বনভূমির ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বনভূমির দখল প্রতিরোধ, বন ও বনভূমি যথাযথভাবে সংরক্ষণ, বনভূমির পরিমাণ হ্রাস রোধকল্পে এবং বৃক্ষ সংরক্ষণে বিধানকল্পে প্রণীত
অধ্যাদেশ
যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশের ১৮ক অনুচ্ছেদে বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রহিয়াছে; পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দেশের বনাঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করিয়া থাকে; এবং
যেহেতু বৃক্ষের অনিয়ন্ত্রিত কর্তন ও অপসারণ সংশ্লিষ্ট এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং প্রতিষ্ঠিত বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য বিনষ্ট করিতে সক্ষম; রক্ষিত এলাকা ও গণপরিসরে বৃক্ষ সংরক্ষণ করা এবং প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ, স্মারক বৃক্ষ, পবিত্র বৃক্ষসহ অন্যান্য বৃক্ষ কর্তন ও অপসারণ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন; এবং বিপদাপন্ন বৃক্ষের ক্ষেত্রে সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি; এবং বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার অতিরিক্ত বিধান প্রয়োজন; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
সূচি
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
৪। বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণে সাধারণ করণীয়
৫। বন অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কর্তব্য
৭। বনভূমি সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা
৯। বৃক্ষ সংরক্ষণ ও কর্তনের বিধিবিধান
১১। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সহায়তা গ্রহণ
১২। অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা
১৩। Code of Criminal Procedure, 1898 এর প্রয়োগ
১৬। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
| ফরম |
| বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬ |