প্রিন্ট ভিউ
বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬ এর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬ (২০১৬ সালের ৪৩ নং আইন) এর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:—
১। (১) এই আইন বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখ কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
২। বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬, অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর দফা (৩) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (৩ক) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
"(৩ক) "প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা তহবিল" অর্থ প্রকল্প সহায়তার বাহিরে দাতা সংস্থা কর্তৃক কোনো এনজিও কে প্রদত্ত অনুদান যাহা ব্যুরোর অনুমতিক্রমে এই আইনের অধীনে বর্ণিত স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা হিসেবে ব্যবহৃত হইবে;"।
৩। উক্ত আইনের ধারা ৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"৩। বৈদেশিক অনুদান গ্রহণক্রমে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা।-(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ব্যুরোর নিকট নিবন্ধন গ্রহণ ব্যতীত কোন সংস্থা বা এনজিও বৈদেশিক অনুদান গ্রহণক্রমে কোন স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনা করিতে পারিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে বৈদেশিক অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের প্রয়োজন হইবে না, ব্যুরোর অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা তহবিল সংক্রান্ত বিধানবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।”।
৪। উক্ত আইনের ধারা ৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"৪। বৈদেশিক অনুদান গ্রহণক্রমে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিবন্ধন, নিবন্ধন নবায়ন, ইত্যাদি।-(১) এই আইনের অধীন নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধপূর্বক নির্ধারিত পদ্ধতিতে মহাপরিচালকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত আবেদনপত্রের সহিত নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি ও দলিলাদি দাখিল করিতে হইবে, যথা:-
(ক) বৈদেশিক অনুদান প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎস ও পরিমাণসহ প্রমাণক; এবং
(খ) স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে প্রাপ্ত বৈদেশিক অনুদান ব্যবহারের ক্ষেত্র ও পদ্ধতি অর্থাৎ অনুদান ব্যবহারের রূপরেখা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি সঠিক প্রতীয়মান হইলে উহার বিষয়ে মতামত প্রদানের জন্য মহাপরিচালক আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে প্রেরণ করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি প্রাপ্তির পর উল্লিখিত মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহা পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করিয়া কারণ উল্লেখপূর্বক নিবন্ধনের সুপারিশ করিবার পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত বা সুপারিশ মহাপরিচালকের নিকট প্রেরণ করিবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ হইতে আবেদনকারীর অনুকূলে নিবন্ধন প্রদানের পক্ষে মতামত বা সুপারিশ প্রাপ্ত হইলে মহাপরিচালক উক্ত মতামত বা সুপারিশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনকারীর অনুকূলে নির্ধারিত ফর্মে নিবন্ধন সনদ ইস্যু করিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৪) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ উহার মতামত বা সুপারিশ প্রেরণ না করিলে মহাপরিচালক উপ-ধারা (১) এর অধীন দাখিলকৃত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনকারীর অনুকূলে নিবন্ধন সনদ ইস্যু করিতে পারিবেন।
(৭) বৈদেশিক অনুদান গ্রহণক্রমে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিবন্ধন এবং নিবন্ধন নবায়ন সনদের মেয়াদ হইবে উহাতে উল্লিখিত তারিখ হইতে ১০ (দশ) বৎসর।
(৮) নিবন্ধন সনদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার ৬ (ছয়) মাস পূর্বে নিবন্ধন নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করিয়া নির্ধারিত পদ্ধতিতে মহাপরিচালকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(৯) উপ-ধারা (৮) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন, তথ্য ও দলিলাদির সঠিকতা যাচাই এবং আবেদনকারীর পূর্ববর্তী ৫ (পাঁচ) বৎসরের স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়াদি পর্যালোচনা করিয়া মহাপরিচালক নিবন্ধন নবায়ন করিবেন।
(১০) উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন নবায়ন আবেদন দাখিল করা হইলে মহাপরিচালক কর্তৃক উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিবন্ধন সনদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইলেও সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী তাঁহার স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।"।
৫। উক্ত আইনের ধারা ৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"৬। প্রকল্প অনুমোদন, প্রশাসনিক ব্যয়, বৈদেশিক অনুদান অবমুক্তি, ইত্যাদি।-(১) ব্যুরো কর্তৃক প্রকল্প অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো এনজিও বা সংস্থা বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ করিতে পারিবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে প্রকল্পের ক্ষেত্রে বৈদেশিক অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের জন্য স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট এলাকা উল্লেখ করিয়া নির্ধারিত ফর্মে প্রকল্প-প্রস্তাব প্রস্তুতপূর্বক মহাপরিচালকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত প্রকল্প-প্রস্তাব অনুমোদনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন, যথা:-
(ক) এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধিমালা বা সাধারণ আদেশ বা বিশেষ আদেশ বা নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী প্রকল্প প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা; এবং
(খ) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে Rules of Business, 1996 অনুযায়ী প্রকল্প বা প্রকল্প-এলাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মতামত গ্রহণ:
তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মতামত গ্রহণ করিতে হইবে না, যথা:-
(অ) প্রকল্প প্রস্তাব একাধিক পর্ব বা পর্যায় বা ধাপ বিশিষ্ট হইলে এবং উক্ত প্রস্তাবে উল্লিখিত এলাকা অপরিবর্তিত থাকিলে উক্ত প্রকল্পের কোনো একটি পর্ব বা পর্যায় বা ধাপ সমাপ্তির ধারাবাহিকতায় পরবর্তী পর্ব বা পর্যায় বা ধাপ আরম্ভ করিবার ক্ষেত্রে পুনরায় একই প্রকল্পের বিষয়ে; এবং
(আ) বিদেশি এনজিও এর প্রশাসনিক ব্যয় সংক্রান্ত প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ উহার মতামত বা সুপারিশ প্রেরণ না করিলে মহাপরিচালক উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন করিতে পারিবেন এবং প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মতামত ব্যতীত অন্য কোনো সংস্থার প্রত্যয়ন পত্রের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) মহাপরিচালক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মতামত বা সুপারিশ অনুসারে, প্রয়োজনে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প-প্রস্তাব পরিবর্তন বা সংশোধন করিবার জন্য সংশ্লিষ্ট এনজিও বা ব্যক্তিকে পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের পরিবর্তন বা সংশোধনের পরামর্শ প্রস্তাবিত প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যের সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হইতে পারিবে না।
(৬) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মহাপরিচালক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মতামত বা সুপারিশ অপ্রয়োজনীয় বা অগ্রহণযোগ্য বিবেচনা করিলে উহা প্রধানমন্ত্রীর বা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রেরণ করিবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর বা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৭) কোনো এনজিও বা ব্যক্তির স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম ব্যুরো কর্তৃক অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকিতে হইবে।
(৮) কোনো প্রকল্পে অনুমোদিত ব্যয়ের ২০ (বিশ) শতাংশের অধিক অর্থ প্রশাসনিক খাতে ব্যয় করা
যাইবে না।
(৯) কোনো এনজিও কর্তৃক বৎসরে ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত বৈদেশিক অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যুরোর অনুমোদনের প্রয়োজন হইবে না তবে, এইক্ষেত্রে প্রকল্পের সকল কর্ম ও এলাকার বিষয়ে ব্যুরোকে পূর্বে অবহিত করিতে হইবে এবং প্রকল্প শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যুরো কর্তৃক তালিকাভুক্ত নিরীক্ষক ফার্ম দ্বারা প্রস্তুতকৃত নিরীক্ষা প্রতিবেদন ব্যুরোতে প্রেরণ করিতে হইবে।
(১০) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দুর্যোগকালীন বা দুর্যোগ পরবর্তী জরুরি ত্রাণ কর্মসূচি তাৎক্ষণিকভাবে পরিচালনা করিতে উদ্যোগী ব্যক্তি বা এনজিও-এর আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি যথাযথ বিবেচিত হইলে মহাপরিচালক ৭২ (বাহাত্তর) ঘণ্টার মধ্যে উক্ত প্রকল্প অনুমোদনসহ বৈদেশিক অনুদান অবমুক্তির আদেশ জারি করিতে পারিবেন।"।
৬। উক্ত আইনের ধারা ৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"৮। বিদেশি উপদেষ্টা, বিশেষজ্ঞ বা কর্মকর্তার নিয়োগে নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান।-(১) কোনো অনুমোদিত প্রকল্পে বিদেশি উপদেষ্টা, বিশেষজ্ঞ বা কর্মকর্তার নিয়োগ বা নিয়োগের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে নিরাপত্তা ছাড়পত্রের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দলিলাদিসহ মহাপরিচালকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নিয়োগ বা নিয়োগের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব ব্যুরো কর্তৃক অনুমোদিত সংশ্লিষ্ট প্রকল্প-প্রস্তাবে উল্লিখিত জন-মাসের (person-month) মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি প্রাপ্তির পর মহাপরিচালক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহার প্রাথমিক যাচাই সম্পন্ন করিয়া নিরাপত্তা ছাড়পত্রের বিষয়ে মতামত প্রদানের জন্য আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন আবেদন, তথ্য ও দলিলাদি প্রাপ্তির পর উক্ত মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রেরিত বিষয় পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করিয়া উহার মতামত বা সুপারিশ মহাপরিচালকের নিকট প্রেরণ করিবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ উহার মতামত বা সুপারিশ প্রেরণ না করিলে মহাপরিচালক, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, উপ-ধারা (১) এর অধীন দাখিলকৃত আবেদন অনুমোদন করিতে পারিবেন।"।
৭। উক্ত আইনের ধারা ৮ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ৮ক সন্নিবেশিত হইবে, যথা: -
"৮ক। প্রকল্পের অর্থে বিদেশ ভ্রমণ।-প্রকল্পে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি উক্ত প্রকল্পের অনুমোদিত অর্থে প্রকল্প-বিষয়ক কোনো কাজে বিদেশ ভ্রমণ করিলে সংশ্লিষ্ট এনজিও উহার বাৎসরিক প্রতিবেদনে এইরূপ ভ্রমণের বিষয় লিপিবন্ধ রাখিবে।"।
৮। উক্ত আইনের ধারা ১৪ তে উল্লিখিত “সংবিধান এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিদ্বেষমূলক ও অশালীন কোন মন্তব্য করিলে বা “শব্দগুলো বিলুপ্তি হইবে।
৯। উক্ত আইনের ধারা ১৭ এর-
(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত "৩০ (ত্রিশ) কর্ম দিবসের" সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে "৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের" সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশে উল্লিখিত "৩০ (ত্রিশ) কর্ম দিবসের" সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলির পরিবর্তে "৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের" সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দগুলি এবং "১৫ (পনেরো) কর্মদিবস” শব্দগুলির পরিবর্তে "১৫ (পনেরো) দিন" শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে; এবং
(গ) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত "কর্মদিবসের" শব্দের পরিবর্তে "দিনের" শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।
১০। উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১৮। সরকার-এনজিও পরামর্শ কাউন্সিল (জিএনসিসি) প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি।– (১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে একটি সরকার-এনজিও পরামর্শ কাউন্সিল (জিএনসিসি) গঠিত হইবে, যথা:-
(ক)প্রধানমন্ত্রীর/প্রধান উপদেষ্টার মূখ্য সচিব, যিনি ইহার সভাপতিও হইবেন;
(খ) এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক, যিনি ইহার সহ-সভাপতিও হইবেন;
(গ) সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মনোনীত ০৮ (আট) জন প্রতিনিধি ইহার সদস্য হইবেন;
(ঘ) সরকার কর্তৃক মনোনীত ০৮ (আট) জন এনজিও প্রতিনিধি ইহার সদস্য হইবেন;
(২) সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা সরকার এনজিও পরামর্শ কাউন্সিল গঠন করিবে।
(৩) জিএনসিসি স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম ও বৈদেশিক অনুদান সংক্রান্ত সংলাপ, নীতি-পরামর্শ, সরকার-এনজিও অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণ ও সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করিবে।
(৪) জিএনসিসি-এর কার্যাবলি ও কার্যপদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।”
১১। (১) বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৭ নং অধ্যাদেশ) এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত অধ্যাদেশের অধীন কৃত কার্য বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।