প্রিন্ট ভিউ

বিমান-নিরাপত্তা বিরোধী অপরাধ দমন আইন, ১৯৯৭

( ১৯৯৭ সনের ১৭ নং আইন )

দ্বিতীয় অধ্যায়

সাধারণ বিধানাবলী

বিমান-অধিনায়কের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৩৷ (১) কোন বিমান উড্ডয়নে থাকাকালে বিমান অধিনায়কের যদি এই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে,-
 
 
 
 
(ক) উহার আরোহী কোন ব্যক্তি এমন কোন কাজ করিয়াছেন বা করিতে উদ্যত হইয়াছেন যাহা উক্ত বিমান বা উহাতে অবস্থিত কোন বস্তু বা উহার অন্যান্য আরোহীর নিরাপত্তাহানী করিয়াছে বা করিতে পারে, বা উহার সুপরিবেশ ও শৃংখলাহানী করিয়াছে বা করিতে পারে, অথবা
 
 
 
 
(খ) উহার আরোহী কোন ব্যক্তি এমন কোন কাজ করিয়াছেন যাহা, বিমানটির নিবন্ধনকারী দেশের ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত বৈষম্যমূলক আইন বা রাজনৈতিক প্রকৃতির আইন ব্যতীত, অন্যান্য আইনের অধীনে একটি অপরাধ,
 
 
 
 
তাহা হইলে বিমান অধিনায়ক, এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, উক্ত আরোহীর উপর যুক্তিসংগত বাধানিষেধ আরোপ করিতে পারিবেন বা তাহাকে আটক করাসহ তাহার সম্পর্কে অন্য যে কোন যুক্তিসংগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) অনুসারে কোন ব্যক্তির উপর বাধানিষেধ আরোপ বা তাহাকে আটক করার উদ্দেশ্যে বিমান-অধিনায়ক তাহাকে সহায়তা করার জন্য বিমানটির অন্য যে কোন ক্রু-সদস্যকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে এবং যে কোন আরোহীকে প্রয়োজনীয় অনুরোধ করিতে পারিবেন এবং উক্ত নির্দেশ বা অনুরোধ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(৩) বিমানটির কোন ক্রু-সদস্য বা আরোহীর যদি এইরূপ বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, বিমানটির বা উহার কোন আরোহী বা উহাতে অবস্থিত কোন বস্তুর নিরাপত্তা রক্ষার জন্য তাত্ক্ষণিকভাবে কোন কাজ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে উক্ত ক্রু-সদস্য বা আরোহী, উপ-ধারা (২) এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্তি ব্যতিরেকেই, উক্ত কাজ করিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(৪) এই ধারার অধীনে কোন আরোহীর উপর বাধানিষেধ আরোপ বা তাহাকে আটকের পর প্রথম যখন বিমানটির উড্ডয়ন অবস্থার সমাপ্তি ঘটে তখনই উক্ত বাধানিষেধ বা আটকাবস্থার সমাপ্তি ঘটিবে:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, বিমান-অধিনায়ক যদি উড্ডয়ন অবস্থা সমাপ্তি স্থানের উপর এখতিয়ারসম্পন্ন বা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে উপ-ধারা (৬) অনুসারে উক্ত বাধানিষেধ আরোপ বা আটক সম্পর্কে অবহিত করিতে না পারেন, অথবা ক্ষেত্রমত সংশ্লিষ্ট আরোহীকে উপ-ধারা (৫) এর অধীনে নামাইয়া দিতে বা সমর্পণ করিতে না পারেন, অথবা উক্ত আরোহী বাধানিষেধ আরোপিত বা আটকাবস্থায় উক্ত বিমানে তাহার যাত্রা অব্যাহত রাখিতে সম্মত হন, তাহা হইলে উড্ডয়ন অবস্থার সমাপ্তি ঘটিবে না৷
 
 
 
 
(৫) কোন আরোহী সম্পর্কে যদি বিমান-অধিনায়কের এইরূপ বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
 
 
 
 
(ক) বিমানে উপ-ধারা (১) (ক)- তে বর্ণিত অবস্থা বিরাজমান এবং সে কারণে উক্ত আরোহীকে বিমান হইতে নামাইয়া দেওয়া প্রয়োজন তাহা হইলে তিনি উক্ত আরোহীকে বিমান হইতে যে কোন দেশে নামাইয়া দিতে পারিবেন;
 
 
 
 
(খ) উক্ত আরোহী উপ-ধারা (১)(খ) তে বর্ণিত অপরাধ করিয়াছেন, তাহা হইলে তাহাকে টোকিও কনভেনশনভুক্ত দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট সমর্পণ করিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(৬) বিমান হইতে কোন আরোহীকে কোন দেশে নামাইয়া দেওয়ার বা সমর্পণ করার ক্ষেত্রে, বিমান-অধিনায়ক উক্তরূপ নামাইয়া দেওয়া বা সমর্পণের ইচ্ছা এবং কারণ সম্পর্কে, যথাশীঘ্র এবং সম্ভব হইলে বিমান অবতরণের পূর্বেই, নিম্্নবর্ণিত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন, যথা:-
 
 
 
 
(ক) নামাইয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে, যে দেশে নামাইয়া দেওয়া হইবে সেই দেশের এখতিয়ার সম্পন্ন বা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে;
 
 
 
 
(খ) সমর্পণের ক্ষেত্রে, টোকিও কনভেনশনভুক্ত যে দেশে সমর্পণ করা হইবে সেই দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে; এবং
 
 
 
 
(গ) উক্ত আরোহী যে দেশের নাগরিক সেই দেশে নামাইয়া না দেওয়া বা সমর্পণ না করার ক্ষেত্রে, উক্ত দেশের দূতাবাস বা কনসুলার অফিসকে, যাহা অবতরণ স্থানের নিকটতম হয়৷
টোকিও কনভেনশনভুক্ত দেশের বিমান অধিনায়ককে বিমান অবতরণ ইত্যাদির সুবিধা প্রদান
৪৷ যদি টোকিও কনভেনশনভুক্ত দেশে নিবন্ধনকৃত কোন বিমানের বিমান-অধিনায়ক বাংলাদেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে এই মর্মে অবহিত করেন যে, তিনি ধারা ৩ এর উপ-ধারা (৫) এর অধীনে কোন আরোহীকে বাংলাদেশে নামাইয়া দিতে বা সমর্পণ করিতে চাহেন, তাহা হইলে উক্ত কর্তৃপক্ষ-
 
 
 
 
(ক) বাংলাদেশে উক্ত বিমান অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগের ব্যবস্থা করিবে;
 
 
 
 
(খ) উক্ত আরোহীকে বিমান হইতে নামাইয়া দিবার বা সমর্পণ করিবার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ দিবে; এবং
 
 
 
 
(গ) উক্ত আরোহীকে নামাইয়া দেওয়া বা সমর্পণের পর তাহাকে গ্রেপ্তার করিবে৷
কোন আরোহীকে বিমান হইতে নামাইয়া দেওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব
৫৷ (১) কোন আরোহীকে ধারা ৩ এর উপ-ধারা (৫) এর অধীনে কোন বিমান হইতে বাংলাদেশে নামাইয়া দেওয়া বা সমর্পণ করা হইলে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ-
 
 
 
 
(ক) সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলী সম্পর্কে একটি প্রাথমিক তদন্ত করিবে;
 
 
 
 
(খ) উক্ত আরোহী বাংলাদেশী না হইলে, তিনি যে দেশের নাগরিক সেই দেশের যথাযথ প্রতিনিধির সহিত যোগাযোগ করার ব্যাপারে তাহাকে সহায়তা করিবে;
 
 
 
 
(গ) উক্ত ব্যক্তির সমর্পণ এবং যে সকল কারণে তাহাকে গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা গ্রেপ্তারকৃত রাখা প্রয়োজন সেই সম্পর্কে নিম্্নবর্ণিত দেশগুলিকে অবহিত করিবে, যথা:-
 
 
 
 
(অ) যে কনভেনশনভু্‌ক্ত দেশে বিমানটি নিবন্ধনকৃত হইয়াছে সেই দেশ;
 
 
 
 
(আ) উক্ত আরোহী বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, তিনি যে দেশের নাগরিক সেই দেশ; এবং
 
 
 
 
(ই) সামগ্রিক বিষয়টি সম্পর্কে অন্য কোন দেশের স্বার্থ জড়িত থাকিলে, সেই দেশ৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর অধীন প্রাথমিক তদন্তের পর যথাযথ কর্তৃপক্ষ উক্ত উপ-ধারার দফা (গ) তে উল্লিখিত দেশগুলিকে তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে, এবং উহার ভিত্তিতে কোন অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া প্রতীয়মান হইলে উক্ত অপরাধের ব্যাপারে বিচার বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম শুরু করিতে ইচ্ছুক কিনা সেই সম্পর্কেও, অবহিত করিবে৷
 
 
 
 
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী কার্যধারা বা তাহাকে বহিঃসমর্পণ সংক্রান্ত কার্যধারা গৃহীত না হইলে এবং উক্ত ব্যক্তি তাহার যাত্রা অব্যাহত রাখিতে চাহিলে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ যাত্রা অব্যাহত রাখিবার সুযোগ দিবে; এবং তিনি যাত্রা অব্যাহত রাখিতে না চাহিলে, তিনি যে রাষ্ট্রের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা অথবা তিনি যে দেশ হইতে বিমানে যাত্রা শুরু করিয়াছিলেন, সেই দেশের নিকট যথাযথ কর্তৃপক্ষ তাহাকে ফেরত্ দিতে পারিবে৷
বিমান হইতে নামাইয়া দেওয়া ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশে প্রবেশের অধিকার না জন্মানো
৬৷ ধারা ৩ এর অধীনে বিমানের কোন আরোহীকে বাংলাদেশে নামাইয়া দেওয়া হইয়াছে বা বাংলাদেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট তাহাকে সমর্পণ করা হইয়াছে শুধু এই কারণে উক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশের অধিকার দেওয়া হইয়াছে মর্মে গণ্য করা হইবে না৷
ফৌজদারী আইনের প্রয়োগ
৭৷ কোন বাংলাদেশী বিমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বাহিরে উড্ডয়নে থাকাকালে বিমানের আরোহী কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কাজ করেন বা করণীয় কাজ হইতে বিরত থাকেন যাহা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের অধীন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তাহা হইলে উক্ত কাজ করা বা করণীয় কাজ হইতে বিরত থাকা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় সংঘটিত অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বিমান অন্য কোন রাষ্ট্রীয় সীমানায় উড্ডয়নে থাকাকালে বিমানটিতে যদি এমন কোন কাজ করা বা করণীয় কাজ করা হইতে বিরত থাকা হয় যাহা উক্ত রাষ্ট্রের আইনের দ্বারা বা অধীনে অনুমোদিত, তাহা হইলে উক্ত কাজ করা বা করণীয় কাজ হইতে বিরত থাকার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না৷
আদালতের অধিক্ষেত্র
৮৷ উড্ডয়নে থাকাকালে কোন বিমানে যদি এই আইনসহ বাংলাদেশে বলবত্ যে কোন আইনের অধীনে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহা হইলে উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় যে স্থানে পাওয়া যাইবে সেই স্থানেই তিনি অপরাধটি সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং সেই স্থানের উপর এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত তাহার বিচার করিতে পারিবে:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ১১, ১২ এবং ১৩ এর অধীনে কোন অপরাধ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে সংঘটিত হইলে, কোন আদালত অপরাধটি আমলে লইবে না, যদি না-
 
 
 
 
(ক) উক্ত অপরাধ কোন বাংলাদেশী বিমানের কোন আরোহী কর্তৃক সংঘটিত হইয়া থাকে; অথবা
 
 
 
 
(খ) উক্ত অপরাধ এমন একটি বিমানের আরোহী কর্তৃক সংঘটিত হইয়া থাকে যাহা, উহার ক্রু-সদস্য ব্যতীত, এইরূপ কোন ব্যক্তি বা সংস্থার নিকট ভাড়া (Lease) দেওয়া হইয়াছে যে ব্যক্তি বা সংস্থার প্রধান কর্মস্থল বাংলাদেশে অবস্থিত বা, এইরূপ কোন কর্মস্থল না থাকিলে, তাহার বা উহার স্থায়ী নিবাস বাংলাদেশে অবস্থিত; অথবা
 
 
 
 
(গ) অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের একজন নাগরিক হন অথবা তাহাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায় অথবা যে বিমানের আরোহী হিসাবে তিনি উক্ত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া অভিযোগ করা হইয়াছে সেই বিমানটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় অবতরণ করিয়া থাকে৷
বিমানে সংঘটিত অপরাধের ব্যাপারে সাক্ষ্যগ্রহণ সংক্রান্ত বিধান
৯৷ (১) Evidence Act, 1872 (Act 1 of 1872) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন যে ক্ষেত্রে কোন বিমান উড্ডয়নে থাকাকালে উহাতে সংঘটিত কোন কার্যকলাপ বা অপরাধের ব্যাপারে কোন বাংলাদেশী আদালতের কার্যধারায় এমন কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রয়োজন হয় যাহাকে, বিশেষ কোন কারণে, বা অযৌক্তিক সময়ক্ষেপণ বা খরচ ব্যতীত, বাংলাদেশে ব্যক্তিগতভাবে হাজির করান সম্ভব নহে মর্মে আদালত সন্তুষ্ট হয়, সে ক্ষেত্রে তাহার মৌখিক সাক্ষ্য (Deposition) উক্ত কার্যধারায় গ্রহণ করা যাইবে, যদি তিনি উক্ত সাক্ষ্য শপথপূর্বক-
 
 
 
 
(ক) বাংলাদেশের বাহিরে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে প্রদান করিয়া থাকেন; এবং
 
 
 
 
(খ) সংশ্লিষ্ট দেশের কোন বিচারক বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা উক্ত দেশের আইনানুসারে উক্তরূপ সাক্ষ্য গ্রহণের এখতিয়ারসম্পন্ন কোন ব্যক্তি বা বাংলাদেশের কোন কনসুলার কর্মকর্তার সম্মুখে প্রদান করিয়া থাকেন৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিচারক, ম্যাজিষ্ট্রেট, ব্যক্তি বা কর্মকর্তা কর্তৃক সাক্ষীর বক্তব্য স্বাক্ষরিত না হইলে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষ্য গ্রহণের সময় তাহার সম্মুখে উপস্থিত হইয়াছিলেন মর্মে উক্ত স্বাক্ষরকারী প্রত্যয়ন না করিলে, কোন মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হইবে না৷
 
 
 
 
(৩) কোন আইনগত কার্যধারায় উপরি-উক্ত বিচারক, ম্যাজিষ্ট্রেট, ব্যক্তি বা কর্মকর্তার স্বাক্ষর বা তাহার পদবীর সত্যতা প্রমাণের প্রয়োজন হইবে না এবং, বিপরীত প্রমাণিত না হইলে, উক্তরূপ মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতির প্রমাণ হিসাবে উক্ত প্রত্যয়নপত্রই পর্যাপ্ত সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে৷
 
 
 
 
(৪) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানা বহির্ভূত কোন স্থানে কোন বাংলাদেশী বিমান উড্ডয়নে থাকাকালে উহাতে কোন অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে মর্মে কোন অভিযোগ উপরি-উক্ত কনসুলার কর্মকর্তার নিকট উত্থাপন করা হইলে, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত করিতে এবং এতদুদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শপথবাক্য পাঠ করাইয়া তাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(৫) কোন মৌখিক সাক্ষ্য এই ধারা ব্যতীত অন্য কোন আইনের অধীনে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইলে তাহা গ্রহণের ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান কোন বাধা হইবে না৷
 
 
 
 
(৬) এই ধারায়-
 
 
 
 
(ক) “মৌখিক সাক্ষ্য” বলিতে এফিডেভিট, দৃঢ়কথন (Affirmation) এবং বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত হইবে;
 
 
 
 
(খ) কোন ব্যক্তি শপথবাক্য পাঠ করিতে আপত্তি করিলে তাহার ক্ষেত্রে, “শপথ” বলিতে তত্কর্তৃক সত্য বলিয়া প্রদত্ত ঘোষণা বা দৃঢ়কথনও অন্তর্ভুক্ত হইবে৷
দালিলিক সাক্ষ্য সম্পর্কে বিধান
১০৷ (১) এই আইনের যে কোন কার্যধারায় The Civil Aviation Authority Ordinance, 1982 (XXVIII of 1982) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত Civil Aviation Authority কর্তৃক প্রকাশিত যে সকল দলিলকে “এরোনটিক্যাল ইনফরমেশন পাবলিকেশন্স” অথবা “নোটাম” অথবা “এরোনটিক্যাল ইনফরমেশন সার্কুলার” নামে অভিহিত করা হয় সেই সকল দলিল, উহাতে অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদি সম্পর্কে, সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে৷
 
 
 
 
(২) কোন বিমানের পরিস্থিতি সম্পর্কে উক্ত বিমান হইতে বা উহার নিকট প্রেরিত বা উহাতে প্রাপ্ত সংবাদ বা সংকেত উক্ত বিমানের পরিস্থিতি সম্পর্কে দালিলিক সাক্ষ্য হিসাবে বিবেচিত এবং সংশ্লিষ্ট যে কোন কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে৷
 
 

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs