প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬

( ২০২৬ সনের ২৫ নং অধ্যাদেশ )

২০০১ সনের ১৮ নং আইনের ধারা ৩৬ এর সংশোধন

২২। উক্ত আইনের ধারা ৩৬ এর-

(ক) উপান্তটীকায় উল্লিখিত “লাইসেন্স প্রদান পদ্ধতি” শব্দগুলির পরিবর্তে “টেলিযোগাযোগ লাইসেন্স প্রদান” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

(খ) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(১) ধারা ৩৫(১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে উল্লিখিত কার্যাবলির জন্য নিম্নবর্ণিত বিধানাবলি সাপেক্ষে টেলিযোগাযোগ খাতে লাইসেন্স প্রদানের এখতিয়ার কমিশনের; এবং এইরূপ লাইসেন্সের জন্য কমিশনের নিকট শর্তপূরণসাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট আবেদন করিতে হইবে এবং কমিশন, এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, টেলিযোগাযোগ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে লাইসেন্স, পারমিট বা নিবন্ধনপত্র প্রদান করিতে পারিবে, যথা:-

(ক) জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স’ প্রদানের প্রস্তাবসমূহ কমিশন পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ সরকারের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং সরকার উক্ত প্রস্তাব পর্যালোচনা করিয়া সরকারের পূর্বানুমোদন কমিশনকে প্রদান করিবে, এবং কমিশন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত পূর্বানুমোদন অনুসরণ করিয়া জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স প্রদান করিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্সের সর্বোচ্চ সংখ্যা কত হইতে পারে তাহা বাজার কাঠামো, প্রতিযোগিতা, প্রবেশগম্যতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষার্থে সময় সময় স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্টাডি করিয়া তাহা কমিশন নিরূপণ করিবে এবং এরূপ স্টাডি টেলিযোগাযোগের সর্বশেষ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্বনামধন্য টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে সম্পাদন করিতে হইবে;

(খ) জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স সংক্রান্ত আবেদন প্রাপ্তির তারিখ হইতে সর্বোচ্চ ০৬ (ছয়) মাসের মধ্যে আবেদনটি সম্পূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে এবং কারণসহ প্রদানকৃত বা প্রত্যাখ্যাত তালিকা কমিশন অনলাইনে প্রকাশ করিবে;

(গ) কোনো জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স হস্তান্তর, একীভূতকরণ (merger) বা মালিকানা পরিবর্তনের গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ কমিশন ও মন্ত্রণালয় উভয়ে ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কমিটি ’র পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করিবে;

(ঘ) জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স ব্যতীত অন্যান্য লাইসেন্স, অস্থায়ী বা পরীক্ষামূলক লাইসেন্স, পারমিট, ও এনলিস্টমেন্ট ইত্যাদি ক্ষেত্রে কমিশন এককভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যকর করিতে পারিবে এবং এইধরনের লাইসেন্স সংক্রান্ত আবেদন প্রাপ্তির তারিখ হইতে সর্বোচ্চ ০৩ (তিন) মাসের মধ্যে আবেদনটি সম্পূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে।”।

(গ) উপ-ধারা (২) এর “কমিশন উপ-ধারা (১) এর অধীন দাখিলকৃত আবেদন সম্পর্কে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবেচনাপূর্বক সরকারের নিকট লাইসেন্স মঞ্জুরীর বিষয়ে একটি প্রতিবেদন পেশ করিবে এবং সরকার উক্ত প্রতিবেদন, এই আইন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক লাইসেন্স মঞ্জুর অথবা নামঞ্জুর করিবার সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে, ” শব্দগুলি, কমা ও বন্ধনীর পরিবর্তে “কমিশন উপ-ধারা (১) এর অধীন দাখিলকৃত আবেদন, এই আইন অনুসারে, মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে এবং এইরূপ আবেদন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশন, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে, নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবেচনা করিবে” শব্দগুলি, কমাগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ঘ) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ক) এর উপ-দফা (অ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-দফা (অ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(অ) আদালত কর্তৃক বা সরকারিভাবে স্বীকৃত মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক ঘোষিত অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তি হন;”;

(ঙ) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ঊ) এর পর নিম্নরূপ দফা (ঋ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

“(ঋ) একই ব্যক্তি বা তাহার পরিবারের কোনও সদস্যের নামে বা বেনামে সচল লাইসেন্স থাকে এবং একই ব্যক্তি বা পরিবার একাধিক লাইসেন্সের বেনেফিশিয়ারি হন;

(চ) উপ-ধারা (৪) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত “কমিশন” শব্দের পরিবর্তে “সরকার” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(ছ) উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত “টেন্ডার বিজ্ঞপ্তির” শব্দগুলির পরিবর্তে “বিজ্ঞপ্তির” শব্দ এবং “টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি” শব্দগুলির পরিবর্তে “বিজ্ঞপ্তি” শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে;

(জ) উপ-ধারা (৮) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (৮) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-

“(৮) কমিশন-

(ক) উক্ত আবেদন দাখিল হইবার অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে মঞ্জুর করিবার বা না করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে; এবং মঞ্জুর করিবার ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত আবেদনকারীকে অবহিত করিবে ও সিদ্ধান্ত অনুসারে লাইসেন্স ইস্যু করিবে;

(খ) উক্ত সময়ের মধ্যে আবেদনটি না মঞ্জুর করিলে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কারণসহ নামঞ্জুরের সিদ্ধান্ত আবেদনকারীকে অবহিত করিবে; বা

(গ) উক্ত ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব না হইলে সংশ্লিষ্ট কারণ উল্লেখপূর্বক সম্ভাব্য বিলম্বের বিষয়টি উক্ত ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বা পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে অবহিত করিবে এবং উক্ত সম্ভাব্য সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে।”।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs