প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬

( ২০২৬ সনের ১০৪ নং আইন )

দ্বাদশ অধ্যায়

তহবিল, বাজেট, হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা, প্রতিবেদন, ইত্যাদি

হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা

৫৫। (১) কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে উহার হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।

(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি বৎসর কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973 (P.O. No. 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) তে সংজ্ঞায়িত চার্টাড একাউন্টেন্ট দ্বারা কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ এক বা একাধিক চার্টার্ড একাউন্টেন্ট নিয়োগ করিতে পারিবে এবং এইরূপে নিয়োগকৃত চার্টার্ড একাউন্টেন্ট সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পারিতোষিক প্রাপ্য হইবেন।

(৪) কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা উপ-ধারা (৩) এর অধীন নিয়াগকৃত চার্টার্ড একাউন্টেন্ট কর্তৃপক্ষের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, বার্ষিক ব্যালেন্স সিট, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান, সদস্য, সচিব অথবা কর্তৃপক্ষের যেকোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

(৫) নিরীক্ষক তৎকর্তৃক নিরীক্ষিত হিসাব সম্পর্কে সরকারের নিকট লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উক্ত প্রতিবেদনে নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির উল্লেখ থাকিবে-

(ক) নিরীক্ষকের বিবেচনায় বিভিন্ন হিসাব বহি যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হইয়াছিল কি না;

(খ) উহাতে কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের যথার্থ প্রতিফলন ঘটিয়াছিল কি না;

(গ) যদি কোনো ক্ষেত্রে নিরীক্ষক কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা চাহিয়া থাকেন, তাহা হইলে উহা সরবরাহ করা হইয়াছিল কি না; এবং

(ঘ) উহা সন্তোষজনক ছিল কি না।

(৬) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার-

(ক) সরকার এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণে কর্তৃপক্ষ কী কার্যক্রম গ্রহণ করিয়াছিল তৎসম্পর্কে অথবা কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা পদ্ধতির যথার্থতা সম্পর্কে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নিরীক্ষকদেরকে নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে;

(খ) যে কোনো সময় নিরীক্ষার পরিধি বর্ধিত করিতে পারিবে;

(গ) নিরীক্ষার ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের জন্য অথবা নিরীক্ষকের বিবেচনায় জনস্বার্থে অন্য কোনো বিষয় পরীক্ষা করা প্রয়োজন হইলে উক্তরূপ পরীক্ষা করিবার জন্য নির্দেশনা দিতে পারিবে।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs