প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
১৯। উক্ত আইনের ধারা ৩৩ এর-
(ক) উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“(১) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হইবে টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণ নীতিমালা নির্ধারণ এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের টেলিযোগাযোগ সেবা সম্প্রসারণ এবং এই খাতে ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন সাধন।”;
(খ) উপ-ধারা (২) এর-
(অ) দফা (খ) এর পর নিম্নরূপ দফা (খখ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(খখ) স্থল, রেল ও নৌযোগাযোগ পথ, দুর্গম অঞ্চল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ এলাকাসহ দেশের সর্বত্র মৌলিক টেলিযোগাযোগ সেবা ও অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্প্রসারণের জন্য (access to basic connectivity for all) দায়িত্বপালন এবং আন্তঃ মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় সাধন;”।
(আ) দফা (গ) ও (ঘ) এর পরিবর্তে যথাক্রমে নিম্নরূপ দফা (গ) ও (ঘ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“(গ) একটি কার্যকর ও আধুনিক জাতীয় টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে উক্ত বিনিয়োগে উৎসাহদান;
(ঘ) নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ এবং এই ব্যাপারে আগ্রহী আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহিত যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ;”।
(গ) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(৩) টেলিযোগাযোগ, ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত নীতি-নির্ধারণ, সমন্বয়, তদারকি ও বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয় নিম্নবর্ণিত দায়িত্বসমূহ পালন করিবে, যথা:-
(ক) জাতীয় টেলিযোগাযোগ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কিত নীতি, আইন ও বিধি প্রণয়ন;
(খ) টেলিযোগাযোগ খাতের কার্যকর আন্তঃখাতীয় নীতি প্রণয়ন এবং জনগণের জন্য সমন্বিত ডিজিটাল সেবা প্রদানের লক্ষ্যে, মন্ত্রণালয় অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার সহিত নীতিগত, কৌশলগত ও কার্যকর সমন্বয় রক্ষা ও উন্নয়ন; ই-হেলথ, ই-এডুকেশন, ই-অ্যাগ্রিকালচার, ই-কমার্স, ই-ব্যাংকিং ও অনুরূপ আন্তঃখাতীয় সেবা ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(গ) সরকারি মালিকানাধীন টেলিযোগাযোগ, নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামো সম্পর্কিত সংস্থাসমূহের নীতি, পরিকল্পনা, দক্ষতা উন্নয়ন, সম্পদ ব্যবহার এবং সমন্বিত অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নীতিগত ও কৌশলগত সমন্বয় রক্ষা; এবং প্রয়োজনবোধে, উক্ত সংস্থাসমূহের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা উন্নয়ন ও সেবা সম্প্রসারণে দিকনির্দেশনা প্রদান;
(ঘ) যেসকল প্রযুক্তি ‘এন্ড অফ লাইফ সাইকেল’ এ পোঁছাবে, উহাদের রূপান্তর ও প্রতিস্থাপন কৌশল এবং বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রণয়ন;
(ঙ) যেকোনো নূতন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বৈশ্বিক বেস্ট প্র্যাক্টিসসমূহ স্টাডি করতঃ সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন বিবেচনায় তরঙ্গ ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তির বাস্তবায়নের উপর সমীক্ষা পরিচালনা এবং অপ্রমাণিত প্রযুক্তিতে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করণ;
(চ) এই ধারার আওতায় আনিত বা প্রণীত নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিধি নির্ধারণ এবং নির্দিষ্ট সময়ানুযায়ী মূল্যায়ন (periodic review);
(ছ) জাতীয় উন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদীয়মান প্রযুক্তির যুগে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে-
(অ) টেলিযোগাযোগ খাতে ডেটা সার্বভৌমত্ব তত্ত্বাবধান;
(আ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সক্ষম নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন;
(ই) টেলিযোগাযোগ খাতে সাইবার নিরাপত্তা ও স্থিতিস্থাপকতা তদারকি;
(ঈ) ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও সাশ্রয়ী সেবা প্রদান;
(উ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রদান;
(ঊ) টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি উদ্ভাবনী অংশীদারিত্ব বাস্তবায়ন;
(ঋ) টেলিযোগাযোগ খাতে ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়ন;
(এ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করণে একাডেমিয়া প্রস্তুতকরণ ও দক্ষতা উন্নয়ন;
(ঐ) ক্রস-সেক্টর ইন্টার অপারেবিলিটি ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে ব্যবস্থা গ্রহণ;
(ও) টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতের রপ্তানি ও কর্মসংস্থান উন্নয়ন।”।