প্রিন্ট ভিউ

[সেকশন সূচি]

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১

( ২০০১ সনের ১৮ নং আইন )

প্রথম অধ্যায়

প্রাথমিক বিষয়াদি

সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজন ভিন্নরূপ না হইলে, এই আইনে,-

 
 

(১) “আগ্রহী পক্ষ” অর্থ বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ উন্নয়ন বা টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন বা পরিচালনা বা টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারী বা লাইসেন্সের আওতায় গৃহীতব্য অন্য কোন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আগ্রহী কোন ব্যক্তি;

 
 

(২) “আন্তঃসংযোগ (Interconnection)” অর্থ একাধিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের দৃশ্য (physical) বা অদৃশ্য বা যৌক্তিক (logical) সংযোগ যাহার ফলে এইরূপ একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীগণ তাহাদের নিজেদের মধ্যে বা অন্য কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীগণের সহিত যোগাযোগ করিতে বা উক্ত অন্য নেটওয়ার্কের সেবা পাওয়ার সুযোগ লাভ করিতে পারে;

 
 

1[(২ক) “ওভার দ্যা টপ (ওটিটি)” অর্থ এমন সকল ধরনের কনটেন্ট, সেবা, পরিষেবা বা অ্যাপ্লিকেশন, যাহা টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রান্তিক ব্যবহারকারীর নিকট প্রত্যক্ষভাবে সরবরাহ, সম্প্রচার, প্রবাহন (streaming) বা প্রাপ্তিযোগ্য করা হয়, এবং যাহার জন্য পৃথক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো স্থাপন বা ব্যবহারকারীর প্রান্তে নেটওয়ার্ক সংযোগের মালিকানা প্রয়োজন হয় না;

 

(২খ) “কনটেন্ট” অর্থ এমন কোনো ইলেকট্রনিক রেকর্ড, তথ্য বা উপাত্ত, যাহাতে বা যাহা হইতে ছবি, প্রতিচ্ছবি, লেখা, শব্দ, শব্দচিত্র, ভিডিও, সংকেত বা অন্যান্য দৃশ্যমান, শ্রবণযোগ্য অথবা উভয় প্রকার উপাদান সৃষ্ট, প্রদর্শিত, সংরক্ষিত, প্রেরিত, গৃহীত বা প্রাপ্তিযোগ্য হয়; এবং যাহা কোন ইলেকট্রনিক বিন্যাস, মাইক্রোফিল্ম, কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত মাইক্রোফিচ, সার্ভার বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমের দ্বারা ধারণ বা পরিবেশিত হয়;]

 
 

(৩) “কমিশন” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ 2[টেলিযোগাযোগ 3[রেগুলেটরি] কমিশন;

 
 

(৪) “কমিশনার” অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান বা অন্য কোন কমিশনার;

 
 

(৫) “কর্মচারী” বলিতে কর্মকর্তাও অন্তর্ভুক্ত;

 
 

(৬) “ক্ষতিকর প্রতিবন্ধকতা” অর্থ নির্গমন (emission), বিকিরণ (radiation) বা আবেশের (induction) ফলে সৃষ্ট তড়িত্-চুম্বকীয় শক্তির এমন বিরূপ প্রভাব যাহা-

 
 

(ক) বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যবহার বা কার্যক্ষমতাকে বিপন্ন করে; অথবা

 
 

4[(খ) বেতার যন্ত্রপাতির ব্যবহার বা কার্যক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস বা বাধাগ্রস্ত অথবা উক্ত ব্যবহারে বা কার্যক্ষমতায় বিচ্যুতি ঘটায়;]

 
 

(৭) “কারিগরী গ্রহণযোগ্যতা সনদ” অর্থ ৫৭ ধারার অধীনে কমিশন প্রদত্ত কারিগরী গ্রহণযোগ্যতা সনদ;

 
 

(৮) “গ্রাহক” অর্থ যে ব্যক্তি কোন পরিচালনাকারীর নিকট হইতে টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করেন;

 

5[(৮ক) “গোয়েন্দা সংস্থা” অর্থ এমন কোনো সত্তা, যাহা কোনো আইন বা আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রতিষ্ঠিত এবং যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যবহার বা প্রয়োগ কার্যক্রমের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত;]

 
 

(৯) “চেয়ারম্যান” অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান;

 
 

(১০) “চার্জ” অর্থ এই আইনের অধীনে কমিশন বা পরিচালনাকারী প্রদত্ত সেবা বাবদ প্রদেয় চার্জ;

 
 

6[(১০ক) “জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স” অর্থ আন্তর্জাতিক সংযোগ বিষয়ক, জাতীয় অবকাঠামো ও সংযোগ বিষয়ক নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক বিষয়ক, তরঙ্গ বরাদ্দের সহিত সম্পর্কিত এক্সেস নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানকারী বিষয়ক লাইসেন্স এবং জাতীয় পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী সেলুলার মোবাইল নেটওয়ার্ক বিষয়ক লাইসেন্স এবং সরকারের জারীকৃত গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত লাইসেন্স;]

 
 

7[(১১) “টেলিযোগাযোগ” অর্থ কোন কথা (speech), শব্দ (sound), চিহ্ন, সংকেত, লেখা, দৃশ্যমান প্রতিকৃতি বা অন্যবিধ যে কোন ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক অভিব্যক্তিকে তড়িৎ, চুম্বক-শক্তি, তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তি, তড়িৎ-রাসায়নিক বা তড়িৎযান্ত্রিক শক্তি ইত্যাদি ব্যবহারক্রমে তার, নল, বেতার অপটিক্যাল বা অন্য কোন তড়িৎ-চুম্বকীয় বা তড়িৎ-রাসায়নিক বা তড়িৎ-যান্ত্রিক বা কৃত্রিম উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদির মাধ্যমে প্রেরণ ও গ্রহণ;]

 
 

(১২) “টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি” অর্থ টেলিযোগাযোগ অভিব্যক্তিটির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে এইরূপ কোন কিছুকে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সাহায্যে প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত যে কোন যন্ত্রপাতি;

 
 

(১৩) “টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা” অর্থ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতির সমন্বিত রূপ (যেমন সুইচিং ব্যবস্থাদি, প্রেরণ যন্ত্রপাতি, প্রান্তিক যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম উপগ্রহ ইত্যাদি), এই সকল যন্ত্রপাতি দৃশ্যতঃ পরস্পর সংযুক্ত থাকুক বা না থাকুক বা উহারা একযোগে তথ্য বা বার্তা প্রেরণের কাজে ব্যবহৃত হউক বা না হউক;

 
 

(১৪) “টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক” অর্থ এমন একগুচ্ছ সংযোগস্থল (node) এবং সংযোগ লাইন (link) এর সমাহার যাহা দুই বা ততোধিক অবস্থানের মধ্যে টেলিযোগাযোগ স্থাপন করে;

 
 

8[(১৫) “টেলিযোগাযোগ সেবা” অর্থ নিম্নবর্ণিত যে কোন সেবা:-

(ক) টেলিযোগাযোগ অভিব্যক্তিটির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে এমন কোন কিছুকে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সাহায্যে প্রেরণ বা গ্রহণ;

(খ) টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারিত সেবা;

(গ) মূল্য সংযোজিত টেলিযোগাযোগ সেবা (Value Added Services);

(ঘ) ইন্টারনেট ও ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রদত্ত সেবা (ব্যাখ্যাঃ Gov-Tech, Agro-Tech, Ed-Tech, Fin-Tech, AI and Generative AI, IoT, Auto Pilot Technology, সকল ফ্রন্ট্যার টেকনোলজি) যেখানে বিশেষ কোয়ালিটি অব সার্ভিস বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা রহিয়াছে;

(ঙ) টেলিযোগাযোগ অভিব্যক্তিটির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে এমন কোন কিছুকে ইন্টারনেট ব্যবহার করিয়া অনলাইনে বা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে প্রেরণ, প্রচার বা গ্রহণ;

(চ) টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে যন্ত্র-যন্ত্র (Machine-to-Machine) বা যন্ত্র-মানব (Machine-to-Human) যোগাযোগ অথবা তথ্য, বার্তা, সংকেত বা ডেটা আদান-প্রদান, পরিবহন বা বিনিময় সংক্রান্ত সেবা;

(ছ) উপরিউক্ত উপ-দফা সমূহে বর্ণিত সেবা ব্যবহারের সুবিধার্থে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কিত অবগতিমূলক বা নির্দেশনামূলক তথ্যাদি সরবরাহ করা;

(জ) টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সহিত সংযুক্ত বা সংযোজিতব্য যন্ত্রপাতি স্থাপন বা রক্ষণাবেক্ষণ, অথবা উক্ত যন্ত্রপাতির সমন্বয়সাধন, পরিবর্তন, মেরামত, স্থান পরিবর্তন বা স্থলাভিষিক্তকরণ সংক্রান্ত সেবা;]

 
 

(১৬) “ট্যারিফ” অর্থ এই আইনের ষষ্ঠ অধ্যায়ের অধীনে 9[সরকার] কর্তৃক অনুমোদিত বা ধারা ৯২ তে উল্লেখিত ট্যারিফ;

 
 

(১৭) “প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি” অর্থ বেতার যন্ত্রপাতি ব্যতীত অন্য এমন যন্ত্রপাতি বা কৌশল যাহা বেতার যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বা করিতে সক্ষম;

 
 

(১৮) “পরিদর্শক” অর্থ ধারা ৬০ এর অধীনে পরিদর্শক হিসাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি;

 
 

(১৯) “পরিচালনাকারী (Operator)” অর্থ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন বা পরিচালনের জন্য, বা টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের জন্য বা এই ধরনের একাধিক কাজের সমন্বিত ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য, লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যক্তি;

 
 

(২০) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীনে প্রণীত প্রবিধান;

 

10[ (২০ক) "প্রশাসনিক জরিমানা" অর্থ কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত এইরূপ জরিমানা যাহা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত নহে বা আরোপিত নহে;]

 
 
 

11[২১। ‘‘পারমিট’’ অর্থ কোন পরিচালনাকারীর লাইসেন্সকৃত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বা সেবা প্রদানের কোন স্থাপনা, যন্ত্রপাতি বা সুবিধা ব্যবসায়িক ভিত্তিতে ফিস বা অন্য কোন ধরনের মূল্য বা সুবিধা প্রাপ্তির বিনিময়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে ব্যবহারের জন্য কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমতি;’’;]

 
 

(২২) “প্রান্তিক যন্ত্রপাতি” অর্থ এমন টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি যাহা টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবার গ্রহীতা কর্তৃক বার্তা বা তথ্য প্রেরণ বা গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়;

 
 

(২৩) “ফৌজদারী কার্যবিধি” অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898);

 

12[(২৩ক) “বাংলাদেশের ভূখণ্ড” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে সংজ্ঞায়িত প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;]

 
 

13[(২৩খ) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;]

 

(২৪) “ব্যক্তি” শব্দের আওতায় কোন প্রাকৃতিক ব্যক্তি স্বত্বাবিশিষ্ট একক ব্যক্তি (individual), অংশীদারী কারবার, সমিতি, কোম্পানী, কর্পোরেশন, সমবায় সমিতি, এবং সংবিধিবদ্ধ সংস্থা (statutory body) অন্তর্ভুক্ত;

 
 

(২৫) “বেতার যন্ত্রপাতি” অর্থ বেতার (radio apparatus) যোগাযোগে ব্যবহারের উপযুক্ত কৌশল বা এইরূপ একাধিক কৌশলের সমন্বয়;

 
 

(২৬) “বেতার যোগাযোগ বা রেডিও (radio communication or radio)” অর্থ কোন কৃত্রিম দিক নির্দেশক ব্যবস্থা ব্যতিরেকে ৩০০০ গিগাহার্জ (GHz) অপেক্ষা কম ফ্রিকোয়েন্সির বেতার তরঙ্গের (radio wave) সাহায্যে ভূপৃষ্ঠের উপরে কোন চিহ্ন, সংকেত, ছবি, প্রতিকৃতি, প্রতীক বা শব্দের নির্গমন, প্রেরণ বা গ্রহণ;

 
 

14[(২৬ক) “মধ্যস্থ সেবা প্রদানকারী (Intermediary)” অর্থ এমন কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা প্ল্যাটফর্ম, যাহা টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হইতে ইলেকট্রনিক রেকর্ড, তথ্য, সংকেত, ডেটা বা যোগাযোগ গ্রহণ, প্রেরণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবেশন বা হোস্টিং করিয়া বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যেকোনো ধরনের সেবা প্রদান করে, কিংবা যাহার ব্যবহারকারী, গ্রাহক বা সংযোগ বাংলাদেশে অবস্থিত; এবং অনলাইনে ভিডিও, স্ট্রিমিং, টেলিভিশন, সম্প্রচার, পেমেন্ট, কনটেন্ট বা তথ্যভিত্তিক সেবা প্রদানকারীসহ অনুরূপ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসমূহও এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হইবে;]

 
 

15[(২৭) “মন্ত্রী” অর্থ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী বা সমমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি;]

 

(২৮) “মন্ত্রণালয়” অর্থ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা বিভাগ;

 
 

16[(২৯) “লাইসেন্স” অর্থ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন, পরিচালন বা টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান অথবা উক্ত ব্যবস্থা, সেবা পরিচালন বা সংরক্ষণের জন্য অথবা বেতার যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য 17[এই আইনের বিধান অনুযায়ী] সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কমিশন কর্তৃক এই আইনের অধীন ইস্যুকৃত লাইসেন্স;]

 

18[(২৯ক) “শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী (disciplined force)” অর্থ

(অ) সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী;

(আ) পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB), কোস্ট গার্ড ও আনসার;

(ই) আইন দ্বারা এই সংজ্ঞার উদ্দেশ্যে শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনী হিসাবে ঘোষিত অন্য যেকোনো বাহিনী;

(২৯খ) “সনদ” অর্থ এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত বা চিহ্নিত যে কোনো টেলিযোগাযোগ সেবা, সেবা ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ অথবা তদারকি কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্র, নিবন্ধনপত্র, তালিকাভুক্তি সনদ অথবা যেকোনো নাম বা আকারে ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্র; এবং উক্ত সকল প্রকার প্রত্যয়নপত্র, যেই নামে অভিহিত হউক না কেন, এই আইনের বিধান অনুযায়ী বৈধ অনুমোদন হিসেবে গণ্য হইবে;]

 
 

(৩০) “সম্প্রচার” অর্থ বেতার তরঙ্গ, কৃত্রিম উপগ্রহ, তার (cable) বা অপটিক্যাল ফাইবার এর সাহায্যে এমন বার্তা, তথ্য, সংকেত, শব্দ, প্রতিকৃতি বা বুদ্ধিভিত্তিক অভিব্যক্তি প্রেরণ যাহা জনসাধারণ কর্তৃক গ্রহণের জন্য প্রেরিত, তবে ইন্টারনেট যোগাযোগের মাধ্যমে কোন কিছু প্রেরণকে সম্প্রচার বলিয়া গণ্য করা যাইবে না 19[এবং ওটিটি এবং আইপিটিভি সংক্রান্ত সম্প্রচার এর সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা ও পলিসি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে];

 
 

(৩১) 20["কমিটি"] অর্থ এই আইনের ৫৬ ধারার অধীন গঠিত স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা কমিটি;

 

21[(৩১ক) “স্পেকট্রাম” অর্থ তারবিহীন যোগাযোগ, সম্প্রচার, তথ্য পরিবহন, ন্যাভিগেশন এবং অন্যান্য তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গভিত্তিক প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত বা বরাদ্দযোগ্য রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডসমূহ, যাহা জাতীয় সম্পদ হিসাবে বিবেচিত হইবে;]

 
 

(৩২) “সার্বজনীন সেবা” অর্থ বাংলাদেশের যে কোন স্থানে অবস্থানরত বা যে কোন পেশায় কার্যরত প্রত্যেক বাংলাদেশী নাগরিককে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান৷


  • 1
    দফা (২ক) ও (২খ) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ক) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 2
    “টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ” শব্দগুলী “টেলিযোগাযোগ” শব্দটির পরিবর্তে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪১নং আইন) এর ৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 3
    “রেগুলেটরি” শব্দটি “নিয়ন্ত্রণ” শব্দটির পরিবর্তে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 4
    উপ-দফা (খ) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 5
    দফা (৮ক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ঘ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 6
    দফা (১০ক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ঙ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 7
    দফা (১১) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(চ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 8
    দফা (১৫) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ছ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 9
    “সরকার” শব্দটি “কমিশন” শব্দটির পরিবর্তে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪১নং আইন) এর ৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 10
    দফা (২0 ক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪১ নং আইন) এর ৪(গ) ধারা বলে সন্নিবেশিত।
  • 11
    দফা (২১) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪১ নং আইন) এর ৪(ঘ) ধারা বলে প্রতিস্থাপিত।
  • 12
    দফা (২৩ক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(জ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 13
    দফা (২৩খ) বিদ্যমান দফা (২৩ক) হিসাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(জ) ধারাবলে পুন:সংখ্যায়িত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 14
    দফা (২৬ক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ঝ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 15
    দফা (২৭) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ঞ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 16
    দফা (২৯) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৪১ নং আইন) এর ৪(চ) ধারা বলে প্রতিস্থাপিত।
  • 17
    “এই আইনের বিধান অনুযায়ী” শব্দগুলি “বেতার যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য” শব্দগুলির পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ট) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 18
    দফা (২৯ক) ও (২৯খ) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ঠ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 19
    “এবং ওটিটি এবং আইপিটিভি সংক্রান্ত সম্প্রচার এর সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা ও পলিসি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে” শব্দগুলি ও কমা “যাইবে না” শব্দগুলির পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ড) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 20
    “কমিটি” শব্দ “স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা কমিটি” শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ঢ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  • 21
    দফা (৩১ক) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৫১ নং আইন) এর ৩(ণ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs