াদের জন্য বৃদ্ধি করিতে পারিরে” শব্দগুলির পরিবর্তে “বৃদ্ধি করিতে পারিবে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২০ এর সংশোধন

১৪৩। উক্ত আইনের ধারা ২০ এর-

(ক) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “ডাম্পিং মার্জিন ভিত্তিতে” শব্দগুলির পরিবর্তে “ডাম্পিং মার্জিনের ভিত্তিতে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (৫) এর প্রথম শর্তাংশে উল্লিখিত “মেয়াদের জন্য” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “কোনো উপায়ে” শব্দগুলির পরিবর্তে “কোন উপায়ে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২৭ এর সংশোধন

১৪৪। উক্ত আইনের ধারা ২৭ এর-

(ক) উপ-ধারা (১) ও (২) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) ও (২) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) কোনো পণ্যের উপর কাস্টমস শুল্ক উহার মূল্যের ভিত্তিতে আরোপণীয় হইলে, সেই মূল্য হইবে প্রকৃত মূল্য অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে পরিশোধিত অথবা পরিশোধযোগ্য মূল্য, অথবা উক্ত মূল্যের নিকটতম নিরূপণযোগ্য সমতুল্য মূল্য, যে মূল্যে সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রক্রিয়ায় উক্ত পণ্য অথবা অনুরূপ পণ্য আমদানির সময় এবং স্থানে অথবা, ক্ষেত্রমত, রপ্তানির সময় এবং স্থানে অর্পণের উদ্দেশ্যে সাধারণত বিক্রয় করা হয় অথবা বিক্রয়ের প্রস্তাব করা হয়, যেখানে বিক্রেতা এবং ক্রেতার মধ্যে একে অন্যের ব্যবসায়ে কোন স্বার্থ থাকে না এবং বিক্রয় অথবা বিক্রয় প্রস্তাবে মূল্যই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হয়।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সাপেক্ষে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য এতদুদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালা অনুসারে নিরূপিত হইবে।”;

(খ) উপ-ধারা (৩) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “রপ্তানিকৃত” শব্দের পরিবর্তে “রপ্তানিতব্য” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “রপ্তানিকৃত” শব্দের পরিবর্তে “রপ্তানিতব্য” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৩০ এর সংশোধন

১৪৫। উক্ত আইনের ধারা ৩০ এ উল্লিখিত “রপ্তানিকৃত” শব্দের পরিবর্তে “রপ্তানিতব্য” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৩২ এর সংশোধন

১৪৬। উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর-

(ক) উপ-ধারা (৩) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:

“(৩) কোনো শুল্ক, কর বা অন্যান্য চার্জ প্রদেয় তারিখের মধ্যে পরিশোধিত না হইলে, উক্ত শুল্ক, কর বা অন্যান্য চার্জের উপর, উহা পরিশোধযোগ্য বা প্রদেয় হইবার সর্বশেষ তারিখ হইতে আরম্ভ করিয়া উহা পরিশোধিত হইবার তারিখ পর্যন্ত মাসিক ১ (এক) শতাংশ সরল হারে সুদ পরিশোধ করিতে হইবে:

ব্যাখ্যা।- এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে, “পরিশোধিত হইবার তারিখ পর্যন্ত” অর্থ নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী দিন হইতে নিষ্পন্নাধীন সময়সহ পরিশোধের দিন পর্যন্ত, যাহা ২৪ (চব্বিশ) মাসের অধিক নহে।”;

(খ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “বার্ষিক ১০ (দশ) শতাংশ” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনীর পরিবর্তে “মাসিক ১ (এক) শতাংশ” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৩৩ এর সংশোধন

১৪৭। উক্ত আইনের ধারা ৩৩ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (২ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(২ক) যে ক্ষেত্রে অসাবধানতা, ভ্রান্তি অথবা ভুল ব্যাখ্যার কারণে পরিমাণে ৪ (চার) হাজার টাকার নিম্নে নহে এমন কোন শুদ্ধ অথবা চার্জ আরোপ করা না হয় অথবা কম আরোপিত হয় অথবা ভুলক্রমে ফেরত প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি উক্ত কারণে কোন অর্থ পরিশোধের জন্য দায়বদ্ধ তাহার উপর নোটিশে উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ তিনি কেন পরিশোধ করিবেন না উহার কারণ দর্শানোর জন্য দাবিনামা সম্বলিত নোটিশ জারি করিতে হইবে।”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৩৫ এর সংশোধন

১৪৮। উক্ত আইনের ধারা ৩৫ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দের পরিবর্তে “সংস্থাকে” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৯১ এর সংশোধন

১৪৯। উক্ত আইনের ধারা ৯১ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “ধারা ২০৪ এর উপ-ধারা (৩) অধীন” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীর পরিবর্তে “ধারা ২০৪ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ৯৩ এর সংশোধন

১৫০। উক্ত আইনের ধারা ৯৩ এর উপ-ধারা (২) এর শর্তাংশে উল্লিখিত “বোর্ড” শব্দের পরিবর্তে “কাস্টমস হাউসের ক্ষেত্রে কমিশনার অব কাস্টমস অথবা কাস্টমস স্টেশনের ক্ষেত্রে কমিশনার” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১১৪ এর সংশোধন

১৫১। উক্ত আইনের ধারা ১১৪ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “উক্ত কোনো পণ্য” শব্দগুলির পরিবর্তে “উক্ত পণ্য” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৭১ এর সংশোধন

১৫২। উক্ত আইনের ধারা ১৭১ এর উপ-ধারা (১) এর টেবিলের ক্রমিক নং-

(ক) ৫ এর বিপরীতে কলাম (৪) এ উল্লিখিত “অন্যূন সমপরিমাণ কিন্তু” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে;

(খ) ৯ এর বিপরীতে কলাম (৪) এর দফা (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত “অন্যূন দ্বিগুণ কিন্তু অনধিক চারগুণ পরিমাণ” শব্দগুলির পরিবর্তে প্রতিস্থানে “অন্যূন সমপরিমাণ কিন্তু অনধিক দ্বিগুণ পরিমাণ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(গ) ১০ এর কলাম (৪) এ উল্লিখিত “পণ্যের উপর আরোপ উপর আরোপণীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “পণ্যের উপর আরোপণীয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঘ) ১১ এর বিপরীতে কলাম (৪) এর দফা (১) এ উল্লিখিত “অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা কিন্তু অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে “অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা” শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঙ) ২১ এর কলাম (২) এ উল্লিখিত “চর্তুদশ অধ্যায়” শব্দদ্বয়ের পরিবর্তে “চতুর্দশ অধ্যায়” শব্দদ্বয় প্রতিস্থাপিত হইবে;

(চ) ২৩ এর কলাম (৩) এর-

(অ) ক্রমিক (১) এর বিপরীতে কলাম (৪) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “উভয়বিধ দণ্ড দণ্ডনীয়” শব্দগুলির পরিবর্তে “উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয়” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(আ) ক্রমিক (২) এর বিপরীতে কলাম (৪) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “৩ (মাস)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “৩ (তিন) মাস” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ছ) ৩৮ এর কলাম (৩) এর দফা (খ) এর প্রান্তস্থিত শব্দ “রাখেন” এর পর “,” চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে;

(জ) দ্বিতীয়বার উল্লিখিত ক্রমিক নং “৪২” ক্রমিক নং “৪৩” হিসেবে পুনঃসংখ্যায়িত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৭৩ এর সংশোধন

১৫৩। উক্ত আইনের ধারা ১৭৩ এর উপ-ধারা (৫) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত “অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস পদমর্যাদার এর নিম্নে নহেন” শব্দগুলির পরিবর্তে “অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস পদমর্যাদার নিম্নে নহেন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ১৭৫ এর সংশোধন

১৫৪। উক্ত আইনের ধারা ১৭৫ এর উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “ব্যক্তিকে” শব্দের পরিবর্তে “ব্যক্তি” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২০২ এর সংশোধন

১৫৫। উক্ত আইনের ধারা ২০২ এর উপ-ধারা (১) এর টেবিল এর পরিবর্তে নিম্নরূপ টেবিল প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“টেবিল

 

নং

 

মামলার প্রকৃতি

 

কর্মকর্তাগণের পদবি

 

অধিক্ষেত্র ও ক্ষমতা

 

(১)

 

(২)

 

(৩)

 

(৪)

 

১।

 

পণ্য বাজেয়াপ্তকরণ বা জরিমানা আরোপ অথবা উভয় ক্ষেত্রে ন্যায়নির্ণয়ন।

 

কমিশনার অব কাস্টমস, কমিশনার অব কাস্টমস (বণ্ড) এবং ডিরেক্টর জেনারেল (কাস্টমস রেয়াত ও প্রত্যর্পণ

পণ্যের মূল্য ৬০ (ষাট) লক্ষ টাকার অধিক।

 

অ্যাডিশনাল কমিশনার অব কাস্টমস

পণ্যের মূল্য অনধিক ৬০ (ষাট) লক্ষ টাকা।

জয়েন্ট কমিশনার অব কাস্টমস

 

পণ্যের মূল্য অনধিক ৩৫ (পয়ত্রিশ) লক্ষ টাকা।

ডেপুটি কমিশনার অব কাস্টমস

 

পণ্যের মূল্য অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা।

অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস

পণ্যের মূল্য অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা।

রাজস্ব কর্মকর্তা

 

পণ্যের মূল্য অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা।

২।

 

কাস্টমস হাউস এবং কাস্টমস স্টেশনসমূহে কার্গো ঘোষণায় উল্লিখিত কোনো পণ্য পাওয়া না যাওয়া বা কম পাওয়ার ক্ষেত্রে ন্যায়নির্ণয়ন, যাহাতে কেবল ধারা ১৭১ এর উপ-ধারা (১) এর টেবিলের কলাম (১) এর ক্রমিক নম্বর ১১ এর বিপরীতে, যথাক্রমে, কলাম (৩) ও (৪) এর এন্ট্রি (৩) এর অধীন জরিমানা আরোপণীয়।

 

কাস্টমস হাউস অথবা, ক্ষেত্রমত, কাস্টমস স্টেশনে কার্গো ঘোষণার ছাড়করণের দায়িত্বে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার অব কাস্টমস অথবা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব কাস্টমস।

 

 

পণ্যের মূল্য সীমাহীন।

 

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২২৩ এর সংশোধন

১৫৬। উক্ত আইনের ধারা ২২৩ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “শুল্ক ও করের ১০ (দশ) শতাংশ অথবা আরোপিত জরিমানার ১০ (দশ) শতাংশ” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে “শুল্ক ও করের ১০ (দশ) শতাংশ বা যেক্ষেত্রে শুল্ক ও কর প্রযোজ্য নয় সেক্ষেত্রে জরিমানার ১০ (দশ) শতাংশ” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২২৫ এর সংশোধন

১৫৭। উক্ত আইনের ধারা ২২৫ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (খ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (খ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(খ) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কাস্টমস এণ্ড এক্সাইজ) ক্যাডার এ নিয়োগপ্রাপ্ত কমিশনার বা কমিশনার চলতি দায়িত্বে বা সমপদমর্যাদার অন্য কোনো পদে কমপক্ষে ১ (এক) বৎসর যাবৎ চাকরি করিতেছেন বা করিয়াছেন; অথবা”।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের ধারা ২২৬ এর সংশোধন

১৫৮। উক্ত আইনের ধারা ২২৬ এর-

(ক) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “৩ (তিন) মাসের” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “৯০ (নব্বই) দিনের” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত “০২ (দুই) মাস” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে “৬০ (ষাট) দিন” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ৫৭ নং আইনের প্রথম তফসিল এর প্রতিস্থাপন

১৫৯। উক্ত আইনের প্রথম তফসিলের পরিবর্তে এই অধ্যাদেশের তফসিল-১ এ উল্লিখিত প্রথম তফসিল (পৃথকভাবে মুদ্রিত) প্রতিস্থাপিত হইবে।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs