প্রিন্ট ভিউ

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪

( ২০০৪ সনের ৫ নং আইন )

দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন৷

 
 
 

যেহেতু দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষংগিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

 
 
 
 

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

 
 
 
সংক্ষিপ্ত শিরোনামা, প্রয়োগ ও প্রবর্তন
 

১৷ (১) এই আইন দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ নামে অভিহিত হইবে৷

 

(২) এই আইনের প্রয়োগ সমগ্র দেশে হইবে।

 

1[(২ক) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য এই আইন প্রযোজ্য হইবে, তবে যেকোনো ব্যক্তি, বাংলাদেশের নাগরিক হউক বা না হউক, বাংলাদেশে অবস্থান করিয়া বা বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে এই আইনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।]

 

(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন বলবৎ হইবে৷

 

* এস, আর, ও নং ১২৬-আইন/২০০৪, তারিখঃ ০৯ মে, ২০০৪ ইং দ্বারা ২৬ বৈশাখ, ১৪১১ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ০৯ মে, ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ উক্ত আইন কার্যকর হইয়াছে।

সংজ্ঞা
 

২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

 
 
 

2[(ক) ‘‘অনুসন্ধান’’ অর্থ তফসিলভুক্ত কোন অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্ত বা জ্ঞাত হইবার পর উহা কমিশন কর্তৃক তদন্ত অনুষ্ঠানের জন্য গৃহীত ও লিপিবদ্ধ হইবার পূর্বে উক্ত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা উদ্‌ঘাটনের লক্ষ্যে কমিশন বা তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম;]

 

3[(কক) "আদালত" অর্থে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(ককক) "এজাহার" অর্থ তদন্তের উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের সহিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নাম ও পরিচয়, অপরাধ সংঘটনের স্থান, সময় ও বিষয়বস্তু এবং যে প্রকারে উহা সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদি সংবলিত কমিশনের কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিত ও কমিশনের জেলা কার্যালয়ে দাখিলকৃত প্রাথমিক বিবরণী বা সংশ্লিষ্ট স্পেশাল জজ হইতে তদন্তের জন্য প্রেরিত অভিযোগ কিংবা ধারা ২০কক এর অধীন দায়েরকৃত এজাহার;]

 
 
 
 

4[5[(ককক)]] “কমিশন” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত দুর্নীতি দমন কমিশন;

 
 
 
 

(খ) “কমিশনার” অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান বা অন্য কোন কমিশনার;

 

6[(খখ) "গোপনীয় অনুসন্ধান (Undercover Inquiry)" অর্থ অন্যান্য আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নিজের পরিচয় গোপন রাখিয়া কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা প্রাপ্ত তথ্য বা বার্তা পর্যবেক্ষণ, এতদসংক্রান্ত প্রমাণ সংগ্রহ ও উহার সত্যতা উদ্‌ঘাটনের লক্ষ্যে কমিশন বা কমিশন কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম;]

 
 
 
 

(গ) “চেয়ারম্যান” অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান;

 

7[(গগ) "জ্ঞাত আয়" অর্থ বৈধ উৎস হইতে অর্জিত আয়, যাহা কোন প্রকার বেআইনি বা অপরাধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত নহে;]

 
 
 
 

(ঘ) “তফসিল” অর্থ এই আইনের তফসিল;

 

8[(ঘঘ) "তদন্ত" অর্থ অভিযোগ গৃহীত ও তদন্ত রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইবার পর সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কমিশন বা কমিশন কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম;]

 
 
 
 

(ঙ) “দুর্নীতি” অর্থ এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ;

 
 
 
 

(চ) “নির্ধারিত” অর্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত;

 
 
 
 

(ছ) “ফৌজদারী কার্যবিধি” অর্থ the Code of Criminal Procedure, 1898 (V of 1898);

 
 
 
 

(জ) “বাছাই কমিটি” অর্থ ধারা ৭ এর অধীন গঠিত বাছাই কমিটি;

 
 

(ঝ) “ব্যুরো অব এন্টি-করাপশন” অর্থ the Anti-Corruption Act, 1957 (Act No. XXVI of 1957) এর অধীন গঠিত বাংলাদেশ ব্যুরো অব এন্টি-করাপশন;

 
 
 
 

(ঞ) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

 
 
 
 

(ট) “সচিব” অর্থ ধারা ১৬ এর অধীন নিযুক্ত কমিশনের সচিব; এবং

 
 
 

9[(টট) ‘সম্পত্তি’ অর্থ দেশে বা দেশের বাহিরে অবস্থিত—

 
 

(অ) যে কোন প্রকৃতির দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি; বা

 
 

(আ) নগদ টাকা, ইলেকট্রনিক বা ডিজিটালসহ অন্য যে কোন প্রকৃতির দলিল বা ইনস্ট্রুমেন্ট যাহা কোন সম্পত্তির মালিকানা স্বত্ব বা মালিকানা স্বত্বে কোন স্বার্থ নির্দেশ করে;]

 

10[(টটট) "সরকার" অর্থ কোন বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ;]

 
 
 

(ঠ) “স্পেশাল জজ” অর্থ the Criminal Law Amendment Act, 1958 (Act No. XL of 1958) এর section 3 এর অধীন নিযুক্ত Special Judge৷

আইনের প্রাধান্য
11[২ক। আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাইবে।]
কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি

৩৷ (১) এই আইন, বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে৷

 

(২) এই কমিশন 12[দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে] একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে।

 

13[(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।]

কমিশনের কার্যালয়

৪৷ 14[১] কমিশনের প্রধান কার্যালয় রাজধানী ঢাকায় থাকিবে এবং কমিশন, প্রয়োজনবোধে, দেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।

15[(২) দেশের যে সকল স্থানে কমিশনের কার্যালয় থাকিবে বা স্থাপিত হইবে সেই সকল স্থানে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ, কার্যালয় স্থাপনের অব্যবহিত পর এক বা একাধিক স্পেশাল জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করিবে।]

কমিশন গঠন, ইত্যাদি

৫৷ 16[(১) কমিশন অন্যূন ১ (এক) জন নারী এবং অন্যূন ১ (এক) জন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কমিশনারসহ অনধিক ৫ (পাঁচ) জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হইবে এবং তাহাদের মধ্য হইতে রাষ্ট্রপতি ১ (এক) জনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করিবেন।]

 
 

(২) শুধুমাত্র কোন কমিশনার পদে শূন্যতা বা কমিশন গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে কমিশনের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷

কমিশনারগণের নিয়োগ ও মেয়াদ

৬৷ (১) কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ধারা ৭ অনুসারে গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন৷

 
 
 
 

(২) কমিশনারগণ পূর্ণকালীন সময়ের জন্য স্ব-স্ব পদে কর্মরত থাকিবেন৷

 
 
 
 

(৩) কমিশনারগণ, ধারা ১০ এর বিধান সাপেক্ষে, তাঁহাদের 17[যোগদানের তারিখ হইতে 18[৪ (চার)] বৎসর] মেয়াদের জন্য স্ব-স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷

 
 
 
 

(৪) উক্ত মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর কমিশনারগণ পুনঃ নিয়োগের যোগ্য হইবেন না৷

বাছাই কমিটি গঠন, কার্যাবলি, ইত্যাদি

19[৭।  (১) কমিশনের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের ১ (এক) জন জ্যেষ্ঠ বিচারক, যিনি কমিটির সভাপতিও হইবেন;

(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১ (এক) জন বিচারক;

(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক;

(ঘ) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান;

(ঙ) সরকারি দল এবং প্রধান বিরোধী দলের মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের স্পীকার কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন সংসদ সদস্য, যাহাদের মধ্যে ১ (এক) জন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন;

(চ) সুশাসন বা দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম বা দুর্নীতি সংক্রান্ত বিচার পরিচালনায় ন্যূনতম ১৫ (পনের) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বাংলাদেশের একজন নাগরিক, যিনি কমিটির সভাপতি কর্তৃক মনোনীত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় বাছাই কমিটি গঠনের প্রয়োজন হইলে দফা (ঙ)-তে উল্লিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়াই বাছাই কমিটি গঠন করা যাইবে।

(২) কমিশনার পদে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, বাছাই কমিটি-

(ক) গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সম্পদের হিসাব বিবরণী ও জীবনবৃত্তান্তসহ বাছাই কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত এবং মনোনয়ন আহ্বান করিবে, এবং ইহা ছাড়াও কমিশন উহার বিবেচনায় উপযুক্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তথ্য নিজ উদ্যোগে সংগ্রহ করিতে পারিবে;

(খ) কমিশন কর্তৃক নিজ উদ্যোগে সংগৃহীত তথ্যাদি এবং দাখিলকৃত দরখাস্ত ও মনোনয়নসমূহ ধারা ৮ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধানাবলির আলোকে যাচাই-বাছাই করিবে;

(গ) উক্তরূপ যাচাই-বাছাইপূর্বক কমিটির বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করিবে;

(ঘ) দফা (গ) এ উল্লিখিত সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করিবে, সাক্ষাৎকার গ্রহণের প্রয়োজনে বাছাই কমিটি অনধিক ২ (দুই) জন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করিতে পারিবে, তবে উক্ত বিশেষজ্ঞগণ উপ-ধারা (৩) এ বর্ণিত সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করিবেন না;

(ঙ) উপরিউক্ত কার্যধারা সমাপ্তির পর বাছাই কমিটি কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে ২ (দুই) জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ আকারে প্রেরণ করিবে।

(৩) বাছাই কমিটি সাধারণত সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চেষ্টা করিবে এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব না হইলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত বাছাই কমিটির সিদ্ধান্ত হিসাবে গণ্য হইবে, তবে সিদ্ধান্তের সমতার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান বা ক্ষেত্রবিশেষে, সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি, নির্ণায়ক সিদ্ধান্ত প্রদান করিতে পারিবেন।

(৪) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্যসম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে।

(৫) অন্যূন ৫ (পাঁচ) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে, তবে যে ক্ষেত্রে ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ)-তে উল্লিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়া বাছাই কমিটি গঠিত হয়, সেইক্ষেত্রে ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে।]

কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি

৮৷ 20[(১) আইন, আইন প্রণয়ন, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, হিসাব বা নিরীক্ষা সংক্রান্ত পেশায় বা শৃঙ্খলা বাহিনী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পর্যায়ে কর্মের বা দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।]

 
 
 
 

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-

 
 
 
 

(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন;

 

21[(কক) বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি গ্রহণ করেন বা অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে বিদেশে কোন বিনিয়োগ করেন;]

 
 
 
 

(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন;

 
 

(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন;

 
 
 
 

(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন;

 
 
 
 

(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন;

 
 
 
 

(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং

 
 
 
 

(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷

কমিশনারগণের অক্ষমতা
৯৷ কর্মাবসানের পর কোন কমিশনার প্রজাতন্ত্রের কার্যে কোন লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না৷
কমিশনারগণের পদত্যাগ ও অপসারণ
১০৷ (১) কোন কমিশনার রাষ্ট্রপতি বরাবর ১ (এক) মাসের লিখিত নোটিশ প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, চেয়ারম্যান ব্যতীত অন্যান্য পদত্যাগকারী কমিশনারগণ উক্ত নোটিশের একটি অনুলিপি চেয়ারম্যান বরাবর অবগতির জন্য প্রেরণ করিবেন৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পদত্যাগ সত্ত্বেও, পদত্যাগ পত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি, প্রয়োজনবোধে, পদত্যাগকারী কমিশনারকে তাঁহার দায়িত্ব পালনের জন্য অনুরোধ করিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(৩) সুপ্রীম কোর্টের একজন বিচারক যেরূপ কারণ ও পদ্ধতিতে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ কারণ ও পদ্ধতি ব্যতীত কোন কমিশনারকে অপসারণ করা যাইবে না৷
কমিশনার পদে সাময়িক শূন্যতা
১১৷ কোন কমিশনার মৃত্যুবরণ বা স্বীয় পদ ত্যাগ করিলে বা অপসারিত হইলে, রাষ্ট্রপতি উক্ত পদ শূন্য হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে, এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে শূন্য পদে নিয়োগদান করিবেন৷
প্রধান নির্বাহী
১২৷ (১) চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হইবেন; এবং তাঁহার পদত্যাগ, অপসারণ, অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি একজন কমিশনারকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সাময়িকভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারিবেন৷
 
 
 
 
(২) চেয়ারম্যানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য কমিশনারগণ তাঁহাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এইরূপ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের নিকট কমিশনারগণের জবাবদিহিতা থাকিবে৷
কমিশনারগণের পারিশ্রমিক, ভাতা, ইত্যাদি
১৩৷ চেয়ারম্যান এবং কমিশনারগণের পারিশ্রমিক, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে৷
কমিশনের সভা

১৪৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷

 
 
 
 

(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷

 
 
 
 

(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷

 
 
 
 

(৪)  22[চেয়ারম্যান ও ২ (দুই) জন] কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷

কমিশনের সিদ্ধান্ত

১৫৷ (১) কমিশনের সকল সিদ্ধান্ত উহার সভায় গৃহীত হইতে হইবে 23[,]  24[তবে বিশেষ জরুরি প্রয়োজনে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ সাপেক্ষে নথিতে গৃহীত সিদ্ধান্তও কমিশন সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।]

 
 
 
 

(২) কমিশন-

 
 
 
 

(ক) উহার দায়িত্ব পালনের জন্য কমিশনের সভায় নিয়মিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সুপারিশ প্রণয়ন করিবে;

 
 
 
 

(খ) উহার সিদ্ধান্ত ও সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হইতেছে কি না তাহা নিয়মিত পরিবীক্ষণ করিবে; এবং

 
 
 
 

(গ) প্রতি ৩ (তিন) মাস পর পর কমিশনের সভায় উহার মূল্যায়ন করিবে৷

কমিশনের সচিব, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, ইত্যাদি
১৬৷ (১) কমিশনের একজন সচিব থাকিবে, যিনি কমিশন কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷
 
 
 
 
(২) সচিবের দায়িত্ব হইবে চেয়ারম্যানের নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের সভার আলোচ্য বিষয়সূচী এবং কমিশনের এতদ্‌বিষয়ক সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে, সভার তারিখ ও সময় নির্ধারণ, কার্যবিবরণী প্রস্তুতকরণ, কমিশনারগণ কর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ ও সংশ্লিষ্ট নথি সংরক্ষণ, এবং কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন ও কার্য সম্পাদন৷
 
 
 
 
(৩) কমিশন উহার কার্যাবলী দক্ষতার সহিত সম্পাদনের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে৷
 
 
 
 
(৪) কমিশনের সচিবসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের 25[নিয়োগ, আচরণ বিধি (Code of Conduct), শৃঙ্খলা ও আপীল বিধিসহ চাকুরীর] অন্যান্য শর্তাদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে এবং এইরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত কমিশন, সরকারের অনুমোদনক্রমে, প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা, ঐ সকল বিষয়ে অনুসরণীয় নিয়মাবলী নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
কমিশনের কার্যাবলী

26[১৭।  কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোনো কার্য সম্পাদন

করিতে পারিবে, যথা:-

(১) দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত কার্যাবলি, যথা:-

(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা;

(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এ বর্ণিত কার্যক্রমের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন এজাহার দায়ের, তদন্ত পরিচালনা এবং আদালতে প্রতিবেদন দাখিল;

(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান;

(ঘ) দুর্নীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন উৎস হতে কমিশন কর্তৃক স্বউদ্যোগে প্রাপ্ত কোনো তথ্য বা অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান;

(ঙ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোনো দায়িত্ব পালন;

(চ) দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান, এজাহার রুজু, মামলার তদন্ত, আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল, এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, এজাহার রুজু, মামলার তদন্ত, আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা;

(ছ) অভিযোগ ও মামলা সংশ্লিষ্ট সম্পদ ব্যবস্থাপনা।

(২) দুর্নীতি প্রতিরোধ সংক্রান্ত কার্যাবলি, যথা:-

(ক) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোনো আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;

(খ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;

(গ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;

(ঘ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা;

(ঙ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা।

(৩) এনফোর্সমেন্ট ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা।

(৪) দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনের জন্য প্রয়োজনীয় হিসাবে বিবেচিত অন্য যে কোনো কার্য সম্পাদন করা।]

কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ
১৮। এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে কমিশন, উহার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোন কমিশনার বা কমিশনের কোন কর্মকর্তাকে যেরূপ ক্ষমতা প্রদান করিবে, উক্ত কমিশনার বা কর্মকর্তা সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন।
অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা
১৯৷ (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:-
 
 
 
 
(ক) 27[সাক্ষীর প্রতি নোটিশ] জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং 28[***] সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা;
 
 
 
 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা;
 
 
 
 
(গ) 29[***] সাক্ষ্য গ্রহণ;
 
 
 
 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
 
 
 
 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য 30[নোটিশ] জারী করা; এবং
 
 
 
 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷
 
 
 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷
 
 
 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
31[ অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা]

২০৷ (১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও 32[ইহার] তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র কমিশন কর্তৃক 33[অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য] হইবে৷

 
 
 
 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ 34[অনুসন্ধান বা তদন্তের] জন্য কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহার অধঃস্তন কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে৷

 
 
 
 

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার, অপরাধ 35[অনুসন্ধান বা তদন্তের] বিষয়ে, থানার ভারপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষমতা থাকিবে৷

 
 
 
 

(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধান সত্ত্বেও, কমিশনারগণেরও এই আইনের অধীন অপরাধ 36[অনুসন্ধান বা তদন্তের] ক্ষমতা থাকিবে৷

 
 
তদন্তের সময়সীমা

37[২০ক। (১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে 38[:]

 

39[তবে, উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্যক্রম সম্পন্ন না হইবার যুক্তিসংগত কারণ থাকিলে তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনক্রমে কেবল বিশেষ ও ব্যতিক্রমধর্মী পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন উপযুক্ত মনে করিলে কারণ উল্লেখ সাপেক্ষে আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করিতে পারিবে।]

 
 

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

 
 

(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,-

 
 

(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং

 
 

(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।]

সরাসরি এজাহার দায়ের, গোপন ও তদন্তপূর্ব অনুসন্ধান, ইত্যাদি

40[২০কক।  (১) লিখিতভাবে কোন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট হইতে এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কেবল কমিশনের প্রধান কার্যালয় কর্তৃক যাছাই-বাছাই অন্তে কমিশনের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে সরাসরি এজাহার দায়েরের অনুমতি প্রদান করা যাইবে এবং সেইক্ষেত্রে তদন্তপূর্ব অনুসন্ধানের প্রয়োজন পড়িবে না।

(২) কোন আদালতের বিচারিক আদেশের অনুলিপি বা প্রশাসনিক চিঠি হইতে বা কোন সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হইতে তাহার নিজস্ব অনুসন্ধানে বা তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কমিশন সরাসরি এজাহার দায়ের করিবে এবং সেইক্ষেত্রে যাছাই-বাছাই বা তদন্তপূর্ব অনুসন্ধানের প্রয়োজন পড়িবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তথ্য বা বার্তার গুরুত্ব বিবেচনায় কমিশন স্বীয় তত্ত্বাবধানে যাছাই-বাছাই এবং অনুসন্ধান বা গোপন অনুসন্ধান করিতে পারিবে।

(৪) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাপ্ত অভিযোগের উপর গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে অভিযোগকারীকে অবহিত করিতে হইবে।]

[বিলুপ্ত]

41[***]

অভিযুক্ত ব্যক্তির শুনানী গ্রহণ
২২৷ দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে কমিশন যদি মনে করে যে, অভিযোগের সহিত সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বক্তব্য শ্রবণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে কমিশন উক্ত ব্যক্তিকে শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিবে৷
অভিযোগের 42[অনুসন্ধান বা] তদন্ত

২৩৷ 43[(১) কমিশন দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, সরকার বা সরকারের অধীনস্থ কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা হইতে যে কোন প্রতিবেদন বা তথ্য চাহিতে পারিবে বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পারদর্শী (Expert) এক বা একাধিক কর্মকর্তার বিশেষজ্ঞ সহায়তা চাহিতে পারিবে এবং যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে চাহিত প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া না যায়, তাহা হইলে কমিশন স্বীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত সম্পন্ন করিতে পারিবে।]

 
 
 
 

(২) কমিশন কর্তৃক স্বউদ্যোগে দুর্নীতি বিষয়ক কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্ত করিবার সময় সরকার বা সরকারের অধীনস্থ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কমিশন কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনকে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবে৷

 
 

44[(৩) উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান না করিলে বা স্বীয় উদ্যোগে বা বিবেচনায় তথ্যাদি সরবরাহ করিতে ব্যর্থ হইলে, কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।]

 
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা
২৪৷ এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশনারগণ এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন৷
কমিশনের আর্থিক স্বধীনতা

45[২৫।  (১) সরকার প্রতি অর্থ বৎসরে কমিশনের ব্যয়ের জন্য, কমিশন হইতে প্রাপ্ত প্রস্তাব বিবেচনাক্রমে, উহার অনুকূলে বাজেটে নির্দিষ্টকৃত অর্থ বরাদ্দ করিবে, এবং অনুমোদিত ও নির্ধারিত খাতে উক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ হইতে ব্যয় করিবার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা কমিশনের জন্য আবশ্যক হইবে না:

তবে, শর্ত থাকে যে, সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক জারীকৃত বন্ধকৃত ব্যয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান প্রযোজ্য হইবে।

(২) এই ধারার বিধান দ্বারা সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের অধিকার ক্ষুন্ন করা যাইবে না।]

সহায় সম্পত্তির ঘোষণা

২৬৷ (১) কমিশন কোন তথ্যের ভিত্তিতে 46[বা ইহার] বিবেচনায় প্রয়োজনীয় 47[অনুসন্ধান] পরিচালনার পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যক্তি, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি, বৈধ উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, তাহা হইলে কমিশন, লিখিত আদেশ দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়-দায়িত্বের বিবরণ দাখিলসহ উক্ত আদেশে নির্ধারিত অন্য যে কোন তথ্য দাখিলের নির্দেশ দিতে পারিবে৷

 
 

(২) যদি কোন ব্যক্তি-

 
 
 
 

(ক) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত আদেশ প্রাপ্তির পর তদ্‌নুযায়ী লিখিত বিবৃতি বা তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হন বা এমন কোন লিখিত বিবৃতি বা তথ্য প্রদান করেন যাহা ভিত্তিহীন বা মিথ্যা বলিয়া মনে করিবার যথার্থ কারণ থাকে, অথবা

 
 
 
 

(খ) কোন বই, হিসাব, রেকর্ড, ঘোষণা পত্র, রিটার্ণ বা উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন দলিল পত্র দাখিল করেন বা এমন কোন বিবৃতি প্রদান করেন যাহা ভিত্তিহীন বা মিথ্যা বলিয়া মনে করিবার যথার্থ কারণ থাকে,

 
 
 
 

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

 

48[(৩) এই ধারার বিধানসমূহ কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে।]

জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল

২৭৷ (১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বত্সর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।

 
 
 
 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।

 

49[(৩) এই ধারার বিধানসমূহ কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে।]

অপরাধের বিচার, ইত্যাদি

২৮৷ (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে 50[এবং অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্পেশাল জজ কারা-ফটকে জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত দরখাস্ত বা তদন্তকারীর হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত দরখাস্ত শুনানি করিতে পারিবেন এবং প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন]।

 
 
 
 

(২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর 51[***] বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷

 
 

(৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷

 

52[(৪) এই আইনের অধীন ও ইহার তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের বিচারকালে কোন ব্যক্তি অপরাধ স্বীকার করিয়া জরিমানা বা ক্ষতিপূরণ বা উভয়ই প্রদান করিতে সম্মত হইলে স্পেশাল জজ ন্যায়বিচারের স্বার্থে উপযুক্ত মনে করিলে উক্ত ব্যক্তির সাজা পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক মার্জনা করিতে পারিবেন।]

আমলযোগ্যতা, জামিন অযোগ্যতা, ইত্যাদি

53[২৮ক। অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও ইহার তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable), আপোষ অযোগ্য (non-compundable) এবং অ-জামিনযোগ্য (non-bailbale) হইবে।]

তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা
২৮খ। (১) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত কোন অপরাধের বিষয়ে কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কোন তথ্য (information) কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করা যাইবে না, বা কোন সাক্ষীকে অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় প্রকাশ করিতে দেওয়া বা প্রকাশ করিতে বাধ্য করা যাইবে না, বা এমন কোন তথ্য উপস্থাপন বা প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে না যাহাতে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশিত হয় বা হইতে পারে।
 
 
(২) কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলার সাক্ষ্য প্রমাণের অন্তর্ভুক্ত কোন বহি, দলিল বা কাগজপত্রে যদি এমন কিছু থাকে, যাহাতে তথ্য প্রদানকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহা হইলে আদালত কোন ব্যক্তিকে উক্ত বহি, দলিল বা কাগজপত্রের যে অংশে উক্তরূপ পরিচয় লিপিবদ্ধ থাকে সেই অংশ পরিদর্শনের অনুমতি প্রদান করিবে না।
 
 
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন ও উহার তফসিলে বর্ণিত কোন অপরাধের অভিযোগ পূর্ণ তদন্তের পর আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, তথ্য প্রদানকারী ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করিয়াছেন অথবা তথ্য প্রদানকারীর প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ ব্যতীত মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাহা হইলে আদালত তথ্য প্রদানকারীর পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ করিতে পারিবে।
 
মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড
২৮গ। (১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে 54[***] নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
 
 
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]
 
বার্ষিক ও অন্যান্য প্রতিবেদন

55[২৯।  (১) প্রতি পঞ্জিকা বৎসরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বৎসরের সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে।

(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।

(৩) জাতীয় সংসদ প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নিকট প্রেরণ করিবেন এবং কমিটি উহা পর্যালোচনা করিয়া প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করিতে পারিবে, যাহা জাতীয় সংসদে আলোচিত হইবে।

(৪) কমিশন ষান্মাসিক ভিত্তিতে সর্বসাধারণের জন্য কমিশনের ওয়েবসাইটে কমিশনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রকাশ করিবে যাহাতে নিম্নরূপ বিষয় অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-

(ক) প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা এবং যাচাই-বাছাই শেষে প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা;

(খ) কী কারণে কতগুলি অভিযোগ আমলে নেওয়া হইয়াছে বা হয় নাই, তাহার সংক্ষিপ্ত বিবরণ;

(গ) দুর্নীতির ধরন ও মাত্রা অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে চলমান বিভিন্ন মামলার সংখ্যা;

(ঘ) চলমান অনুসন্ধানের সংখ্যা ও ধরন;

(ঙ) গণমাধ্যমে প্রকাশিত গুরুতর ও বৃহৎ আকারের দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে কমিশনের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;

(চ) অর্থ পাচার সংক্রান্ত অপরাধের তদন্ত ও বিচারের অগ্রগতি;

(ছ) রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সহায়তার অবস্থা;

(জ) দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্য;

(ঝ) কমিশনের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন বিষয়ে অগ্রগতি।]

কমিশনের সাংগঠনিক কাঠামো, ইত্যাদি
৩০৷ কমিশনের সাংগঠনিক কাঠামো ও বাজেট সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে৷
সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
৩১৷ এই আইন বা তদ্‌ধীন প্রণীত বিধি বা আদেশের অধীন দায়িত্ব পালনকালে সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে, তজ্জন্য কমিশন, কোন কমিশনার অথবা কমিশনের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না৷
মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন, ইত্যাদি
56[৩২। (১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।
 
 
(২) এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।]
[বিলুপ্ত]

57[***]

কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট
৩৩৷ (১) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত এবং স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রসিকিউটর এর সমন্বয়ে কমিশনের অধীন উহার নিজস্ব একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকিবে৷
 
 
 
 
(২) উক্ত প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
 
 
 
 
(৩) এই ধারার অধীন কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন কর্তৃক অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত বা অনুমোদিত আইনজীবীগণ এই আইনের অধীন মামলাসমূহ পরিচালনা করিবে৷
 
 
 
 
(৪) এই ধারার অধীন নিযুক্ত প্রসিকিউটরগণ পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷
 
 
 
58[(৫) দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় অথবা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক গৃহীত যে কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালতে কেহ কোন প্রতিকার প্রার্থনা করিলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত কোন মামলায় বা কার্যক্রমে কোন ব্যক্তি জামিন কিংবা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার প্রার্থনা করিলে কমিশনকে শুনানীর জন্য যুক্তিসংগত সময় প্রদান না করিয়া শুনানি গ্রহণ করা যাইবে না।]
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
৩৪৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশন, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
বাংলাদেশ ব্যুরো অব এন্টি-করাপশন এর বিলুপ্তি, ইত্যাদি
৩৫৷ (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, “বাংলাদেশ ব্যুরো অব এন্টি-করাপশন”, অতঃপর উক্ত ব্যুরো বলিয়া অভিহিত-
 
 
 
 
(ক) ধারা ৩ এর অধীন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হইবার তারিখে বিলুপ্ত হইবে;
 
 
 
 
(খ) বিলুপ্ত হইবার সংগে সংগে উক্ত ব্যুরোর আওতাধীন সরকারের সকল সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা এবং সুবিধাদি কমিশনে ন্যস্ত হইবে; এবং
 
 
 
 
(গ) উক্ত ব্যুরোর কর্মকর্তা-কর্মচারী উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বেতন, ভাতা এবং কমিশনের পরামর্শক্রমে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত চাকুরীর অন্যান্য শর্তাধীনে চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিবেন৷
 
 
 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, কমিশন, তত্কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, যাচাই বাছাই করিয়া ব্যুরোর বিদ্যমান কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের মধ্যে যাহাদিগকে কমিশনের চাকুরীর জন্য উপযুক্ত মনে করিবে তাহাদিগকে কমিশনের চাকুরীতে বহাল রাখিবে এবং অবশিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে প্রত্যাহার করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করিবে, এবং উক্তরূপে অনুরূদ্ধ হইলে, সরকার উক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকে প্রত্যাহার করিয়া নিবে৷
জটিলতা নিরসনে সরকারের ক্ষমতা
৩৬৷ কমিশনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে এই আইনের বিধানে অস্পষ্টতার কারণে উহা কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা দেখা দিলে সরকার, অন্যান্য বিধানের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা উক্ত বিধানের স্পষ্টীকরণ বা ব্যাখ্যা প্রদান করতঃ কমিশনের করণীয় বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিতে পারিবে৷
আইনের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ
৩৭৷ এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, যথাশীঘ্র সম্ভব, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে:
 
 
 
 
তবে শর্ত থাকে যে, মূল বাংলা পাঠ এবং ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে৷
রহিতকরণ ও হেফাজত
৩৮৷ (১) এই আইন বলবত্ হইবার তারিখে the Anti-Corruption Act, 1957 (Act XXVI of 1957), অতঃপর উক্ত Act বলিয়া উল্লিখিত, এবং the Anti-Corruption (Tribunal) Ordinance, 1960 (Ord. No. XVI of 1960), অতঃপর উক্ত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে৷
 
 
(২) উক্ত Act রহিত হওয়া সত্ত্বেও, এই আইনের অধীন কমিশন প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত Act এর কার্যকরতা, যতদূর সম্ভব, এমনভাবে অব্যাহত থাকিবে যেন উক্ত Act রহিত হয় নাই৷
 
 
 
 
(৩) উক্ত Act রহিত হইবার অব্যবহিত পূর্বে উক্ত Act এর অধীন কোন অভিযোগের অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়েরের অনুমোদন নিষ্পত্তির অপেক্ষাধীন থাকিলে এই আইনের বিধান অনুযায়ী উক্ত অনুসন্ধান, তদন্ত এবং অনুমোদন কমিশন কর্তৃক সম্পন্ন করিতে হইবে৷
 
 
 
 
(৪) উক্ত Ordinance রহিত হইবার অব্যবহিত পূর্বে উক্ত Ordinance এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে কোন মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষাধীন থাকিলে উহা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকার এখ্‌তিয়ার সম্পন্ন স্পেশাল জজ এর নিকট স্থানান্তরিত হইবে৷
 
 

  • 1
    “উপ-ধারা (২ক) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২ ধারাবলে সংযোজিত।
  • 2
    দফা (ক) সংখ্যায়িত দফা (কক) এর পূর্বে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ২ ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 3
    “দফা (কক) ও (ককক) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৩(ক) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 4
    দফা (কক) হিসাবে বিদ্যমান দফা (ক) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ২ ধারাবলে সংখ্যায়িত।
  • 5
    বিদ্যমান দফা (কক), (ককক) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৩(খ) ধারাবলে পুনঃসংখ্যায়িত।
  • 6
    দফা (খখ) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৩(গ) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 7
    দফা (গগ) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৩(ঘ) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 8
    দফা (ঘঘ) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৩(ঙ) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 9
    দফা (টট) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ২ ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 10
    দফা (টটট) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৩(চ) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 11
    ধারা ২ক দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 12
    "দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে" শব্দগুলি "কমিশন" শব্দটির পর দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৪ ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 13
    উপ-ধারা (৩) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে সংযোজিত।
  • 14
    বিদ্যমান বিধান উপ-ধারা (১) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৫) ধারাবলে পুনঃসংখ্যায়িত।
  • 15
    উপ-ধারা (২) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৫ ধারাবলে সংযোজিত।
  • 16
    উপ-ধারা (১) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 17
    “যোগদানের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর” শব্দগুলি “নিয়োগের তারিখ হইতে চার বৎসর” শব্দগুলির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 18
    "৪ (চার)" সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনী "পাঁচ" শব্দটির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৭ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 19
    ধারা ৭ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৮ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 20
    উপ-ধারা (১) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৯(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 21
    দফা (কক) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ৯(খ) ধারাবলে সংযোজিত ।
  • 22
    "চেয়ারম্যান ও ২ (দুই) জন" শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী "চেয়ারম্যানসহ দুই জন" শব্দসমূহের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 23
    "," চিহ্ন উপ-ধারা (১) এর প্রান্তস্থিত "।" চিহ্নের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 24
    "তবে বিশেষ জরুরি প্রয়োজনে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ সাপেক্ষে নথিতে গৃহীত সিদ্ধান্তও কমিশন সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।” শব্দসমূহ ও চিহ্ন দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১১ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।
  • 25
    “নিয়োগ, আচরণ বিধি (Code of Conduct), শৃঙ্খলা ও আপীল বিধিসহ চাকুরীর” শব্দগুলি, বন্ধনীগুলি ও কমাগুলি “নিয়োগ ও চাকুরী” শব্দগুলির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 26
    ধারা ১৭ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 27
    “সাক্ষীর প্রতি নোটিশ” শব্দগুলি “সাক্ষীর সমন” শব্দগুলির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৭(ক)(অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 28
    “শপথের মাধ্যমে” শব্দগুলি দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৭(ক)(আ) ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 29
    “শপথের মাধ্যমে” শব্দগুলি দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৭(খ) ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 30
    “নেটিশ” শব্দ “পরোয়ানা” শব্দের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৭(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 31
    “অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা” শব্দগুলি “তদন্তের ক্ষমতা” শব্দগুলির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৩(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 32
    ইহার" "উহার" শব্দটির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 33
    “অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য” শব্দগুলি “তদন্তযোগ্য” শব্দের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৩(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 34
    “অনুসন্ধান বা তদন্তের” শব্দগুলি “তদন্তের” শব্দের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 35
    “অনুসন্ধান বা তদন্তের” শব্দগুলি “তদন্তের” শব্দের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 36
    “অনুসন্ধান বা তদন্তের” শব্দগুলি “তদন্তের” শব্দের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৩(গ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 37
    ধারা ২০ক দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৮ ধারাবলে সন্নিবেশিত।
  • 38
    ":" চিহ্ন "।" চিহ্নের এর পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 39
    "তবে, উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্যক্রম সম্পন্ন না হইবার যুক্তিসংগত কারণ থাকিলে তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনক্রমে কেবল বিশেষ ও ব্যতিক্রমধর্মী পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন উপযুক্ত মনে করিলে কারণ উল্লেখ সাপেক্ষে আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করিতে পারিবে।" শব্দগুলি, সংখ্যা ও চিহ্ন দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৪ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।
  • 40
    ধারা ২০কক দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।
  • 41
    ধারা ২১ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৬ ধারাবলে বিলুপ্ত ।
  • 42
    "অনুসন্ধান বা" শব্দটি দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৭ ধারাবলে সন্নিবেশিত ।
  • 43
    উপ-ধারা (১) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৯(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 44
    উপ-ধারা (৩) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ৯(খ) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 45
    ধারা ২৫ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৮ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 46
    "বা ইহার" শব্দগুলি "এবং উহার" শব্দগুলির পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৯(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত ।
  • 47
    “অনুসন্ধান” শব্দ “তদন্ত” শব্দের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 48
    উপ-ধারা (৩) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ১৯(খ) ধারাবলে সংযোজিত ।
  • 49
    উপ-ধারা (৩) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২০ ধারাবলে সংযোজিত।
  • 50
    "এবং অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্পেশাল জজ কারা-ফটকে জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত দরখাস্ত বা তদন্তকারীর হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত দরখাস্ত শুনানি করিতে পারিবেন এবং প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন" শব্দগুলি দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২১(ক) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 51
    “section 6 এর sub-section (5) এবং sub-section (6) এর বিধান ব্যতীত অন্যান্য” শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি এবং বন্ধনীগুলি দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ১০ ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 52
    উপ-ধারা (৪) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২১(খ) ধারাবলে সংযোজিত।
  • 53
    ধারা ২৮ক দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 54
    “সম্পূর্ণরূপে” শব্দ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ (২০১৬ সনের ২৫ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 55
    ধারা ২৯ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২৩ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 56
    ধারা ৩২ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০৭ (২০০৭ সনের ৭ নং অধ্যাদেশ) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
  • 57
    ধারা ৩২ক দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর ২৪ ধারাবলে বিলুপ্ত।
  • 58
    উপ-ধারা (৫) দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৬০ নং আইন) এর ১৪ ধারাবলে সংযোজিত।
Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs