প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
চতুর্থ অধ্যায়
রক্ষিত এলাকা ঘোষণা ও ব্যবস্হাপনা
১৯। (১) কোনো ব্যক্তি অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যানে নিম্নবর্ণিত কার্য করিতে পারিবেন না, যথা:-
(ক) অননুমোদিত প্রবেশ;
(খ) চাষাবাদ;
(গ) কোনো শিল্প কারখানা স্থাপন বা পরিচালনা;
(ঘ) আগুন লাগিতে পারে এমন কোনো কাজ;
(ঙ) কোনো বন্যপ্রাণী শিকার, বন্যপ্রাণীকে উত্ত্যক্ত করা বা ভয় দেখানো কিংবা কোনো বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল বিনষ্ট বা বিনষ্ট হইতে পারে এইরূপ কাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য, গোলাবারুদ, অন্য কোনো অস্ত্র বা দ্রব্য বা বিষ প্রয়োগ বা শিকার সংক্রান্ত উপকরণ ব্যবহার;
(চ) কোনো বন্যপ্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ;
(ছ) বিদেশি (exotic), এলিয়েন (alien) ও আগ্রাসী (invasive) প্রজাতির প্রাণী বা উদ্ভিদ প্রবেশ;
(জ) কোনো গৃহপালিত পশু প্রবেশ করানো বা কোনো গৃহপালিত পশুকে নিরুদ্দিষ্ট রাখা;
(ঝ) বন্যপ্রাণীর জন্য ক্ষতিকর পদার্থ গাদি (ডাম্পিং) করা;
(ঞ) ময়লা, আবর্জনা, যে কোনো খনিজ পদার্থ, বর্জ্য (পচনশীল বা অপচনশীল) ডাম্পিং বা স্তূপ করা;
(ট) কোনো খনিজ পদার্থ আহরণের জন্য অনুসন্ধান কিংবা গর্ত করা;
(ঠ) উদ্ভিদের প্রাকৃতিক বংশ বিস্তারের উদ্দেশ্যে সিলভিকালচারাল অপারেশন ব্যতীত অন্য কোনো কারণে কোনো উদ্ভিদ বা উহার অংশ কর্তন করা;
(ড) বনভোজন;
(ঢ) জলাভূমি বা জলাধার বা সামুদ্রিক এলাকার বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্যের জন্য কোনো ক্ষতিকর বা নিষিদ্ধ কার্যক্রম করা।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিধিনিষেধ সরকার সময় সময় প্রয়োজন অনুযায়ী সংযোজন, বিয়োজন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি এই অধ্যাদেশ প্রবর্তনের পর অভয়ারণ্য বা জাতীয় উদ্যানের সীমানা হইতে ২ (দুই) কিলোমিটারের মধ্যে কোনো শিল্প কারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ বা ইট ভাটা স্থাপন বা পরিচালনা করিতে পারিবে না।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমিতে বিদ্যমান বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা শিল্প কারখানার ক্ষেত্রে উহা প্রযোজ্য হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও সুরক্ষার স্বার্থে বন অধিদপ্তর বিদ্যমান বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানা পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।