প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপাত্ত তাহার মালিকানাধীন গণ্য করিয়া উহা সুরক্ষিত রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ইহার সহিত সম্পর্কিত ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপাত্ত তাহার মালিকানাধীন গণ্য করিয়া তাহার সম্মতিতে আইনসম্মতভাবে প্রক্রিয়াকরণ সম্পর্কিত বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির মৌলিক অধিকার, বিশেষত উপাত্তের গোপনীয়তা, বিশ্বস্ততা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ ন্যায্যতা, আন্তঃপরিবাহিতা, ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত ও সুরক্ষিত করা প্রয়োজন; এবং
যেহেতু উপরিউক্ত প্রক্রিয়াকরণ আইনসম্মতভাবে পরিচালনা ও নিরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উপাত্ত-জিম্মাদার ও প্রক্রিয়াকারীর উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন ও প্রতিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইল:—
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। (১) এই আইন ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা এইরূপ কোনো ব্যক্তি, উপাত্ত-জিম্মাদার, প্রক্রিয়াকারী, প্রক্রিয়াকরণের সহিত সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তি বা এই আইনের অধীন কোনো দায়িত্ব পালন বা কার্য সম্পাদনকারী অন্য যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, যাহারা—
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক, বাংলাদেশে বসবাসকারী, সাধারণত বাংলাদেশে বসবাস করেন, বাংলাদেশে কর্মরত বা কার্যোপলক্ষ্যে বাংলাদেশে সাময়িকভাবে অবস্থান করেন;
(খ) বাংলাদেশের মধ্য দিয়া ব্যক্তিগত উপাত্ত স্থানান্তর ব্যতীত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করেন; বা
(গ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত উপাত্তধারীর পণ্য পরিষেবা প্রদান অথবা পরিবীক্ষণ (monitoring) বা পরিলেখা ব্যবস্থাপনার সহিত সম্পর্কিত কোনো কার্যক্রমের সূত্রে বাংলাদেশের বাহিরে ব্যক্তিগত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করেন।
(৩) ধারা ২৩ এবং ধারা ৩১ হইতে ৩৫ ব্যতীত, এই আইন ৬ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, এবং আইনটি জারির পরবর্তী ১৮ (আঠারো) মাস অতিবাহিত হইবার পর, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে উক্ত ধারাসমূহ কার্যকর হইবে।