প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০

( ২০০০ সনের ৮ নং আইন )

মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি

১৭। (১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির 1[মর্যাদাহানি বা] ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

 
 
 
 

2[(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।]

 

3[(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।]


  • 1
    “মর্যাদাহানি বা” শব্দগুলি “যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির” শব্দগুলির পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৮ (ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 2
    উপ-ধারা (২) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৮ (খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
  • 3
    উপ-ধারা (৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৮৫ নং আইন) এর ৮ (গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত যাহা (২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে কার্যকর)।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs