প্রিন্ট ভিউ
[সেকশন সূচি]
একাদশ অধ্যায়
অপরাধ, দণ্ড, তদন্ত ও বিচার
1[৭২ক। (১) কমিশন এর অনুমোদন ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিম্নবর্ণিত কার্যাবলী সম্পাদন করিলে তাহা দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান;
(খ) টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন;
(গ) টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর ক্ষতি সাধন; এবং
(ঘ) টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে অবৈধ হস্তক্ষেপ এর মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানে বিঘ্ন সৃষ্টি।
(২) কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, কোনো নেটওয়ার্ক বা সিস্টেমে সাইবার হামলার চেষ্টা বা সাইবার হামলার ইন্ধন বা সাইবার হামলার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সেবায় কোনোরূপ বাধা তৈরি করলে তাহা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হইবে।
(৩) কমিশন বা সরকারের যথাযথ লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোনো নিরাপত্তা সংস্থা বা কমিশন হইতে লাইসেন্স প্রাপ্ত কোনো অপারেটরের অনুমোদিত কর্মী বা অনুমোদিত প্রতিনিধি ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বা অপরের রূপ ধারণ (ছদ্মবেশ) এর মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ, হস্তক্ষেপ বা উপাত্ত (data) সংগ্রহ বা সংগ্রহের চেষ্টা বা উপাত্ত (data) হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে।
ব্যাখ্যা।– এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “উপাত্ত” অর্থ কল এর বিবরণ (call detail record), ইন্টারনেট প্রোটোকল সংক্রান্ত উপাত্ত বা বিবরণ, ট্রাফিক ড্যাটা, গ্রাহক এর তথ্যাবলী, অপারেটর এর উপাত্ত বা তথ্যাবলী, নেটওয়ার্ক সিস্টেম এর উপাত্ত বা তথ্যাবলী এবং সংশ্লিষ্ট ড্যাটা/উপাত্ত এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, যে কোনো ধরণের অনুপ্রবেশ বা interception।
(৪) কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন কোন অপরাধের জন্য অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ৪৯ (উনপঞ্চাশ) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবেন।]