প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
চতুর্থ অধ্যায়
শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা, এলাকা বিভাজন, ইত্যাদি
১২। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, দেশের পশ্চাৎপদ ও অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উৎসাহ প্রদান এবং রাষ্ট্রের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার নিম্নবর্ণিত যেকোনো শ্রেণির শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) দেশি বা বিদেশি ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে প্রতিষ্ঠিত শিল্পাঞ্চল;
(খ) দেশি বা প্রবাসী বাংলাদেশি বা বিদেশি বিনিয়োগকারী, গোষ্ঠী, ব্যবসায়িক সংগঠন বা গ্রুপ কর্তৃক, একক বা যৌথভাবে, প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি শিল্পাঞ্চল;
(গ) সরকারি উদ্যোগ ও মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত সরকারি শিল্পাঞ্চল;
(ঘ) একই ধরনের বিশেষায়িত কোনো শিল্প বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য, বেসরকারি বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে বা সরকারি উদ্যোগে, প্রতিষ্ঠিত বিশেষ শিল্পাঞ্চল;
(ঙ) সরকার বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান এবং অন্য কোনো দেশের সরকার বা তৎকর্তৃক মনোনীত শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও প্রসারে যোগ্য কোনো শিল্প উদ্যোক্তা, কনসোর্টিয়াম, জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি বা শিল্প গোষ্ঠী এর মধ্যে অংশীদারিত্ব বা উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিল্পাঞ্চল;
(চ) এক বা একাধিক সরকারি সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় বা অংশীদারিত্বে প্রতিষ্ঠিত শিল্পাঞ্চল;
(ছ) সরকার বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের বা অন্য কোনো দেশের কোনো শিল্প উদ্যোক্তা, কনসোর্টিয়াম, জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি বা শিল্প গোষ্ঠীর মধ্যে অংশীদারিত্ব বা উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এবং “কাস্টমস আইন, ২০২৩” এর অধীনে বিশেষায়িত শুল্কমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষিত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল।