প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১

( ২০০১ সনের ১৬ নং আইন )

আপীল
১৮৷ (১) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তসমূহের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করা যাইবে; ট্রাইব্যুনালের অন্য কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল ট্রাইব্যুনালে বা অন্য কোন আদালতে বা কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত সিদ্ধান্তের বৈধতা, যথার্থতা বা সঠিকতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন
 
 
করা যাইবে না, এবং তাহা করা হইলে আপীল ট্রাইব্যুনাল বা উক্ত অন্য আদালত বা কর্তৃপক্ষ সরাসরি নাকচ করিয়া দিবে৷
 
 
 
 
(২) ট্রাইব্যুনালের নিম্্নবর্ণিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী বা প্রতিপক্ষ আপীল দায়ের করিতে পারিবেন:-
 
 
 
 
(ক) 1[2[***] ধারা ১০] এর উপ-ধারা (১), (২) বা (৪) এর অধীনে কোন আবেদন শুনানীর জন্য গ্রহণ না করিয়া সরাসরি নাকচের সিদ্ধান্ত;
 
 
 
 
(খ) একতরফা বা দোতরফা শুনানী অন্তে ধারা ১০ এর উপ-ধারা (১) বা (২) এর অধীনে প্রত্যর্পণযোগ্য সম্পত্তি প্রত্যর্পণ বা ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়ার আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া প্রদত্ত রায়;
 
 
 
 
(গ) একতরফা বা দোতরফা শুনানী অন্তে 3[4[***] ধারা ১০(৩)] এর অধীনে উপস্থাপিত অবমুক্তকরণের আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া প্রদত্ত রায়:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বা রায়ের পূর্বে প্রদত্ত এমন অন্তর্বর্তী আদেশের ব্যাপারে আপীলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে যাহার ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উক্ত সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদান করিয়াছে৷
 
 
 
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল কোন আবেদন ধারা ২৩(৩) এর অধীনে খারিজ করিলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাইবে না৷
 
 
 
 
(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদানের ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করিতে হইবে এবং এই সময়সীমা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে Limitation Act, 1908 (IX of 1908) এর Section 5 প্রযোজ্য হইবে না৷
 
 
 
 
5[(৫) আপীল ট্রাইব্যুনাল উভয় পক্ষকে শুনানীর সুযোগ প্রদানপূর্বক আপীল দায়েরের ৩০০ (তিনশত) দিনের মধ্যে উহার রায় প্রদান করিবেঃ
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোন আপীল নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হইলে, আপীল ট্রাইব্যুনাল কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তি করিতে পারিবে 6[***] :
 
 
আরও শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোন কারণে কোন আপীল নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে আপীল ট্রাইব্যুনাল উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য সর্বশেষ আরো ৩০(ত্রিশ) দিন সময় বর্ধিত করিতে পারিবে7[***] ।]
 
 
 
(৬) কোন পক্ষকে শুনানী অন্তে আপীল ট্রাইব্যুনাল আপীল মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিয়া সিদ্ধান্ত প্রদান করিলে উহার ভিত্তিতে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে একটি ডিক্রী প্রস্তুত করিবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে অবিলম্বে উক্ত রায় ও ডিক্রির অনুলিপি ট্রাইব্যুনাল ও জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরণ করিবে৷

  • 1
    ‘‘ধারা ৯ক এর উপ-ধারা (১) বা ধারা ১০’’ শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী ‘‘ধারা ১০’’ শব্দ ও সংখ্যার পরিবর্তে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩৯ নং আইন) এর ৮(ক)(অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 2
    “ধারা ৯ক এর উপ-ধারা (১) বা” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪৬ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 3
    ‘‘ধারা ৯ক এর উপ-ধারা (১) বা ধারা ১০(৩)’’ শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলি ‘‘ধারা ১০(৩)’’ এর পরিবর্তে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩৯ নং আইন) এর ৮(ক)(আ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 4
    “ধারা ৯ক এর উপ-ধারা (১) বা” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনী অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪৬ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 5
    উপ-ধারা (৫) অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩৯ নং আইন) এর ৮(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 6
    “এবং তৎসম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে” শব্দগুলি ও কমা অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২০ নং আইন) এর ১৪(ক) ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 7
    “এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে” শব্দগুলি ও কমা অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ২০ নং আইন) এর ১৪(খ) ধারাবলে বিলুপ্ত।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs