প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
চতুর্থ অধ্যায়
সুরক্ষিত আমানত পরিশোধ
২২। (১) কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের তারিখে প্রত্যেক সুরক্ষিত আমানতকারীর সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ নিম্নবর্ণিতভাবে নির্ধারিত হইবে, যথা:-
(ক) সকল বৈদেশিক মুদ্রার আমানত অবসায়নের তারিখ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত গড় বিনিময় হারে বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করিয়া গণনা করা হইবে;
(খ) অবসায়নের তারিখ পর্যন্ত উক্ত সুরক্ষিত আমানতের স্থিতির উপর অর্জিত সুদ বা মুনাফা যুক্ত করিতে হইবে;
(গ) কোনো আমানতকারীর অন্য কোনো আমানতকারীর সহিত যৌথ হিসাব থাকিলে, উক্ত যৌথ হিসাবের স্থিতি তাহার মোট সুরক্ষিত আমানতের সহিত সমপরিমাণে বা যৌথ হিসাব চুক্তির অংশ অনুসারে যুক্ত করিতে হইবে;
(ঘ) কোনো আমানতকারীর একাধিক আমানত হিসাব থাকিলে, তাহার সকল আমানত হিসাব একত্রিত করিয়া মোট সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ নির্ধারণ করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত মোট আমানতের পরিমাণ এবং ধারা ২১ এ নির্ধারিত সুরক্ষিত আমানতের সর্বোচ্চ সীমার মধ্যে যাহা নিম্নতর, তাহাই সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সেই পরিমাণ অর্থ তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।
(৩) কোনো আমানতকারীর, এই অধ্যাদেশের ধারা ২১ এ নির্ধারিত সুরক্ষিত আমানতের অতিরিক্ত আমানত থাকিলে উক্ত অতিরিক্ত অংশ তহবিল হইতে প্রদানযোগ্য হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অতিরিক্ত আমানতের দাবি পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট আমানতকারী অবসায়কের নিকট দাবিপত্র দাখিল করিতে পারিবে।