প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
তৃতীয় অধ্যায়
আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর সংশোধন
১৩৫। উক্ত আইনের সপ্তম তফসিলের-
(ক) অনুচ্ছেদ (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ অনুচ্ছেদ (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১। এই আইনের অধীন “মূলধনি আয়” হিসাবে পরিগণিত হয় এইরূপ আয় নিম্নবর্ণিতভাবে করারোপিত হইবে, যথা:-
(ক) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট কর্তৃক অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);
(খ) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হইতে অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ);
(গ) কোম্পানি, তহবিল ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকিউরিটিজ লেনদেন হইতে অর্জিত মূলধনি আয় ব্যতীত, অন্যান্য মূলধনি আয়ের ক্ষেত্রে-
(অ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয় মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হইবে এবং মোট আয়ের উপর নিয়মিত হার;
(আ) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির পাঁচ বৎসর অতিক্রান্ত হইবার পর পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয়ের ১৫% (পনেরো শতাংশ)।
(ঘ) দফা (ক) ও (গ) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো জমি বা জমিসহ স্থাপনা হস্তান্তরকালে দলিল মূল্যের অতিরিক্ত কোনো অর্থ গৃহীত হইলে উক্ত গৃহীত অতিরিক্ত অর্থ মূলধনী আয় হিসাবে গণ্য হইবে এবং এইরূপ মূলধনী আয়ের উপর এই তফসিলের অনুচ্ছেদ ১ এর করহার অনুসারে কর প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, দলিল মূল্যের অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ ব্যাংক বিবরণীসহ দালিলিক প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থিত হইতে হইবে।”;
(খ) অনুচ্ছেদ (৪) বিলুপ্ত হইবে।