প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬

( ২০২৬ সনের ০৯ নং অধ্যাদেশ )

চতুর্থ অধ্যায়

রক্ষিত এলাকা ঘোষণা ও ব্যবস্হাপনা

অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যান ঘোষণা ও ব্যবস্থাপনা

১৮। (১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, রক্ষিত এলাকা ঘোষণা করিতে পারিবে এবং উহার সুষ্ঠু ব্যবস্হাপনা নিশ্চিত করিবে।

(২) কোনো বন, বনের অংশ, সরকারি ভূমি, জলাধার, জলাভূমি বা যে কোনো নির্দিষ্ট এলাকাকে বন ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণের নিমিত্ত সুনির্দিষ্টভাবে সীমানা নির্ধারণপূর্বক অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ ঘোষণার পূর্বে সংশ্লিষ্ট এলাকার উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর মতামত গ্রহণ করিতে হইবে।

(৩) প্রতিটি অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যানের জন্য বন অধিদপ্তর ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করিবে এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদন সাপেক্ষে উহা বাস্তবায়ন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন ঘোষিত অভয়ারণ্যকে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পাখি অভয়ারণ্য, হাতি অভয়ারণ্য, জলাধার বা জলাভূমি নির্ভর বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য অভয়ারণ্য, মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।

(৫) কোনো বনভূমি বা জলাভূমি বা জলাধার বা সামুদ্রিক বা কোনো নির্দিষ্ট এলাকাকে অভয়ারণ্য বা জাতীয় উদ্যান হিসাবে ঘোষণা করা হইলে উক্ত এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠী, যেমন- বনজীবী, বন নির্ভর জনগোষ্ঠী, জেলে, নৌকাচালকদের পেশাগত, প্রথাগত বা জীবন জীবিকার অধিকার সংরক্ষণের প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs