প্রিন্ট ভিউ

বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন আইন, ২০২৬

( ২০২৬ সনের ৭২ নং আইন )

বন, বনজসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি টেকসই উপায়ে কাঠ, বাঁশ, বেত ও অন্যান্য বনজসম্পদ আহরণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং উৎপাদিত পণ্য বিপণন ও রপ্তানিসহ বনশিল্পের উন্নয়ন ও এতৎসংশ্লিষ্ট কার্যাদি সম্পাদনকল্পে Forest Industries Development Corporation Ordinance, 1959 রহিতপূর্বক সংশোধনসহ পুনঃপ্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু বন, বনজসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি টেকসই উপায়ে কাঠ, বাঁশ, বেত ও অন্যান্য বনজসম্পদ আহরণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং উৎপাদিত পণ্য বিপণন ও রপ্তানিসহ বনশিল্পের উন্নয়ন ও এতদসংশ্লিষ্ট কার্যাদি সম্পাদনকল্পে Forest Industries Development Corporation Ordinance, 1959 (Ordinance No. LXVII of 1959) রহিতপূর্বক সংশোধনসহ পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়:—

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:

সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন

১। (১) এই আইন বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন আইন, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

সংজ্ঞা

২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে,—

(১) “কর্পোরেশন” অর্থ ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন;

(২) “কর্মচারী” অর্থ কর্পোরেশনের কোনো কর্মচারী;

(৩) “কাঠ” অর্থ Forest Act, 1927 (Act No. XVI of 1927)-এর section 2(6) এ সংজ্ঞায়িত কাঠ;

(৪) “চেয়ারম্যান” অর্থ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান;

(৫) “তফসিল” অর্থ এই আইনের তফসিল;

(৬) “পরিচালক” অর্থ কর্পোরেশনের পরিচালক;

(৭) “পরিচালনা পর্ষদ” অর্থ ধারা ৮ এর অধীন গঠিত কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদ;

(৮) “পরিবেশ” অর্থ বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১ নং আইন)-এর ধারা ২(ঘ)-এ সংজ্ঞায়িত পরিবেশ;

(৯) “বনজসম্পদ” অর্থ Forest Act, 1927 (Act No. XVI of 1927)-এর section 2 (4) এ সংজ্ঞায়িত বনজসম্পদ;

(১০) “বনজশিল্পপণ্য” অর্থ কাঠ, বাঁশ, বেত ও অন্যান্য বনজসম্পদ দ্বারা উৎপাদিত পণ্য;

(১১) “রাবার” অর্থ রাবার গাছ হইতে প্রাপ্ত ও আহরিত রাবার কষ, ট্রিলেইস-কাপলাম্প (Treelace-Cuplump), মাডলাম্প (Mudlump) বা অনুরূপ উপাদানসহ রাবার শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত রিবড্ স্মোকড শিট (Ribbed Smoked Sheet), টেকনিক্যালি স্পেসিফাইড রাবার (Technically Specified Rubber) বা অনুরূপ রাবার;

(১২) “শিল্পপণ্য” অর্থ প্রাকৃতিক রাবার দ্বারা তৈরি টায়ার, টিউব, জুতা, পাইপ, গাম, ফোম, গ্যাসকেট, নিত্যব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্য ও যন্ত্রপাতির কভার, বিভিন্ন যানবাহন ও শিল্প কারখানার খুচরা যন্ত্রাংশ, রাবার কাঠ, বাঁশ, বেত বা অন্যান্য বনজসম্পদ দ্বারা উৎপাদিত এবং বৃক্ষ বা অন্যান্য বনজসম্পদ প্রক্রিয়াজাত করিয়া রূপগত পরিবর্তনের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য বা সামগ্রী;

(১৩) “শিল্প ইউনিট” অর্থ কর্পোরেশন কর্তৃক পরিচালিত ইউনিট, প্ল্যান্ট বা কারখানা যেখানে কাঠ, কাঠজাত পণ্য, শিল্পপণ্য, প্রাকৃতিক রাবার বা রাবার ব্যবহার করিয়া বোর্ড বা আসবাবপত্র বা অন্য কোনো সামগ্রী তৈরি করা হয়; এবং

(১৪) “সদস্য” অর্থ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।

আইনের প্রাধান্য

৩। আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।

কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা

৪। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, Forest Industries Development Corporation Ordinance, 1959 (Ordinance No. LXVII of 1959)-এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (Bangladesh Forest Industries Development Corporation) এইরূপে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে।

(২) কর্পোরেশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, মালিকানায় রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

কর্পোরেশনের কার্যালয়

৫। (১) কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।

(২) কর্পোরেশন, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে উহার আঞ্চলিক বা শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।

কর্পোরেশনের কার্যাবলি ও ক্ষমতা

৬। (১) কর্পোরেশনের কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:—

(ক) তফসিলের অংশ ‘ক’-এ বর্ণিত বৃক্ষ বা বনজসম্পদ, অংশ ‘খ’-এ বর্ণিত শিল্প ইউনিট, অংশ ‘গ’-এ বর্ণিত শিল্পপণ্য সংক্রান্ত বা এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যেকোনো কার্যক্রম গ্রহণ বা প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;

(খ) কর্পোরেশনের অধিক্ষেত্রের মধ্যে বৃক্ষ, বনজসম্পদ, শিল্প ইউনিট বা শিল্পপণ্য এবং রাবার গাছ, মধু, আগর, ঔষধি গাছ, বনজশিল্প ও কৃত্রিম রাবার বা অনুরূপ বৃক্ষ বা সম্পদ বা পণ্যের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করিয়া যথাযথ তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ;

(গ) রাবার চাষ উপযোগী জমিতে উৎপাদন বৃদ্ধিকল্পে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ এবং রাবার চাষ অনুপযোগী জমিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার আবহাওয়া উপযোগী, পরিবেশবান্ধব, অধিক কার্বন শোষণকারী এবং বনজশিল্পের সহায়ক বৃক্ষরোপণ;

(ঘ) সরকারের অনুমোদনক্রমে মার্কেটিং নির্দেশিকাসহ বনশিল্পের প্রসার ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে মাস্টারপ্লান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন;

(ঙ) আধুনিক সংরক্ষণাগার, প্রসেসিং ইউনিট স্থাপন ও উন্নয়ন;

(চ) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অন্যান্য স্থানে বিভিন্ন আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্প ইউনিট স্থাপন ও উন্নয়ন, প্রয়োজনে ইউনিট একীভূতকরণ বা বিভক্তিকরণ;

(ছ) বনজশিল্পপণ্য ও শিল্পপণ্য উৎপাদন, বিপণন, রপ্তানি, উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণ;

(জ) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বনজশিল্পপণ্য প্রদর্শন ও বিপণনের জন্য শোরুম স্থাপন ও পরিচালন;

(ঝ) সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন; এবং

(ঞ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় ও আনুষঙ্গিক কার্য সম্পাদন।

(২) উপ-ধারা (১)-এর দফা (ক)-এ উল্লিখিত কার্যক্রম বা প্রকল্প অনুমোদনের জন্য, সরকারের নিকট অনুমোদনের জন্য পেশ করিতে হইবে এবং কর্পোরেশন উক্তরূপে অনুমোদিত কার্যক্রম বা প্রকল্প বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন করিবে।

(৩) কর্পোরেশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান অনুসরণ করিয়া অন্য কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির শেয়ার বা অধিকার অর্জন, ধারণ বা হস্তান্তর করিতে পারিবে।

কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান

৭। (১) কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

(২) চেয়ারম্যান কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী হইবেন, এবং তিনি

(ক) এই আইন, বিধি ও প্রবিধানের বিধানসাপেক্ষে কর্পোরেশন পরিচালনার দায়িত্বে থাকিবেন; এবং

(খ) সরকার ও পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব ও কার্য সম্পাদন করিবেন এবং পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন।

পরিচালনা পর্ষদ গঠন

৮। কর্পোরেশনের একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকিবে যাহা নিম্নরূপ সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:—

(ক) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, যিনি পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হইবেন;

(খ) কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান;

(গ) অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি (যুগ্মসচিব);

(ঘ) কর্পোরেশনের ৩ (তিন) জন সার্বক্ষণিক পরিচালক;

(ঙ) সরকার কর্তৃক মনোনীত বনজশিল্পপণ্য ও বিপণনসংক্রান্ত ২ (দুই) জন বিশেষজ্ঞ; এবং

(চ) কর্পোরেশন কর্তৃক মনোনীত কর্পোরেশনের ১ (এক) জন কর্মকর্তা, যিনি পরিচালনা পর্ষদের সদস্য-সচিবও হইবেন।

পরিচালনা পর্ষদের কার্যাবলি

৯। (১) কর্পোরেশনের কার্যাবলি ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের দিক-নির্দেশনা পরিচালনা পর্ষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনা অনুসারে কর্পোরেশন ইহার কার্যাবলি সম্পাদন করিবে।

(২) পরিচালনা পর্ষদ জনস্বার্থ বিবেচনাপূর্বক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানকে দিক-নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) পরিচালনা পর্ষদ উহার নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত ও জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কিত নীতিমালার নির্দেশনা মানিয়া চলিবে।

পরিচালনা পর্ষদের সভা, ইত্যাদি

১০। (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, পরিচালনা পর্ষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, মাসে অন্তত ১ (এক) বার পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পরিচালনা পর্ষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাঁহার অনুপস্থিতিতে কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪) পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) জন সদস্যের উপস্থিতিতে পরিচালনা পর্ষদের সভার কোরাম হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।

(৫) পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।

(৬) কেবল কোনো সদস্য পদে শূন্যতা বা পরিচালনা পর্ষদ গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে উহার কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

কমিটি

১১। এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, পরিচালনা পর্ষদ প্রয়োজনে, এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং উহার কার্যপদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

কর্মচারী নিয়োগ ইত্যাদি

১২। (১) কর্পোরেশন, উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) কর্পোরেশনের কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

উপদেষ্টা, পরামর্শক ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ

১৩। কর্পোরেশন, উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য, প্রয়োজনে, তৎকর্তৃক নির্ধারিত শর্ত ও মেয়াদে উপদেষ্টা, পরামর্শক ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করিতে পারিবে।

অস্থায়ী ভিত্তিতে শ্রমিক নিয়োগ

১৪। কর্পোরেশন, পরিচালনা পর্ষদের পূর্বানুমোদনক্রমে, দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা, ২০২৫ ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুযায়ী অস্থায়ী ভিত্তিতে বিশেষ দক্ষতা, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন শ্রমিক নিয়োগ করিতে পারিবে।

জনসেবক

১৫। কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও কর্মচারীগণ এই আইনের অধীন কার্য সম্পাদন ও ক্ষমতা প্রয়োগকালে Penal code 1860 (Act No. XLV of 1860)-এর section 21-এ Public servant অভিব্যক্তিটি যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে Public servant বলিয়া গণ্য হইবেন।

শেয়ার মূলধন

১৬। (১) কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন হইবে ১ (এক) হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন হইবে ৩ (তিন) শত কোটি টাকা, তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত অনুমোদিত বা পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কর্পোরেশন উহার যেকোনো বা সকল কার্যক্রম পরিচালনা করিবার নিমিত্ত সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে ঋণ বা অনুদান সংগ্রহের মাধ্যমে অথবা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্য কোনো উপায়ে আলাদাভাবে মূলধন সংগ্রহ করিতে পারিবে।

কর্পোরেশনের তহবিল

১৭। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন তহবিল নামে একটি তহবিল থাকিবে।

(২) তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা:-

(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(খ) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে দেশি বা বিদেশি কর্তৃপক্ষ, সংস্থা বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ বা অনুদান;

(গ) কর্পোরেশনের সম্পদ, বনজদ্রব্য, বনজশিল্পপণ্য বা শিল্পপণ্য বিক্রয় হইতে প্রাপ্ত অর্থ, বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত সুদ বা লভ্যাংশ; এবং

(ঘ) অন্য যেকোনো বৈধ উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ।

(৩) তহবিলের অর্থ, পরিচালনা পর্ষদের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হইবে, তবে উক্ত বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী উক্ত তহবিল পরিচালিত হইবে।

ব্যাখ্যা।- ‘তফসিলি ব্যাংক’ অর্থ Bangladesh Bank Order 1972 (President’s Order No. 127 of 1972)-এর (Article 2(j)-তে সংজ্ঞায়িত ‘Scheduled Bank’।

(৪) চেয়ারম্যান, পরিচালক ও অন্যান্য কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি এবং উপদেষ্টা পরামর্শক ও বিশেষজ্ঞের সম্মানি এবং কর্পোরেশনের কার্যাবলি পরিচালনায় প্রয়োজনীয় ব্যয় তহবিল হইতে নির্বাহ করা যাইবে।

বিনিয়োগ

১৮। কর্পোরেশন, উহার অর্থ সরকারি বিধি-বিধানের আলোকে বিনিয়োগ সীমা অনুসরণপূর্বক, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র বা অন্য কোনো লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।

বাজেট

১৯। কর্পোরেশন, প্রতিবৎসর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থবৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং অনুমোদিত বাজেটের ভিত্তিতে অর্থ ব্যয় করিতে পারিবে।

ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা

২০। কর্পোরেশন, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, দেশি বা বিদেশি কর্তৃপক্ষ, সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন উৎস হইতে ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে।

ব্যাংক হিসাব খোলা ও পরিচালনা

২১। কর্পোরেশন সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খোলা ও পরিচালনা করিতে পারিবে।

হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা

২২। (১) কর্পোরেশন যথাযথভাবে উহার হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।

(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক নামে অভিহিত, প্রতিবৎসর কর্পোরেশনের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং বিদ্যমান আইনের বিধান মোতাবেক নিরীক্ষা রিপোর্ট দাখিল করিবেন।

(৩) উপধারা (২)-এর অধীন হিসাব নিরীক্ষা ছাড়াও কর্পোরেশন Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973 (President’s Order No. 2 of 1973)-এর Article 2(1)(b)-তে সংজ্ঞায়িত কোনো Chartered Accountant দ্বারা কর্পোরেশনের হিসাব নিরীক্ষা করাইতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে কর্পোরেশন এক বা একাধিক Chartered Accountant নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) উপধারা (৩)-এর অধীন নিয়োগকৃত Chartered Accountant এতদুদ্দেশ্যে পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত হারে পারিশ্রমিক প্রাপ্য হইবেন।

(৫) কর্পোরেশনের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা উপধারা (৩)-এর অধীন নিয়োগকৃত Chartered Accountant, কর্পোরেশনের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, বার্ষিক ব্যালেন্স সিট, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভান্ডার বা অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান, পরিচালক, উপদেষ্টা, পরামর্শক, বিশেষজ্ঞ বা কর্পোরেশনের যেকোনো কর্মচারীর নিকট ব্যাখ্যা চাহিতে বা তাহাদের জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

বার্ষিক প্রতিবেদন

২৩। (১) কর্পোরেশন প্রত্যেক অর্থবৎসর সমাপ্ত হইবার পর পরবর্তী ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে উক্ত বৎসরে সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সংবলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবে।

(২) সরকার, প্রয়োজনে, যেকোনো সময়, কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকা কোনো বিষয়ের প্রতিবেদন, রিটার্ন, বিবরণী, প্রাক্কলন, পরিসংখ্যান বা তথ্য চাহিতে পারিবে এবং কর্পোরেশন উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।

(৩) পরিচালনা পর্ষদ বার্ষিক সভায় উপস্থাপনের জন্য বার্ষিক হিসাব বিবরণী ও প্রতিবেদন অনুমোদন করিবে এবং বার্ষিক হিসাব বিবরণী প্রস্তুতের জন্য নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান (Audit Farm) নিয়োগ করিতে পারিবে।

কর্পোরেশনের আওতাধীন রাবার বাগানের অভ্যন্তরীণ পথ ব্যবস্থাপনা

২৪। কর্পোরেশন উহার আওতাধীন রাবার বাগানসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের স্বার্থে রাবার বাগানের অভ্যন্তরস্থ যেকোনো পাবলিক বা প্রাইভেট চলাচল পথ বন্ধ এবং অনুরূপ পথের জন্য উপযুক্ত ও সুবিধাজনক বিকল্প চলাচল পথের ব্যবস্থা করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, বন অধিদপ্তর বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে এই বিধানের কোনো কিছুই বাধাগ্রস্ত করিবে না।

চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা

২৫। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কর্পোরেশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বনজশিল্প উন্নয়নে দেশি-বিদেশি ব্যক্তি বা সংস্থার সহিত, দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি নহে, এইরূপ যেকোনো চুক্তি সম্পাদন ও আয় বর্ধনমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করিতে পারিবে।

কোম্পানি গঠন এবং সংঘস্মারক ও সংঘবিধির সংশোধন

২৬। (১) কর্পোরেশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বনজশিল্পপণ্য, শিল্পপণ্য বা সামগ্রী উৎপাদনের লক্ষ্যে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন)-এর অধীন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি গঠন করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোম্পানির মূলধন কাঠামো অনুসরণ করিতে হইবে।

(২) কর্পোরেশন, সরকারের অনুমোদনক্রমে, প্রয়োজনে, কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উহার কোনো কোম্পানির সংঘস্মারক (Memorandum of Association) এবং সংঘবিধি (Articles of Association) সংশোধন করিতে পারিবে।

কর্পোরেশনের পাওনা আদায়

২৭। কর্পোরেশনের অনাদায়ি পাওনা The Public Demands Recovery Act, 1913 (Bengal Act No. III of 1913)-এর অধীন বকেয়া ভূমি রাজস্ব হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।

কর্পোরেশনের অবসায়ন।

২৮। কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন)-এ উল্লিখিত অবসায়ন সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট বিধানাবলি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না এবং আইন প্রণয়ন ব্যতিরেকে উহার অবসায়ন করা যাইবে না।

ক্ষমতা অর্পণ

২৯। (১) কর্পোরেশন দক্ষ ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালনা পর্ষদ উহার ক্ষমতা চেয়ারম্যানের নিকট অর্পণ করিতে পারিবে।

(২) চেয়ারম্যান তাঁহার ক্ষমতা কর্পোরেশনের পরিচালকগণের নিকট অর্পণ করিতে পারিবেন।

তফসিল সংশোধন

৩০। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, প্রয়োজনে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, তফসিল সংশোধন করিতে পারিবে।

বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৩১। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৩২। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্পোরেশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বিধানাবলি বা বিধির সহিত অসংগতিপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

Ordinance No. LXVII of 1959 এর রহিতকরণ ও হেফাজত

৩৩। (১) Forest Industries Development Corporation Ordinance, 1959 (Ordinance No. LXVII of 1959), অতঃপর উক্ত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।

(২) উপ-ধারা (১)-এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত Ordinance-এর অধীন কৃত কোনো কাজ, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রণীত কোনো বিধি বা প্রবিধান, জারিকৃত কোনো প্রজ্ঞাপন, ইস্যুকৃত কোনো আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, নির্দেশ, প্রদত্ত কোনো নোটিশ, প্রস্তুতকৃত ও অনুমোদিত বাজেট, প্রাক্কলন, স্কিম, কর্মসূচী বা প্রকল্প, এই আইনের অধীন কৃত, গৃহীত, প্রণীত, জারিকৃত, ইস্যুকৃত, প্রদত্ত, প্রস্তুতকৃত এবং অনুমোদিত বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) উক্ত Ordinance রহিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে উক্ত Ordinance-এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Forest Industries Development Corporation এর—

(ক) সকল সম্পদ, অধিকার ও স্বার্থ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, ফি, চার্জ, স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, অনুমোদিত মূলধন, পরিশোধিত মূলধন, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত সকল অর্থ এবং সিকিউরিটিসহ সকল দাবি ও অধিকার, সকল হিসাববহি, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্র এবং অন্যান্য দলিলপত্র কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তরিত ও উহার উপর ন্যস্ত হইবে;

(খ) সকল ঋণ, দায়-দায়িত্ব, গৃহীত বাধ্যবাধকতা এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা উহার সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি, দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট, যথাক্রমে, কর্পোরেশনের ঋণ, দায়-দায়িত্ব, বাধ্যবাধকতা এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা উহার সহিত সম্পাদিত চুক্তি, দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট বলিয়া গণ্য হইবে;

(গ) বিরুদ্ধে বা তৎকর্তৃক দায়েরকৃত কোনো মামলা, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা বা সূচিত কোনো কার্যধারা অনিষ্পন্ন বা চলমান থাকিলে উহা উক্ত Ordinance-এর অধীন এইরূপভাবে নিষ্পত্তি করিতে হইবে, যেন উক্ত Ordinance রহিত হয় নাই;

(ঘ) সকল কর্মচারী কর্পোরেশনের কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন এবং এই আইন প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে তাঁহারা যে শর্তে চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন সেই একই শর্তে নিযুক্ত বা, ক্ষেত্রমতে, বহাল থাকিবেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না এই আইনের অধীন কর্পোরেশন কর্তৃক তাঁহাদের চাকরির শর্তাবলি পরিবর্তিত হয়; এবং

(ঙ) Board of Directors, যদি থাকে, ইহার কার্যক্রম, বিদ্যমান মেয়াদ অবসানের পূর্বে বিলুপ্ত না হইলে অথবা এই আইনের অধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকিবে।

রহিতকরণ ও হেফাজত

৩৪। (১) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৩৬ নং অধ্যাদেশ) এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।

(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত অধ্যাদেশের অধীন কৃত কার্য বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ

৩৫। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।

(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।


Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs