প্রিন্ট

01/03/2024
Laws of Bangladesh

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

( ২০১২ সনের ৩ নং আইন )

ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা
২২। (১) এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ট্রাইব্যুনালের দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে এবং ট্রাইব্যুনাল ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোন সুরক্ষামূলক (protective order) আদেশসহ কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তাহাদের অধীনে বা ব্যবস্থাপনায় থাকা কোন প্রতিবেদন, দলিল বা নিবন্ধন-বহি (register) ট্রাইব্যুনালের নিকট উত্থাপন করিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
 
 
 
(২) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচার অথবা কোন ভিকটিম বা সাক্ষীর নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাইব্যুনাল যে কোন স্থানে নিজে অথবা কমিশনের মাধ্যমে, সরাসরি বা ইলেকট্রনিক উপায়ে, কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ বা তাহাকে পরীক্ষা করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন কোন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিবেদন, তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করিয়া, সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করিতে পারিবে।
 
 
 
 
(৩) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার চলাকালে অথবা কোন অপরাধের অভিযোগ উত্থাপনের পূর্বে ট্রাইব্যুনাল কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে বা স্বীয় ক্ষমতাবলে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত এবং শর্তাধীনে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে কোন সরকারি বা বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে বা সমাজসেবা অধিদপ্তরসহ কোন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হেফাজতে প্রদান করিতে পারিবে এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি নারী বা শিশু হইলে ট্রাইব্যুনাল এই উপ-ধারার অধীনে আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে তাহার মতামত বিবেচনা করিতে পারিবে।
 
 
 
 
(৪) কোন মামলায় চার্জ গঠনের পূর্বকাল পর্যন্ত, প্রয়োজনীয় ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট উপ-ধারা (৩) এ প্রদত্ত ক্ষমতা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন-সাপেক্ষে (adaptation) , প্রয়োগ করিতে পারিবে।
 
 
 
 
(৫) এই আইনের অধীন অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশন পক্ষের (prosecution) বক্তব্য শুনিয়া এবং কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া জামিন প্রদান করিতে পারিবে এবং এই উপ-ধারার অধীন জামিন প্রদানের ক্ষেত্রে স্ব-বিবেচনা (discretion) প্রয়োগের সময় ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি সংঘটিত অপরাধের তীব্রতা, ভিকটিম এবং সাক্ষীর নিরাপত্তা ও ক্ষতি এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধের পূর্ব-ইতিহাস বিবেচনা করিবে।
 
 
 
 
(৬) কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিন প্রদানের সময় জামিন-আদেশের সহিত ট্রাইব্যুনাল তদকর্তৃক নির্দিষ্টকৃত দিনে জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পুলিশের নিকট বা ট্রাইব্যুনালের কোন কর্মকর্তার নিকট হাজিরা প্রদান করিবার নির্দেশনাসহ নিয়ন্ত্রণ-আদেশ (control order) সংযুক্ত করিতে পারিবে।

Copyright © 2019, Legislative and Parliamentary Affairs Division
Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs