পুলিশ কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং এতদসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ
যেহেতু দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সততা, পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য;
যেহেতু শৃঙ্খলা বাহিনী হিসাবে পুলিশ যাহাতে মানবাধিকার সুরক্ষা করে ও প্রভাবমুক্তভাবে দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করিতে পারে তাহা নিশ্চিত করা প্রয়োজন এবং একটি জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠন করা প্রয়োজন;
যেহেতু পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে নাগরিক অভিযোগের তদন্ত ও নিষ্পত্তি এবং পেশাগত বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের সংক্ষোভ নিরসন ও ন্যায্য সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে একটি নিরপেক্ষ ও কার্যকর কর্তৃপক্ষ গঠন আবশ্যক;
যেহেতু পুলিশ বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য একটি সংবিধিবদ্ধ ও নিরপেক্ষ পুলিশ কমিশন প্রতিষ্ঠা করা এবং তাহার কার্যাবলি ও দায়িত্ব নির্ধারণের উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:
সূচি
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
৭। কমিশনের সদস্যগণের নিয়োগ ও মেয়াদ
৮। কমিশনের সদস্যগণের অযোগ্যতা, ইত্যাদি
১০। চেয়ারপার্সন ও সদস্য নিয়োগ বিষয়ক সুপারিশ
১১। কমিশনের সদস্যগণের পদত্যাগ ও অপসারণ
১২। মহা-পুলিশ পরিদর্শক পদে নিয়োগে সুপারিশ
১৪। পুলিশের নিজস্ব অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা
১৫। নাগরিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি (Citizen Complaint Management Committee)
১৬। পুলিশ সংক্ষোভ নিরসন কমিটি (Police Grievance Redress Committee)
১৭। অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা
১৯। বিচারাধীন বা ন্যায়পাল বা মানবাধিকার কমিশন কর্তৃক বিবেচ্য বিষয় সম্পর্কে গৃহীতব্য ব্যবস্থা
২০। কমিশনের সভা ও কার্য পরিচালনা
৩০। স্বার্থের সংঘাতের ক্ষেত্রে পদ্ধতি
৩৩। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ, ইত্যাদি
| পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ |