প্রিন্ট ভিউ

অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩

( ২০০৩ সনের ৮ নং আইন )

৮ম পরিচ্ছেদ

বিবিধ

মামলায় আপোষ নিষ্পত্তি
৪৫৷ (১) 1[***] এই আইনের কোন কিছুই, বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী যে কোন পর্যায়ে, কোন মামলার আপোষ নিষ্পত্তি করা হইতে পক্ষগণকে বারিত করিবে না৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে প্রদত্ত মামলার আপোষ নিষ্পত্তির সুযোগ এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য ব্যবস্থিত অন্যান্য পদ্ধতি এবং নির্ধারিত সময়সীমার হানি বা ব্যত্যয় ঘটাইতে পারিবে না৷
মামলা দায়ের সম্পর্কিত বিশেষ বিধান ও সময়সীমা
৪৬৷ (১) The Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এ ভিন্নতর বিধান যাহাই থাকুক না কেন, কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পাদিত চুক্তি বা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঋণ গ্রহীতার নিকট হইতে ঋণ পরিশোধ সূচী (Repayment schedule) অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ শুরু হইবার পরবর্তী-
 
 
 
 
(ক) প্রথম এক বত্সরে প্রাপ্য অর্থের অন্যুন ১০%, অথবা
 
 
 
 
(খ) প্রথম দুই বত্সরে প্রাপ্য অর্থের অন্যুন ১৫%, অথবা
 
 
 
 
(গ) প্রথম তিন বত্সরে প্রাপ্য অর্থের অন্যুন ২৫%
 
 
 
 
পরিমাণ অর্থ আদায় না হইলে, উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, উহার পরবর্তী এক বত্সরের মধ্যে মামলা দায়ের করিবে৷
 
 
 
 
(২) আর্থিক প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত মেয়াদের মধ্যেই ঋণ পরিশোধের তফসিল পুনঃ তফসিল (Reschedule) করিয়া থাকিলে, উক্ত উপ-ধারা (১) এর বিধান, তদ্‌অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে (Mutatis Mutandis), নতুনভাবে কার্যকর হইবে৷
 
 
 
 
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ঋণ পরিশোধ সূচী (Repayment schedule) অনুযায়ী ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সাকুল্য মেয়াদ ৩ (তিন) বত্সর অপেক্ষা কম হইবার ক্ষেত্রে, উক্ত নির্ধারিত সাকুল্য মেয়াদের মধ্যে আদায়ের পরিমাণ ২০% অপেক্ষা কম হইলে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (৪) এর বিধান সাপেক্ষে, উহার পরবর্তী ১ (এক) বত্সরের মধ্যে মামলা দায়ের করিবে৷
 
 
(৪) আর্থিক প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত মেয়াদের মধ্যেই ঋণ পরিশোধের তফসিল পুনঃতফসিল (Reschedule) করিয়া থাকিলে, উক্ত উপ-ধারা (৩) এর বিধান, তদ্‌অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে (Mutatis Mutandis), নতুনভাবে কার্যকর হইবে৷
 
 
 
 
(৫) উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এবং (৩) বা, ক্ষেত্রমত, (৪) এ উল্লিখিত মেয়াদান্তে কোন মামলা দায়ের করা হইলে, আদালত অবিলম্বে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে; এবং কোন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে মেয়াদের মধ্যে উক্ত মামলা দায়ের না হইলে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ অনুরূপ দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে এবং এই উপ-ধারার অধীন অবহিত হইবার ৯০ (নব্বই) দিবসের মধ্যে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সরকার এবং আদালতকে অবহিত করিবে৷
 
 
 
 
(৬) এই ধারার বিধান, এই আইন বলবত্ হইবার এক বত্সর পর কার্যকর হইবে:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার বিধান কার্যকর হইবার পূর্বেও কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ধারার বিধানকে কার্যকর করিতে পারিবে৷
দাবী আরোপে সীমাবদ্ধতা
৪৭৷ (১) বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইন বা পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত সংশ্লিষ্ট চুক্তিতে যাহাই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে, কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোন ঋণ গ্রহীতাকে প্রদত্ত আসল ঋণের উপর দায় এমনভাবে আরোপ করিয়া আদালতে মামলা দায়ের করিবে না, যাহাতে আদালতে উত্থাপিত উক্ত সমুদয় দাবী আসল ঋণ অপেক্ষা ২০০% (১০০+২০০ = ৩০০ টাকা) এর অধিক হয়৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত মতে আসল ঋণ অপেক্ষা ২০০% এর অধিক অনুরূপ দাবী আদালত কর্তৃক গ্রহণযোগ্য হইবে না৷
 
 
 
 
(৩) এই ধারার বিধানটি এই আইন বলবত্ হইবার এক বত্সর পর কার্যকর হইবে:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইচ্ছা করিলে, এই ধারা কার্যকর হইবার পূর্বেই, এই ধারার বিধান অনুসরণ করিতে পারিবে৷
দিবসের গণনা
৪৮৷ এই আইনের অধীন দিবস গণনার ক্ষেত্রে কেবলমাত্র বিচারকের কার্যদিবস গণনা করা হইবে এবং সাময়িকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকের কার্য দিবসও অনুরূপ গণনার অন্তর্ভুক্ত হইবে৷
ঋণের কিস্তি
৪৯৷ (১) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে অর্থ ঋণ আদালত, বিবাদী-দায়িকের আবেদনের প্রেক্ষিতে বা স্বীয় উদ্যোগে উপযুক্ত মনে করিলে, ডিক্রীকৃত টাকা ১ (এক) বত্সরে ৪ (চার) টি সম কিস্তিতে পরিশোধের জন্য দায়িককে সুযোগ প্রদান করিতে পারিবে৷
 
 
(২) বাদী-ডিক্রীদার সম্মত থাকিলে, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, ডিক্রীকৃত টাকা ৩ (তিন) বত্সরে ১২ (বার) িট সমকিস্তিতে পরিশোধের জন্য আদালত, দায়িককে সুযোগ প্রদান করিতে পারিবে৷
 
 
 
 
(৩) উপ-ধারা (১) বা (২) এ উল্লিখিত কোন একটি কিস্তি বকেয়া হওয়া মাত্রই সমুদয় বকেয়া তখনই পরিশোধিতব্য হইবে এবং তদ্‌উদ্দেশ্যে জারী কার্যক্রম যথাবিধি অনুসৃত হইবে৷
সুদ, মুনাফা সম্পর্কিত বিধান
৫০। (১) ধারা ৪৭ এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন কোন আদালত, ঋণ প্রদানের দিবস হইতে মামলা দায়েরের দিবস পর্যন্ত সময়কালে কোন ঋণের উপর আর্থিক প্রতিষ্ঠান কতর্ৃক আইনানুগভাবে ধার্যকৃত সুদ, বা, ক্ষেত্রমত, মুনাফা বা ভাড়া হ্রাস, মাফ বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে না।
 
 
(২) অর্থ ঋণ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে বিবাদী-দায়িক পক্ষ কোন আপীল, রিভিশন, আপীল বিভাগে আপীল বা অন্য কোনরূপ দরখাস্ত কোন উচ্চতর আদালতে দায়ের না করিলে, মামলা দায়েরের দিবস হইতে ডিক্রীর টাকা আদায় হইবার দিবস পর্যন্ত সময়ের জন্য ডিক্রীকৃত টাকার উপর 2[১২% (বার শতাংশ)] বার্ষিক সরল হারে, কোন আপীল, রিভিশন বা অন্য কোন দরখাস্ত কোন উচ্চতর আদালতে দায়ের করিলে পূর্বোক্ত সময়কালের জন্য 3[১৬% (ষোল শতাংশ)] বার্ষিক সরল হারে, এবং আপীল বা উচ্চতর আদালতের ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে আপীল করিলে, পূর্বোক্ত সময়কালের জন্য ১৮% (আঠার শতাংশ) বার্ষিক সরল হারে, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, সুদ, বা, ক্ষেত্রমত, মুনাফা আরোপিত হইবে।
 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর বিধান সত্ত্বেও উচ্চতর আদালত আপীল, রিভিশন, আপীল বিভাগে আপীল বা অন্য কোন দরখাস্তে আপীলকৃত বা বিতর্কিত ডিক্রী বা আদেশের গুণগত পরিবর্তন করিয়া কোন আদেশ বা ডিক্রী প্রদান করিলে, উক্ত আদালত, উপরি-উলি্লখিত সংশ্লিষ্ট বর্ধিত সুদ বা মুনাফার হার আপীল বা দরখাস্তকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না মর্মে আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
 
4[(৪) এই ধারার পূববর্তী উপ-ধারাসমূহে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৪১ ও ৪২ এর বিধান অনুযায়ী বিবাদী-দায়িক কতৃর্ক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা বা, ক্ষেত্রমত, জামানত জমা করিয়া উচ্চতর আদালতে আপীল বা রিভিশন দায়ের করিবার সুযোগ থাকা সত্বেও যদি কোন বিবাদী-দায়িক অনুরূপ নির্ধারিত পরিমাণ টাকা বা, ক্ষেত্রমত, জামানত জমা না করিয়া নিম্ন আদালতের আদেশ বা ডিক্রীকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তর্কিত করিয়া হাইকোর্ট বিভাগে রীট আবেদন দায়ের করেন এবং উক্ত রীট আবেদন হাইকোর্ট বিভাগ বা আপীল বিভাগ কতৃর্ক খারিজ হয়, তাহা হইলে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সময়ের জন্য ২৫% বার্ষিক সরল হারে সুদ বা, ক্ষেত্রমত, মুনাফা আরোপিত হইবে।]
বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম
৫১৷ অর্থ ঋণ আদালতের কার্যক্রম The Penal Code, 1860 এর ১৯৩ ও ২২৮ ধারা অনুসারে বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হিসাবে গণ্য হইবে৷
অর্থ ঋণ আদালতের অবমাননা
৫২৷ (১) একজন ব্যক্তি অর্থ ঋণ আদালত অবমাননার জন্য দায়ী হইবেন, যদি তিনি আইনসংগত ওজর ব্যতিরেকে-
 
 
 
 
(ক) আদালতের প্রতি কোনরূপ অবজ্ঞা প্রদর্শন করেন;
 
 
 
 
(খ) আদালতের বিচার কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটান;
 
 
 
 
(গ) আদালত কর্তৃক আদিষ্ট হইয়া এমন কোন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করিতে অস্বীকার করেন, যে উত্তর প্রদান করিতে তিনি আইনতঃ বাধ্য; অথবা
 
 
 
 
(ঘ) আদালত কর্তৃক আদিষ্ট হইয়া শপথ গ্রহণপূর্বক কোন সত্য ঘটনা বিবৃত করিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে আদালত অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হইলে আদালত অবিলম্বে উক্ত ব্যক্তিকে এইরূপ আদালত অবমাননার দায়ে অনুর্ধ্ব ১০০০ (এক হাজার) টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অনাদায়ে অনুর্ধ্ব ১০ (দশ) দিবস বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে৷
বিশেষ ক্ষেত্রে জেলা জজ
৫৩৷ দুই বা ততোধিক জেলার জন্য একটি অর্থ ঋণ আদালত প্রতিষ্ঠিত হইয়া থাকিলে, উক্ত আদালতটি যে জেলায় অবস্থিত হইবে, উক্ত জেলার জেলা জজ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে জেলা জজ হিসাবে গণ্য হইবেন৷
আদালতের সীলমোহর
৫৪৷ যুগ্ম-জেলা জজের সমন্বয়ে গঠিত অর্থ ঋণ আদালত জেলা জজ কর্তৃক নির্ধারিত ও নির্দেশিত সীলমোহর ব্যবহার করিবে৷
আদালতের নিয়ন্ত্রণ
৫৫৷ যুগ্ম-জেলা জজের সমন্বয়ে গঠিত অর্থ ঋণ আদালত জেলা জজের প্রত্যক্ষ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে এবং হাইকোর্ট বিভাগের পরোক্ষ তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত থাকিবে৷
জামানতের অর্থ ব্যবহার, ফেরত, ইত্যাদি
৫৬৷ (১) মামলা নিষ্পত্তি হইবার পর আদালত, বিবাদী-দায়িক কর্তৃক ধারা ১৯(৩), ৪১(২) অথবা ৪২ এর অধীনে ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার বা নগদায়নযোগ্য বিনিমেয় দলিল আকারে প্রদত্ত জামানত অর্থ ডিক্রীর দাবী পূরণার্থে যতদূর সম্ভব ব্যবহার করিবে, এবং ডিক্রীর দাবী পূরণের পর কোন অর্থ অবশিষ্ট থাকিলে উহা দায়িককে ফেরত প্রদান করিবে৷
 
 
 
 
(২) উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্ত বিবাদীর অনুকূলে প্রদত্ত হইবার কারণে, উপ-ধারা (১) এর অধীন ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার বা নগদায়নযোগ্য বিনিমেয় দলিল আকারে প্রদত্ত জামানত বা অনুরূপ জামানতের অর্থ বিবাদীকে ফেরত প্রদান করা আবশ্যক হইলে, আদালত, অনতিবিলম্বে তত্মর্মে আদেশ প্রদান করিবে৷
 
 
 
 
(৩) বিবাদী, উচ্চতর আদালতের রায় বা আদেশের কারণে, তাহার কর্তৃক ইতোমধ্যে নগদে আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধিত অথবা ধারা ১৯(৩), ৪১(২) বা ৪২ এর অধীনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জমাকৃত অর্থ, বা উহার অংশ বিশেষ, ফেরত পাইতে আইনতঃ অধিকারী হইলে, অনুরূপ উচ্চতর আদালত, বিবাদী যাহাতে ৬০ (ষাট) দিবসের মধ্যে উহা ফেরত পাইতে পারেন, তত্মর্মে আদেশ প্রদান করিবে৷
আদালতের সহজাত ক্ষমতা
৫৭৷ এই আইনের অধীন অভিপ্রেত ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে অথবা আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধকল্পে প্রয়োজনীয় যে কোন পরিপূরক আদেশ প্রদানে আদালতের সহজাত ক্ষমতা কোন কিছু দ্বারা সীমিত করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না৷
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৫৮৷ সরকার, এই আইনের বিধানসমূহকে কার্যকরী করার জন্য, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
আইনের ইংরেজী পাঠ
৫৯৷ (১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনুদিত একটি পাঠ প্রকাশ করিবে, যাহা এই আইনের নির্ভরযোগ্য ইংরেজী পাঠ (Authentic English Text) নামে অভিহিত হইবে৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লেখিত ইংরেজী পাঠ এবং এই আইনের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে৷
রহিতকরণ, হেফাজত ও ক্রান্তিকালীন বিধানাবলী
৬০৷ (১) অর্থ ঋণ আদালত আইন, ১৯৯০ (১৯৯০ সালের ৪নং আইন) এতদ্‌দ্বারা রহিত করা হইল৷
 
 
 
 
(২) এই আইন প্রবর্তনের পূর্বে হাইকোর্ট বিভাগে উপ-ধারা (১) দ্বারা রহিত আইনের অধীনে বিচারাধীন সকল আপীল, যাহা অর্থ ঋণ আদালতের আদেশ বা ডিক্রীর বিরুদ্ধে আনীত হইয়াছিল, উহাদের পূর্বের ন্যায় এমনভাবে নিষ্পত্তি করা হইবে যেন উক্ত আইন রহিত করা হয় নাই, তবে উহাদের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানসমূহ, যতদূর সম্ভব, এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উহারা এই আইনের অধীনেই দায়ের হইয়াছিল৷
 
 
 
 
(৩) অর্থ ঋণ আদালত আইন, ১৯৯০ এর রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত রহিত আইনের অধীনে অর্থ ঋণ আদালতে বিচারাধীন সকল মামলা অত্র আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত বা ঘোষিত অনুরূপ আদালতে বিচারাধীন মামলা হিসাবে বদলী হইবে এবং উহারা পূর্বের আদালতে যে পর্যায়ে বিচারাধীন ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারাধীন থাকিবে এবং ঐ সকল মামলার ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উক্ত মামলাসমূহ এই আইনের অধীনেই দায়ের হইয়াছিল৷
 
 

  • 1
    "ধারা ২১ বা ২২ এর বিধান সত্ত্বেও," শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমা অর্থ ঋণ আদালত (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ১৬ নং আইন) এর ১৬ ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 2
    "০৮% (আট শতাংশ)" সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে "১২% (বার শতাংশ)" সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি অর্থ ঋণ আদালত (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ১৬ নং আইন) এর ১৭(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 3
    "১২% (বার শতাংশ)" সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে "১৬% (ষোল শতাংশ)" সংখ্যা, চিহ্ন, বন্ধনী ও শব্দগুলি অর্থ ঋণ আদালত (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ১৬ নং আইন) এর ১৭(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 4
    উপ-ধারা (৪) অর্থ ঋণ আদালত (সংশোধন) আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ১৬ নং আইন) এর ১৭(খ) ধারাবলে সংযোজিত।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs