প্রিন্ট ভিউ

অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

( ২০২৫ সনের ৩৩ নং অধ্যাদেশ )

এই অধ্যাদেশ অর্থ (২০২৫-২৬ অর্থবৎসর) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৯ নং আইন) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

তৃতীয় অধ্যায়

আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর সংশোধন

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন

৩। আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর দফা (৮০ক) এর-

(ক) উপ-দফা (খ) এ উল্লিখিত “১৫ (পনেরো) তম দিন” শব্দগুলি, সংখ্যা এবং বন্ধনীর পরিবর্তে “পনেরোতম দিন অথবা যেইক্ষেত্রে উক্ত পনেরোতম দিন সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিনের পূর্বের তারিখে পড়ে, সেইক্ষেত্রে আয়বর্ষ সমাপ্তির পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাসের পনেরোতম দিন” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-দফা (ঘ) এর ক্রমিক নং (আ) এ উল্লিখিত “বাংলাদেশে” শব্দের পরিবর্তে “বাংলাদেশের” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৪ এর প্রতিস্থাপন

৪। উক্ত আইনের ধারা ২৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“২৪। আয়ের স্বপ্রণোদিত প্রদর্শন।- প্রথম তফসিলে নির্ধারিত হারে কর পরিশোধ এবং উক্ত তফসিলের সকল শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত আয় চলতি করবর্ষের আয়ের সহিত রিটার্নে প্রদর্শন করা যাইবে, যথা:-

(ক) কোনো ব্যক্তি যাহার পূর্ববর্তী এক বা একাধিক আয়বর্ষের কর নির্ধারণ করা হয় নাই এবং যিনি উক্ত এক বা একাধিক বৎসরের জন্য কোনো রিটার্ন দাখিল করেন নাই, উক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী করবর্ষসমূহের খাতওয়ারি আয়; বা

(খ) কোনো ব্যক্তি যাহার পূর্ববর্তী এক বা একাধিক আয়বর্ষের কর নির্ধারণ করা হইয়াছে, তবে এইরূপ আয় নির্ধারণের সময় কোনো আয় বাদ পড়িয়াছে অথবা নির্ধারণকৃত আয়ের পরিমাণ প্রকৃত আয় অপেক্ষা কম প্রদর্শিত হইয়াছে, উক্ত ব্যক্তির উক্ত কম প্রদর্শিত আয়।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ৫৬ এর প্রতিস্থাপন

৫।উক্ত আইনের ধারা ৫৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“৫৬। বিশেষ ব্যবসা আয় পরিগণনা।- (১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৫৫ এর দফা (ধ) ও (ন) এর ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য দফার অধীন অননুমোদিত সকল ব্যয় বিশেষ ব্যবসা আয় হিসাবে গণ্য হইবে।

(২) এই অধ্যায়ের অধীন “বিশেষ ব্যবসা আয়” বা “ব্যবসা হইতে আয়” এর বিশেষ ক্ষেত্রসমূহ হিসাবে গণ্য কোনো আয়ের বিপরীতে কোনো প্রকারের ব্যয়, লোকসানের সমন্বয় বা জের টানা এবং তৃতীয় তফসিলের অধীন কোনো ভাতা অনুমোদিত হইবে না এবং এইরূপ আয়ের উপর নিয়মিত করহারে করদায় নির্ধারিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, হ্রাসকৃত কর হার প্রযোজ্য হয় এইরূপ ব্যক্তির ক্ষেত্রে, ধারা ৫৫ এর দফা (ক) এর ক্ষেত্র ব্যতীত উপ-ধারা (১) এর অধীন গণ্য বিশেষ ব্যবসা আয়ের উপর উক্তরূপ হ্রাসকৃত হারে করদায় নির্ধারিত হইবে।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৫৬ এর সংশোধন

৬। উক্ত আইনের ধারা ১৫৬ এ উল্লিখিত “১৪২” সংখ্যার পরিবর্তে “১৫৫” সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ১৬৩ এর সংশোধন

৭। উক্ত আইনের ধারা ১৬৩ এর উপ-ধারা (৯) এ উল্লিখিত “(৯)” সংখ্যা এবং বন্ধনীর পরিবর্তে “(৮)” সংখ্যা এবং বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের ধারা ২৬০ এর সংশোধন

৮। উক্ত আইনের ধারা ২৬০ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “বা বাংলাদেশের বাহিরের কোনো বিমানবন্দরে” শব্দগুলি বিলুপ্ত হইবে।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের প্রথম তফসিল এর সংশোধন

৯। উক্ত আইনের প্রথম তফসিলের পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রথম তফসিল প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“প্রথম তফসিল

আয়ের স্বপ্রণোদিত প্রদর্শন

[ধারা ২৪ দ্রষ্টব্য)

আয়ের স্বপ্রণোদিত প্রদর্শন।- (১) ধারা ২৪ এ উল্লিখিত রিটার্ন বৈধ হিসাবে বিবেচিত হইবে, যদি-

(ক) উক্ত ব্যক্তি রিটার্ন দাখিলের পূর্বে-

(অ) এইরূপ আয়সহ মোট আয়ের উপর পরিশোধযোগ্য কর পরিশোধ করেন; এবং

(আ) অপ্রদর্শিত আয়ের সমানুপাতিক করের ১০% (দশ শতাংশ) হারে জরিমানা পরিশোধ করেন;

(খ) ধারা ১৭১ এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে আয়ের রিটার্ন দাখিল করা হয়; এবং

(গ) রিটার্নের সহিত নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি উল্লেখপূর্বক একটি ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়-

(অ) ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তির নাম;

(আ) ঘোষিত আয়ের খাত ও পরিমাণ; এবং

(ই) ঘোষিত আয়ের উপর পরিশোধিত কর ও জরিমানা।

(২) ধারা ২৪ ও এই তফসিলের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে না, যদি-

(ক) এইরূপ আয়ের রিটার্ন দাখিলের পূর্বে ধারা ২১২ এর অধীন কোনো আয়, পরিসম্পদ বা ব্যয় গোপন করিবার বা কোনো আয় বা তাহার অংশবিশেষের উপর কর ফাঁকি দেওয়ার কারণে কোনো নোটিশ জারি করা হয়;

(খ) এইরূপ আয়ের রিটার্ন দাখিলের পূর্বে ধারা ২০০ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন কোনো ব্যাংক কোম্পানির উপর কোনো নোটিশ জারি করা হয়;

(গ) এইরূপ আয়ের রিটার্ন দাখিলের পূর্বে ধারা ৩১১-৩১৩ এর অধীন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়;

(ঘ) এই অনুচ্ছেদের অধীন ঘোষিত কোনো আয়-

(অ) কোনো বৈধ উৎস হইতে উদ্ভূত না হয়; বা

(আ) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনের অধীন অপরাধমূলক কার্যক্রম হইতে উদ্ভূত হয়; বা

(ঙ) এই অনুচ্ছেদের অধীন ঘোষিত কোনো আয় সংশ্লিষ্ট করবর্ষে কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হয়।

(৩) ধারা ২৪ ও এই তফসিলের অধীন প্রদর্শিত আয় নিম্নবর্ণিত কার্যক্রমসহ যেকোনো উৎপাদনমূলক কার্যক্রম বা খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে, যথা:-

(ক) শিল্পোদ্যোগ ও তাহার সম্প্রসারণ;

(খ) বিদ্যমান কোনো শিল্প-কারখানার প্রমিতকরণ, আধুনিকীকরণ, সংস্কার ও সম্প্রসারণ;

(গ) ইমারত বা অ্যাপার্টমেন্ট বা ভূমি;

(ঘ) বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ; বা

(ঙ) পণ্য ও সেবা উৎপাদনকারী কোনো ব্যবসা, বাণিজ্য বা শিল্পোদ্যোগ।”।

২০২৩ সনের ১২ নং আইনের সপ্তম তফসিলের সংশোধন

১০। উক্ত আইনের সপ্তম তফসিলের সর্বত্র উল্লিখিত “তহবিল” শব্দের পরিবর্তে “ব্যক্তিসংঘ” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs