প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
তৃতীয় অধ্যায়
আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর সংশোধন
৫৩। উক্ত আইনের ধারা ৬৭ এর-
(ক) উপ-ধারা (১১) এ উল্লিখিত “যেইক্ষেত্রে কোনো কোম্পানি করদাতা অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যম ব্যতীত অন্য কোনোভাবে যেকোনো পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করে” শব্দগুলির পরিবর্তে “যেইক্ষেত্রে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ব্যতীত কোনো করদাতা অন্য কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে ক্রসড চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফার ব্যতীত অন্য কোনোভাবে কোনো অগ্রিম, ঋণ, বা অন্য কোনো প্রকার ডিপোজিট গ্রহণ করে” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (১২) এ উল্লিখিত “যেইক্ষেত্রে” শব্দের পর “কোনো আয়বর্ষে” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (১৩) এর-
(অ) “যেইক্ষেত্রে কোনো” শব্দগুলির পর “স্বাভাবিক” শব্দ সন্নিবেশিত হইবে;
(আ) দফা (ক) এ উল্লিখিত “স্বামী-স্ত্রী,” শব্দগুলি ও চিহ্নের পর “আপন ভাই বা বোন,” শব্দগুলি ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (১৪) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-দফা (১৫) সংযোজিত হইবে, যথা:-
“(১৫) যেইক্ষেত্রে কোনো করদাতা কোনো সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করেন এবং উক্ত সংশোধিত রিটার্নে এইরূপ কোনো আয় প্রদর্শন করেন যাহা কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন, সেইক্ষেত্রে ক-খ এর সমপরিমাণ অর্থ উক্ত আয়বর্ষে করদাতার “অন্যান্য উৎস হইতে আয়” খাতের আয় হিসাবে অর্ন্তভুক্ত হইবে, যেখানে-
ক= কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আওতাধীন আয় হিসাবে সংশোধিত রিটার্নে প্রদর্শিত অর্থ,
খ= মূল রিটার্নে প্রদর্শিত আয়:
তবে শর্ত থাকে যে, ষষ্ঠ তফসিল অংশ ১ এর দফা (৪), (৫), (৬), (৭), (৮), (১৭) ও (৩৫) এবং চাকরি হইতে আয় পরিগণনায় কর অব্যাহতি সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।”।