জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিতপূর্বক নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য; এবং
যেহেতু সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights)-সহ মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ, এবং এই সংক্রান্ত চুক্তিসমূহ পরিপালন করিতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; এবং
যেহেতু জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৩ নং আইন)-এর অধিকতর উৎকর্ষ সাধনের জন্য উহা রহিতপূর্বক নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
সূচি
ধারাসমূহ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
৩। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা
৬। চেয়ারপার্সন ও কমিশনারগণের নিয়োগ, মেয়াদ, পদত্যাগ ইত্যাদি
৮। চেয়ারপার্সন ও কমিশনার নিয়োগ বিষয়ক সুপারিশ
৯। চেয়ারপার্সন ও কমিশনারের অপসারণ
১০। কমিশনার পদে শূন্যতার কারণে কার্য বা কার্যধারা অবৈধ না হওয়া
১১। কমিশনারগণের বেতন, ভাতা, ইত্যাদি
১৮। অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদানের ক্ষমতা
১৯। শৃঙ্খলা-বাহিনীর ক্ষেত্রে অনুসরণীর পদ্ধতি
২০। সুপ্রীম কোর্ট হইতে রেফারেন্স
২১। পরিদর্শন, তদন্ত ইত্যাদি সম্পর্কিত ক্ষমতা
২২। কমিশনের নিকট সাক্ষ্য প্রদানকারী ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা
২৬। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, তথ্য প্রকাশকারী ও সাক্ষীর গোপনীয়তা ও সুরক্ষা
২৭। কমিশনের আদেশ প্রতিপালনে বাধ্যবাধকতা
২৮। বিচারাধীন বিষয় সম্পর্কে গৃহীতব্য ব্যবস্থা
২৯। কমিশনের সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা
৩০। কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী
৩৩। জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইউনিট
৩৯। স্বার্থের সংঘাতের ক্ষেত্রে পদ্ধতি
৪২। ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
| জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬ |