প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯

( ১৯৯৯ সনের ৫ নং আইন )

সংজ্ঞা
1[ ২। সংজ্ঞা।- বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
 
(১) ‘‘অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ” অর্থ মানবদেহের কিডনী, হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, অন্ত্র, যকৃত, অগ্নাশয়, অস্থি, অস্থিমজ্জা, চক্ষু, চর্ম ও টিস্যুসহ মানবদেহে সংযোজনযোগ্য যে কোন অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ;
 
(২) ‘‘আইনানুগ উত্তরাধিকারী’’ অর্থ স্বামী, স্ত্রী, প্রাপ্ত বয়স্ক পুত্র ও কন্যা, পিতা, মাতা, প্রাপ্ত বয়স্ক ভাই ও বোন এবং রক্ত সম্পর্কের অন্যান্য প্রাপ্ত বয়স্ক আত্নীয়, তবে এই আইনের অধীনে আইনানুগ উত্তরাধিকারীর ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে, প্রথমোল্লিখিত ব্যক্তিগণ ক্রমানুসারে তৎপরবর্তীতে উল্লিখিত ব্যক্তিগণের তুলনায় অগ্রাধিকার লাভ করিবেন;
 
(৩) ‘‘ক্যাডাভেরিক (Cadaveric)’’ অর্থ হৃদপিন্ড স্পন্দনরত এইরূপ মানবদেহ যাহা অনুমোদিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ কর্তৃক ব্রেইন ডেথ মর্মে ঘোষিত এবং যাহার অঙ্গসমূহ অন্য মানবদেহে প্রতিস্থাপনের জন্য লাইফ সাপোর্ট দ্বারা কার্যক্ষম রাখা হইয়াছে;
 
(৪) ‘‘নিকট আত্মীয়’’ অর্থ পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী ও রক্ত সম্পর্কিত আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা, নানা, নানি, দাদা, দাদি, নাতি, নাতনি, আপন চাচাতো, মামাতো, ফুপাতো, খালাতো ভাই বা বোন;
 
(৫) ‘‘নির্ধারিত’’ অর্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত;
 
(৬) ‘‘প্রত্যয়ন বোর্ড’’ (Authentication Board) অর্থ এই আইনের ধারা ৭(ক) এর উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত প্রত্যয়ন বোর্ড;
 
(৭) ‘‘বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল’’ অর্থ বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬১ নং আইন) এর ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল;
 
(৮) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
 
(৯) ‘‘ব্রেইন ডেথ’’ অর্থ ধারা ৫ এর অধীন ঘোষিত ব্রেইন ডেথ;
 
(১০) ‘‘মেডিকেল বোর্ড’’ অর্থ ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত মেডিকেল বোর্ড;
 
(১১) ‘‘সমন্বয়কারী’’ অর্থ ধারা ৭ এর উপ-ধারা (৪) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত কোন চিকিৎসক;
 
(১২) ‘‘সংশ্লিষ্ট বিষয়’’ অর্থ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভেদে-
 
(ক) কিডনীর ক্ষেত্রে নেফ্রোলজি, ইউরোলজি সার্জারী;
 
(খ) যকৃত-অগ্নাশয়ের ক্ষেত্রে হেপাটোলজি, হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারী;
 
(গ) হৃদপিন্ডের ক্ষেত্রে কার্ডিওলজি, কার্ডিও থোরাসিক সার্জারী;
 
(ঘ) অস্থির ক্ষেত্রে অর্থোপেডিক্স, অস্থিমজ্জার ক্ষেত্রে হেমাটোলজি;
 
(ঙ) কর্ণিয়ার ক্ষেত্রে অপথালমোলজি;
 
(চ) ফুসফুসের ক্ষেত্রে পালমোনোলজি, কার্ডিও থোরাসিক সার্জারী;
 
(ছ) অন্ত্রের ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রো-এন্টারোলজি;
 
(জ) চর্ম ও টিস্যুর ক্ষেত্রে ডার্মাটোলজি, বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারী; এবং
 
(ঝ) দফা (ক) হইতে (জ) এ উল্লিখিত হয় নাই, এইরূপ ক্ষেত্রে, সরকার কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ঘোষিত বিষয়; এবং
 
(১৩) ‘‘হাসপাতাল’’ অর্থ চিকিৎসা সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে স্থাপিত কোন সরকারি বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিং হোম, মেডিকেল সেন্টার, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান, উহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন।]

  • 1
    ধারা ২ মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ১ নং আইন) এর ২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs