প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

( ২০০০ সনের ৮ নং আইন )

ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি

৯৷ 1[(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা।- (১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।]

 
 
 
 

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে 2[ধর্ষণের শিকার] নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত 3[অন্যূন দুই লক্ষ টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

 
 
 
 

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে 4[বা সংঘবদ্ধভাবে] কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত 5[অন্যূন দুই লক্ষ টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

 
 
 
 

(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-

 
 
 
 

(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি 6[মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে] দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

 
 
 
 

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন 7[;]

 

8[(গ) ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শরীরের কোন অঙ্গ, ধারালো অস্ত্র, রাসায়নিক পদার্থ, বা অন্য কোন উপকরণ ব্যবহার করিয়া কিংবা অন্য কোনভাবে নারী বা শিশুর যৌনাঙ্গ বা স্তনে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন তিন লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।]

 
 
 
 

(৫) যদি পুলিশ 9[বা অন্য কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর] হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী 10[ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ 11[ধর্ষণের শিকার] নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে 12[দায়িত্বপ্রাপ্ত] ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত  13[অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা] অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

 

14[(৬) এই ধারায় উল্লিখিত অর্থদণ্ড ধারা ১৫ এর বিধান অনুসারে আদায়পূর্বক ক্ষতিপূরণ হিসাবে অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা, ক্ষেত্রমত, তাহার আইনগত উত্তরাধিকারীকে প্রদান করিতে হইবে।]


  • 1
    উপ-ধারা (১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 2
    “ধর্ষণের শিকার" শব্দগুলি “ধর্ষিতা” শব্দের পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 3
    “অন্যূন দুই লক্ষ টাকা” শব্দগুলি “অন্যূন এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 4
    “বা সংঘবদ্ধভাবে” শব্দগুলি “দলবদ্ধভাবে” শব্দটির পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 5
    “অন্যূন দুই লক্ষ টাকা” শব্দগুলি “অন্যূন এক লক্ষ টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 6
    “মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে" শব্দগুলি “যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে” শব্দগুলির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 7
    সেমিকোলন (;) চিহ্ন দাঁড়ি (।) চিহ্নের পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 8
    দফা (গ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 9
    “বা অন্য কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর” শব্দগুলি “পুলিশ” শব্দটির পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 10
    “ধর্ষণের শিকার" শব্দগুলি “ধর্ষিতা” শব্দটির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 11
    “ধর্ষণের শিকার" শব্দগুলি “ধর্ষিতা” শব্দটির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 12
    “দায়িত্বপ্রাপ্ত” শব্দটি “দায়ী” শব্দের পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২০ (২০২০ সনের ২২ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 13
    “অন্যূন পঞ্চাশ হাজার টাকা” শব্দগুলি “অন্যূন দশ হাজার টাকা” শব্দগুলির পরিবর্তে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪(ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 14
    উপ-ধারা (৬) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৪ (চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs