প্রিন্ট ভিউ
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত
অধ্যাদেশ
যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং
যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে;
সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
১। (১) এই অধ্যাদেশ আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
২। আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর পূর্ণ শিরোনাম ও প্রস্তাবনায় উল্লিখিত “আইনগত সহায়তা” শব্দগুলির পর “এবং অধিকতর জনমুখী বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিচারপ্রার্থী জনগণকে স্বল্প সময়ে কম খরচে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সেবা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।
৩। উক্ত আইনের ধারা ২ এর-
(ক) বিদ্যমান দফা “(ক)” “(কক)” হিসাবে সংজ্ঞায়িত হইবে এবং উহার পূর্বে নিম্নরূপ দফা (ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(ক) “অধিদপ্তর” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর;”;
(খ) দফা (ঘ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঘ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“(ঘ) “সভাপতি” অর্থ জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ এর সভাপতি;”;
(খ) দফা (ছ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ছ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“(ছ) “মহাপরিচালক” অর্থ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক;”;
(গ) দফা (জ) এর পর নিম্নরূপ নতুন দফা (জজ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(জজ) “প্যানেল আইনজীবী” অর্থ ধারা ১৫ এর অধীন তালিকাভুক্ত আইনজীবী;”;
(ঘ) দফা (ঙ) এর পর নিম্নরূপ দফা (ঙঙ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(ঙঙ) “জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন গঠিত জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ;”;
(চ) দফা (ঠ) বিলুপ্ত হইবে;
(ছ) দফা (ণ) এর পর নিম্নরূপ নতুন দফা (ণণ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(ণণ) “মহানগর কমিটি” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত মহানগর কমিটি;”;
(জ) দফা (ত) এ উল্লিখিত “বোর্ড” শব্দটির পরিবর্তে “জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(ঝ) দফা (থ) বিলুপ্ত হইবে।
৪। উক্ত আইনের ধারা ৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৩। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা।- সরকার, অবিলম্বে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করিবে।”।
৫। উক্ত আইনের ধারা ৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৪। অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, ইত্যাদি।-(১) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত হইবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনবোধে, ঢাকা বা ঢাকার বাহিরে যে কোনো স্থানে ইহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।”।
৬। উক্ত আইনের ধারা ৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৫। অধিদপ্তরের এখতিয়ার, ইত্যাদি।-(১) অধিদপ্তর বাংলাদেশে আইনগত সহায়তা সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারিভাবে এখতিয়ারসম্পন্ন একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
(২) বাংলাদেশে আইনগত সহায়তা সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্ম এলাকা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ বা মতামত প্রদান করিতে পারিবে এবং সময় সময় তাহাদের আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমসমূহ পর্যবেক্ষণ করিবে।
(৩) পেশাদার মধ্যস্থতাকারী সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমসহ মধ্যস্থতার সনদ প্রদান করিবে।
(৪) প্রবাসী নাগরিক ও বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য বিভিন্ন দূতাবাসে লিগ্যাল এইড অফিসার পদায়নে সরকারকে সুপারিশ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করিবে।
(৫) অধিদপ্তর এই ধারার বিধান বাস্তবায়নকল্পে প্রয়োজনীয় যেকোনো নির্দেশনা প্রস্তুত ও জারি করিতে পারিবে।”।
৭। উক্ত আইনের ধারা ৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৬। জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ।-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, আইনগত সহায়তা কার্যক্রম উন্নয়ন বিষয়ক নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের নিমিত্ত জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ নামে একটি পরিষদ থাকিবে।
(২) জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ নিম্নবর্ণিত ১৫ (পনের) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বা উপদেষ্টা, যিনি উহার সভাপতি হইবেন;
(খ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল;
(গ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(ঘ) সচিব, সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয়;
(ঙ) সচিব, অর্থ বিভাগ;
(চ) সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;
(ছ) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(জ) সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ;
(ঝ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
(ঞ) সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(ট) রেজিস্ট্রার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(ঠ) মহা-কারা পরিদর্শক;
(ড) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল;
(ঢ) সরকার কর্তৃক মনোনীত আইন ও অধিকার সম্পর্কিত বেসরকারি সংস্থার ২ (দুই) জন প্রতিনিধি;
(ণ) মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের প্রত্যেকে স্ব স্ব মনোনয়ন প্রাপ্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ উদ্ভব হইলে সরকার উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের যে কাহারো মনোনয়ন মেয়াদপূর্তির পূর্বেই বাতিল করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।”।
৮। উক্ত আইনের ধারা ৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৭। অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-(১) অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(ক) অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান ও সময় সময় আইনগত সহায়তা প্রার্থীর যোগ্যতা নির্ধারণ;
(খ) স্বল্প সময়ে কম খরচে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে মধ্যস্থতা সেবার সম্প্রসারণ ও বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ;
(গ) কোনো নাগরিক বা শিশু বা সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির তাৎক্ষণিক জরুরী আইনগত সহায়তা প্রয়োজন হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জরুরি আইনগত সহায়তা (Emergency Legal Support) ও আইনি পরামর্শ প্রদান;
(ঘ) মহানগর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বা যেকোন স্থানে আইনগত পরামর্শ প্রদানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ;
(ঙ) যেকোনো রাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসী নাগরিক বা অভিবাসী শ্রমিকের প্রয়োজন বিবেচনায় আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(চ) প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সনদপ্রাপ্ত পেশাদার মধ্যস্থতাকারীর দক্ষতা উন্নয়ন;
(ছ) আইনগত সহায়তা কার্যক্রমে সাথে সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কর্ম এলাকা বিষয়ে সুপারিশ বা মতামত প্রদান;
(জ) সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত আইনগত সহায়তা বা কার্যক্রম এবং মধ্যস্থতা কার্যক্রমের সমন্বয়করণ;
(ঝ) আইনগত সহায়তা, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, জরুরি আইনগত সহায়তা, আনুষঙ্গিক সহায়তা (মানসিক স্বাস্থ্য, নিরাপদ আশ্রয়, কর্ম-ব্যবস্থা) ইত্যাদি বিবিধ সেবা অসহায় বিচারপ্রার্থীর প্রয়োজন হইলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সেবাপ্রদান প্রতিষ্ঠানসমূহে পরস্পর রেফারেল সিস্টেম চালুকরণ;
(ঞ) আইনগত সহায়তা, মধ্যস্থতা, আইনগত সচেতনতা সেবাসমূহের মানোন্নয়নে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সহিত যোগাযোগ রক্ষা এবং এতদ্সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করা;
(ট) আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের গুণগত মানোন্নয়নে ও কার্যকর সেবা নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে গবেষণা কার্যক্রম ও বিভিন্ন প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন;
(ঠ) আইনগত সহায়তা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়াবলী বিভিন্ন পর্যায়ের পাঠ্যসূচিতে ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রমে অন্তর্ভূক্তকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
(ড) কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সভা, সেমিনার, গণশুনানি, উঠান-বৈঠক, কর্মশালার আয়োজন এবং জাতীয় ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রিন্ট ও ইলিক্ট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইনত সহায়তা সেবা ও আইন বিষয়ে জনসচেতনতামূলক তথ্যপ্রচার;
(ঢ) প্রচারণামূলক সামগ্রী যেমন- বুকলেট, পুস্তিকা, বিলবোর্ড, জনসচেতনামূলক অডিও-ভিডিও ইত্যাদি প্রচারণামূলক সামগ্রী তৈরি ও বিতরণ;
(ণ) সকল বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য আইনগত সহায়তা কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহজলভ্যকরণ এবং ডেটাবেজ তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ;
(ত) মহানগর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়সহ অধিদপ্তরের অধীন সকল কার্যালয়ে আইনগত সহায়তা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকি ও তত্ত্বাবধান;
(থ) আইনের অধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার, লিগ্যাল এইড অফিসার, প্যানেল আইনজীবী এবং স্পেশাল মেডিয়েটরগণের কার্যাবলি তত্ত্বাবধান;
(দ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি অথবা বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সহিত চুক্তি, সমঝোতা-স্মারক, ইত্যাদি সম্পাদন ও যেকোনো ধরনের সহায়তা গ্রহণ;
(ধ) সরকারের নিকট বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং উক্তরূপ উপস্থাপনের ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ;
(ন) উপরিউক্ত দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো কার্য সম্পাদন।
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, অধিদপ্তর, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত, অন্যান্য কার্যও সম্পাদন করিবে।”।
৯। উক্ত আইনের ধারা ৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৮। জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সভা।-(১) বৎসরে কমপক্ষে ২ (দুই) বার পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) সভাপতি পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৫) পরিষদের মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।
(৬) উপদেষ্টা পরিষদ, প্রয়োজনবোধে, উহার কোনো সভায় পর্যবেক্ষক বা পরামর্শক হিসেবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে।”।
১০। উক্ত আইনের ধারা ৮ক এর উপ-ধারা (১) এর-
(ক) দফা (ঘ) এ উল্লিখিত “বোর্ড” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) দফা (চ) এ উল্লিখিত “বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার” শব্দগুলির পরিবর্তে “অধিদপ্তর কর্তৃক মনোনীত” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
১১। উক্ত আইনের ধারা ৮খ ও ৮গ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮খ ও ৮গ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৮খ। সুপ্রীম কোর্ট কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-সুপ্রীম কোর্ট কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(ক) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিষয়ে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ এর নিকট প্রস্তাব বা প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রেরণ করিতে পারিবে;
(খ) ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (১) অনুসারে প্রণীত প্যানেল আইনজীবীর তালিকা অনুমোদন প্রদান করিবে;
(গ) প্যানেল আইনজীবীর কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা, সেবা প্রদানের সদিচ্ছা, দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা বিবিধ বিষয় বিবেচনা করিয়া কমিটি প্যানেল আইনজীবীর তালিকা সময় সময় হালনাগাদ করিবে;
(ঘ) প্যানেলভুক্ত কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর নিকট হইতে অর্থ দাবি, বিচারপ্রার্থীর সাথে অনৈতিক আচরণ, দায়িত্বে অবহেলা বিবিধ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে কমিটি অভিযুক্ত প্যানেল আইনজীবীকে প্রয়োজনীয় শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া যদি তাহাকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করে, তাহা হইলে তাহার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বরাবর বিষয়টি প্রেরণ করিতে পারিবে এবং তাহার নাম প্যানেল আইনজীবীর তালিকা হইতে কর্তন করিবে;
(ঙ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে সুপ্রীম কোর্টে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব ও কার্যক্রম সময় সময় তদারকি করিয়া প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করিবেন;
(চ) সুপ্রীম কোর্ট কমিটি সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা সংক্রান্ত সরকার বা অধিদপ্তর কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবে।
৮গ। সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা।-(১) বৎসরে কমপক্ষে ২ (দুই) বার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৫) কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।”।
১২। উক্ত আইনের ধারা ৯ এর-
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ‘সংস্থার’ শব্দটির পরিবর্তে ‘অধিদপ্তরের’ শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে এবং ‘উহা উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে’ শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী বিলুপ্ত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঞঞ) বিলুপ্ত হইবে;
(গ) উপ-ধারা (২) বিলুপ্ত হইবে;
(ঘ) উপ-ধারা (২খ) বিলুপ্ত হইবে।
১৩। উক্ত আইনের ধারা ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১০। জেলা কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-জেলা কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(ক) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, জেলায় পরিচালিত আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিষয়ে জেলা কমিটি জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ এর নিকট প্রস্তাব বা প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রেরণ করিতে পারিবে;
(খ) মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমে জেলা জজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা অন্যান্য আদালতের জন্য ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (২) অনুসারে প্রণীত প্যানেল আইনজীবীর তালিকা অনুমোদন প্রদান করিবে;
(গ) প্যানেল আইনজীবীর কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা, সেবা প্রদানের সদিচ্ছা, দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা বিবিধ বিষয় বিবেচনা করিয়া কমিটি প্যানেল আইনজীবীর তালিকা সময় সময় হালনাগাদ করিবে;
(ঘ) প্যানেলভুক্ত কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর নিকট হইতে অর্থ দাবি, বিচারপ্রার্থীর সাথে অনৈতিক আচরণ, দায়িত্বে অবহেলা বিবিধ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে কমিটি অভিযুক্তকে প্রয়োজনীয় শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া যদি তাহাকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করে, তাহা হইলে তাহার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বরাবর বিষয়টি প্রেরণ করিতে পারিবে এবং তাহার নাম প্যানেল আইনজীবীর তালিকা হইতে কর্তন করিবে;
(ঙ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, জেলা কমিটির চেয়ারম্যান আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলায় সংশ্লিষ্ট চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার ও লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব ও কার্যক্রম সময় সময় তদারকি করিয়া প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করিবেন;
(চ) জেলা কমিটি আইনগত সহায়তা সংক্রান্ত সরকার বা অধিদপ্তর কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবে।”।
১৪। উক্ত আইনের ধারা ১১ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১১। জেলা কমিটির সভা।- (১) প্রতি মাসে কমপক্ষে ১ (এক) বার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(২) কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে;
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন;
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৫) কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।”।
১৫। উক্ত আইনের ধারা ১২ এর উপ-ধারা (১) ও উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” ও “সংস্থার” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তরের” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
১৬। উক্ত আইনের ধারা ১২ক এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত "সংস্থা" শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
১৭। উক্ত আইনের ধারা ১৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১৩। মহানগর কমিটি।-(১) প্রত্যেক মহানগরে অধিদপ্তরের একটি মহানগর কমিটি থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) মহানগর দায়রা জজ, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
(গ) বিভাগীয় কমিশনার বা তৎকর্তৃক মনোনীত অন্যূন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ঘ) পুলিশ কমিশনার বা তৎকর্তৃক মনোনীত অন্যূন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যদার একজন কর্মকর্তা;
(ঙ) সংশ্লিষ্ট মহানগরে অবস্থিত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অথবা তাঁহার মনোনীত ১ (এক) জন প্রতিনিধি;
(চ) উপ-কারা মহাপরিদর্শক বা সিনিয়র জেল সুপার;
(ছ) জেলা সমাজকল্যাণ বিষয়ক কর্মকর্তা, যদি থাকে;
(জ) জেলা তথ্য কর্মকর্তা;
(ঝ) জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক;
(ঞ) মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর;
(ট) কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত মহানগর এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনধিক ৪ (চার) জন প্রতিনিধি;
(ঠ) কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত মহানগর এলাকার বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এর ১ (এক) জন প্রতিনিধি, যদি থাকে;
(ড) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (মহানগর), যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) মহানগর এলাকায় কর্মরত বিভাগীয় স্পেশাল জজ বা স্পেশাল জজ থাকিলে, উক্ত স্পেশাল জজ ও বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মহানগর কমিটির সদস্য হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মহানগরে একাধিক স্পেশাল জজ থাকিলে কর্মরত বিচারকগণের মধ্যে যিনি জ্যেষ্ঠ এবং নিয়োগপ্রাপ্ত বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটরগণের মধ্যে যিনি জ্যেষ্ঠ, তিনি সদস্য হইবেন ৷
(৩) যেসকল মহানগরে সিটি কর্পোরেশন রহিয়াছে সেই সকল মহানগর কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র কর্তৃক মনোনীত দুইজন কাউন্সিলর সদস্য হইবেন; যাহাদের মধ্যে ১ (এক) জন নারী সদস্য থাকিবেন।
(৪) মনোনীত সদস্যগণ মনোনয়নের তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই মনোনয়নকারী কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত কারণ দর্শাইয়া উক্তরূপ কোনো সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোনো সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।”।
১৮। উক্ত আইনের ধারা ১৩ক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৩ক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১৩ক। মহানগর কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-মহানগর কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(ক) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মহানগর এলাকায় পরিচালিত আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিষয়ে মহানগর কমিটি জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ এর নিকট প্রস্তাব বা প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রেরণ করিতে পারিবে;
(খ) মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমে দায়রা জজ আদালত বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা অন্যান্য আদালতের জন্য ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (২কক) অনুসারে প্রণীত প্যানেল আইনজীবীর তালিকা অনুমোদন প্রদান করিবে;
(গ) প্যানেল আইনজীবীর কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা, সেবা প্রদানের সদিচ্ছা, দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা বিবিধ বিষয় বিবেচনা করিয়া কমিটি প্যানেল আইনজীবীর তালিকা সময় সময় হালনাগাদ করিবে;
(ঘ) প্যানেলভুক্ত কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর নিকট হইতে অর্থ দাবি, বিচারপ্রার্থীর সাথে অনৈতিক আচরণ, দায়িত্বে অবহেলা বিবিধ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে কমিটি অভিযুক্তকে প্রয়োজনীয় শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া যদি তাহাকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করে; তাহা হইলে তাহার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বরাবর বিষয়টি প্রেরণ করিতে পারিবে এবং তাহার নাম প্যানেল আইনজীবীর তালিকা হইতে কর্তন করিবে;
(ঙ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মহানগর কমিটির চেয়ারম্যান আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে মহানগরে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব ও কার্যক্রম সময় সময় তদারকি করিয়া প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করিবে;
(চ) মহানগর কমিটি আইনগত সহায়তা সংক্রান্ত সরকার বা অধিদপ্তর কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবে।”।
১৯। উক্ত আইনের ধারা ১৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১৪। মহানগর কমিটির সভা।-(১) বৎসরে কমপক্ষে ৪ (চার) বার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(২) কমিটি সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে;
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন;
(৫) কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।”।
২০। উক্ত আইনের ধারা ১৪ক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৪ক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১৪ক। বেসরকারি সংস্থার কর্ম এলাকা অবহিতকরণ, ইত্যাদি।-(১) আইনগত সহায়তা প্রদান বা মধ্যস্থতা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান তাহাদের কর্ম এলাকা বা প্রকল্প এলাকা বিষয়ে অধিদপ্তরকে অবহিত করিবে এবং অধিদপ্তর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কর্ম এলাকা বিষয়ে একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।
(২) বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাসমূহ তাহাদের আইনগত সহায়তা প্রদান ও মধ্যস্থতা কার্যক্রমের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অধিদপ্তরের নিকট পেশ করিবে এবং অধিদপ্তরের ডেটাবেইজ সিস্টেমে উহা সংরক্ষিত হইবে।
(৩) অধিদপ্তর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রতিবেদন বার্ষিক জাতীয় প্রতিবেদনে অর্ন্তভুক্ত করিবে।”।
২১। উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর-
(ক) উপ-ধারা (২ক) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (২কক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(২কক) মহানগর কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে মহানগর দায়রা জজ আদালত, চীফ মেট্রিাপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা অধীন অন্যান্য আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।”।
(খ) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত “জেলা কমিটি” শব্দগুলির পর “, মহানগর কমিটি” কমা ও শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে এবং “উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোনো আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে” শব্দগুলির পরিবর্তে “কর্তৃক অনুমোদিত তালিকা হইতে সংশ্লিষ্ট চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার কোনো আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২২। উক্ত আইনের ধারা ১৫ক এর উপ-ধারা (১) ও উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৩। উক্ত আইনের ধারা ১৫ক এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৫খ ও ১৫গ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“১৫খ। মধ্যস্থতাকারীর সনদ, মেয়াদ, নবায়ন ও বাতিলকরণ ইত্যাদি।-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পেশাদার মধ্যস্থতাকারী সৃষ্টি, তালিকাভুক্তকরণ এবং তাহাদের দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করিবার জন্য অধিদপ্তর বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে মধ্যস্থতাকারীকে সনদ প্রদান করিবে।
(২) সনদ প্রদানের লক্ষ্যে আবেদন যাচাই-বাছাই, মূল্যায়ন ও পরীক্ষা গ্রহণপূর্বক তালিকাভুক্তির জন্য অধিদপ্তরের একটি ‘মধ্যস্থতাকারী সনদ কমিটি’ থাকিবে, যাহা নিম্নবর্ণিত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) মহা-পরিচালক, অধিদপ্তর, যিনি উহার সভাপতি হইবেন;
(খ) যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, আইন ও বিচার বিভাগ;
(গ) রেজিস্ট্রার (হাইকোর্ট বিভাগ) পদমর্যাদার কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(ঘ) সচিব, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল;
(ঙ) মধ্যস্থতা বিষয়ে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ বা বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ২ (দুই) জন প্রতিনিধি;
(চ) উপ-পরিচালক, অধিদপ্তর, যিনি উহার সদস্য-সচিব হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কমিটি প্রয়োজন মনে করিলে যে কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করিতে পারিবে।
(৩) “মধ্যস্থতাকারী সনদ কমিটি”, সনদ প্রদান বা মধ্যস্থতাকারী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা বা আদালত কেন্দ্রিক মধ্যস্থতাকারীর বাস্তব চাহিদার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিবে।
(৪) সনদ প্রাপ্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া, ন্যূনতম যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, আচরণবিধি, মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পদ্ধতি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়াবলি সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি বা অধিদপ্তর কর্তৃক জারিকৃত আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(৫) প্রত্যেক সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারীর লাইসেন্সের মেয়াদ প্রাথমিকভাবে ৫ (পাচঁ) বছর হইবে এবং নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে বিধি বা অধিদপ্তরের আদেশ দ্বারা প্রণীত পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য হইবে।
(৬) কোনো সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক শর্ত ভঙ্গ বা অসদাচরণ সংঘটিত হইলে অধিদপ্তর, বিধি বা অধিদপ্তরের আদেশ দ্বারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায়, সতর্কীকরণ, লাইসেন্স স্থগিতকরণ বা বাতিলকরণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৭) লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতকরণের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ কোনো মধ্যস্থতাকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সচিব কর্তৃক মনোনীত কোনো কর্মকর্তা বরাবর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আপিল করিতে পারিবে, এবং আপিল প্রক্রিয়া বিধি বা অধিদপ্তরের আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(৮) অধিদপ্তর সময় সময় সকল সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারীর তালিকা সরকারি গেজেট ও উহার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে।
১৫গ। সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারীর কার্যক্রমের স্বীকৃতি (Accreditation) ইত্যাদি।-সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারী, বিধিমালা বা অধিদপ্তরেরে আদেশের আলোকে, যেসকল মধ্যস্থতা কার্যক্রম নিষ্পত্তি করিবে তাহা চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক স্বীকৃতি (Accreditation) পাইবার উদ্দেশ্যে তাহার নিকট উপস্থাপন করিবে এবং তদুদ্দেশ্যে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার যাচাইপূর্বক প্রত্যায়ন করিতে পারিবে এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তির ক্ষেত্রে ২১গ ধারার বিধান কার্যকর হইবে।”।
২৪। উক্ত আইনের ধারা ১৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১৬৷ আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন।-(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন অধিদপ্তরের অধীন সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড কার্যালয় বা আঞ্চলিক, জেলা বা উপজেলার লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে সরাসরি বা অনলাইনে দাখিল করিতে পারিবে।
(২) এই আইনের অধীন কোনো আবেদন বা দরখাস্ত কোনো কার্যালয় কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে মহাপরিচালকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।”।
২৫। উক্ত আইনের ধারা ১৭ এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” এবং “সংস্থার” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তরের” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৬। উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর-
(ক) উপ-ধারা (১) বিলুপ্ত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ উল্লিখিত “সংস্থার” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তরের” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৮। উক্ত আইনের ধারা ২০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“২০৷ প্রতিবেদন।-(১) সরকার, অধিদপ্তরের নিকট হইতে যেকোনো সময় উহার কার্যপরিধিভুক্ত যেকোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন বা বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং অধিদপ্তর উহা সরবরাহ করিবে।
(২) অধিদপ্তর আঞ্চলিক, জেলা বা উপজেলার বা যেকোনো স্থানে স্থাপিত উহার অধীন কোনো কার্যালয় হইতে যেকোনো সময় উহার কার্যপরিধিভুক্ত যেকোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন বা বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং কার্যালয়সমূহ উহা সরবরাহ করিবে।”।
২৯। উক্ত আইনের ধারা ২১ক এর উপ-ধারা (১) ও উপ-ধারা (১ক) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
২৯। উক্ত আইনের ধারা ২১ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“২১। মহাপরিচালক, নিয়োগ, দায়িত্ব ও কার্যাবলি, ইত্যাদি।-(১) অধিদপ্তরের ১ (এক) জন মহাপরিচালক থাকিবেন, যিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন।
(২) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিচালক, উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের যথাক্রমে জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সিভিল জজ, সিভিল জজগণের মধ্য হইতে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবে।
(৩) মহাপরিচালকের দায়িত্ব হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(ক) ধারা ৫ ও ৭ সহ এই আইনে উল্লিখিত দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পাদন;
(খ) অধিদপ্তরের সকল প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যাদি পরিচালনা;
(গ) অধিদপ্তরের কর্মচারীগণের কার্যাবলি তদারকি এবং দিক-নির্দেশনা প্রদান।
(৪) মহাপরিচালক এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে এবং সময় সময়, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনা প্রতিপালন, কার্যাবলি সম্পাদন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৫) অধিদপ্তরের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী অধিদপ্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী থাকিবে এবং তাহার বেতন, ভাতা ও চাকুরীর অন্যান্য শর্তাদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিধি প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও চাকুরীর অন্যান্য শর্তাদি সরকার কর্তৃক জারিকৃত আদেশ বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি বা আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে।”।
৩০। উক্ত আইনের ধারা ২১ঙ এ “বোর্ড, চেয়ারম্যান, সদস্য, নির্বাহী পরিচালক বা সংস্থার” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ বা কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্য, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা অধিদপ্তরের” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৩১। উক্ত আইনের ধারা ২২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“২২৷ ক্ষমতা অর্পণ।-মহাপরিচালক এই আইনের অধীন তাহার কোনো ক্ষমতা অথবা দায়িত্ব প্রয়োজনবোধে, কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা, অধিদপ্তরের কোনো অতিরিক্ত মহাপরিচালক বা কোনো পরিচালক বরাবর অর্পণ করিতে পারিবেন।”।
৩২। উক্ত আইনের ধারা ২৪ এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৩৩। উক্ত আইনের তফসিলের-
(ক) ক্রমিক নং ৩ এ উল্লিখিত “সহকারী” শব্দটির পরিবর্তে “সিভিল” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) ক্রমিক নং ৭ এ উল্লিখিত “পাঁচ” শব্দটির পরিবর্তে “তিন” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
৩৪। এই অধ্যাদেশ জারির পর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা বিলুপ্ত হইবে এবং উক্তরূপ বিলুপ্ত হইবার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার-
(ক) কর্মচারীগণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অধিদপ্তরের কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবে;
(খ) সকল সম্পদ এবং নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ অধিদপ্তরের সম্পদ হিসাবে গণ্য হইবে;
(গ) চলমান সকল কার্যক্রম অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত ও চলমান কার্যক্রম হিসাবে গণ্য হইবে;
(ঘ) সম্পাদিত সকল কার্যক্রম অধিদপ্তর কর্তৃক সম্পাদিত হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে।