প্রিন্ট ভিউ
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মুনাফাভিত্তিক (for-profit) বা অ-মুনাফাভিত্তিক (not-for-profit) কোম্পানী বা সংগঠন গঠন এবং কোম্পানী বা সংগঠনের শেয়ার অর্জন ও ধারণের বিধান করা প্রয়োজন; এবং
যেহেতু এতদুদ্দেশ্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইল :-
১। (১) এই আইন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
২। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ২ এর দফা (ঙ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (ঙঙ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(ঙঙ) “কোম্পানী” অর্থ কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন নিবন্ধিত কোনো কোম্পানী;”।
৩। উক্ত আইনের ধারা ৬ এর দফা (ণ) এর প্রান্তঃস্থিত দাড়ি চিহ্নের পরিবর্তে সেমিকোলন চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন দফা (ত) ও (থ) সংযোজিত হইবে, যথা:-
“(ত) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের অতিরিক্ত হিসাবে চিকিৎসা সেবার পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন মুনাফাভিত্তিক
(for-profit) বা অ-মুনাফাভিত্তিক (not-for-profit) কোম্পানী গঠন করা অথবা অন্য কোনো আইনের অধীন দাতব্য কর্মসূচি পরিচালনার লক্ষ্যে কোনো সংগঠন গঠন করা; এবং অনুরূপ কার্যক্রম হইতে উদ্ভূত আয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রয়োজনে ব্যয় করা;
(থ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে কোনো কোম্পানীর শেয়ার অর্জন, ধারণ ও হস্তান্তর করা;” ।
৪। উক্ত আইনের ধারা ৪০ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (প) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (পপ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(পপ) ধারা ৬ এর দফা (ত) ও (থ) এর অধীন কোম্পানী গঠন, শেয়ার অর্জন, ধারণ ও হস্তান্তর, পরিচালনা পর্যদে প্রতিনিধি মনোনয়ন সংক্রান্ত পদ্ধতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ;”।
৫। উক্ত আইনের ধারা ৪৮ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ছ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (ছছ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“(ছছ) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গঠিত বা যাহাতে বিশ্ববিদ্যালয় শেয়ার ধারণ করে এইরূপ কোম্পানী হইতে প্রাপ্ত লভ্যাংশ, ইজারা বা লাইসেন্স ফি এবং অন্য কোনো আয়;”।