বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নূতন নূতন শাখায় শিক্ষাদান, গবেষণা, জ্ঞানের সৃজন, উৎকর্ষ সাধন ও বিতরণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির জন্য, আধুনিক প্রযুক্তি, পেশা, বৃত্তি ও অর্থনৈতিক চাহিদার ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষার নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, এমফিল, পিএইচডি, পোস্ট-ডক্টোরাল পর্যায়ের পাশাপাশি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া অনলাইন দূরশিক্ষণ, ক্যাম্পাসভিত্তিক শিক্ষাদানের সমন্বয়ে শিল্প, বাণিজ্য, সমাজ ও অর্থনীতি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মেয়াদে সীমিত বা দীর্ঘমেয়াদি কোর্স প্রণয়ন ও পরিচালনা করিবার লক্ষ্যে বগুড়া জেলায় বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং তদ্সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন; এবং
যেহেতু বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ৪২ নং আইন) রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
সূচি
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
৪। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
৫। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত
৭। মঞ্জুরি কমিশন আদেশের বিধানাবলির পরিপালন
১১। ভাইস চ্যান্সেলরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
১৬। অন্যান্য কর্মকর্তার নিয়োগ, ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২০। সিন্ডিকেটের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২২। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২৮। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ব্যয় ও শিক্ষার্থীর বেতনাদি
৩০। অর্থ কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৩৩। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্তৃপক্ষ
৪০। আবাসিক হল ও ডরমেটরি সংক্রান্ত বিধানাবলি
৪৭। কর্তৃপক্ষের সদস্য হইবার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা
৪৮। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা গঠন সম্পর্কে বিরোধ
৫০। বিতর্কিত বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্ত
৫১। অবসর ভাতা ও ভবিষ্যৎ তহবিল, ইত্যাদি
| তফসিল |
| বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬ |