এই অধ্যাদেশটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৪৬ নং আইন) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে ।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৩ নং আইন) রহিতক্রমে উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত
অধ্যাদেশ
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য;
যেহেতু সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights), নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি (International Covenant on Civil and Political Rights), অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি (International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights), নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ [Convention on the Elimination of All forms of Discrimination Against Women (CEDAW)] এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংক্রান্ত চুক্তিসমূহ পরিপালন করিতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; এবং
যেহেতু জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৩ নং আইন) রহিতক্রমে মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উহা সময়োপযোগী করিয়া পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
সূচি
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
৩। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা
৬। চেয়ারপার্সন ও কমিশনারগণের নিয়োগ, মেয়াদ, পদত্যাগ, ইত্যাদি
৮। চেয়ারপার্সন ও কমিশনার নিয়োগ বিষয়ক সুপারিশ
৯। চেয়ারপার্সন ও কমিশনারের অপসারণ
১০। কমিশনার পদে শূন্যতার কারণে কার্য বা কার্যধারা অবৈধ না হওয়া
১১। কমিশনারগণের বেতন, ভাতা, ইত্যাদি
১৪। অন্য আইনের দায়িত্ব পালনে এই অধ্যাদেশ প্রতিবন্ধক হইবে না
১৫। মানবাধিকার লঙ্ঘনে অজুহাত অগ্রহণযোগ্য
১৬। অভিযোগ, অনুসন্ধান, তদন্ত ও নিষ্পত্তি
১৮। অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদানের ক্ষমতা
১৯। সুপ্রীম কোর্ট হইতে রেফারেন্স
২০। পরিদর্শন, তদন্ত ইত্যাদি সম্পর্কিত ক্ষমতা
২১। কমিশনের নিকট সাক্ষ্য প্রদানকারী ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা
২৩। ক্ষতিপূরণ ও জরিমানা আদায়ের পন্থা
২৪। কমিশনের কার্যাবলির বার্ষিক প্রতিবেদন
২৫। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, তথ্য প্রকাশকারী ও সাক্ষীর গোপনীয়তা ও সুরক্ষা
২৬। কমিশনের আদেশ প্রতিপালনে বাধ্যবাধকতা
২৭। বিচারাধীন বা ন্যায়পাল কর্তৃক বিবেচ্য বিষয় সম্পর্কে গৃহীতব্য ব্যবস্থা
২৮। কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী
৩০ক। জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিভাগ
৩১। কমিশনের আইনগত কার্যক্রম শাখা
৩২। কমিশনের বিষয়ভিত্তিক (Thematic) কমিটি
৩৪। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়
৩৯। স্বার্থের সংঘাতের ক্ষেত্রে পদ্ধতি
৪১। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
| জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ |